কথাবার্তা
আন্দোলনে আমরা সফল হব, জয়ী হব: ফখরুল
সুপ্রিয় পাঠক/শ্রোতাবন্ধুরা! আজ ২৪ জানুয়ারি মঙ্গলবারের কথাবার্তার আসরে সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি আমি বাবুল আখতার। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ দুটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- দৈনিক প্রথম আলোর মতামত কলাম: র্যাবের ‘উল্টাপাল্টা’: দেরিতে হলেও সত্য স্বীকার
- রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল বুধবার-দৈনিক কালেরকণ্ঠ
- মাকে ৫ টুকরো করে হত্যা: ছেলেসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড-মানবজমিন
- আন্দোলনে আমরা সফল হব, জয়ী হব: ফখরুল-যুগান্তর
- পিতৃপরিচয়হীন সন্তানের অভিভাবক হবেন মা: হাইকোর্ট-বাংলাদেশ প্রতিদিন
- ডিসিদের ২৫ দফা নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী -ইত্তেফাক
কোলকাতার শিরোনাম:
- চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভে রণক্ষেত্র করুণাময়ী, টেনে হিঁচড়ে বিক্ষোভকারীদের গাড়িতে তুলল পুলিশ-সংবাদ প্রতিদিন
- দুয়ারে মেঘালয় ভোট, ইস্তাহারে একাধিক প্রতিশ্রুতি তৃণমূলের-আজকাল
- আপ-বিজেপি গন্ডগোলে আবার ভোট ভন্ডুল! দিল্লিতে মেয়র নির্বাচন প্রক্রিয়া ঘিরে অনিশ্চয়তা–আনন্দবাজার
শ্রোতাবন্ধুরা! শিরোনামের পর এবার দু'টি খবরের বিশ্লেষণে যাচ্ছি-
কথাবার্তার বিশ্লেষণের বিষয়:
১. বিএনপি নেতৃত্বের পতন চায় দেশের জনগণ- একথা বলেছেন আ. লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। কী বলবেন আপনি?
২. বিশ্ব দ্রুত পরমাণু বিপর্যয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং এই বিপর্যয় এড়ানো যাবে না। একথা বলেছেন মার্কিন রাজনৈতিক ভাষ্যকার, ভাষাবিদ ও দার্শনিক নোয়াম চমস্কি। আপনার পর্যবেক্ষণ কী?
বিশ্লেষণের বাইরে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবর
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল বুধবার-দৈনিক কালেরকণ্ঠ
আগামীকাল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সঙ্গে বৈঠক শেষে জানিয়েছেন বসেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী হাবিবুল আউয়াল।
আজ মঙ্গলবার দুপুর ২টার পর সংসদ ভবনের স্পিকারের কার্যালয়ে স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক করেন সিইসি। সেখান থেকে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে ফিরে সিইসি সাংবাদিকদের জানান, আগামীকাল কমিশনের বৈঠক শেষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে।
তিনি আরো বলেন, স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। চলমান সংসদের সদস্যদের নিয়ে ভোটার তালিকা হবে। তারা ওই নির্বাচনে ভোট দেবেন।
জানা গেছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য সংসদের অধিবেশন বাড়ানোর প্রয়োজন পড়বে না। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ি, ৯ ফেব্রুয়ারিই শেষ হবে এই অধিবেশন। আইনের বাধ্যবাধকতার কারণে ২৩ জানুয়ারি থেকে ২৩ ফেব্রুয়ারির মধ্যে নির্বাচন করতে হবে। সেক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন তার প্রস্তুতি শুরু করেছে
দৈনিক প্রথম আলোর মতামত কলাম: র্যাবের ‘উল্টাপাল্টা’: দেরিতে হলেও সত্য স্বীকার
পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‘র্যাবের জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে এখন অনেক উন্নতি হয়েছে। র্যাব আগে কিছু উল্টাপাল্টা করেছে, এটি অস্বীকার করার সুযোগ নেই।’ এসব কথা জানা গেল একটি বাংলা দৈনিকে প্রকাশিত খবর থেকে। যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডোনাল্ড লুর সফরে র্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
তিনি স্পষ্টতই বলেছেন, ‘র্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা এসেছে। র্যাবও কিছু উল্টাপাল্টা করেছে। এ বাস্তবতা অস্বীকার করা যাবে না। প্রথম দিকে র্যাব অনেক লোকজনকে খামাখা কী করে ফেলেছে, কিন্তু বিষয়গুলো পরিবর্তন হয়েছে। র্যাব জবাবদিহির ক্ষেত্রে অনেক উন্নতি করেছে।’
তাঁর মতে, বিএনপির শাসনকালে ২০০৪ সালে র্যাব গঠনের শুরুর দিকে এ ধরনের অভিযোগ বেশি ছিল। উল্লেখ্য, ডোনাল্ড লু নিজেও মার্কিন উৎসকে উদ্ধৃতি দিয়ে বলেছেন, নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার পরবর্তী সময়ে র্যাবের ভাবমূর্তি অনেক উন্নতি হয়েছে বস্তুত প্রতিষ্ঠানটিকে ঘিরে মানবাধিকারকর্মীদের অভিযোগ ছিল খুন ও গুম–সংক্রান্ত। সে খুনকে বিচারবহির্ভূত হত্যা বলা যায়। আর তারা বলত, ক্রসফায়ার কিংবা বন্দুকযুদ্ধ। আর গুমের শিকার কিন্তু অপরাধজগতের লোকজন ছাড়াও রাজনৈতিক ও মানবাধিকার আন্দোলনের লোকজনও ছিলেন। এসব বিষয়ে অভিযোগ করেও প্রতিকার পাওয়া যেত না। এমনকি এ দুর্ভাগ্যের শিকার হয়েছে ক্ষেত্রবিশেষে নিরপরাধ বা সামান্য অপরাধীও।
র্যাবের এ ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা নিয়ে বেশ কিছুদিন আলোচনা-সমালোচনা চলছিল। বিষয়টি কোন দিকে যাচ্ছে, তা অনুধাবন করতে পারেননি র্যাবের নেতৃত্ব এবং আমাদের নীতিনির্ধারকেরা। বরং দীর্ঘদিন এর পরিসর বৃদ্ধি পায়। একপর্যায়ে প্রতিষ্ঠানটি এবং এর সাতজন কর্মকর্তার ওপর নেমে আসে মার্কিন নিষেধাজ্ঞার খড়্গ। এরপরও সরকারের পক্ষ থেকে মুখে অনেক তোলপাড় চলছিল। পাশাপাশি বাস্তবতা উপলব্ধি করে চলছিল প্রতিকারের প্রচেষ্টা। আমরা আনন্দিত, সে ব্যবস্থা অনেকটাই সফল হয়েছে। এতে যারা নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল, নজরে এসেছে তাদেরও। করছে প্রশংসা। বিষয়টি এভাবে ধরে রাখতে পারলে ধারাবাহিক প্রক্রিয়ায় একসময় সে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার কথা। আমরা আশা করব, তা-ই হবে।
ডিসিদের ২৫ দফা নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী -ইত্তেফাক
সামাজিক অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, জনসন্তুষ্টি অর্জন, বাজার মনিটরিং এবং জনগণকে সরকারি সেবা প্রধানসহ জেলা প্রশাসকদের ২৫ দফা দিক নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলের ডিসি সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
এ সময় বিশ্বব্যাপী আর্থিক সংকটে জনগণের কল্যাণকেই সরকার অগ্রাধিকার দিচ্ছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী। আর এজন্য সরকারি দফতরগুলোকে মিতব্যায়ী হবার নির্দেশ দেন তিনি।
জেলা প্রশাসকদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া ২৫ দফা নির্দেশনা হচ্ছে—
১. খাদ্য উৎপাদন বাড়ানোর জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা গ্রহণ করতে হবে। পতিত জমিতে ফসল ফলাতে হবে। কোনো জমি যেন অনাবাদি না থাকে সে লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করতে হবে।
২. নিজেরা বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে এবং জনগণকে এ ব্যাপারে উদ্বুদ্ধ করতে হবে।
৩. সরকারি অফিসসমূহে সাধারণ মানুষ যেন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বিঘ্নে যথাযথ সেবা পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। সেবা প্রত্যাশীদের সন্তুষ্টি অর্জনই যেন হয় সরকারি কর্মচারীদের ব্রত।
৪. সরকারি তহবিল ব্যবহারে কৃচ্ছতা সাধন করতে হবে।
৫. এসডিজি স্থানীয়করণের আওতায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রাসমূহ অর্জনে তৎপরতা জোরদার করতে হবে।
৬. দেশে একজনও ভূমিহীন ও গৃহহীন থাকবে না। গৃহহীনদের জন্য গৃহনির্মাণ, ভূমিহীনদের কৃষি খাস জমি বন্দোবস্তসহ সব সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিতে যেন প্রকৃত অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত প্রান্তিক শ্রেণির মানুষ সুযোগ পায় তা নিশ্চিত করতে হবে। জমি ও ঘর দেওয়ার পাশাপাশি কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।
৭. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের পাঠদান কার্যক্রমের মানোন্নয়নে উদ্যোগী হতে হবে। অপেক্ষাকৃত দুর্গম এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের প্রতি বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।
৮. কমিউনিটি ক্লিনিক ও ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রসমূহ যেন কার্যকর থাকে তা প্রতিনিয়ত তত্ত্বাবধান করতে হবে।
৯. শিশু-কিশোরদের শারীরিক-মানসিক বিকাশের লক্ষ্যে তাদের জন্য প্রত্যেক এলাকায় সৃজনশীল চর্চা, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও ক্রীড়া সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে।
১০. নাগরিকদের সুস্থ জীবনাচারের জন্য জেলা ও উপজেলায় পার্ক, খেলার মাঠ প্রভৃতির সংরক্ষণ এবং নতুন পার্ক ও খেলার মাঠ তৈরির উদ্যোগ নিতে হবে।
১১. পরিবর্তনশীল বিশ্বের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের সর্বোচ্চ সুবিধা নিতে উচ্চ প্রযুক্তি জ্ঞানসম্পন্ন দক্ষ শ্রমশক্তি গড়ে তুলতে কাজ করতে হবে।
১২. সরকারি দপ্তরসমূহের ওয়েবসাইট নিয়মিত হালনাগাদ করতে হবে। নিজ নিজ জেলায় সরকারের উন্নয়ন, অগ্রগতি ও সাফল্য ওয়েবসাইটে তুলে ধরতে হবে।
১৩. জনসাধারণের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি ও ইন্টারনেটের নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিতকরণে কাজ করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার, গুজব ইত্যাদি রোধে উদ্যোগ নিতে হবে।
১৪. আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির যেন কোনোভাবেই অবনতি না হয় সে লক্ষ্যে নজরদারি জোরদার করতে হবে।
১৫. মিথ্যা গুজব ছড়িয়ে কেউ যেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করতে না পারে সে বিষয়ে সজাগ থাকতে হবে।
১৬. মাদক, জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাস দূর করতে হবে। নিরীহ ধর্মপ্রাণ মানুষ যাতে জঙ্গিবাদে জড়িত না হয় সেজন্য সচেতনতা তৈরির উদ্যোগ নিতে হবে। যুবসমাজকে মাদক, সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ থেকে মুক্ত রাখতে হবে।
১৭. বাল্যবিয়ে, ইভটিজিং, খাদ্যে ভেজাল, নকল পণ্য তৈরি ইত্যাদি অপরাধ প্রতিরোধে নিয়মিত ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করতে হবে।
১৮. বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে, কৃত্রিম সঙ্কট রোধ ও পণ্যমূল্য স্বাভাবিক রাখতে বাজার মনিটরিং কার্যক্রম জোরদার করতে হবে।
১৯. সরকারি জমি, নদী, বনভূমি, পাহাড়, প্রাকৃতিক জলাশয় প্রভৃতি রক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। ভূমির সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিতকরণের উদ্দেশে নতুন সরকারি প্রতিষ্ঠান স্থাপনে ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণকে প্রাধান্য দিতে হবে।
২০. নিয়মিত নদী ড্রেজিংয়ের মাধ্যমে নাব্যতা বাড়াতে হবে। সুইচগেট বা অন্য কোনো কারণে যেন জলাবদ্ধতার সৃষ্টি না হয় সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। বিশেষ করে জলাবদ্ধতার জন্য যেন উৎপাদন ব্যাহত না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে।
২১. বজ্রপাতপ্রবণ এলাকায় তালগাছ রোপণ করতে হবে।
২২. পর্যটন শিল্পের বিকাশ ও রক্ষণাবেক্ষণে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। নতুন নতুন পর্যটন স্পট গড়ে তুলতে হবে।
২৩. জেলার নিজস্ব ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি রক্ষা এবং জেলাভিত্তিক বিখ্যাত পণ্যসমূহের প্রচার, বিপণন ও ব্র্যান্ডিং করতে হবে।
২৪. জনস্বার্থকে সবকিছুর ঊর্ধ্বে রেখে সেবার মনোভাব নিয়ে যেন সরকারি দপ্তরগুলো পরিচালিত হয় সে লক্ষ্যে মনিটরিং জোরদার করতে হবে।
২৫. জেলার সব সরকারি দপ্তরের কার্যক্রমসমূহ যথাযথ সমন্বয়ের মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত-সমৃদ্ধ সোনার বাংলাদেশ তথা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে আপনাদের ব্রতী হতে হবে।
রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে কোকোকে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে: মির্জা ফখরুল- দৈনিক নয়াদিগন্ত
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আরাফাত রহমান একজন রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান হলেও তিনি রাজনীতিবিদ ছিলেন না। তিনি একজন সাধারণ ক্রীড়াবিদ ছিলেন। কিন্তু রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে তাকে মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকীতে বনানী কবরস্থানে কবর জিয়ারত ও পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, এদেশে রাজনৈতিক ইতিহাসে সবচেয়ে কলঙ্কময় ১/১১ ঘটনার পরে আরাফাত রহমান কোকোকে গ্রেফতার করা হয়। মিথ্যে মামলায়, মিথ্যে অজুহাতে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সবচেয়ে আদরের ছেলে ছিলেন আরাফাত রহমান কোকো। আমরা দেখেছি কী অবস্থায় তাকে (কোকো) মৃত্যুবরণ করতে হয়েছে। বিদেশের মাটিতে ভালো চিকিৎসা না পেয়ে তাকে চলে যেতে হয়েছে।
তিনি বলেন, এই পরিবার (জিয়া) এদেশের মানুষের স্বাধীনতার-সার্বভৌমত্বের প্রতীক। এই পরিবার এদেশের গণতন্ত্রের প্রতীক।
আমরা আরাফাত রহমান কোকোর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। আল্লাহ যেন তাকে বেহেশত নসিব করেন সেই কামনা করছি; বলেন মির্জা ফখরুল।
ফখরুল বলেন, আমরা আজ গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছি, সংগ্রাম করছি। আমাদের অসংখ্য নেতাকর্মী আজ কারাগারে বন্দি রয়েছে। এই চলমান আন্দোলনে আমাদের প্রায় ১৫ জন নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন। মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আমরা সফল হব, জয়ী হব এবং এই দানবীয় সরকারকে পরাজিত করে আমরা গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করব।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন- বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমান, জয়নাল আবেদীন ফারুক, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, বিএনপি নেতা মহাসিন জিল্লুর রহমান, নাজিমুদ্দিন আলম, মীর সারাফত আলী সপু, নবী উল্লাহ নবী, আব্দুল আলিম নাকি, যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুন হাসান, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল মোনায়েম মুন্না, বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পিতৃপরিচয়হীন সন্তানের অভিভাবক হবেন মা: হাইকোর্ট-বাংলাদেশ প্রতিদিন
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে পিতৃপরিচয়হীন সন্তানের অভিভাবক মা হতে পারবেন বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার এ রায় ঘোষণা করেন বিচারপতি নাইমা হায়দার ও বিচারপতি খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ।
গত ১৬ জানুয়ারি এ সংক্রান্ত রিটের শুনানি শেষে রায় ঘোষণার জন্য ২৪ জানুয়ারি দিন ধার্য করেছিলেন আদালত। ওই দিন আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আইনুননাহার সিদ্দিকা, অ্যাডভোকেট এস এম রেজাউল করিম এবং অ্যাডভোকেট আয়েশা আক্তার। এ ছাড়া রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাশ গুপ্ত।
রিটের পক্ষের আইনজীবীরা জানান, ২০০৭ সালের এপ্রিল মাসে বিভিন্ন সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষায় অংশগ্রহণের আগে শিক্ষার্থী তথ্য ফরমে অত্যাবশ্যকীয়ভাবে বাবার নাম পূরণ করতে না পারার কারণে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহী ঠাকুরগাঁওয়ের এক তরুণীকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের প্রবেশপত্র দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল।
পরে এ ঘটনা অনুসন্ধান করে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এবং সন্তানের অভিভাবক হিসেবে মায়ের স্বীকৃতি প্রতিষ্ঠার দাবিতে মানবাধিকার বিষয়ক সংগঠন বাংলাদেশ লিগ্যাল এইড অ্যান্ড সার্ভিসেস ট্রাস্ট (ব্লাস্ট), বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ এবং নারীপক্ষ যৌথভাবে জনস্বার্থে ২০০৯ সালের ২ আগস্ট রিট দায়ের করে।
রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই বছরের ৩ আগস্ট বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহম্মেদ এবং বিচারপতি মইনুল ইসলাম চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ মানবাধিকার, সমতার পরিপন্থী ও বিশেষভাবে শিক্ষার অধিকারে প্রবেশগম্যতার বাধাস্বরূপ বিদ্যমান বৈষম্যমূলক এ বিধানকে কেন আইনের পরিপন্থী এবং অসাংবিধানিক হিসেবে ঘোষণা করা হবে না- মর্মে রুল জারি করেন।
একই সঙ্গে বর্তমানে কোন কোন শিক্ষা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ড পাওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীর বাবা ও মা উভয়ের নাম সম্পর্কিত তথ্য বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ করতে হয় তার একটি তালিকা এবং যেসব যোগ্য শিক্ষার্থী তাদের বাবার পরিচয় উল্লেখ করতে অপারগ তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কি ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়, সে সম্পর্কে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে ২০২১ সালের ৬ জুন ব্লাস্ট আবেদনকারীদের পক্ষে একটি হলফনামা আদালতে দাখিল করে।
মাকে ৫ টুকরো করে হত্যা: ছেলেসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ড-মানবজমিন
নোয়াখালীর সুবর্ণচরের চরজব্বর ইউনিয়নে নুরজাহান বেগম (৫৭) নামে এক নারীকে পাঁচ টুকরো করে নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় নিহতের ছেলেসহ ৭ আসামির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। একই সাথে প্রত্যেক আসামিকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। ফাঁসির দণ্ডাদেশ পাওয়া আসামিরা হলো- নিহতের ছেলে হুমায়ুন কবির হুমু (৩২), নিরব (২৬), নুর ইসলাম (৩২), কালাম (৩০), সুমন (৩৩), হামিদ (২৮) ও ইসমাইল (৩০)। মঙ্গলবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে নোয়াখালী জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক নিলুফার সুলতানা এ রায় দেন। বিষয়টি মানবজমিনকে নিশ্চিত করেন সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) গুলজার আহমেদ জুয়েল।
তিনি বলেন, এ হত্যার ঘটনায় প্রথমে নিহতের ছেলে হুমায়ুন কবির হুমা (৩২) বাদী হয়ে চরজব্বর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।
মামলার সূত্র ধরে পুলিশি তদন্তে হত্যার সঙ্গে সরাসরি সন্তানের জড়িত থাকার বিষয়টি ওঠে আসে। একই সঙ্গে তার ৭ সহযোগী মিলে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে প্রমাণ পায় পুলিশ।
তিনি আরো বলেন, রায় ঘোষণার সময় আদালতে ৭ আসামি উপস্থিত ছিলেন। এই মামলায় ২৭ জনের স্বাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়। আসামিদের মধ্যে ৫ জন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছে। একইসঙ্গে আটক নিহতের ছেলের বন্ধু নিরব ও কসাই নুর ইসলামের স্বীকারোক্তি অনুযায়ী হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ধারালো চাপাতি, বালিশ, কোদাল ও নিহতের ব্যবহৃত কাপড় উদ্ধার করা হয়।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোঃ ইব্রাহিম খলিল মানবজমিনকে বলেন, নিহত ওই নারীর ছেলে তার সহযোগীদের নিয়ে পূর্বপরিকল্পিতভাবে এ হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে। নিহত নারীর দুই সংসারের দুই ছেলে ছিল।
আগের সংসারের ছেলে বেলাল তার মাকে জিম্মায় রেখে কয়েকজনের কাছ থেকে চার লাখ টাকা ঋণ নেয় সুদের ভিত্তিতে। তবে ঋণ রেখে দেড় বছর আগে বেলাল মারা যায়। এরপর ঋণের টাকা পরিশোধ করার জন্য তার পরের সংসারের ভাই হুমায়ুনকে পাওনাদাররা চাপ প্রয়োগ করে। হুমায়ুন তার মাকে বিষয়টি অবহিত করেন। এ সময় তার মা ১৩ শতক জমি বিক্রি করে এ ঋণ পরিশোধ করতে বলেন। হুমায়ুন জবাবে, মাকে জানান তার মালিকানাধীন ১৪ শতক ও বেলালের স্ত্রীর মালিকানাধীন ১০ শতক জমি বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ করা হোক। এতে তার মায়ের অসম্মতি ছিল।
অন্যদিকে ওই নারী তার ভাই দুলালের কাছে ৬২ হাজার ৫০০ টাকা পাওনা ছিল। পাওনা টাকা পরিশোধ করার জন্য সে তার ভাইকে প্রায় চাপ প্রয়োগ করত। এ কারণে হুমায়ুনের মামাতো ভাই কালাম ও মামাতো বোনের জামাই সুমন তার ওপর ক্ষুব্ধ ছিল। এছাড়া তার প্রতিবেশী ইসমাইল ও হামিদ ও বেলালের জমির প্রতি লোভ ছিল। এজন্য তারাও হুমায়ুনকে প্রত্যক্ষ হত্যাকাণ্ডে সহযোগিতা করে।
হুমায়ুন জবানবন্দিতে জানান, বেলালের স্ত্রীর জমি থেকে দুই শতাংশ হামিদকে ও বাকি আট শতাংশ ইসমাইলকে দেওয়ার মৌখিক সিদ্ধান্ত হয়। তারপর মায়ের জমি সমান পাঁচ ভাগ করে হুমায়ুন, নোমান, সুমন, কালাম ও কসাই নুর ইসলামকে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ প্রতিশ্রুতিতে তারা ২০২০ সালের ৬ অক্টোবর বাড়ির পাশে একটি ব্রিজের ওপর বসে হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা করে। পরে তারা রাতের কোনো এক সময়ে ঘরের মধ্যে বালিশ চাপা দিয়ে তাকে হত্যা করে পাঁচ খণ্ড করে চর জব্বার ইউনিয়নের জাহাজমারা গ্রামে পাওনাদারদের ধানক্ষেতে তা ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রাখে তারা।
আন্দোলনে আমরা সফল হব, জয়ী হব: ফখরুল-যুগান্তর
সরকারবিরোধী চলমান আন্দোলনে বিএনপিজয়ী হবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা আজ গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছি সংগ্রাম করছি। আমাদের অসংখ্য নেতাকর্মী আজ কারাগারে বন্দি রয়েছে। এই চলমান আন্দোলনে আমাদের প্রায় ১৫ নেতাকর্মীর শহিদ হয়েছেন। মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আমরা সফল হব, জয়ী হব এবং এই দানবীয় সরকারকে পরাজিত করে আমরা গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করব।
মঙ্গলবার সকালে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকীতে বনানী কবরস্থানে কবর জিয়ারত ও পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, জয়নাল আবদীন ফারুক, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, বিএনপি নেতা নাজিমুদ্দিন আলম, মীর সরাফত আলী সপু, নবী উল্লাহ নবী, আব্দুল আলিম নাকি, যুবদলের মামুন হাসান, আব্দুল মোনায়েম মুন্না, বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল বুধবার-দৈনিক কালেরকণ্ঠ
সরকারবিরোধী চলমান আন্দোলনে বিএনপিজয়ী হবে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করে দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমরা আজ গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করছি সংগ্রাম করছি। আমাদের অসংখ্য নেতাকর্মী আজ কারাগারে বন্দি রয়েছে। এই চলমান আন্দোলনে আমাদের প্রায় ১৫ নেতাকর্মীর শহিদ হয়েছেন। মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি চলমান গণতান্ত্রিক আন্দোলনে আমরা সফল হব, জয়ী হব এবং এই দানবীয় সরকারকে পরাজিত করে আমরা গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠিত করব।
মঙ্গলবার সকালে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোর অষ্টম মৃত্যুবার্ষিকীতে বনানী কবরস্থানে কবর জিয়ারত ও পুষ্পমাল্য অর্পণ শেষে তিনি এসব কথা বলেন।
এ সময় বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আমানউল্লাহ আমান, জয়নাল আবদীন ফারুক, আবুল খায়ের ভূঁইয়া, বিএনপি নেতা নাজিমুদ্দিন আলম, মীর সরাফত আলী সপু, নবী উল্লাহ নবী, আব্দুল আলিম নাকি, যুবদলের মামুন হাসান, আব্দুল মোনায়েম মুন্না, বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শামসুদ্দিন দিদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আপ-বিজেপি গন্ডগোলে আবার ভোট ভন্ডুল! দিল্লিতে মেয়র নির্বাচন প্রক্রিয়া ঘিরে অনিশ্চয়তা–আনন্দবাজার
আম আদমি পার্টি (আপ) এবং বিজেপির কাউন্সিলরদের সংঘাতের জেরে আবার ভেস্তে গেল দিল্লি পুরসভার মেয়র নির্বাচন প্রক্রিয়া। ৬ জানুয়ারির পরে মঙ্গলবারও লেফটেন্যান্ট গভর্নর ভি কে সাক্সেনা নিযুক্ত ১০ অল্ডারম্যানের শপথ ঘিরে উত্তেজনা ছড়াল পুরসভায়। আপ কাউন্সিলরদের প্রতিবাদ উপেক্ষা করে সাক্সেনা নিযুক্ত রিটার্নিং অফিসার তথা বিজেপি কাউন্সিলর সত্য শর্মা, মঙ্গলবার অল্ডারম্যানদের শপথ নিতে ডাকলে সভায় উত্তেজনা ছড়ায়।
দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর আগেই ১০ জনকে মনোনীত সদস্য হিসাবে ঘোষণা করেছিলেন। তিনি বিজেপিকে সুবিধা পাইয়ে দিতেই এ কাজ করছেন বলে অভিযোগ তুলেছিল আপ। শুক্রবার সত্য এক অল্ডারম্যানকে শপথ নিতে ডাকলে বাধা দেন আপ কাউন্সিলরেরা। অশান্তি ঠেকাতে বিপুল সংখ্যাক পুলিশ ও সিভিল ডিফেন্স কর্মী মোতায়েন করা হলেও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়নি। শেষ পর্যন্ত ভেস্তে যায় মেয়র নির্বাচন পর্ব।
দুয়ারে মেঘালয় ভোট, ইস্তাহারে একাধিক প্রতিশ্রুতি তৃণমূলের-আজকাল
দুয়ারে মেঘালয় ভোট।
মঙ্গলবার শিলংয়ে গিয়ে দলীয় ইস্তাহার প্রকাশ করলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। গত সপ্তাহেই মেঘালয় সফরে গিয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। এবার দলীয় ইস্তাহার প্রকাশ করে ফেলল তৃণমূল।
২৭ ফেব্রুয়ারি মেঘালয়ের ৬০ আসনে ভোট। কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে বাংলার শাসক দল। মঙ্গলবার ইস্তাহার প্রকাশ কর্মসূচিতে অভিষেক ছাড়াও ছিলেন বিরোধী দলনেতা মুকুল সাংমা, মেঘালয় তৃণমূলের সভাপতি চার্লস, মেঘালয় তৃণমূলের সহ–সভাপতি জর্জ লিংডো, চালর্স লিংডো, তৃণমূলের রাজ্যসভার দলনেতা ডেরেক ও’ব্রায়েন ও মেঘালয় তৃণমূলের পর্যবেক্ষক তথা মন্ত্রী মানস ভুঁইয়া।
ইস্তাহারে বলা হয়েছে, ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যের উন্নয়নের গতি দ্বিগুণ করা হবে। জিডিপি বৃদ্ধি হবে দুই সংখ্যায়। পাঁচ বছরে দেওয়া হবে তিন লক্ষ চাকরি। ২২ থেকে ৪০ বছরের যুবকদের মাসিক হাজার টাকা করে বেকার ভাতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে ইস্তাহারে। এছাড়াও ইস্তাহারে বলা হয়েছে, উচ্চমাধ্যমিক এবং কলেজ পড়ুয়াদের দেওয়া হবে ১ লক্ষ ল্যাপটপ। সরকার গঠনের ১০০ দিনের মধ্যে মাসিক ১ হাজার টাকা করে পাবেন মহিলারা। বছরে দেওয়া হবে ১২ হাজার টাকা। পেনশন এবং সামাজিক যোজনায় বরাদ্দ মাথাপিছু ন্যূনতম হাজার টাকা করে করা হবে। রাজ্যের ২ লক্ষ ১০ হাজার কৃষককে দেওয়া হবে বার্ষিক ১০ হাজার টাকা করে। প্রত্যেক বাড়িতে পানীয় জল ও বিদ্যুৎ সংযোগ পৌঁছনোর অঙ্গীকারও রয়েছে ইস্তাহারে। মেঘালয়ের পর্যটন শিল্পকে নতুন করে ঢেলে সাজানোর প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হয়েছে তৃণমূলের ইস্তাহারে।#
পার্সটুডে/বাবুল আখতার /২৩
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।