নজিরবিহীন সংকটে ইসরাইল! পতন কি আসন্ন?
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i126024-নজিরবিহীন_সংকটে_ইসরাইল!_পতন_কি_আসন্ন
ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিলুপ্তি কি সত্যিই ঘনিয়ে আসছে? এখন ইরান বা লেবাননের হিজবুল্লাহর নেতারাই কেবল এই বক্তব্য বা প্রশ্ন তুলছেন না, বরং ইসরাইলি নেতারাই বার বার এই আশঙ্কার কথা তুলে ধরেছেন।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জুলাই ২৬, ২০২৩ ১০:২২ Asia/Dhaka

ইহুদিবাদী ইসরাইলের বিলুপ্তি কি সত্যিই ঘনিয়ে আসছে? এখন ইরান বা লেবাননের হিজবুল্লাহর নেতারাই কেবল এই বক্তব্য বা প্রশ্ন তুলছেন না, বরং ইসরাইলি নেতারাই বার বার এই আশঙ্কার কথা তুলে ধরেছেন।

সম্প্রতি দখলদার ইসরাইলের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইহুদ ওলমার্ট বলেছেন, দেশ মারাত্মক ঝুঁকির মুখে রয়েছে এবং ক্রমেই গৃহযুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। ইসরাইলের অভ্যন্তরীন গোয়েন্দা সংস্থা শিনবেথও গৃহযুদ্ধের আশঙ্কার কথা উল্লেখ করেছে। 

ব্যাপক প্রতিবাদ ও গণবিক্ষোভ সত্ত্বেও ইসরাইলি পার্লামেন্ট গত সোমবার সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা খর্ব করা সংক্রান্ত একটি বিল পাস করেছে। এর ফলে বাস্তবে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর মন্ত্রিসভার ক্ষমতা বাড়বে।

ওলমার্ট আরও বলেছেন, ইসরাইলের মন্ত্রীসভা গণতন্ত্রের ভিত্তিগুলোর জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে যা আমাদের পক্ষে সহ্য করা সম্ভব নয়।   

এর আগে ইসরাইলের সাবেক যুদ্ধমন্ত্রী বেনি গান্তজ সতর্ক করে বলেছিলেন, বিচারিক কাঠামো পরিবর্তনের বিল পাস করা হলে গৃহযুদ্ধ দেখা দিতে পারে। সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা হ্রাসের প্রস্তাবটি সোমবার সংসদে পাস হওয়ার পর থেকে  দখলদার ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতে অস্থিরতা ও ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। বিক্ষোভকারী ও ইহুদিবাদী সেনাবাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।

 ইসরাইলিদের মধ্যে বিভাজন এখন প্রকট হয়ে উঠছে। ধর্মঘট ডেকেছে ইসরাইলি চিকিৎসক সম্প্রদায়। সরকারি নির্দেশ অমান্য করার অঙ্গীকার করেছে ইসরাইলি সশস্ত্র ও বিমান বাহিনীর হাজার হাজার রিজার্ভ সেনাও। 

লেবাননের ইসলামী প্রতিরোধ আন্দোলন হিজবুল্লাহর মহাসচিব সাইয়্যেদ হাসান নাসরুল্লাহও বলেছেন যে ইসরাইল তার সবচেয়ে খারাপ দিনগুলো প্রত্যক্ষ করছে এবং পতনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে অবৈধ এই রাষ্ট্র। 

ইসরাইলের ইহুদিবাদী সরকার যে বর্ণবাদী ও অগণতান্ত্রিক তা ইসরাইলি ইহুদিদের কাছেই সুস্পষ্ট হয়ে উঠেছে। অবশ্য ইসরাইল তার এই শোচনীয় দশার দিক থেকে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি অন্যদিকে সরিয়ে রাখতেই ইউরোপের কোনো কোনো দেশ পবিত্র কুরআন অবমাননার ঘটনা ঘটাচ্ছে পরোক্ষভাবে বা নেপথ্যে মদদ যুগিয়ে।

ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ যোদ্ধাদের পক্ষ থেকেও ইসরাইলকে আঘাত করার ও বিষাক্ত এই ক্যান্সারকে উপড়ে ফেলার প্রক্রিয়াও হয়তো খুব শিগগিরই জোরালো হয়ে উঠবে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হযরত আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়িও সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার এই সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন যে যেমনটা মনে করা হচ্ছে তার বেশ আগেই ইসরাইলের পতন ঘটতে পারে।  #

পার্সটুডে/এমএএইচ/২৬

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।