জাতিগত নিধনযজ্ঞ চালাচ্ছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী- দৈনিক যুগান্তর
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ৭ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম:
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- জাতিগত নিধনযজ্ঞ চালাচ্ছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী- দৈনিক যুগান্তর
- রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরাতে জাতিসংঘের পদক্ষেপ চান প্রধানমন্ত্রী- দৈনিক যায়যায়দিন
- মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা সহজ নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী- দৈনিক মানবজমিন
- চাল আনতে মিয়ানমার গেলেন খাদ্যমন্ত্রী- দৈনিক প্রথম আলো
- মিয়ানমার রাষ্ট্রদূতকে আবার তলব: রোহিঙ্গাদের নজীরবিহীন ঢলে সরকারের উদ্বেগ- দৈনিক নয়াদিগন্ত
- এসকে সিনহার অনুপস্থিতিতে প্রধান বিচারপতির কার্যভার ওয়াহহাব মিঞার-
দৈনিক ইত্তেফাক - বিএনপির সংসদ ভেঙে দেওয়ার দাবি উদ্ভট: ওবায়দুল কাদের- দৈনিক সমকাল
- প্রশাসনে তিন মাসে ৫৭৪ কর্মকর্তা বদলি- দৈনিক ইনকিলাব
ভারতের শিরোনাম:
- চিনকে রুখতে মরিয়া দিল্লির সাহায্য সু চি-কে- দৈনিক আনন্দবাজার
- আমরা কেউ নিরাপদ নই: মমতা- দৈনিক আজকাল
- বিমল গুরুংসহ ৮ জনের নামে গ্রেপ্তারি পরওয়ানা- দৈনিক বর্তমান
- ৩৬ ঘন্টার অভিযান শেষে, বাংলাদেশে নিকেশ ৭ জঙ্গি- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-
জাতিগত নিধনযজ্ঞ চালাচ্ছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী- দৈনিক যুগান্তর

রোহিঙ্গা সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। রাখাইন রাজ্যে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের জাতিগত নিধনযজ্ঞ শুরু করেছে।
গত সাত দিনে তিন হাজার রোহিঙ্গাকে হত্যা করা হয়েছে। এদের ১০ হাজার গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়েছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। বাংলাদেশ সরকারের উচ্চপর্যায়ের সূত্রগুলো বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘রোহিঙ্গা সংখ্যালঘু মুসলমানদের নির্মূলে পরিকল্পিত গণহত্যা’ হিসাবে মনে করছে। উগ্রপন্থী বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের লোকেরা সিতওয়েতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশন ঘেরাও করেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সীমান্তে তীব্র উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।
এই পরিস্থিতিতে সেখানে অবস্থানরত অবশিষ্ট রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় আন্তর্জাতিক ‘সেফ জোন’ ঘোষণার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। বসনিয়া, যুগোস্লাভিয়াসহ সংঘাতকবলিত অনেক স্থানে এভাবে ‘সেফ জোন’ ঘোষণা করা হয়েছিল। রোহিঙ্গা সংকটে আন্তর্জাতিক রেডক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট সংস্থা ইতিমধ্যে ‘সেফ জোন’ ঘোষণার প্রস্তাব রেখেছে। জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ থেকেও একই ধরনের ঘোষণা আশা করে বাংলাদেশ। নির্ভরযোগ্য কূটনৈতিক সূত্রে বুধবার জানা গেছে এসব তথ্য।
বর্তমান পরিস্থিতিতেও বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ উপায়ে সব সংকট নিরসনে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মিয়ানমারের সঙ্গে বন্ধুত্ব বজায় রেখে সমাধান খোঁজার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করেছে। ঢাকায় নিযুক্ত মিয়ানমারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত অং মিন্টকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশ মিয়ানমারের অভ্যন্তরে রাখাইন রাজ্যে সেনা অভিযান বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। এ নিয়ে গত সাত দিনে চতুর্থ দফায় মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হল। বর্তমান পরিস্থিতিতে রোহিঙ্গাদের অবস্থা জানার জন্য তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত কেভুসেগলু এবং দেশটির ফার্স্টলেডি এমিন এরদোগান আজ বৃহস্পতিবার কক্সবাজারে যাচ্ছেন। তারা রোহিঙ্গাদের সঙ্গে কথা বলবেন এবং দুর্দশাগ্রস্ত রোহিঙ্গাদের মাঝে প্রতীকী ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করবেন।
রোহিঙ্গাদের দেশে ফেরাতে জাতিসংঘের পদক্ষেপ চান প্রধানমন্ত্রী- দৈনিক যায়যায়দিন

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সহিংসতার মুখে পালিয়ে আসা শরণার্থীদের দেশে ফেরাতে জাতিসংঘের কার্যকর পদক্ষেপ চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক প্রতিনিধি রবার্ট ডি ওয়াটকিনস বুধবার বিদায়ী সাক্ষাত করতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে গেলে শেখ হাসিনা বলেন, মিয়ানমারের নাগরিকদের যাতে দেশে ফিরিয়ে নেয়া হয়, সেজন্য জাতিসংঘকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
মিয়ানমারে জাতিগত নিপীড়নের মুখে পালিয়ে এসে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ গত কয়েক দশক ধরে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছে। বাংলাদেশ তাদের ফিরিয়ে নেয়ার আহ্বান জানিয়ে এলেও মিয়ানমার তাতে সাড়া দেয়নি। বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়াদের নাগরিক হিসেবেও মেনে নিতে নারাজ মিয়ানমার। গত ২৪ আগস্ট রাখাইনে পুলিশ পোস্ট ও সেনা ক্যাম্পে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মির হামলার পর সীমান্তে নতুন করে মিয়ানমার নাগরিক এই রোহিঙ্গাদের ঢল নামে।
রবার্ট ওয়াটকিনস সাক্ষাতকালে প্রধানমন্ত্রীকে জানান, তাদের হিসাব অনুযায়ী এই দফায় প্রায় এক লাখ ২৬ হাজার মানুষ মিয়ানমার থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে এসেছে। মিয়ানমারের বর্তমান পরিস্থিতিতে আরও বহু মানুষ শরণার্থী হিসেবে বাংলাদেশে আসতে পারে বলে আশংকা প্রকাশ করেন জাতিসংঘের বিদায়ী আবাসিক প্রতিনিধি।
মিয়ানমারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করা সহজ নয়: বাণিজ্যমন্ত্রী- দৈনিক মানবজমিন

বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ভৌগোলিক কারণে মিয়ানমারের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করা সহজ নয়। তবে বিশ্ববাসীর উচিত রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়ানো। গতকাল সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তোফায়েল আহমেদ। এর আগে মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বাণিজ্যমন্ত্রী। মালদ্বীপ এরই মধ্যে মিয়ানমারের সঙ্গে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক ছিন্ন করেছে।
বাংলাদেশ এ রকম কিছু করবে কিনা জানতে চাইলে তোফায়েল আহমেদ বলেন, মালদ্বীপ ও মিয়ানমারের মধ্যে ভৌগোলিকভাবে যথেষ্ট দূরত্ব আছে। কিন্তু আমরা নিকট প্রতিবেশী। তোফায়েল আহমেদ বলেন, সুচির শান্তির নমুনা বিশ্ববাসী দেখেছে। মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের ওপর অমানবিক নির্যাতন হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, মানবিক দিক বিবেচনায় এ দুর্যোগ, দুর্ভোগ ভাগাভাগি করে নেয়া উচিত। আমাদের সামর্থ্য সীমিত। মানবিক দিক বিবেচনায় যতটুকু সম্ভব, ততটুকু করেছি।
চাল আনতে মিয়ানমার গেলেন খাদ্যমন্ত্রী- দৈনিক প্রথম আলো

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের উচ্ছেদের ডামাডোলের মধ্যে দেশটি থেকে চাল আমদানির চুক্তি করতে মিয়ানমার গেলেন খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম। গতকাল বুধবার খাদ্যমন্ত্রীর নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল মিয়ানমার গেছে। দলটি মিয়ানমার থেকে বছরে ১০ লাখ টন চাল আমদানির ব্যাপারে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর (এমওইউ) করবে। পাশাপাশি দ্রুত ২ থেকে ৩ লাখ টন চাল আমদানির ব্যাপারেও চুক্তি করার আশা করছে তারা।
বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে খাদ্যমন্ত্রী ছাড়াও আছেন খাদ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আতাউর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক তোফাজ্জল হোসেন মিঞা, খাদ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী মোহাম্মদ হেলাল হোসেন। মন্ত্রীর নিজের খরচে তাঁর স্ত্রী তায়েবা ইসলামও সফরসঙ্গী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। দলটি ৯ সেপ্টেম্বর মিয়ানমার ছাড়বে বলে খাদ্য মন্ত্রণালয় থেকে জারি করা নির্দেশে বলা হয়েছে।
মিয়ানমার রাষ্ট্রদূতকে আবার তলবরোহিঙ্গাদের নজীরবিহীন ঢলে সরকারের উদ্বেগ- দৈনিক নয়াদিগন্ত

রাখাইন রাজ্যের সহিংসতায় সীমান্ত অভিমুখে রোহিঙ্গাদের নজীরবিহীন ঢলে উদ্বিগ্ন সরকার মিয়ানমারের কাছে প্রতিবাদ জানিয়েছে। সরকারের মতে, রাখাইন রাজ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ বারবার ভিকটম হচ্ছে। বিপুল সংখ্যক উদ্বাস্তুদের ভার বহনের ক্ষমতা বাংলাদেশের নেই। এ কারণে রোহিঙ্গা সমস্যার মূল উৎস সমাধানের জন্য মিয়ানমারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ।
ঢাকায় মিয়ানমারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত অং মিন্টকে আজ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে সরকারের এ মনোভাব জানানো হয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক (দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া) মঞ্জুরুল করিম খান চৌধুরী রাষ্ট্রদূতের হাতে প্রতিবাদ পত্র তুলে দেন। গত এক সপ্তাহে বিভিন্ন ঘটনার প্রতিবাদ জানাতে মিয়ানমারের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূতকে এ পর্যন্ত চারবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করা হয়েছে। ঈদুল আজহার দিনেও তাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ডাকা হয়েছে।
প্রতিবাদপত্রে বলা হয়েছে, রাখাইন রাজ্যে সামরিক অভিযানের সময় বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত না করায় বাংলাদেশ উষ্মা প্রকাশ করছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে বিপুল সংখ্যক রোহিঙ্গা বাংলাদেশে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। বেসামরিক জনগণের ওপর এ অভিযানের নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন।
এসকে সিনহার অনুপস্থিতিতে প্রধান বিচারপতির কার্যভার ওয়াহহাব মিঞার-
দৈনিক ইত্তেফাক

প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার অনুপস্থিতিতে প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালনের দায়িত্ব দেয়া হয়েছে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারক বিচারপতি মোহাম্মদ আবদুল ওয়াহহাব মিঞাকে। সংবিধানের ৯৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ আপিল বিভাগের কর্মে প্রবীণতম বিচারক বিচারপতি ওয়াহহাব মিঞাকে এই দায়িত্ব প্রদান করেছেন।
প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা আগামী ১০ সেপ্টেম্বর থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অথবা যাত্রার তারিখ হতে পুনরায় স্বীয় কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির কার্যভার পালন করবেন তিনি। আজ বুধবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
প্রসঙ্গত প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা এশীয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান বিচারপতিদের সম্মেলনে যোগ দিতে জাপান যাবেন। আগামী ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাপানের টোকিওতে এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। সম্মেলনে যোগদানের অনুরোধ জানিয়ে ইতঃপূর্বে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহাকে পত্র দিয়েছিলেন জাপানের প্রধান বিচারপতি।
বিএনপির সংসদ ভেঙে দেওয়ার দাবি উদ্ভট: ওবায়দুল কাদের- দৈনিক সমকাল

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সংসদ ভেঙে দিয়ে আগাম নির্বাচনের দাবিকে হাস্যকর ও উদ্ভট বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, মির্জা ফখরুল ও তার দল কোন ক্ষমতাবলে, কোন আইনের বলে, একটি নির্বাচিত বৈধ সরকারের পদত্যাগ চান, এটি জানতে চাই। এ ধরনের দাবি ব্যর্থ দলের প্রলাপ ছাড়া আর কিছুই নয়।
বুধবার নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁয়ের মেঘনা টোল প্লাটা এলাকায় টাচ অ্যান্ড গো পদ্ধতির দুটি লেনের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, আমরা জনগণের ইচ্ছায় ক্ষমতায় এসেছি, নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ইচ্ছায় থাকব, জনগণ না চাইলে চলে যাব। সংবিধানের বাইরে কিছুই হবে না। নির্বাচনের মাধ্যমে এসেছি, আরেকটি নির্বাচন হবে। সে নির্বাচনে জনগণ না চাইলে থাকব না। বিএনপির ইচ্ছায় ক্ষমতায় আসিনি, বিএনপির ইচ্ছায় পদত্যাগও করব না। বরং ব্যর্থ নেতৃত্বে দায়ে বিএনপির নেতাদেরই পদত্যাগ করা উচিত।
ওবায়দুল কাদের বলেন, বিএনপি নিজেদের ব্যালেন্স হারিয়ে ফেলেছে নেগেটিভ পলিটিক্স করতে করতে। বিএনপির তৃণমূল নেতা-কর্মীরা হতাশ, তাদের নেতা- কর্মীরা এ ব্যর্থ নেতৃত্বের পদত্যাগ চায়। ফখরুল সাহেবই পদত্যাগ করুন, তারই পদত্যাগ করা উচিত। কারণ তিনি দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর ১০ মিনিটের জন্য একটি আন্দোলন দেখাতে পারেননি।
প্রশাসনে তিন মাসে ৫৭৪ কর্মকর্তা বদলি- দৈনিক ইনকিলাব

প্রশাসনে বিভিন্ন পর্যায়ে সচিব, অতিরিক্ত সচিব, যুগ্মসচিব এবং উপসচিবসহ গত তিন মাসে ৫৭৪ জন কর্মকর্তাকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে বদলী করা হয়েছে। ঘন ঘন রদবদলের কারনে প্রশাসনের কর্মকর্তাদের মাঝে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে আবার হয়রানির শিকারও হয়েছেন। এর মধ্যে একজন সচিবকে পর পর তিন মন্ত্রণালয়ে বদলী করা হয়েছে। এদিকে পদোন্নতি নীতিমালা না হওয়ায় প্রশাসনে মেধাহীনতা ও দলীয়করণ বেড়ে চলেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ওয়েব সাইটে এসব কর্মকর্তাদের তালিকা দেয়া হয়েছে।
তত্ত¡াবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব ড. আকবর আলি খান ইনকিলাবকে বলেন, যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসে তখন তাদের লোকজনকে ভাল ভাল স্থানে বদলী করে থাকে। এ জন্য একটি পদোন্নতি নীতিমালা প্রয়োজন। আসলে পদোন্নতি নীতিমালা না হওয়ায় প্রশাসনে মেধাহীনতা ও দলীয়করণ বেড়ে চলেছে। এটা সম্পূর্ণ নির্ভর করে রাজনৈতিক সদিচ্ছার ওপর। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মোজাম্মেল হক খান ইনকিলাবকে বলেন, প্রশাসনে বদলী ও পদোন্নতি হচ্ছে রুটিন কাজ। এটাকে রাজনৈতিকভাবে দেখা হচ্ছে না। বদলী সব সময় হচ্ছে, আরো হবে।
এবারে কোলকাতার বাংলা দৈনিকগুলোর বিস্তারিত খবর
চিনকে রুখতে মরিয়া দিল্লির সাহায্য সু চি-কে- দৈনিক আনন্দবাজার

ড্রাগনের ‘নেকনজর’ থেকে মায়ানমারকে মুক্ত করতে সর্বাত্মক প্রয়াস শুরু করল নয়াদিল্লি। গত কাল প্রেসিডেন্ট হিতিন কওয়াইয়ের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আজ ক্ষমতাসীন দলের নেত্রী আউং সান সু চি-র সঙ্গে বৈঠক করে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে এক নয়া পর্বের সূচনা করলেন তিনি। দু’দেশের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা আরও বাড়ানো নিয়ে কথা হয়েছে। সই হল সমুদ্রপথে নিরাপত্তা বাড়ানো-সহ মোট ১১টি চুক্তিপত্রে। সে দেশের নাগরিকদের ভারতে আসার জন্য ভিসা-ফি তুলে দেওয়ার কথাও ঘোষণা করলেন মোদী।
একটি আবেগঘন মুহূর্তে সু চি-র হাতে মোদী তুলে দিলেন একত্রিশ বছর আগে শিমলার ‘ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব অ্যাডভান্সড স্টাডিজ’-এ তাঁর জমা দেওয়া গবেষণাপত্রের বিশেষ প্রতিলিপি। মোদীর কথায়, ‘‘মায়ানমারের উন্নয়নে আমরাও অবদান রাখতে চাই। ভারত সরকারের ‘সব কা সাথ, সব কা বিকাশ’ উদ্যোগে সামিল করতে চাই তাদের।’’
আমরা কেউ নিরাপদ নই: মমতা- দৈনিক আজকাল

সাংবাদিক গৌরী লঙ্কেশের হত্যার প্রতিবাদে পথে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। বুধবার কলকাতায় সাংবাদিকদের প্রতিবাদ মিছিলে তিনি অংশ নেন। এদিন সকালে কলকাতায় ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, কট্টরপন্থীদের বিরুদ্ধে কড়াভাবে লিখেছিলেন বলেই গৌরী লঙ্কেশকে খুন হতে হয়েছে। এই খুনের তীব্র নিন্দা করছি। সারাদেশে এখন এটাই হচ্ছে। ওঁরা নির্দিষ্ট কিছু মানুষকে নিরাপত্তা দিচ্ছে। আমরা কেউ নিরাপদ নই। এদিন সন্ধেয় প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে এক প্রতিবাদ–মিছিল হয়। শুরুতে কলকাতা প্রেস ক্লাবে গৌরী লঙ্কেশের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মোমবাতি জ্বালান মুখ্যমন্ত্রী। তারপর প্রতিবাদ–মিছিলে পা মেলান। ছিলেন মন্ত্রী ইন্দ্রনীল সেনও।
প্রেস ক্লাব থেকে শুরু হয়ে মিছিল যায় গান্ধীমূর্তির পাদদেশে। সেখান থেকে পার্ক স্ট্রিট, লিন্ডসে স্ট্রিট, ডোরিনা ক্রসিং হয়ে গান্ধীমূর্তির পাদদেশে এসে মিছিল শেষ হয়। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত মিছিলে পা মেলান মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। মঙ্গলবার ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রী গৌরী লঙ্কেশের হত্যার প্রতিবাদে টুইট করেন। বলেন, ‘এই ঘটনা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক এবং অশনিসংকেতও বটে। আমরা এর ন্যায়বিচার চাই।’ কলকাতার পাশাপাশি সারা দেশ জুড়েই প্রতিবাদে পথে নেমেছেন সাংবাদিক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ।
বিমল গুরুংসহ ৮ জনের নামে গ্রেপ্তারি পরওয়ানা- দৈনিক বর্তমান

ভানুভবনে হামলার ঘটনায় বিমল গুরুংসহ মোর্চার আটজন নেতা নেত্রীর বিরুদ্ধে বুধবার দার্জিলিংয়ের আদালত গ্রেপ্তারি পরওয়ানা জারি করল। মুখ্য বিচার বিভাগীয় আদালতে সিআইডির তরফে মোর্চা নেতাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরওয়ানা জারির আবেদন জানানো হয়। আদালত তা মঞ্জুর করেছে। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রেপ্তারি পরওয়ানার তালিকায় মোর্চা সুপ্রিমো ছাড়াও রয়েছেন দলের সাধারণ সম্পাদক রোশন গিরি, নারী মোর্চার নেত্রী তথা বিমল পত্নী আশা গুরুং, প্রকাশ গুরুং, তিলক চন্দ্র রোকা, অশোক ছেত্রি, যুব মোর্চার নেতা অমৃত ইয়ংজন ও ডি কে প্রধান। সরকারি পক্ষের আইনজীবী প্রণয় রাই জানিয়েছেন, ভানু ভবনে হামলার ঘটনায় মোর্চা নেতা বিমল গুরুং সহ আট জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরওয়ানা জারির জন্য সিআইডি আদালতে আবেদন করেছিল। আদালত তা মঞ্জুর করেছে। প্রসঙ্গত, পাহাড়ে রাজ্য মন্ত্রিসভার বৈঠকের দিন যে বিক্ষোভ আন্দোলনের ঘটনা ঘটে তাতে অন্যতম অভিযুক্ত মোর্চার এই নেতারা।
৩৬ ঘন্টার অভিযান শেষে, বাংলাদেশে নিকেশ ৭ জঙ্গি- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

বাংলাদেশ জুড়ে চলা সন্ত্রাসদমন অভিযানে বড়সড় সাফল্য পেল নিরাপত্তাবাহিনী। পুলিশ সূত্রে খবর, বুধবার ভোররাতে খতম করা হয়েছে সাত ফিদায়েঁ জঙ্গিকে। প্রায় ৩৬ ঘণ্টা ধরে ঢাকার মীরপুরে একটি জঙ্গি ডেরা ঘেরাও করে রেখেছিল নিরাপত্তারক্ষীরা। চলছিল প্রবল গুলির লড়াই। অবশেষে পালানোর পথ না পেয়ে পরপর তিনটি আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটায় জেহাদিরা। ওই বিস্ফোরণে মারা পড়েছে জঙ্গি আবদুল্লাহ, তার দুই স্ত্রী, দুই শিশুসন্তান ও দুজন সহযোগী। মৃত জঙ্গিরা জেএমবির সদস্য বলে মনে করছে পুলিশ।
জানা গিয়েছে, মীরপুরে জঙ্গিদের লুকিয়ে থাকার খবর পায় পুলিশ গোয়েন্দারা। তারপরই দ্রুত অভিযানের ছক কষে ফেলে পুলিশ ও র্যাব। জঙ্গিডেরাটি ঘিরে ফেলে জেহাদিদের পালানোর পথ বন্ধ করে দেয় নিরাপত্তারক্ষীরা। বারবার বলা হলেও আত্মসমর্পণ করতে রাজি হয়নি জঙ্গিরা। র্যাবের শীর্ষ আধিকারিক বেনজির আহমেদ জানান, নিহত আবদুল্লাহ এক দুর্ধর্ষ জঙ্গিনেতা। অনেকদিন ধরেই তার খোঁজ চালাচ্ছিল পুলিশ। পায়রা ব্যবসার আড়ালে নিজের বাড়িতে প্রচুর বিস্ফোরক ও দাহ্য রাসায়নিক জমা করেছিল ওই জঙ্গি। দেশজুড়ে বড়সড় নাশকতা চালানোর ছক কষছিল ওই জঙ্গি।
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! আবারও আমরা কথাবার্তার আসর নিয়ে হাজির হবো আগামীকাল। ততক্ষণ পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন।#
পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/৭