মার্কিন সেনাদের অবর্তমানে আফগানিস্তানে তুর্কি সেনা গ্রহণযোগ্য নয়: রাশিয়া
https://parstoday.ir/bn/news/world-i93490-মার্কিন_সেনাদের_অবর্তমানে_আফগানিস্তানে_তুর্কি_সেনা_গ্রহণযোগ্য_নয়_রাশিয়া
আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করার পর কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা রক্ষা করার অজুহাতে দেশটিতে তুর্কি সেনা মোতায়েন গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছে রাশিয়া। রুশ প্রেসিডেন্টের আফগানিস্তান বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি জামির কাবুলোভ বলেছেন, কাবুল বিমানবন্দরে তুরস্কের সেনা মোতায়েন তালেবানের সঙ্গে করা চুক্তির পরিপন্থি।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
জুন ২১, ২০২১ ০৬:১৮ Asia/Dhaka
  • মার্কিন সেনাদের অবর্তমানে আফগানিস্তানে তুর্কি সেনা গ্রহণযোগ্য নয়: রাশিয়া

আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করার পর কাবুল বিমানবন্দরের নিরাপত্তা রক্ষা করার অজুহাতে দেশটিতে তুর্কি সেনা মোতায়েন গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছে রাশিয়া। রুশ প্রেসিডেন্টের আফগানিস্তান বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি জামির কাবুলোভ বলেছেন, কাবুল বিমানবন্দরে তুরস্কের সেনা মোতায়েন তালেবানের সঙ্গে করা চুক্তির পরিপন্থি।

তিনি আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহারকে আমেরিকার পরাজয় হিসেবে অভিহিত করে বলেন, মার্কিন সেনারা চলে যাওয়ার পর তুর্কি সেনা মোতায়েন রেখে আফগানিস্তানের নিরাপত্তা রক্ষা করা যাবে না।

এদিকে তুর্কি সেনা মোতায়েন রাখার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে তালেবানও। তারা বলেছে, তুরস্ক গত ২০ বছর ধরে মার্কিন নেতৃত্বাধীন ন্যাটো বাহিনীর সঙ্গে আফগানিস্তানে সেনা মোতায়েন রেখেছে এবং এখন সময় এসেছে তাদের এদেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার।

আফগানিস্তানে মার্কিন সেনা উপস্থিতিতে মাদক চাষ বেড়ে যায়

সম্প্রতি ব্রাসেলসে ন্যাটো জোটের শীর্ষ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্ত গৃহিত হয়েছে যে, আফগানিস্তান থেকে মার্কিন সেনা প্রত্যাহার করার পর দেশটিতে পশ্চিমা কূটনীতিকদের যাতায়াতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাবুল বিমানবন্দরে তুর্কি সেনা মোতায়েন থাকবে। কাবুলে মোতায়েন এসব সেনার খরচ বহন করবে ন্যাটো।

আমেরিকা আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের সময়সীমা কয়েকবার পরিবর্তন করার পর অবশেষে চলতি বছর ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে নিজের সব সেনা প্রত্যাহার করে নিতে সম্মত হয়েছে।

আফগানিস্তান থেকে অপমানজনকভাবে মার্কিন সেনারা এমন সময় চলে যাচ্ছে যখন তারা গত ২০ বছরে আফগানিস্তানের নিরপরাধ হাজার হাজার মানুষকে হত্যা, দেশটির অবকাঠামো ধ্বংস  এবং মাদক উৎপাদন বৃদ্ধি করা ছাড়া অন্য কোনো উপকার করতে পারেনি।

আমেরিকা ও তার মিত্র দেশগুলো ২০০১ সালে সন্ত্রাসবাদ দমন ও আফগানিস্তানের নিরাপত্তা রক্ষা করার অজুহাতে দেশটি দখল করে নেয়। কিন্তু সে ঘটনার ২০ বছর পরও দেখা যাচ্ছে, আফগানিস্তানে নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হয়নি এবং সন্ত্রাসবাদও আগের চেয়ে বেড়ে গেছে।#

পার্সটুডে/এমএমআই/২১

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।