ডিসেম্বর ২১, ২০১৬ ১৫:০৬ Asia/Dhaka

পাঠক! আমাদের নিয়মিত অনুষ্ঠান কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি। আজ ২১ ডিসেম্বর বুধবারের কথাবার্তার আসরের শুরুতেই বাংলাদেশ ও ভারতের গুরুত্বপূর্ণ দৈনিকের বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম। এরপর বাছাইকৃত কিছু খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

বাংলাদেশের শিরোনাম:

  • ২০৪১ সালে বাংলাদেশ এশীয় অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু হবে -ইত্তেফাক
  • নাসিকে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি -যুগান্তর
  • ধানের শীষের জোয়ার ঠেকানো যাবে না-রিজভী -প্রথম আলো
  • আশুলিয়ার ৫৫ কারখানা বন্ধ ঘোষণা -মানবজমিন 
  • ভোটযুদ্ধে প্রস্তুত নারায়ণগঞ্জ প্রচারণা শেষ, প্রস্তুত ইসি, কেন্দ্রে ব্যালট, কঠোর নিরাপত্তায় কাল নির্বাচন-বাংলাদেশ প্রতিদিন

ভারতের শিরোনাম:

  • নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত যাঁদের তাঁরা অর্থনীতি পড়ুক: চিদাম্বরম-সংবাদ প্রতিদিন
  • সুদীপকে সমন -রোজভ্যালি কাণ্ডে চিঠির উত্তর দেননি-গণশক্তি
  • মোদির রাজ্যে গিয়ে আক্রমণ রাহুলের-আজকাল

শ্রোতাবন্ধুরা! শিরোনামের পর এবার বাংলাদেশ ও ভারতের সবচেয়ে আলোচিত কয়েকটি খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রথমে বাংলাদেশ...

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিন(ফাইল ফটো)

 

২০৪১ সালে বাংলাদেশ এশীয় অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দু হবে-প্রধানমন্ত্রী- ইত্তেফাক
২০৪১ সাল নাগাদ বাংলাদেশ এশিয়ার অর্থনীতির কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার ঢাকার হোটেল রেডিসনে ২০৩০ সাল নাগাদ অর্থনীতি বিষয়ক সম্মেলনে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
শেখ হাসিনা বলেন, সারাদেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলা হবে। যেখানে সেখানে শিল্প গড়ে উঠবে না। এতে বিদেশি বিনিয়োগ আরো বাড়বে। এছাড়া বাংলাদেশকে উন্নত অর্থনীতির দেশ গড়ার জন্য সরকার সুদূরপ্রসারী কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।

নাসিকে চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি-যুগান্তর

নাসিক নির্বাচনের সর্বশেষ প্রস্তুতি

 

আর বাংলাদেশ প্রতিদিনের শিরোনাম এরকম যে, ভোটযুদ্ধে প্রস্তুত নারায়ণগঞ্জ
প্রচারণা শেষ, প্রস্তুত ইসি, কেন্দ্রে কেন্দ্রে ব্যালট, কঠোর নিরাপত্তায় কাল নির্বাচন
বিস্তারিত খবরে বলা হয়েছে, নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন (নাসিক) নির্বাচনে কাল ভোট গ্রহণ। প্রস্তুত নির্বাচন কমিশন।প্রস্তুত নারায়ণগঞ্জ। আর দেশবাসীর দৃষ্টিও তাই নারায়ণগঞ্জে। নির্বাচন ঘিরে কিছুটা উত্তেজনা থাকলেও সর্বত্র নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে মাঠে রয়েছেন বিজিবি, র‍্যাব ও পুলিশের সদস্যরা। থাকবে চার স্তরের নিরাপত্তাবলয়। 

নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন-কাল ভোট, স্বস্তি শঙ্কা দুটিই আছে-প্রথম আলো

নাসিক নির্বাচন

 

রাত পোহালেই নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট। শেষ মুহূর্তে এখন নানা হিসাব-নিকাশ মেলাতে ব্যস্ত ভোটার ও প্রার্থীরা।
শুরু থেকে গতকাল প্রচারের শেষ দিন পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় থাকায় জনমনে যেমন স্বস্তি আছে, আবার ভোটের দিন পরিবেশ কেমন থাকে, তা নিয়ে শঙ্কাও আছে।
এই আশঙ্কা কেন? জানতে চাইলে তোলারাম কলেজের ছাত্র রাহুল ঘোষ প্রথম আলোকে বললেন, কয়েক বছর ধরেই ভোটের চিত্র ভালো নয়। আর নারায়ণগঞ্জের প্রেক্ষাপট তো ভিন্ন। তিনি বলেন, এবার মেয়র প্রার্থীদের নিয়ে সমস্যা নেই। এখানে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য আশঙ্কার কারণ হয়ে উঠেছেন প্রার্থী নন এমন প্রভাবশালী ব্যক্তি বা তাঁদের অনুসারীরা।
একই রকম মত দিলেন শহরের দুই ব্যবসায়ী মতিন সরকার ও সানাউল হক। আর প্রার্থীরা যদিও সুষ্ঠু ভোটের আশাবাদ ব্যক্ত করছেন। কিন্তু সুষ্ঠু হবেই—এমন কথা জোর দিয়ে কেউই বলতে পারছেন না।
আওয়ামী লীগের প্রার্থী সেলিনা হায়াৎ আইভীর ‘তৃতীয় পক্ষ’ নিয়ে শঙ্কা কাটেনি। বিএনপির মেয়র প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন খান গতকাল পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশ নিয়ে সন্তুষ্ট। ভোটের দিন নিয়ে শঙ্কা থাকলেও তিনি নির্বাচন কমিশনের প্রতি আস্থা রেখেছেন।

ধানের শীষের জোয়ার ঠেকানো যাবে না-রিজভী-প্রথম আলো

রুহুল কবির রিজভী (ফাইল ফটো)

 

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘বিএনপি এবার নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচন বর্জন করবে না। আগামীকাল দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক ভোট-বিপ্লব ঘটবে। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পক্ষে গণরায় দেবে নারায়ণগঞ্জবাসী। কোনো বাধায় ধানের শীষের জোয়ার ঠেকানো যাবে না।’

আজ বুধবার দুপুরে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে রিজভী এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, নারায়ণগঞ্জে দৃশ্যত এখন পর্যন্ত নির্বাচনী পরিবেশ ভালো থাকলেও জনমন থেকে অস্বস্তি ও শঙ্কা দূর হয়নি।
রিজভী আশা করেন, কাল ভোট গ্রহণের সময় সরকারের প্রভাব বিস্তারের কোনো অপতৎপরতা দেখা গেলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে ভোটকে শান্তিপূর্ণ করবে নির্বাচন কমিশন। ভোট নিয়ে কোনো ধরনের কারসাজি হলে নারায়ণগঞ্জের সাহসী ভোটাররা তা মোকাবিলা করবে।

আশুলিয়ার ৫৫ কারখানা বন্ধ ঘোষণা-মানবজমিন

আশুলিয়ায় ৫৫ কারখানা বন্ধ ঘোষণা

 

শ্রমিক অসন্তোষের মুখে সাভারের আশুলিয়ার ৫৫টি তৈরি পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণা করেছেন উদ্যোক্তারা। তৈরি পোশাক   
 মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান এ ঘোষণা দেন। সিদ্দিকুর অভিযোগ করেন, মালিকপক্ষ ও সরকারের কাছে বারবার সমঝোতার প্রতিশ্রুতি দিয়েও শ্রমিকরা অযৌক্তিক কারণে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। বিভিন্ন দাবিতে আশুলিয়া শিল্পাঞ্চলের জামগড়া, বেরন, বাইপাইল, নরসিংহপুরসহ আশপাশের বিভিন্ন পোশাক কারখানায় শ্রমিকরা গত ৯ দিন ধরে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে সোমবার রাতে নৌ পরিবহনমন্ত্রী শাজাহান খানের বাসায় ৪২টি শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের নিয়ে বৈঠকে বসেন বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুজিবুল হক চুন্নু।
বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, সোমবার রাতের বৈঠকে আন্দোলন প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দেয়া হলেও মঙ্গলবার (গতকাল) শ্রমিকরা কাজে যোগ দেয়নি। তারা কার্ড পাঞ্চ করে চলে গেছে। তাই কারখানা বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে এবং তারা বেতন পাবে না।

এ সম্পর্কে ইত্তেফাকের একটি খবরের শিরোনাম: থমথমে আশুলিয়া, বিজিবি মোতায়েন
 আশুলিয়ায় বন্ধ করে দেয়া ৫৫টি পোশাক কারখানার নিরাপত্তার স্বার্থে আজ বুধবার সকাল থেকে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। 
 বিজিবির জনসংযোগ কর্মকর্তা মহসিন রেজা জানান, নিরাপত্তার স্বার্থে আশুলিয়া এলাকায় ১৫ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। 
এদিকে মঙ্গলবার ৫৫টি পোশাক কারখানা বন্ধ ঘোষণার পর আজ সকাল থেকেই পোশাক শ্রমিকদের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

শাবিপ্রবিতে ছাত্রলীগ সংঘর্ষ: অস্ত্র উদ্ধার, তিন হল বন্ধ ঘোষণা-সমকাল/ইত্তেফাক

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) তিনটি আবাসিক হল ১০ দিনের জন‌্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে

 

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) তিনটি আবাসিক হল ১০ দিনের জন‌্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষাও স্থগিত ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
 বুধবার সকাল ১০টার দিকে রেজিস্ট্রার মো. ইশফাকুল হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ১ জানুয়ারি পর্যন্ত ছাত্রদের তিনটি আবাসিক হল বন্ধ এবং পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত সকল ক্লাশ ও পরীক্ষা বন্ধ থাকবে। পরবর্তীতে আরেকটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে  ক্যাম্পাসে যেকোনো ধরণের সভা, সমাবেশ, মিছিল ও স্লোগান নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। জানা গেছে, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয় পক্ষ বেশ কয়েকটি বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।

শ্রোতাবন্ধুরা ! ভারতের বাংলা দৈনিকগুলোর গুরুত্বপূর্ণ খবরের অংশ বিশেষ তুলে ধরছি।
 

সমন সুদীপকে-রোজভ্যালি কাণ্ডে চিঠির উত্তর দেননি বারবার-গণশক্তি

তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সুদীপ বন্দোপাধ্যায়

 

গত এক বছরে একাধিকবার সমন পাঠানো হয়েছিল। মেলেনি উত্তর। নোট বাতিল কাণ্ডের আগেও ফোন করে সি বি আই দপ্তরে হাজিরা দেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল তাঁকে। মেলেনি কোনো প্রতিক্রিয়া। এই পরিস্থিতিতেই মঙ্গলবার দুপুরে দিল্লিতে তৃণমূল সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাসভবনে ফ্যাক্স মারফত পৌছালো সি বি আই’র সমনের কপি।
এরাজ্যে চিট ফান্ড কেলেঙ্কারিতে এবার সি বি আই‘র জেরার মুখে পড়তে চলেছেন তৃণমূল সাংসদ, লোকসভায় তৃণমূলের মুখ্য সচেতক সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়।

অঙ্কের ফাঁকি মেলাতেই নয়া ফরমান-গণশক্তি
নোট বাতিলে কালো টাকা উদ্ধার অধরা থেকে যাচ্ছে। বাতিল নোটের প্রায় ৮২শতাংশের উপর টাকা ব্যাঙ্কে জমা পড়ে যাওয়ায় এই অনুমান অর্থ মন্ত্রকের। তাই কি কেন্দ্রের ঘন ঘন সিদ্ধান্ত বদল ও প্রতিদিন নয়া ফরমান? অর্থনীতি ও রাজনৈতিক মহলে এই প্রশ্ন বড় হয়ে দেখা দিয়েছে।

বি জে পি–র বিরুদ্ধে তদন্ত চাইলেন মমতা-আজকাল

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জী

 

এই কেন্দ্রীয় সরকার কিছু শুনতে পায় না, দেখতে পায় না। গুণ্ডা দিয়ে দেশ চালাতে পারে শুধু। কোলাঘাটের সভায় বি জে পি–কে তীব্র আক্রমণ করলেন মমতা ব্যানার্জি। রাজ্য সরকারের বেশ কয়েকটি উন্নয়ন মূলক প্রকল্প ঘোষণা করার পরেই কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনা শুরু করেন মমতা। বলেন, গোটা দেশের বানিজ্য ব্যবস্থাকে ভাসিয়ে দিয়েছে এই কেন্দ্রীয় সরকার। এই কদিনের মধ্যেই এমন অবস্থা, যে এখনও রোজ ব্যাঙ্কের লাইনে দাঁড়িয়ে লোকে টাকা পাচ্ছে না। একটা কোনও নিয়ম ঠিক করতে পারছে না কেন্দ্র, উল্টে কালো ধন ফিরিয়ে আনার কথা বলছে।

মোদির রাজ্যে গিয়ে আক্রমণ রাহুলের-আজকাল
সংসদে তাঁকে বলতে দেয়নি মোদি সরকার। বারবার অভিযোগ তুলেছিলেন কংগ্রেস সহ সভাপতি। এবার তাই নরেন্দ্র মোদির রাজ্যে গিয়ে নোট বাতিল নিয়ে একের পর এক তোপ দাগলেন রাহুল গান্ধী। মেহসানার জনসভায় কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন মোদিকে।

নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত যাঁদের তাঁরা অর্থনীতি পড়ুক: চিদাম্বরম-সংবাদ প্রতিদিন

ভারতের সাবেক অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরাম (ফাইল ফটো)

 

নোট বাতিলের সিদ্ধান্তকে যাঁরা সমর্থন জানাচ্ছেন তাঁদের প্রাথমিক অর্থনীতি সম্পর্কে লেখাপড়া করা উচিত। এমনভাবেই পরোক্ষভাবে কেন্দ্রকে কটাক্ষ করলেন প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদাম্বরম। কেন্দ্রের নোট বাতিলের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করতে গিয়ে কংগ্রেস নেতা বলেন, “নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত কোনও সংস্কার আনতে পারবে বলে মনে করি না। এই সিদ্ধান্ত দরিদ্র মানুষের সুবিধা বিরোধী এবং একটি ভয়ানক ট্রাজেডি যা মানুষের জীবনে একাধিক সমস্যা ডেকে আনবে।”
প্রসঙ্গত, দেশে কালো টাকার রমরমা রুখতে নোট বাতিলের সিদ্ধান্ত নেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকার। এই সিদ্ধান্তে আদৌ কালো টাকার রমরমা রোখা যাবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রেখেছেন চিদাম্বরম।#


পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২১