লিটন হত্যা পরিকল্পিত-প্রধানমন্ত্রী: দেশে ১ জন এমপিও নিরাপদ নন-ফখরুল
পাঠক! আমাদের নিয়মিত অনুষ্ঠান কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি। আজ ২ জানুয়ারি সোমবারের কথাবার্তার আসরের শুরুতেই বাংলাদেশ ও ভারতের গুরুত্বপূর্ণ দৈনিকের বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম। এরপর বাছাইকৃত কিছু খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- খুনিরা ছিল পূর্বপরিচিত!- ইত্তেফাক-ইত্তেফাক
- রোহিঙ্গা নিগ্রহের ভিডিওর তদন্ত হবে-প্রথম আলো
- বিদেশি টিভি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচারে নিষেধাজ্ঞা -যুগান্তর
- এমপি লিটনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী-কালের কণ্ঠ
- এ সরকারের হাত থেকে রক্ষা পেতে ঐক্যের বিকল্প নেই'-বাংলাদেশ প্রতিদিন
ভারতের শিরোনাম:
- ওরা বলছেন মোদি হটাও, আমি বলছি ভ্রষ্টাচার হটাও-মোদি-সংবাদ প্রতিদিন
- ধর্ম, জাতির ভিত্তিতে ভোট চাওয়া যাবে না, বললো সুপ্রিম কোর্ট-গণশক্তি
- যাদব গৃহবিবাদের ঢেউ এখন দিল্লিতে-আজকাল
শ্রোতাবন্ধুরা! শিরোনামের পর এবার বাংলাদেশ ও ভারতের সবচেয়ে আলোচিত কয়েকটি খবরের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রথমে বাংলাদেশ..
এমপি লিটন সম্পর্কিত খবর আজকের প্রায় সব দৈনিকে ছাপা হয়েছে। এ সম্পর্কে সংবাদ প্রতিদিনের খবর-বাবা-মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় এমপি লিটন-সংবাদ প্রতিদিন
বিস্তারিত খবরে বলা হয়েছে, গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের দাফন সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার (২ জানুয়ারি) তৃতীয় জানাজা শেষে বিকাল সোয়া ৪ টার দিকে বামনডাঙ্গা পারিবারিক কবরস্থানে বাবা-মায়ের কবরের পাশে তাকে শায়িত করা হয়। এর আগে দ্বিতীয় জানাজা হয় সংসদ ভবন চত্ত্বরে। জানাজা শেষে প্রধানমন্ত্রী, প্রেসিডেন্ট ও স্পিকার শ্রদ্ধা জানান। আর যুগান্তরের খবরে বলা হয়েছে, সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন ও আপিল বিভাগের বিচারপতি বজলুর রহমানের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছে মন্ত্রিসভা। আর যুগান্তরের খবরে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল ইসলাম লিটন হত্যার জন্য সন্দেহ জামায়াত-শিবিরের দিকেই। এমন সন্দেহ প্রকাশ করে সোমবার মন্ত্রিসভায় খোদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, লিটন খুবই জনপ্রিয় ছিলেন।
এদিকে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,এমপি লিটনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে –কালের কণ্ঠ
লিটনকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, চক্রান্তকারীরা আগে লিটনের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে, পরে তাকে হত্যা করেছে। ছেলেটি ভালো ছিল, বিদেশে পড়াশুনা করেছে। জামায়াত অধ্যুষিত এলাকা হওয়া সত্ত্বেও সে আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করেছে।
খুনিরা ছিল পূর্বপরিচিত!- ইত্তেফাক
ঘাতকরা ছিল এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনের পূর্বপরিচিত- এমনই তথ্য পেয়েছেন গোয়েন্দারা। তবে পুলিশ হত্যাকান্ডে সরাসরি জড়িত অভিযোগে গতকাল রোববার পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সন্দেহভাজন ১৮ জনকে আটক করেছে। রাতে এমপির ছোট বোন ফাহমিদা বুলবুল কাকলী অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামি করে সুন্দরগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, এ হত্যার কারণ নির্ণয়ে ৫টি সম্ভাব্য বিষয়ের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেছেন, এমপি মঞ্জুরুল ইসলাম লিটনকে গুলি করে হত্যার ঘটনা সন্ত্রাসীদের নতুন কৌশল হতে পারে।
এদেশে একজন এমপি পর্যন্ত নিরাপদ নন: ফখরুল-ইত্তেফাকসহ বেশ কয়েকটি দৈনিকের খবর
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, দেশে কোনো মানুষের স্বাভাবিক মুত্যৃর গ্যারান্টি নেই। এদেশের এখন এমন অবস্থা যে, একজন এমপি পর্যন্ত নিরাপদ নন। জনগণের কী ভয়ঙ্কর অনিরাপদ অবস্থা তা সহজেই অনুমেয়। আর এই জনবিরোধী সরকারের কাছে কীভাবে দেশ নিরাপদ থাকে?
জাপার তোষামোদিতে লজ্জা পাচ্ছে আওয়ামী লীগ'-বাংলাদেশ প্রতিদিন
আমেরিকার নিউইয়র্কে আয়োজিত এক সমাবেশে জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম মেম্বার আজম খান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি জাপার মন্ত্রীদের তোষামদি আর চাটুকারিতা এতই নগ্ন যে, আওয়ামী লীগের মন্ত্রীরাও লজ্জা পাচ্ছেন। এভাবেই দলগতভাবে জাতীয় পার্টি আজ গৃহপালিত বিরোধী দলের অপবাদ পাচ্ছে।
জাতীয় পার্টির ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ১ জানুয়ারি রবিবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্র জাতীয় পার্টির উদ্যোগে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় জ্যাকসন হাইটসে একটি মিলনায়তনে।
বিএনপি-জামায়াত জোট এবার সংসদ সদস্য হত্যার মিশনে নেমেছে-শাজাহান খান: বাংলাদেশ প্রতিদিন
নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাজাহান খান বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত জোট জঙ্গিবাদের কৌশল পরিবর্তন করে সংসদ সদস্য হত্যার গোপন মিশনে নেমেছে। তারই আভাস গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের এমপি লিটনকে হত্যা। এর আগে বিএনপি-জামায়াত জোট পেট্রোল বোমা মেরে মানুষ পুড়িয়ে হত্যা করেছে। হলি আর্টিজান, শোলাকিয়ায় হামলা চালিয়ে দেশি-বিদেশি বহু মানুষ হত্যা করেছে। সব জায়গায় ব্যর্থ হয়ে এখন তারা নতুন মিশন নিয়ে সংসদ সদস্য, চেয়ারম্যানসহ জনপ্রতিনিধিদের হত্যায় মাঠে নেমেছে।
বিদেশি টিভি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচারে নিষেধাজ্ঞা-যুগান্তর
দেশের দর্শকদের জন্য বাংলাদেশে ডাউনলিংককৃত বিদেশি টিভি চ্যানেলের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ‘কেবল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক পরিচালনা আইন-২০১৬’ এর ধারা ১৯ এর ১৩ নং উপধারার আলোকে এ নির্দেশ দেয়া হয়।
এ নির্দেশনা ভঙ্গকারী সংশ্লিষ্ট বিদেশি টিভি চ্যানেল ডিস্ট্রিবিউশনের বিরুদ্ধে অনাপত্তি ও অনুমতি এবং লাইসেন্স বাতিলসহ আইনানুযায়ী অন্যান্য শাস্তির ব্যবস্থা নেয়া হবে।
বিশ্লেষকদের অভিমত-সবাই এখন আওয়ামী লীগার- যুগান্তর
দেশের সবাই যেন এখন আওয়ামী লীগার। সাবেক ও বর্তমান আমলা থেকে শুরু করে শিক্ষক, চিকিৎসক, আইনজীবী, প্রকৌশলীসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার বেশিরভাগ মানুষ নিজেদের আওয়ামীপন্থী বলতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন।
কেউ কেউ এ পরিচয়কে বিশ্বাসযোগ্য করতে নানা কৌশল-অপকৌশলের পথ বেছে নেন। কারণ যাই হোক, নিজেকে সরকারি দলের লোক হিসেবে জাহির করতে অনেকে এখন ব্যতিব্যস্ত। আর এমন প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে নেই আইনশৃংখলা বাহিনীর অনেক সদস্যও। আছেন সাংস্কৃতিক ও সংবাদকর্মীরাও।
সূত্র বলছে, যারা এক সময় আওয়ামী লীগের কঠোর সমালোচনা ছাড়াও আওয়ামীবিরোধী রাজনীতিও করেছেন- তারাই এখন ব্যক্তিস্বার্থে আওয়ামী লীগে যোগ দিচ্ছেন। নিন্দুকেরা এদের নাম দিয়েছেন ‘হাইব্রিড’।
ধর্ম, জাতির ভিত্তিতে ভোট চাওয়া যাবে না, বললো সুপ্রিম কোর্ট-গণশক্তি
জাতি ও ধর্মের নামে কোনও রাজনৈতিক দল বা নেতা ভোট চাইতে পারবে না। সোমবার ঐতিহাসিক এক রায়ে এমনটাই জানিয়ে দিল শীর্ষ আদালত। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস ঠাকুরের নেতৃত্বে সাত বিচারপতির এক ডিভিশন বেঞ্চ এদিন এই রায় দিয়েছে, ভোট চাইতে ধর্ম, বর্ণ, জাতি, সম্প্রদায় বা ভাষার তাস আর খেলতে পারবে না রাজনৈতিক নেতা বা দলগুলি।
যাদব গৃহবিবাদের ঢেউ এখন দিল্লিতে-আজকাল
ছেলে যতই ‘বেয়াদপি’ করুক, তবু তাঁর দিকেই দলের পাল্লা ভারী। হাড়ে হাড়ে বুঝে গেছেন সপা সুপ্রিমো মুলায়ম সিং যাদব। তাই ৫ তারিখ কর্মসমিতির বৈঠক ডেকেও তা বাতিল করলেন। পরিবর্তে নেতাদের নিজের নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে গিয়ে প্রচারে মন দিতে বললেন।
ওরা বলছেন মোদি হটাও, আমি বলছি ভ্রষ্টাচার হটাও-মোদি-সংবাদ প্রতিদিন
এবছরই উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন। নোট বাতিলের পর লখনউয়ের মাটিতে সোমবার ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির অ্যাসিড টেস্ট। সেই পরীক্ষায় এদিন লেটার মার্কস পেয়েই উতরে গেলেন মোদি। ভিড়ে ঠাসা জনসভায় মোদি বললেন, বিরোধীরা বলছেন মোদি হটাও। আমি বলছি, কালো টাকা হটাও। ওঁরা বলছেন, মোদি হটাও। আমি বলছি দুর্নীতি হটাও। এবার আপনি বলুন কাকে সরাতে চান? সমস্ত জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে উত্তরপ্রদেশের উন্নয়নের জন্য ভোট দিন।#
পার্সটুডে/জিএআর/২