অস্ত্র উৎপাদনে পেন্টাগনের এত তাড়াহুড়ো কেন?
https://parstoday.ir/bn/news/world-i162052-অস্ত্র_উৎপাদনে_পেন্টাগনের_এত_তাড়াহুড়ো_কেন
পার্সটুডে-পেন্টাগন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অস্ত্র উৎপাদন ও সরবরাহের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে।
(last modified 2026-08-09T13:24:45+00:00 )
আগস্ট ০৯, ২০২৬ ১৮:৫২ Asia/Dhaka
  • মার্কিন উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্টিভ ফেইনবার্গ
    মার্কিন উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্টিভ ফেইনবার্গ

পার্সটুডে-পেন্টাগন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অস্ত্র নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অস্ত্র উৎপাদন ও সরবরাহের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়েছে।

পার্সটুডে আরও জানায়, মার্কিন উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্টিভ ফেইনবার্গ দেশটির প্রতিরক্ষা শিল্পের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো এক স্মারকে বলেছেন, অত্যন্ত দ্রুত ও আগ্রাসীভাবে অস্ত্র সরবরাহের গতি বাড়ানো অথবা গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সক্ষমতার উৎপাদন বৃদ্ধির পরিকল্পনা জমা দেওয়ার জন্য তাদের ২১ দিন সময় বেঁধে দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বহু বছরব্যাপী উন্নয়ন ও উৎপাদন-চক্র আর গ্রহণযোগ্য নয়। আমাদের কর্মসূচির গতি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়াতে হবে এবং এখনই উৎপাদন সক্ষমতা বাড়াতে হবে।

পেন্টাগন যখন প্যাট্রিয়ট ও থাডসহ বিভিন্ন ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ আবার পূরণ করার চেষ্টা করছে, ঠিক তখনই এই নির্দেশনা জারি করা হলো।

ধারণা করা হচ্ছে, এই জরুরি নির্দেশ জারির প্রধান কারণ হলো ইরানের সঙ্গে পাঁচ মাসব্যাপী যুদ্ধের পর যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ গোলাবারুদের মজুদ ব্যাপকভাবে কমে যাওয়া।

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (CSIS)-এর এক প্রতিবেদনের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, যুদ্ধের আগে বিশ্বব্যাপী প্যাট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ ছিল প্রায় ২,২০০টি। যুদ্ধের পর অন্তত ৬৫ শতাংশ কমে তা ৮২৭টির নিচে নেমে এসেছে।

অন্যদিকে, থাড (THAAD) ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ ৪৫২টি থেকে কমে ২৭৮টির নিচে নেমে গেছে।

কিছু সূত্র এমনও দাবি করেছে, যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থাডের ইন্টারসেপ্টর বা প্রতিরোধী ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ প্রায় ৮০ শতাংশ কমে গেছে।

এই পরিসংখ্যানগুলো প্রমাণ করছে, আধুনিক যুদ্ধ মাত্র কয়েক সপ্তার মধ্যেই একটি দেশের কৌশলগত গোলাবারুদের মজুদকে বিপজ্জনক পর্যায়ে নামিয়ে আনতে পারে। যদিও এসব অস্ত্রের মজুদ পুনরায় পূরণ করতে কয়েক বছর সময় লেগে যেতে পারে।#

পার্সটুডে/এনএম/৯

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।