পশ্চিম এশিয়ার নেতৃত্ব দেয়ার জন্য ইরানই সবচেয়ে যোগ্য: নিউইয়র্ক টাইমস
https://parstoday.ir/bn/news/west_asia-i67595-পশ্চিম_এশিয়ার_নেতৃত্ব_দেয়ার_জন্য_ইরানই_সবচেয়ে_যোগ্য_নিউইয়র্ক_টাইমস
মার্কিন দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমস লিখেছে, মধ্যপ্রাচ্য বা এশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে নেতৃত্ব দেয়ার ক্ষেত্রে অন্য কোনো মুসলিম দেশই ইরানের মত উপযুক্ত ভূমিকা রাখতে সক্ষম নয়। ইরানের অসাধারণ সম্পদ, অবস্থান, সংস্কৃতি, বুদ্ধিবৃত্তি ও অভিজ্ঞতার মত বিষয়গুলো অন্য কোনো মুসলিম দেশের নেই বলে দৈনিকটি উল্লেখ করেছে।
(last modified 2026-07-21T05:57:31+00:00 )
জানুয়ারি ২৫, ২০১৯ ১৩:১২ Asia/Dhaka
  • পশ্চিম এশিয়ার নেতৃত্ব দেয়ার জন্য ইরানই সবচেয়ে যোগ্য: নিউইয়র্ক টাইমস

মার্কিন দৈনিক নিউইয়র্ক টাইমস লিখেছে, মধ্যপ্রাচ্য বা এশিয়ার পশ্চিমাঞ্চলে নেতৃত্ব দেয়ার ক্ষেত্রে অন্য কোনো মুসলিম দেশই ইরানের মত উপযুক্ত ভূমিকা রাখতে সক্ষম নয়। ইরানের অসাধারণ সম্পদ, অবস্থান, সংস্কৃতি, বুদ্ধিবৃত্তি ও অভিজ্ঞতার মত বিষয়গুলো অন্য কোনো মুসলিম দেশের নেই বলে দৈনিকটি উল্লেখ করেছে।

দৈনিকটি সম্প্রতি ইরান-মার্কিন সম্পর্কের ওপর মন্তব্য করতে গিয়ে ওই অভিমত তুলে ধরে। এরই আলোকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরামর্শ দিয়ে নিউইয়র্ক টাইমস লিখেছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা চাইলে তার উচিত ইরানের সঙ্গে শত্রুতা বাদ দিয়ে আলোচনায় বসা। 

দৈনিকটি আরও লিখেছে, ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামী বিপ্লব হওয়ার পর থেকে গত চল্লিশ বছর ধরে ইরান-মার্কিন সম্পর্ক বিদ্বেষপূর্ণ থেকেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের শাসনামলে এই সম্পর্ক আরও শোচনীয় হয়েছে। ১৯৭৯ সনে ইরানের বিপ্লবী ছাত্রদের হাতে মার্কিন দূতাবাস দখলের ঘটনার সময় সেখানে উপস্থিত কূটনীতিকদের অন্যতম জন লিমবার্টও বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ না করাটাই সবচেয়ে ভাল পন্থা বলে আমি মনে করি। সাবেক এই মার্কিন কূটনীতিক তার পরিবার ও নাতি-নাতনিদের নিয়ে ইরান সফর করতে আগ্রহী ও তিনি ইরানকে মার্কিনীদের কাছে পরিচিত করার ব্যাপারে সাহায্য করতে চান। কিন্তু ইরান তাকে ভিসা দেবে না বলেই নিউইয়র্ক টাইমস মনে করছে। সাবেক এই মার্কিন কূটনীতিক এখনও ইরানের প্রতি গভীর আকর্ষণ অনুভব করছেন। 

নিউইয়র্ক টাইমস আরও লিখেছে, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী পম্পেও ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন ট্রাম্পের সরকারে যোগ দেয়ার আগে ইরানে ইসলামী সরকারের পতন ঘটানো ও সেখানে হামলার নীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন, কিন্তু এই নীতিকে এগিয়ে নেয়া এখন খুবই কঠিন। নিউইয়র্ক টাইমস লিখেছে, এক জরিপে দেখা গেছে খুব কম মার্কিন নাগরিক ইরানে এসেছেন অথবা ইরান সম্পর্কে খোঁজ-খবর রাখেন। আর তাই তারা ইরানের সঙ্গে আলোচনার কথা খুব কমই বলছেন।

ইরানের সঙ্গে মার্কিন সরকারের অব্যাহত শত্রুতার জন্য ইরান-বিরোধী সৌদি, ইহুদিবাদী ও সন্ত্রাসী মুনাফিক বা এমকেও গোষ্ঠীর তৎপরতাকেও দায়ী করেছে নিউইয়র্ক টাইমস। মার্কিন সরকারের ওপর ইরান-বিরোধী এই লবিগুলোর প্রভাবের কথা তুলে ধরে নিউইয়র্ক টাইমস আরও লিখেছে, সম্প্রতি ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বলেছেন, ইরান একের পর এক নানা দেশকে গিলে ফেলছে এবং তিনি দৃষ্টান্ত হিসেবে সিরিয়া, ইয়েমেন, লেবানন ও ইরাকের কথা উল্লেখ করেন। ইরান ইসরাইলকে ধ্বংসের জন্য পরিকল্পনা করছে বা পদক্ষেপ নিচ্ছে- তাই ইসরাইল নীরব থাকতে পারে না বলেও নেতানিয়াহু দাবি করেন। ইরান সিরিয়া, লেবানন ও গাজাকে ইসরাইলে হামলার জন্য ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের চেষ্টা করছে এবং ইরানিরা ইসরাইলকে ধ্বংসের জন্যই এসব চেষ্টা চালানোর কথা প্রকাশ্যে ঘোষণা করছেও বলেও নেতানিয়াহু মন্তব্য করেছেন।  #

পার্সটুডে/এমএএইচ/২৫

খবরসহ আমাদের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত সব লেখা ফেসবুকে পেতে এখানে ক্লিক করুন এবং নোটিফিকেশনের জন্য লাইক দিন