গাজায় ইসরাইলি আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়া
ইরাক ও সিরিয়ায় আমেরিকার ঘাঁটিতে হামলা, বাগদাদে মার্কিন দূতাবাসের কাছে বিস্ফোরণ
-
বাগদাদে মার্কিন দূতাবাস
ইরাকের পশ্চিমাঞ্চলীয় আল-আনবার প্রদেশে অবস্থিত আমেরিকার আইন আল-আসাদ বিমানঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা হয়েছে। ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় মার্কিন মদদে ইসরাইল আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়ায় ইরাকের প্রতিরোধ সংগঠন এই হামলা চালায়।
ইসলামিক রেজিস্টেন্স অব ইরাক আজ (শুক্রবার) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, "গাজায় ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে ইসরাইলি শত্রুদের যুদ্ধাপরাধের প্রতিক্রিয়ায় আজ 'আইন আল-আসাদ' ঘাঁটিতে কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে আঘাত হানা হয়।"
এর আগে প্রকাশিত বিবৃতিতে প্রতিরোধ সংগঠনটি বলেছে, সিরিয়ার কনোকো তেলক্ষেত্রে অবস্থিত আমেরিকার ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সরাসরি আঘাত করেছে ইরাকের প্রতিরোধ যোদ্ধারা।
এদিকে, বার্তা সংস্থা রয়র্টাস জানিয়েছে, আজ (শুক্রবার) স্থানীয় সময় ভোররাত ৪টার দিকে ইরাকের রাজধানী বাগদাদের অত্যন্ত সুরক্ষিত গ্রিন জোনে মার্কিন দূতাবাসের কাছে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। সেগুলো ঠিক কোথায় আঘাত হেনেছে এবং কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না, পরিষ্কার হয়নি।
সামাজিক মাধ্যমে আসা ভিডিওর বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, রকেট হামলার সময় লোকজনকে সতর্ক করতে গ্রিন জোনের ভেতরে সাইরেন বেজে ওঠে। ঘটনার বিষয়ে মন্তব্যের জন্য রয়টার্সের করা অনুরোধে মার্কিন দূতাবাসের মুখপাত্র তাৎক্ষণিভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানাননি।
৭ অক্টোবর ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাস ইসরাইলের অভ্যন্তরে নজিরবিহীন অভিযান পরিচালনা করে। ওই হামলার দিন থেকেই গাজা উপত্যকায়য় ভয়াবহ আক্রমণ শুরু করে ইসরাইল। তাদের হামলায় গত দুই মাসে গাজায় ১৭ হাজারেও বেশি ফিলিস্তিনি শহীদ হয়েছে।
বর্বরোচিত এই হামলায় দখলদার ইসরাইলকে সামরিকসহ সব ধরনের সমর্থন দিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এর প্রতিক্রিয়ায় অক্টোবরের মাঝামাঝি থেকে এ পর্যন্ত ইরাক ও প্রতিবেশী সিরিয়ায় মার্কিন সামরিক বাহিনীর অবস্থাগুলোতে ৭০টিরও বেশি হামলা হয়েছে। ইরাক ও সিরিয়ার প্রতিরোধ সংগঠনগুলো এসব হামলার দায় স্বীকার করেছে।#
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/৮
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।