রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীনের সঙ্গে আলোচনা হবে: ওবায়দুল কাদের
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ১৭ সেপ্টেম্বর রোববারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম:
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- ৬১টি রোহিঙ্গা সংগঠনের প্রতিবেদন: মিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞা চাই- যুগান্তরের ব্যানার হেডিং
- শ’ শ’ রোহিঙ্গা শিশু নিঃসঙ্গ ঝুঁকিতে প্রায় আড়াই লাখ- দৈনিক ইনকিলাব
- নিবন্ধনে অনীহা রোহিঙ্গাদের- দৈনিক মানবজমিন
- ক্যাম্পের ভেতরেই থাকতে হবে রোহিঙ্গাদের- দৈনিক নয়াদিগন্ত
- সু চি কেন রোহিঙ্গাদের পাশে নেই- দৈনিক প্রথম আলো
- রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীনের সঙ্গে আলোচনা হবে: ওবায়দুল কাদের- দৈনিক ইত্তেফাক
- চালের বাজার আরও অস্থির: সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি- দৈনিক যায়যায়দিনের প্রধান শিরোনাম
ভারতের শিরোনাম:
- হাসিনা না সু চি, রোহিঙ্গা প্রশ্নে জোর দোটানায় দিল্লি- দৈনিক আনন্দবাজার
- সীমান্ত উন্নতির সার্বভৌম অধিকার ভারতের: অমিত শাহ- দৈনিক আজকাল
- পুজোয় বিজেপি দাঙ্গা বাধাতে চাইছে: মমতা – দৈনিক বর্তমান
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-
৬১টি রোহিঙ্গা সংগঠনের প্রতিবেদন: মিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞা চাই- যুগান্তরের ব্যানার হেডিং

রাখাইনে হত্যাযজ্ঞ বন্ধে মিয়ানমারের ওপর আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপের আহ্বান জানিয়েছেন রোহিঙ্গাদের আন্তর্জাতিক সংগঠনের নেতারা। রাখাইনে সেফ জোন বা নিরাপদ অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করে বহুজাতিক বাহিনী মোতায়েনেরও দাবি জানিয়েছে ওআইসি অনুমোদিত সংগঠনটি। ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে জাতিসংঘের অধিবেশন। এতে উপস্থিত বিভিন্ন দেশের শীর্ষ নেতারা যাতে মিয়ানমারের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে চাপ সৃষ্টি করেন সে প্রত্যাশা করেন সংগঠনটির নেতারা। তারা রোহিঙ্গাদের রক্ষা এবং রাখাইনে ফিরে যাওয়ার বিষয়ে বিশ্বনেতাদের ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
ওআইসির কাছে শুক্রবার পেশ করা এক প্রতিবেদনে এসব দাবি জানায় আরাকান রোহিঙ্গা ইউনিয়ন। সংস্থার মহাপরিচালক ড. ওয়াকার উদ্দিন প্রতিবেদনটি পেশ করেন। বিশ্বব্যাপী ৬১টি রোহিঙ্গা সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে আরাকান রোহিঙ্গা ইউনিয়ন। ওআইসির ৩৮তম পররাষ্ট্রমন্ত্রী সম্মেলনে এ সংগঠনকে রোহিঙ্গাদের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। এদিকে, রাখাইনে রোহিঙ্গা নিধন বন্ধ না হওয়ায় জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস ক্ষোভ ও অসহায়ত্ব প্রকাশ করেছেন।
শ’ শ’ রোহিঙ্গা শিশু নিঃসঙ্গ ঝুঁকিতে প্রায় আড়াই লাখ- দৈনিক ইনকিলাব

মিয়ানমার থেকে পালিয়ে গত প্রায় তিন সপ্তাহে যেসব রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছেন তার অর্ধেকের বেশি শিশু। এর মধ্যে শত শত শিশু রয়েছে, যাদের সঙ্গে পরিবারের কোনো সদস্য নেই। এতে শরণার্থীতে উপচে পড়া ও কর্দমাক্ত আশ্রয় শিবিরগুলোতে তারা পড়েছে মারাত্মক ঝুঁকিতে। এমনটা বলছেন ত্রাণকর্মীরা। জাতিসংঘ বলছে, ২৫ শে আগস্ট মিয়ানমারের পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য রাখাইন ছেড়ে পালিয়েছে প্রায় চার লাখ রোহিঙ্গা।
এখন তারা খাদ্য, আশ্রয় ও পরিষ্কার পানির জন্য লড়াই করছে। ইউনিসেফের মুখপাত্র ক্রিস্টোফে বোউলিয়েরাক বলেছেন, শরণার্থীতে শিবিরগুলো উপচে পড়ছে। প্রতিদিনই প্রায় বৃষ্টি হচ্ছে। ফলে এসব স্থান মারাত্মক কর্দমাক্ত হয়ে পড়ছে। ২৫ শে আগস্টের পর যারা বাংলাদেশে এসেছেন তার মধ্যে প্রায় অর্ধেক এসেছেন গত সপ্তাহে। এতে ত্রাণ কার্যক্রম চালানো তীব্র থেকে তীব্র চাপে পড়েছে। এক রকম লড়াই করতে হচ্ছে ত্রাণ দিতে গিয়ে। তিনি বলেন, খোলা মনে বলছি। আমরা চেষ্টা করছি। কিন্তু অপ্রত্যাশিত মাত্রায় শরণার্থী আসছেন। প্রায় এক সপ্তাহ আগে ইউনিসেফ গণনা করে দেখেছে, আশ্রয় শিবিরগুলোতে ১২৬৭টি শিশু রয়েছে। তাদের সঙ্গে পরিবারের কোনো সদস্য নেই।
নিবন্ধনে অনীহা রোহিঙ্গাদের- দৈনিক মানবজমিন

টেকনাফের নয়াপাড়া এবং উখিয়ার কুতুপালং শরণার্থী ক্যাম্পে বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে রোহিঙ্গা শরণার্থী হিসেবে তাদের নাম নিবন্ধন শুরু করেছে বাংলাদেশ সরকার। দেয়া হচ্ছে ছবিযুক্ত পরিচয়পত্র। কিন্তু এই রোহিঙ্গা নিবন্ধনে চলছে হ-য-ব-র-ল অবস্থা। তাতে জাতিগত পরিচয় হিসেবে রোহিঙ্গা শব্দটি উল্লেখ না করায় এদেশে এসেও পরিচয় সংকট সৃষ্টির ষড়যন্ত্রে পড়ছে বলে মনে করছে অনেক রোহিঙ্গা।
শুরুতে বিতরণ করা ছবিযুক্ত পরিচয়পত্রের নাম ছিল ‘রোহিঙ্গা পিপলস্ রেজিস্ট্রেশন’। পরে সে নাম পরিবর্তন করে হয় ‘মিয়ানমার ন্যাশনালস্ রেজিস্ট্রেশন’। প্রথমদিকে তাদের জাতীয়তা লেখা হয়েছিল ‘রোহিঙ্গা’। পরে তাতেও পরিবর্তন আসে। শেষে লেখা হয় জাতীয়তা ‘মিয়ানমার’। সেক্ষেত্রে জাতি গোষ্ঠী হিসেবে পৃথক কলামে ‘রোহিঙ্গা’ পরিচয় লেখা হয়েছিল। এতেই শেষ হয়নি অসংলগ্নতার। প্রথমদিকে প্রদেশের নাম ‘আরাকান’ লিখলেও পরে তাতেও আসে পরিবর্তন। এখন লেখা হচ্ছে ‘রাখাইন প্রদেশ’।
ক্যাম্পের ভেতরেই থাকতে হবে রোহিঙ্গাদের- দৈনিক নয়াদিগন্ত

কক্সবাজারে থাকা রোহিঙ্গাদের বাড়িভাড়া ও চলাচলের ক্ষেত্রে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ। একই সাথে রোহিঙ্গা বিষয়ে বাংলাদেশের নাগরিকদেরও বিভিন্ন ধরনের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
শনিবার পুলিশ হেড কোর্টার থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এই পরামর্শ দেয়া হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, ‘সরকার রোহিঙ্গাদের জন্য নির্দিষ্ট স্থানে বাসস্থান-খাওয়া এবং চিকিৎসাসহ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। তারা নিজ দেশে প্রত্যাবর্তন না করা পর্যন্ত নির্দিষ্ট ক্যাম্পেই অবস্থান করবে। এক্ষেত্রে কোনো কারণে তারা ক্যাম্পের বাইরে বের হতে পারবে না। এমনকি তাদের আত্মীয়-স্বজন অথবা পরিচিত ব্যক্তিদের বাড়িতে অবস্থান বা আশ্রয় নিতে পারবে না। তারা ক্যাম্পের বাইরে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাওয়া আসাও করতে পারবেন না।
বিবৃতিতে আরো বলা হয়, রোহিঙ্গারা নির্দিষ্ট ক্যাম্পের বাইরে কেউ বাসা বা বাড়ি ভাড়া করতে পারবে না। রোহিঙ্গাদের যাতে কেউ বাড়ি ভাড়া না দেয় সে ব্যপারে বাংলাদেশের নাগরিকদের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।
সু চি কেন রোহিঙ্গাদের পাশে নেই- দৈনিক প্রথম আলো

মিয়ানমারের ক্ষমতার রাশ এমন একজনের হাতে, যিনি গণতন্ত্রের নেত্রী, মানবাধিকার আদায়ে সুবিদিত মুখ, শান্তিতে নোবেলজয়ী অং সান সু চি। দীর্ঘদিন গৃহবন্দীসহ জান্তা সরকারের দমননীতি তিনি কম সহ্য করেননি। দুই দশকের বেশি তিনি দেশটির সামরিক সরকারের লক্ষ্যবস্তু ছিলেন। তবু দেশ ছেড়ে চলে যাননি। গত বছর তাঁর দল ক্ষমতায় আসার পর প্রেসিডেন্ট পদে না থাকলেও স্টেট কাউন্সিলরসহ সর্বোচ্চ ক্ষমতায় থাকা সু চি দেশটির সংখ্যালঘু রোহিঙ্গাদের সংকটে কিছু করছেন না কেন—এই প্রশ্নের উত্তরই খোঁজা হয়েছে।
প্রথমত, রোহিঙ্গা ইস্যুতে সু চির বর্তমান এই নীরবতা খুব নতুন কিছু নয়। কারণ এই ইস্যুতে তিনি বরাবর নীরবই থেকেছেন। মিয়ানমারের নেত্রী সু চি কখনো রোহিঙ্গাদের প্রতি খুব বেশি সহানুভূতি দেখাননি। ২০১৫ সালের নভেম্বরে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনের আগে প্রচারাভিযানের সময় সু চি রাখাইনের সহিংসতার ইস্যুটি এড়িয়ে গেছেন।
রোহিঙ্গা ইস্যুতে চীনের সঙ্গে আলোচনা হবে : ওবায়দুল কাদের- দৈনিক ইত্তেফাক

চীন সফর কালে আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দলের সঙ্গে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
‘চীন সফরে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলোচনা হবে কি-না সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যে বিষয়ে আলোচনা জাতিসংঘে হচ্ছে, সেই আলোচনাতো এখানে (চীনে) অবশ্যই আসবে। আর চীন বিষয়টি অস্বীকারও করেনি। যার প্রমাণ হলো জাতিসংঘে রোহিঙ্গা ইস্যুতে সর্বসম্মতভাবে বিবৃতি দিয়েছে।’
মন্ত্রী শনিবার বিকেলে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমন্ডিস্থ রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। আওয়ামী লীগের একটি প্রতিনিধি দলের আসন্ন চীন সফর উপলক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
দেশের স্বার্থ বিবেচনা করে রোহিঙ্গা ইস্যুতে জাতীয় ঐক্যমত সৃষ্টিতে বিএনপির সদিচ্ছার কোন প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছেনা জানিয়ে কাদের বলেন, ‘রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলোচনা করতে বিএনপির সদিচ্ছা বা আন্তরিকতা আছে এমন প্রমাণ আমরা এ পর্যন্ত পাচ্ছি না। তারা এ সমস্যাকে জাতীয় স্বার্থের দিক থেকে বিবেচনা করে এ সমস্যা সমাধানে কতটা আন্তরিক সেটা আগে দেখতে হবে।’
চালের বাজার আরও অস্থির: সরকারের হস্তক্ষেপ দাবি- দৈনিক যায়যায়দিনের প্রধান শিরোনাম

ঈদের পরে সপ্তাহ দুয়েকের ব্যবধানে ঢাকার বাজারে চালের দাম কেজিতে বেড়েছে প্রায় ১০ টাকা; কয়েক মাস ধরে বাড়তি দামের চালের এই 'অস্বাভাবিক' মূল্যবৃদ্ধিতে শঙ্কা প্রকাশ করে সরকারি হস্তক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন ক্রেতা-বিক্রেতারা।
বিডি নিউজ জানায়, শনিবার ঢাকার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, শহরের উচ্চ ও মধ্যবিত্ত মানুষের পছন্দের শীর্ষে থাকা মিনিকেট ও নাজিরশাইল চালের খুচরা মূল্য কেজি প্রতি ৬৫ থেকে ৬৮ টাকায় ঠেকেছে, যেখানে ঈদের আগে এগুলো ৬০ টাকার নিচে বিক্রি হয়। একইভাবে বেড়েছে মোটা চালের দামও।
আকস্মিক এই দাম বৃদ্ধির পেছনে মিল মালিকদের কারসাজি রয়েছে বলে সন্দেহ করছেন চালের পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে গতকাল ৫০ কেজির এক বস্তা নাজিরশাইল ৩১০০ থেকে ৩২০০ টাকা, মিনিকেট ৩১০০ থেকে ৩২০০ টাকা এবং বিআর আটাশ ২৭০০ থেকে ২৮০০ টাকায় প্রতি বস্তা বিক্রি হয়। এই বাজারের বেশ কয়েকটি চালের পাইকারি দোকান ঘুরে ভারত থেকে আমদানি হওয়া গুটি ও স্বর্ণা চালের দেখা মেলেনি।
'দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়'- দৈনিক সমকাল

দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন করা সম্ভব নয় বলে অভিমত দিয়েছেন সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা। তারা বলেছেন, সংসদ বহাল রেখে নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব নয়। এ ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হলে সঠিক ভোটার তালিকা প্রণয়ন, সীমানা পুনর্নির্ধারণ ও নির্বাচনী ব্যয় কমানো, আমলাতন্ত্রের রাজনৈতিক প্রভাব দূর করার বিষয়েও মত দেন তারা। আগামী নির্বাচন গ্রহণযোগ্য করতে হলে সরকারের সদিচ্ছার পাশাপাশি নির্বাচন কমিশনের শক্তিশালী নিরপেক্ষ ভূমিকার প্রয়োজনীয়তাও তুলে ধরেন তারা।
সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) আয়োজিত এক গোলটেবিল আলোচনায় শনিবার বক্তারা এসব কথা বলেন।
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা এম হাফিজউদ্দিন খানের সভাপতিত্বে ও সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের সঞ্চালনায় আলোচনায় অংশ নেন আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আবুল হাসান চৌধুরী, সাবেক নির্বাচন কমিশনার এম সাখাওয়াত হোসেন, কলামিস্ট সৈয়দ আবুল মকসুদ, সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব আলী ইমাম মজুমদার প্রমুখ।
এবারে কোলকাতার বাংলা দৈনিকগুলোর বিস্তারিত খবর
হাসিনা না সু চি, রোহিঙ্গা প্রশ্নে জোর দোটানায় দিল্লি- দৈনিক আনন্দবাজার

এক দিকে বাংলাদেশের শেখ হাসিনা। অন্য দিকে মায়ানমারের আউং সান সু চি। রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে প্রতিবেশী দুই রাষ্ট্রের দুই নেত্রীর মধ্যে কাকে কতটা সমর্থন করা হবে তা নিয়ে এখন প্রবল দোটানায় ভারত।
আজ ঢাকায় মায়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে পাঠিয়ে রোহিঙ্গা শরণার্থী সমস্যা নিয়ে কূটনৈতিক চূড়ান্তপত্র দিয়েছে শেখ হাসিনা সরকার। ঢাকার তরফে মায়ানমারকে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, পশ্চিম মায়ানমার থেকে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ বন্ধ করা না হলে ঢাকা বিষয়টি আন্তর্জাতিক স্তরে নিয়ে যাবে। সেইসঙ্গে বাংলাদেশের দাবি, রোহিঙ্গা শরণার্থীদের উপরে নজরদারি চালাতে গিয়ে সীমান্তে বাংলাদেশের আকাশসীমা লঙ্ঘন করেছে মায়ানমারের হেলিকপ্টার ও ড্রোন। সেই অভিযোগ অবশ্য অস্বীকার করেছে মায়ানমার।
কলাম বিতর্ক মেটার পরে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে চিনে যান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সেখান থেকে মায়ানমারে যান তিনি। রোহিঙ্গা নিয়ে মায়ানমারের অবস্থানকে সমর্থন জানিয়েছে ভারত। এমনকী রোহিঙ্গা সম্প্রদায়ের সঙ্গে যে পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠনগুলির যোগ বাড়ছে, তাও জানিয়েছে ভারত। ভারতে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ রুখতে বিভিন্ন রাজ্যকে নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্র। পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকার সেই নির্দেশ মানতে রাজি নন। কিন্তু বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলি থেকে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের ফেরানোর কাজ (পুশব্যাক) শুরু হয়েছে। এমনকী জম্মু-কাশ্মীরে থাকা রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হচ্ছে। রোহিঙ্গা সমস্যা নিয়ে মোদী সরকারের উপরে চাপ দিচ্ছে সঙ্ঘ পরিবারও।
পুজোয় বিজেপি দাঙ্গা বাধাতে চাইছে: মমতা – দৈনিক বর্তমান

পুজোর সময় দাঙ্গা বাধাতে চাইছে বিজেপি। শনিবার নবান্নে সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই অভিযোগ করে বলেন, আমি বলব, আগুন নিয়ে খেলবেন না! পুজোর সময়ও মানুষ শান্তিতে থাকতে চায়। তবু শান্তি নেই। দাঙ্গা বাধানোর চেষ্টা চলছে। সেই চেষ্টা হলে কাউকে ছাড়ব না। তা সে আমার দলের লোকই হোক আর আমি হই বা বিজেপি, কংগ্রেস কিংবা সিপিএমের লোক হোন, কাউকে ছাড়া হবে না! মমতার কথায়, আরএসএস-এ আগে ছিল মিশন কালচার, এখন শপিং মল কালচার। আরএসএস, ভিএইচপি তো দেখছি, দাঙ্গা বাধানোর চেষ্টায় রয়েছে। এই রাজনীতি বন্ধ হোক। পুজোর সময় সবাই শান্তি বজায় রাখুন। অনেকে ঝামেলা বাধানোর চেষ্টা করবে। সবাই শান্তিতে থাকুন। যারা রাজনীতি করতে পারে না, তারাই সিবিআই, ইডি, দাঙ্গা এসব করে। প্ররোচনায় পা না দেওয়ার জন্য সকলকে অনুরোধ করেন মুখ্যমন্ত্রী।
সীমান্ত উন্নতির সার্বভৌম অধিকার ভারতের: অমিত শাহ- দৈনিক আজকাল

ভারতের উত্তর–পূর্বের রাজ্য অরুণাচল প্রদেশে জাপানের লগ্নির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। উত্তর–পূর্বে সড়কপথে যোগাযোগ ব্যবস্থা বাড়াতে ২ হাজার ২৩৯ কোটি টাকা ঋণ দিচ্ছে টোকিও। এনএইচ–৫৪ পাশে বাইপাস তৈরি করা হবে। উত্তর–পূর্বে সড়কপথের মাধ্যমে মিয়ানমার, কম্বোডিয়ার মত দেশগুলির সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তুলতে চাইছে নয়াদিল্লি। আর এই সিদ্ধান্তে বেজায় চটেছে বেজিং। তাঁদের হুঁশিয়ারি, ভারত–চীনের সীমান্ত বিবাদে তৃতীয় কোনও পক্ষের নাক গলানো উচিত নয়। চীনের এই দাবিকে এবার নস্যাৎ করলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ অমিত শাহ। শনিবার তিনি সাংবাদিক বৈঠক করে বলেন, ‘ভারতের সার্বভৌম অধিকার রয়েছে দেশের অভ্যন্তরীণ সীমান্ত এলাকার উন্নতি ঘটানোর। বিদেশমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ ইতিমধ্যেই এই বিষয়টির ব্যখ্যা দিয়েছেন। আর সেই অধিকারকে আমরা বাস্তবায়িত করতে চাইছি।’
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! আবারও আমরা কথাবার্তার আসর নিয়ে হাজির হবো আগামীকাল। ততক্ষণ পর্যন্ত সবাই ভালো থাকুন।#
পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/১৭