শত আছাড়েও ফাটবে না, ভাঙবে না আসছে এমন টাচস্ক্রিন
https://parstoday.ir/bn/news/world-i20059-শত_আছাড়েও_ফাটবে_না_ভাঙবে_না_আসছে_এমন_টাচস্ক্রিন
বিজ্ঞানীরা বলেছেন, শত আছাড়েও ফাটবে না বা ভাঙবে না- সস্তায় এমন অভঙ্গুর টাচস্ক্রিন বানানো সম্ভব হয়েছে; ফলে মোবাইল ফোন বা ট্যাবের পর্দা ফেটে যাওয়ার মতো ঘটনা ভবিষ্যতে আর থাকবে না। এ খাতের ব্যয় এবং ঝামেলা থেকে চিরদিনের মতো মুক্তি পাবেন ব্যবহারকারীরা। এভাবে প্রতিবছর মেরামত বাবদ বেঁচে যাবে লাখ লাখ টাকা ।
(last modified 2026-06-24T09:59:37+00:00 )
সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৬ ১৮:৫৭ Asia/Dhaka
  • শত আছাড়েও ফাটবে না, ভাঙবে না আসছে এমন টাচস্ক্রিন

বিজ্ঞানীরা বলেছেন, শত আছাড়েও ফাটবে না বা ভাঙবে না- সস্তায় এমন অভঙ্গুর টাচস্ক্রিন বানানো সম্ভব হয়েছে; ফলে মোবাইল ফোন বা ট্যাবের পর্দা ফেটে যাওয়ার মতো ঘটনা ভবিষ্যতে আর থাকবে না। এ খাতের ব্যয় এবং ঝামেলা থেকে চিরদিনের মতো মুক্তি পাবেন ব্যবহারকারীরা। এভাবে প্রতিবছর মেরামত বাবদ বেঁচে যাবে লাখ লাখ টাকা ।

প্রচলিত টাচস্ক্রিন তৈরিতে যে অর্থ ব্যয় হয় তার এক-পঞ্চমাংশ ব্যয়ে নতুন জাতের স্ক্রিন তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। এতে কেবল স্মার্টফোন নয় বরং টিভি এবং ট্যাব বানানোর খরচও অনেক কমবে।

বর্তমানে আমরা যেসব টাচস্ক্রিন ব্যবহার করি তাতে বিদ্যুৎ পরিবাহী ব্যবস্থা সচল করতে ব্যবহার করা হয় ইনডিয়াম টিন অক্সাইড বা আইটিও।  এটি মোটেও সহজলভ্য বা সস্তা ধাতু নয়। এদিকে বিশ্বে আইটিও’র সরবরাহ ফুরিয়ে আসছে।

এবারে ব্রিটেনের সাসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিদরা রৌপ্য ন্যানোতার এবং গ্রাফেন ব্যবহার করে শংকর ধাতু তৈরি করেছেন। রৌপ্য ন্যানোতারের ব্যাস মানুষের চুলের ১০ হাজার ভাগের এক ভাগের সমান। আর গ্রাফেন হলো বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা ধাতু।

এ দুইয়ের মিশ্রণে স্বচ্ছ এবং নমনীয় নতুন এক উপাদান তৈরি করেছেন বিজ্ঞানীরা। নতুন এ উপাদান শত আছাড়েও ফাটবে না বা ভাঙবে না। এছাড়া, আইটিও’র চেয়ে এর বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষমতাও অনেক বেশি। এক বর্গমিটার মাপের নতুন এ উপাদান বানাতে মাত্র আট পাউন্ড খরচ পড়বে। অন্যদিকে আইটিও দিয়ে সমপরিমাণ উপাদান তৈরিতে খরচ পড়ছে ৪০ পাউন্ড। 

সাসেক্স বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষামূলক পর্দাথবিদ্যার অধ্যাপক অ্যালান ডালটন বলেছেন, ফোন বা ট্যাবের অভঙ্গুর পর্দা বানানোর গবেষণা অনেক কাল ধরেই চলছে; এবারে সে গবেষণা বাস্তব রূপ নিতে চলেছে।#

পার্সটুডে/মূসা রেজা/১৪