সিরিয়ার মানবিজ শহরের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেবে আঙ্কারা: তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী
-
তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসওগ্লু
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসওগ্লু বলেছেন, দায়েশের হাত থেকে সিরিয়ার মানবিজ শহর পুরোপুরি মুক্ত না হওয়া পর্যন্ত সেখানে তার দেশের সেনা অভিযান চলবে। তুর্কি-সমর্থিত কথিত ফ্রি সিরিয়ান আর্মি (এফএসএ) দায়েশের হাত থেকে দাবিক শহরটির দখল নেয়ার পর এ ঘোষণা দেন চাভুসওগ্লু।
তুর্কি-সিরিয়া সীমান্ত থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে এবং মানবিজ শহরের কাছে অবস্থিত দাবিক শহরটি থেকে রোববার দায়েশকে বিতাড়িত করে এফএসএ। সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল-আসাদ সরকারকে উৎখাতের লক্ষ্যে এফএসএ-কে প্রকাশ্যে পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছে তুরস্ক।
তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দাবিক সম্পূর্ণ দায়েশমুক্ত হয়েছে এবং এর পার্শ্ববর্তী দুটি গ্রামও নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে এফএসএ। ওই এলাকায় এফএসএ’র পাশাপাশি তুরস্কের সেনাবাহিনীও তৎপর রয়েছে।
এদিকে, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোগানের একজন মুখপাত্র বলেছেন, দাবিক শহর মুক্ত হওয়ার পর এখন তুর্কি সমর্থিত গেরিলারা গোটা সিরিয়া-তুরস্ক সীমান্তে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠার দিকে মনযোগ দেবে। এজন্য জঙ্গি গোষ্ঠী দায়েশের হাতে থাকা আল-বাব শহর মুক্ত করা হবে বলে তিনি জানান। ওই মুখপাত্র বলেন, যতক্ষণ তুর্কি-সিরিয়া সীমান্ত নিরাপদ না হচ্ছে এবং তুর্কি জনগণের ওপর সন্ত্রাসী হামলার আশঙ্কা থেকে যাচ্ছে ততক্ষণ ‘অপারেশন ইউফ্রেটিস শিল্ড’ অব্যাহত থাকবে।
গত কয়েক মাস ধরে দামেস্কের ইচ্ছার বিপরীতে সিরিয়ার ভেতরে সামরিক অভিযান চালাচ্ছে তুরস্ক। উগ্র তাকফিরি জঙ্গি গোষ্ঠী দায়েশের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর দাবি করছে আঙ্কারা। কিন্তু পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, সিরিয়ার কুর্দি জনগোষ্ঠী হচ্ছে তুরস্কের প্রধান লক্ষ্যবস্তু। এছাড়া, সিরিয়ায় স্থায়ী সেনা উপস্থিতিও তুরস্কের আরেকটি সুপ্ত লক্ষ্য বলে তারা মনে করছেন।#
পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/১৭