জাতিসংঘে লেবানন ইস্যুতে ক্ষোভ: ইসরায়েলি হামলা বন্ধ ও সেনা প্রত্যাহারের দাবি
https://parstoday.ir/bn/news/world-i159938-জাতিসংঘে_লেবানন_ইস্যুতে_ক্ষোভ_ইসরায়েলি_হামলা_বন্ধ_ও_সেনা_প্রত্যাহারের_দাবি
লেবাননের ওপর ইসরায়েলি হামলা নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকে বিভিন্ন দেশ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বৈঠকে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিরা হামলা অবিলম্বে বন্ধ এবং লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
(last modified 2026-06-02T11:43:35+00:00 )
জুন ০২, ২০২৬ ১৭:৩০ Asia/Dhaka
  • জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক
    জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠক

লেবাননের ওপর ইসরায়েলি হামলা নিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জরুরি বৈঠকে বিভিন্ন দেশ গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। বৈঠকে অংশগ্রহণকারী প্রতিনিধিরা হামলা অবিলম্বে বন্ধ এবং লেবাননের ভূখণ্ড থেকে ইসরায়েলি বাহিনীর সম্পূর্ণ প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।

জাতিসংঘে লেবাননের প্রতিনিধি আহমেদ আরকা বলেন, ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে ব্যাপকভাবে অবকাঠামো ও আবাসিক ভবন ধ্বংস করে বেসামরিক মানুষের ওপর ভয়াবহ দুর্ভোগ, আতঙ্ক ও ক্ষয়ক্ষতি চাপিয়ে দিয়েছে।

তিনি সতর্ক করে বলেন, আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনকারীদের শাস্তির আওতার বাইরে রাখা হলে তারা আরও বেশি অপরাধ করতে উৎসাহিত হয়। লেবাননের প্রতিনিধি আরও বলেন, ইসরায়েলের প্রকৃত উদ্দেশ্য তাদের কর্মকর্তাদের বক্তব্যেই স্পষ্ট, যেখানে তারা সামরিক অভিযান সম্প্রসারণ এবং লেবাননের আরও ভূখণ্ড দখলের কথা প্রকাশ্যে বলছে।

জাতিসংঘে চীনের স্থায়ী প্রতিনিধি ফু কংক ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, পরিস্থিতি আরও খারাপ হওয়ার আগেই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে কার্যকর ও জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে।

চীনা প্রতিনিধি লেবাননের সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়ে দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনাদের সম্পূর্ণ প্রত্যাহার দাবি করেন। তিনি বলেন, বেইজিং উত্তেজনা প্রশমিত করা, শান্তি পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা জোরদারে সব পক্ষের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত।

অন্যদিকে, জাতিসংঘে রাশিয়ার প্রতিনিধি ভ্যাসিলি নেবেনজিয়া বলেন, লেবাননের বর্তমান সংকট “ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের অযৌক্তিক আগ্রাসনের সরাসরি ফলাফল”।

তিনি সতর্ক করে বলেন, লেবাননে এখন “গাজার পুনরাবৃত্তির” আশঙ্কা দেখা যাচ্ছে। নেবেনজিয়া উল্লেখ করেন, গত ১৭ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি হয়েছিল, তা দুঃখজনকভাবে লেবাননের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের আগ্রাসী তৎপরতা আড়াল করার একটি মাধ্যম হয়ে উঠেছে।

এদিকে, ফ্রান্সের স্থায়ী প্রতিনিধি জেরোম বোনাফোঁ বলেন, “লেবাননে ইসরায়েলের চলমান এবং ক্রমবর্ধমান সামরিক অভিযানের কোনো যৌক্তিকতা নেই।”

তিনি বলেন, এসব অভিযানে হাজারো বেসামরিক মানুষ নিহত ও আহত হয়েছেন, বিপুলসংখ্যক মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং লেবাননের ভূখণ্ডে আরও গভীরভাবে দখলদারিত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।#

পার্সটুডে/এমবিএ/২

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।