ইউক্রেনে সেনা পাঠাতে চায় ব্রিটিশ সরকার; বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে জনমত
https://parstoday.ir/bn/news/world-i154450-ইউক্রেনে_সেনা_পাঠাতে_চায়_ব্রিটিশ_সরকার_বাধা_হয়ে_দাঁড়িয়েছে_জনমত
পার্সটুডে- ব্রিটিশ সরকার ইউক্রেনে বহুজাতিক “শান্তিরক্ষী বাহিনী”-তে অংশগ্রহণে আগ্রহী হলেও দেশটির জনমত অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে নতুন কোনো সামরিক কার্যক্রমে যুক্ত হতে অনাগ্রহী।
(last modified 2026-01-18T14:26:52+00:00 )
নভেম্বর ২৬, ২০২৫ ২০:০০ Asia/Dhaka
  • ইউক্রেনে সেনা পাঠাতে চায় ব্রিটিশ সরকার; বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে জনমত
    ইউক্রেনে সেনা পাঠাতে চায় ব্রিটিশ সরকার; বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে জনমত

পার্সটুডে- ব্রিটিশ সরকার ইউক্রেনে বহুজাতিক “শান্তিরক্ষী বাহিনী”-তে অংশগ্রহণে আগ্রহী হলেও দেশটির জনমত অভ্যন্তরীণ সংকটের কারণে নতুন কোনো সামরিক কার্যক্রমে যুক্ত হতে অনাগ্রহী।

কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বাধীন ব্রিটেন সরকার গণমাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে ইউক্রেনে “শান্তিরক্ষী” বাহিনীর নামে সেনা পাঠানোর পরিকল্পনাকে যুক্তিসঙ্গত দেখানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু একই সময়ে ব্রিটেনের সাধারণ মানুষ নিজেদেরকে অর্থনৈতিক সংকট ও যুদ্ধের কারণে ক্লান্ত হিসেবে দেখছে, এ কারণে তারা নতুন কোনো সামরিক কার্যক্রমে আগ্রহ দেখাচ্ছে না।

পার্সটুডের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্রিটেনের মূলধারার গণমাধ্যমগুলো “শান্তি নিশ্চিতকরণ” ও “আন্তর্জাতিক দায়বদ্ধতা”-র মতো ধারণাগুলোকে গুরুত্ব দিয়ে ইউক্রেনে সামরিক উপস্থিতিকে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবে উপস্থাপন করছে। তবে স্বাধীন ধারার সংবাদমাধ্যম ও বিশ্লেষকরা ইরাক ও আফগানিস্তানে ব্যর্থতার অভিজ্ঞতার কথা উল্লেখ করে এই বলে সতর্ক করছেন যে, ব্রিটেন আরেকটি সামরিক সংঘাতের সক্ষমতা রাখে না।

জরিপগুলোর ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, সেনা পাঠানোর পক্ষে জনসমর্থন উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে এবং অনেক নাগরিক তীব্র অর্থনৈতিক চাপে বিদেশি মিশনে বাজেট বরাদ্দকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছেন।

স্টারমার সরকার আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতি ও অভ্যন্তরীণ চাপ- এই দুইয়ের মধ্যে আটকে গেছে। এ কারণে ধারণা করা হচ্ছে ইউক্রেনে সেনা মোতায়েনের সিদ্ধান্ত ইস্যুতে ব্রিটিশ রাজনীতি উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।#

পার্সটুডে/এসএ/২৬

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন