একমেরু কেন্দ্রিক বিশ্বের অস্তিত্বের কোনো অধিকার নেই: জাখারোভা
https://parstoday.ir/bn/news/world-i159894-একমেরু_কেন্দ্রিক_বিশ্বের_অস্তিত্বের_কোনো_অধিকার_নেই_জাখারোভা
পার্সটুডে- রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র একমেরু কেন্দ্রিক বিশ্ব ব্যবস্থা বিলুপ্ত হওয়া আবশ্যক বলে উল্লেখ করে করেছেন। তিনি বলেন, জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান ও ঔপনিবেশিক প্রথার অবসানের মাধ্যমে প্রকৃত বহুমেরু কেন্দ্রিক বিশ্ব ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।
(last modified 2026-06-01T04:58:11+00:00 )
জুন ০১, ২০২৬ ১০:৫৫ Asia/Dhaka
  • রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা
    রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা

পার্সটুডে- রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র একমেরু কেন্দ্রিক বিশ্ব ব্যবস্থা বিলুপ্ত হওয়া আবশ্যক বলে উল্লেখ করে করেছেন। তিনি বলেন, জাতীয় সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান ও ঔপনিবেশিক প্রথার অবসানের মাধ্যমে প্রকৃত বহুমেরু কেন্দ্রিক বিশ্ব ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।

পার্সটুডে জানিয়েছে, রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা, ব্রিকস টিভি চ্যানেলের নতুন বৈশ্বিক নিরাপত্তা কাঠামোর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কিত একটি প্রশ্নের জবাবে, প্রথমে একমেরু পদ্ধতির সমালোচনা করে বলেন, একক সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী কেন্দ্র দ্বারা বিশ্বকে শাসন করা শুধু ভুলই নয় বরং এই প্রথার অস্তিত্বেরও কোনো অধিকার নেই। তিনি জোর দিয়ে বলেন, কোনো দেশেরই তার নিজের ইচ্ছানুযায়ী অন্য কোনো দেশের ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করার সুযোগ নেই।

জাখারোভ বলেন, ভবিষ্যৎ বিশ্বের প্রধান বৈশিষ্ট্য হবে ঔপনিবেশিক প্রথা এবং বর্ণবৈষম্যের অবসান।  দ্বিতীয় বৈশিষ্ট্যটি হবে বহুমেরু কেন্দ্রিক বিশ্ব ব্যবস্থার ধারণা, যা কেবল একটি রাজনৈতিক স্লোগান নয়, বরং একটি বাস্তবতা। বহুমেরু কেন্দ্রিক ব্যবস্থা অঞ্চল, দেশ এবং জোটগুলোকে তাদের অর্থনৈতিক, মানবিক, সাংস্কৃতিক এবং সভ্যতা বিকশিত হতে সাহায্য করেবে। ব্রিকস, এসসিও এবং ইএইইউ-এর মতো প্রতিষ্ঠানগুলো বহু বছর ধরে সফলভাবে কাজ করে আসছে এবং পশ্চিমা বিশ্বের দ্বারা প্রাথমিকভাবে উপেক্ষিত হওয়া সত্ত্বেও আরও শক্তিশালী হয়ে উঠেছে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, এই বহুমেরু কেন্দ্রিক বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো পারস্পরিক শ্রদ্ধা, জাতীয় সার্বভৌমত্ব সংরক্ষণ এবং রাষ্ট্রসমূহের স্বাধীনতার উপর ভিত্তি করে জাতিসংঘের সনদ মেনে চলা।#

সাইবারস্পেস সুরক্ষা এবং ডিপফেক মোকাবেলার কার্যকর উদ্যোগ সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে জাখারোভা বলেন যে, জীবনের সকল ক্ষেত্রের ডিজিটালাইজেশন উন্নয়নশীল দেশগুলোকে প্রযুক্তিগত শোষণের ঝুঁকিতে ফেলেছে। তার মতে, বিদেশি সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার চাপিয়ে দেওয়া মানে উন্নয়ন নয়, বরং এটি জ্ঞান ও প্রযুক্তিগত নির্ভরশীলতা তৈরি করে এবং নাগরিকদের সংবেদনশীল তথ্যের ওপর সরাসরি নজরদারি চালায়। এমনকি ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলোও উপলব্ধি করেছে যে, এই আমদানি করা ডিজিটাল পরিবেশে একীভূত হওয়ার মাধ্যমে তারা সম্পূর্ণরূপে অরক্ষিত এবং নিয়ন্ত্রিত হয়ে পড়েছে।

পার্সটুডে/এমআরএইচ/১

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।