ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রই ইসরায়েলকে তার জায়গায় বসিয়ে দিয়েছে: আলী লারিজানি
-
ড. আলী লারিজানি
পার্সটুডে: ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সচিব ড. আলী লারিজানি বলেছেন, ইহুদিবাদী ইসরায়েল এই অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার করতে চেয়েছিল, কিন্তু ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দিয়েছে। তার ভাষায়, ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রই এই দখলদারদেরকে “তার জায়গায় বসিয়ে দিয়েছে”।
মঙ্গলবার ওমানের সুলতানের সঙ্গে সাক্ষাতের পর ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন লারিজানি। তিনি জানান, ওমানের সুলতানের সঙ্গে বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ এবং পারস্পরিক বিভিন্ন সমস্যার সমাধান নিয়ে বিস্তৃত আলোচনা হয়েছে। লারিজানি বলেন, দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের বিষয়ে উভয় পক্ষই আগ্রহ প্রকাশ করেছে এবং সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ইরান ও ওমানের অর্থনৈতিক সম্পর্ক সম্প্রসারণে ওমানের সুলতান স্পষ্ট ও ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছেন। তার মতে, এই সহযোগিতা দুই দেশের সম্পর্ককে আরও গভীর করবে।
এ সময় তিনি ইসলামী বিপ্লবের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম খোমেনী (রহ.)-এর একটি বিখ্যাত বক্তব্যের উল্লেখ করেন। ইমাম খোমেনী ইসরায়েলকে এই অঞ্চলের একটি ‘বিষাক্ত ক্যান্সার’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। সেই বক্তব্য স্মরণ করে লারিজানি বলেন, ইসরায়েল এই অঞ্চলে প্রভাব বিস্তার ও কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিল, কিন্তু ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা সেই লক্ষ্য ব্যর্থ করে দিয়েছে।
ইসলামি বিপ্লব বিশ্বব্যাপী নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে: হিজবুল্লাহ মহাসচিব
লেবাননের হিজবুল্লাহর মহাসচিব শেখ নাঈম কাসেম বলেন, ১৯৭৯ সালে ইসলামি বিপ্লবের বিজয়ের পর ইরান বিশ্বজুড়ে নিপীড়িত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে। তিনি বলেন, ইসলামি বিপ্লব মধ্যপ্রাচ্যে প্রতিরোধ আন্দোলনকে পুনরুজ্জীবিত করেছে এবং ফিলিস্তিন মুক্তির আন্দোলনকে নতুন গতি দিয়েছে।
শেখ নাঈম কাসেম বলেন, ইরান আজও শক্ত অবস্থানে রয়েছে এবং ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ খামেনেয়ির নেতৃত্বে দেশটি ধারাবাহিকভাবে অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে। তিনি আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, এই ধারাবাহিকতায় ইরান ভবিষ্যতেও বিজয়ী থাকবে।

এপস্টেইন কেলেঙ্কারির পর যুক্তরাষ্ট্রে তোলপাড়
কুখ্যাত ধনকুবের ও যৌন পাচারকারী জেফরি এপস্টেইন–সংক্রান্ত তদন্তের তিন মিলিয়নের বেশি নথি প্রকাশের পর যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে আলোচনার ঝড় উঠেছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, ২০০০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প স্বীকার করেছিলেন, “সবাই এপস্টেইনের অসদাচরণ সম্পর্কে জানত।”
প্রতিবেদনে বলা হয়, ট্রাম্প ঠিক কখন এবং কতটা এপস্টেইনের অপরাধ সম্পর্কে জানতেন—এই প্রশ্ন এখন তার দ্বিতীয় মেয়াদের প্রেসিডেন্সির ওপর রাজনৈতিক চাপ তৈরি করছে। বিষয়টি যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমাতে হবে: ইউরোপীয় প্রতিরক্ষা কমিশনার
ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিরক্ষা কমিশনার আন্দ্রিয়ুস কুবিলিউস বলেছেন, ইউরোপকে নিজেদের কৌশলগত সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে এবং প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের ওপর নির্ভরতা কমাতে হবে।
তিনি বলেন, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে ইউরোপের স্বাধীনতা মানে ন্যাটোর বাইরে গিয়ে কাজ করা নয়। বরং ন্যাটোর কাঠামোর মধ্যেই ইউরোপের সামরিক সক্ষমতা জোরদার করলে মহাদেশটির নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে। এতে ইউরোপীয় ইউনিয়ন তার ট্রান্সআটলান্টিক অংশীদারদের প্রত্যাশাও পূরণ করতে পারবে।
তাইওয়ানের স্বাধীনতাকামী শক্তির উসকানির কঠোর জবাব দেওয়া হবে: চীন
চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জিয়াং বিন বলেছেন, চীনা সেনাবাহিনী তাইওয়ানের যেকোনো সশস্ত্র স্বাধীনতাকামী শক্তির উসকানির কঠোর জবাব দেবে। তার ভাষায়, যারা যুদ্ধ উসকে দেওয়ার দুঃসাহস দেখাবে, তাদের ধ্বংস করা হবে।
এর আগে ‘তাইওয়ান নিউজ’ জানায়, তাইওয়ানের সশস্ত্র বাহিনী পেংহু ও ডংইন নামের দূরবর্তী দ্বীপগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের হিমার্স (HIMARS) ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েনের পরিকল্পনা করছে। এ খবর প্রকাশের পরই চীনের পক্ষ থেকে এই কঠোর প্রতিক্রিয়া জানানো হয়।#
পার্সটুডে/এমএআর/১১