নভেম্বর ০৬, ২০১৭ ০৮:২৯ Asia/Dhaka

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ৬ নভেম্বর সোমবারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ অনলাইন শিরোনাম।

বাংলাদেশের শিরোনাম:

  • সিপিএ সম্মেলনের উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী: রোহিঙ্গাদের দ্রুত ফিরিয়ে নিতে চাপ দিন- দৈনিক মানবজমিন
  • নির্বাচন সুষ্ঠু হলে আ'লীগ বয়কট করবে: গয়েশ্বর- দৈনিক যুগান্তর
  • অ্যাটর্নি জেনারেল ফের বললেন, প্রধান বিচারপতির ফেরা সুদূরপরাহত- দৈনিক মানবজমিন
  • তৃণমূলে স্বাস্থ্যসেবা বেহাল- দৈনিক ইনকিলাব
  • দেশের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে পটুয়াখালীতে- দৈনিক ইত্তেফাক
  • জাতীয় স্কেলে বেতন পাবেন খতিব-ইমাম ও মুয়াজ্জিনরা- দৈনিক যুগান্তর
  • জলবায়ু তহবিলের প্রতিশ্রুতি রাখছে না ধনী দেশগুলো- দৈনিক সমকাল

ভারতের শিরোনাম:

  • ফের চালু হতে চলেছে ভারত-পাক দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বাস পরিষেবা- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
  • মুকুল নাকি ‘‌‌চাটনি’‌, ঠাট্টায় অবজ্ঞার সুর দিলীপের- দৈনিক আজকাল
  • ফাঁকি দিলে দূরের কলেজে বদলি, হুমকি পার্থের- দৈনিক আনন্দবাজার

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন, বাছাইকৃত কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ-

সিপিএ সম্মেলনের উদ্বোধনে প্রধানমন্ত্রী: রোহিঙ্গাদের দ্রুত ফিরিয়ে নিতে চাপ দিন- দৈনিক মানবজমিন

কমনওয়েলথভুক্ত দেশগুলোকে রোহিঙ্গা নাগরিকদের ওপর নির্যাতন বন্ধ করতে এবং বল প্রয়োগের মাধ্যমে বাস্তুচ্যুত হয়ে বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমার সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, মিয়ানমারকে তার নাগরিকদের ওপর নির্যাতন বন্ধ করতে এবং বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে চাপ প্রয়োগ করুন। প্রধানমন্ত্রী এবং সিপিএ ভাইস

পেট্রন শেখ হাসিনা গতকাল জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় ৬৩তম কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি কনফারেন্স (সিপিসি)-এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির ভাষণে একথা বলেন। তিনি বলেন, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সাময়িকভাবে আমরা এই বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা নাগরিককে আশ্রয় দিয়েছি। ‘সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব, কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়’- এই নীতির ভিত্তিতে প্রতিবেশী দেশসমূহের সঙ্গে আমরা সব সময়ই সুসম্পর্ক জোরদার করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছি। এর ফলে আমরা ভারতের সঙ্গে গঙ্গা নদীর পানিচুক্তি এবং স্থল সীমানা চুক্তি সম্পাদনের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি করতে পেরেছি।

‘ত্রাণ দেওয়ার নামে ফটোসেশন করেছেন খালেদা জিয়া’- দৈনিক ইত্তেফাক

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, রোহিঙ্গা সংকটে বেগম খালেদা জিয়া ও তার দল পাশে থাকেননি। রোহিঙ্গাদের ত্রাণ দেওয়ার নামে লোক দেখাতে ক্যাম্পে এসে ফটোসেশন করে চলে গেছেন। এটি খুবই দায়সারা গোছের কাজ। তিনি বলেন, কঠিন বাস্তবতার মুখে কঠিন সিদ্ধান্ত দরকার। রোহিঙ্গা ইস্যুতে যা করে দেখিয়ে বাংলাদেশ সরকার ইতিমধ্যে বিশ্ববাসীকে জানান দিয়েছে।

গতকাল রবিবার কক্সবাজারের হোটেল কক্স-টুডেতে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের ত্রাণ-সামগ্রী ও আর্থিক অনুদান গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ব্রিফিংকালে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার সমালোচনা করে সেতুমন্ত্রী আরো বলেন, মানবিকতার প্রকৃষ্ট উদাহরণ সৃষ্টি করায় বিশ্ববাসী শেখ হাসিনাকে নিয়ে প্রশংসা করছে। কিন্তু বিএনপি উল্টো নানাভাবে বিরোধিতা করছে যা হাস্যকর। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া রোহিঙ্গাদের ত্রাণের নামে সাত দিনের জন্য ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অচল করে রাখেন। এরপরও সরকারের তরফ থেকে কিছু বলা হয়নি। কারণ দেরীতে হলেও অন্তত তিনি রোহিঙ্গাদের পাশে এসেছেন। কিন্তু রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এসে সারা দুনিয়ার মানুষ প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করলেও বেগম জিয়া একটি ধন্যবাদও দেননি। উল্টো সরকারের সমালোচনা করেছেন।  

নির্বাচন সুষ্ঠু হলে আ'লীগ বয়কট করবে: গয়েশ্বর- দৈনিক যুগান্তর

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন ন্যূনতম অবাধ-সুষ্ঠু হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিলে আওয়ামী লীগ সেই নির্বাচন বয়কট করবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বরচন্দ্র রায়। রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের হলরুমে এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।

ঢাকা মহানগর (দক্ষিণ) যুবদলের সভাপতি রফিকুল ইসলাম মজনু ও ১ম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইদ হাসান মিন্টুর মুক্তির দাবিতে প্রতিবাদ সভাটির আয়োজন করে সম্মিলিত ছাত্র ফোরাম।

গয়েশ্বরচন্দ্র রায় বলেন, ‘আমি একটি আগাম কথা বলি, বাংলাদেশে পরবর্তী নির্বাচন ন্যূনতম অবাধ-সুষ্ঠু হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিলে আওয়ামী লীগ নির্বাচন বয়কট করবে। কারণ অবাধ-সুষ্ঠু নির্বাচনে আওয়ামী লীগ আসবে না।’

অ্যাটর্নি জেনারেল ফের বললেন, প্রধান বিচারপতির ফেরা সুদূরপরাহত- দৈনিক মানবজমিন

ছুটিতে থাকা প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার দায়িত্বে ফেরার সম্ভাবনা দেখছেন না অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম। তিনি বলেছেন, এই পরিস্থিতিতে প্রধান বিচারপতি হিসেবে উনার দায়িত্ব পালন সূদুরপরাহত। অন্য বিচারপতিরা তার সঙ্গে না বসলে তিনি একা দায়িত্ব পালন করবেন কিভাবে? প্রধান বিচারপতির ফেরা না ফেরার সঙ্গে ষোড়শ সংশোধনী বাতিলের রায়ের

রিভিউয়ের কোনো যোগাযোগ নেই বলেও মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল। গতকাল অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি। প্রধান বিচারপতি ছুটি শেষে ফিরে দায়িত্ব পালন করবেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, ফেরার প্রশ্ন বড় না। আমি আগেও বলেছি প্রধান বিচারপতি হিসেবে উনার দায়িত্ব পালন সূদুরপরাহত।

তৃণমূলে স্বাস্থ্যসেবা বেহাল- দৈনিক ইনকিলাব

স্বাস্থ্য খাতে জনবল সংকটে গ্রাম পর্যায়ে ৮০ ভাগ মানুষ চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত। থানা বা উপজেলা পর্যায়ে বদলি হয়েও দলীয় প্রভাবে প্রেষণে, ডেপুটেশনের অজুহাত রাজধানীসহ বিভিন্ন বিভাগীয় শহরে কাজ করছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। বড় বড় বেসরকারী হাসপাতাল ও ব্যক্তিগত চেম্বারে রোগী দেখছেন। এতে করে প্রায় ১২ হাজার চিকিৎসক জেলা, উপজেলা ও গ্রামে থাকছেন না যার কারণে তৃণমূলে চিকিৎসা ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়ছে। ভেস্তে যাচ্ছে সরকারের উদ্যেগ। স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, সিভিল সার্জন, চিকিৎসক, জনপ্রতিনিধিদের সাথে আলাপকালে এসব তথ্য পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বারবার বলছেন সরকারি চাকরি করতে হলে উপজেলা পর্যায়ে বাধ্যতামূলকভাবে ৩ বছর কাজ করতে হবে। কিন্তু তার এই ঘোষণা বাস্তবে কার্যকর হচ্ছে না।

সিলেট জেলার সিভিল সার্জন অফিস সূত্রে জানা যায়, এ জেলায় সরকারি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে মোট চিকিৎসকের পদ রয়েছে ২৫৫টি। কাগজে-কলমে দেখানো হয়েছে ১৫৪টি পদ। সেখানে শূন্য পদ ১০১ জন চিকিৎসকের। খোঁজ নিয়ে জানা যায় চিকিৎসকের শূন্য পদ রয়েছে ১১৪ জন। এর মধ্যে ১৩ জন চিকিৎসক দীর্ঘদিন থেকে অনুমোদিত ছুটিতে রয়েছেন। প্রেষণে রয়েছেন ১৬ জন, এছাড়া ৭১ জন সেবিকার পদ, ৫২টি কমিউনিটি চিকিৎসা কর্মকর্তা, ৩৮ জন ফার্মাসিস্টের পদ, ২২টি ল্যাব টেকনিশিয়ান পদ শূন্য রয়েছে। সিভিল সার্জন ইনকিলাব বলেন, এব্যাপারে লেখালেখি করা হয়েছে।

দেশের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র হচ্ছে পটুয়াখালীতে- দৈনিক ইত্তেফাক

ব্যয়বহুল এলএনজি (তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস) থেকে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদনের পথে হাঁটছে সরকার। এরই অংশ হিসেবে পটুয়াখালির পায়রায় ৩ হাজার ৬০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে জার্মানির কোম্পানি সিমেন্সের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই হয়েছে। পায়রায় নির্মাণাধীন ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্র সংলগ্ন এলাকায় এলএনজিভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মিত হবে।

গতকাল রবিবার বিকালে রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে এক অনুষ্ঠানে এ সংক্রান্ত সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন নর্থ ওয়েস্ট পাওয়ার জেনারেশন কোম্পানির (এনডব্লিউপিজিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ এম খোরশেদুল আলম এবং সিমেন্স দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুনীল মাথুর। এখন পর্যন্ত দেশে নির্মিত বা নির্মাণাধীন কয়লাভিত্তিক বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর সবগুলোই ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট থেকে ১ হাজার ৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রর উৎপাদন ক্ষমতা ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট। পায়রায় ৩ হাজার ৬০০ মেগাওয়াটের এ কেন্দ্রটি নির্মাণ হলে এটি দেশের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রের মর্যাদা পাবে।

বিএনপি নির্বাচনে যাবে কিন্তু শেখ হাসিনার অধীনে নয় জানিয়ে দলটির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘আমরা পরিষ্কার বলতে চাই, বিএনপি এখনও শেখ হাসিনার জন্য গলার কাটা। এটা বলার অপেক্ষা রাখে না। ১৪ সালে যে যে কারণে আমরা নির্বাচনে যাই নাই, সে কারণে আমরা আগামী নির্বাচনেও যেতে পারি না।

জাতীয় স্কেলে বেতন পাবেন খতিব-ইমাম ও মুয়াজ্জিনরা- দৈনিক যুগান্তর

জাতীয় স্কেলে বেতন-ভাতা পাবেন মসজিদের খতিব ও ইমামরা। একইভাবে বেতন পাবেন সংশ্লিষ্ট মসজিদের মুয়াজ্জিন ও খাদেমরাও। ইসলামী মূল্যবোধেরউন্নয়ন ও সংস্কৃতি বিকাশের উদ্দেশে দেশব্যাপী মডেল মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। সৌদি সরকারের সহযোগিতায় দেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় মোট ৫৬০টি মসজিদ নির্মাণ করা হবে। এসব মসজিদের খতিব বিদ্যমান জাতীয় বেতন স্কেলের অষ্টম গ্রেডে, ইমামরা নবম, মুয়াজ্জিনরা ১৪তম ও খাদেমরা ১৬তম গ্রেডে বেতন-ভাতা পাবেন। এ সংক্রান্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করবে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসব তথ্যা জানা গেছে।

জানতে চাইলে ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের মহাপরিচালক সামীম মোহাম্মদ আফজাল যুগান্তরকে বলেন, ‘সারা দেশের ৫৬০টি মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণের একটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। একনেকে অনুমোদন পাওয়া প্রকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী মডেল মসজিদের খতিব ও ইমামসহ সবাই জাতীয় স্কেলে বেতন-ভাতা পাবেন। এর মাধ্যমে মসজিদগুলোকে সরকারি কাঠামোতে আনার প্রাথমিক উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে সারা দেশের তিন লাখ মসজিদকেও এর আওতায় আনার চিন্তাভাবনা রয়েছে।’

জলবায়ু তহবিলের প্রতিশ্রুতি রাখছে না ধনী দেশগুলো- দৈনিক সমকাল

জলবায়ু পরিবর্তনের বৈশ্বিক প্রভাব মোকাবেলা করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য পৃথিবী রেখে যাওয়ার আন্তর্জাতিক প্রয়াসে দুই বছর আগে স্বাক্ষরিত প্যারিস জলবায়ু চুক্তির বাস্তবায়ন ভালোভাবে এগোচ্ছে না। ১৯৫ দেশের ঐকমত্যের ভিত্তিতে চুক্তি অনুযায়ী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোকে বছরে ১০ হাজার কোটি ডলার দেওয়ার কথা উন্নত বিশ্বের দেশগুলোর। অথচ প্রতিশ্রুতির বরখেলাপ করে দাতারা জলবায়ু তহবিলের অর্থ দিতে গড়িমসি করছে।

গত বছর ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত বৈজ্ঞানিক গবেষণার ফলাফলে অবিশ্বাস ব্যক্ত করেন এবং তার দেশকে প্যারিস চুক্তি থেকে বের করে নিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। চলতি বছর তিনি সিদ্ধান্ত জানালে ২০২০ সালে চুক্তি ত্যাগ কার্যকর হবে। আমেরিকার সরে যাওয়া হবে জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলার ক্ষেত্রে বিশ্বের জন্য বিরাট আঘাত। তবে বিশ্বব্যাপী এবং আমেরিকায়ও প্রবল সমালোচনার মুখে ট্রাম্প এ বিষয়ে দোটানায় আছেন।

এবারে কোলকাতার বাংলা দৈনিকগুলোর বিস্তারিত খবর:

ফের চালু হতে চলেছে ভারত-পাক দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বাস পরিষেবা- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

দিন কয়েক আগেই বন্দি ও তীর্থযাত্রী সংক্রান্ত মানবিক সমস্যার সমাধানে উদ্যোগ নিয়েছিল দুই যুযুধান দেশই। ভারত যেমন এদেশে বন্দি ১৪ জন পাক-নাগরিকদের দেশে ফেরত পাঠিয়েছিল, তেমনি গুরু নানকের জন্মোৎসবে যোগ দেওয়ার জন্য ২৬০০ ভারতীয় শিখকে স্বল্পকালীন ভিসা দিয়েছিল পাকিস্তানও। এই সৌজন্যের আবহে প্রায় চার মাস পর, কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখায় ফের চালু হতে চলেছে ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য। পুঞ্চ-রাওয়ালকোট রুট দিয়ে দু’দেশের মধ্যে বাস পরিষেবাও ফের চালু হবে। সূত্রের খবর, চলতি সপ্তাহে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বাস পরিষেবা চালু হতে পারে।

সন্তাসবাদ ইস্যুতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কে টানাপোড়েন নতুন নয়। তবে সীমান্তের দুপারের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ বাড়াতেও নানা পদক্ষেপ করেছে ভারত ও পাকিস্তান। সেই আস্থাবর্ধক পদক্ষেপগুলিরই অন্যতম কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখা দিয়ে ভারত-পাকিস্তান দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বাস পরিষেবা। ২০০৮ সালে একটি চুক্তির মাধ্যমে কাশ্মীরে নিয়ন্ত্রণরেখা দিয়ে এই দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের সূত্রপাত। কিন্তু, উপত্যকায় সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে অর্থের উৎস সন্ধানে এনআইএ তদন্ত শুরুতে হতেই ছবিটা পালটে যায়। তদন্তে জাতীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা জানতে পারেন, দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মজবুত হওয়া তো দূর অস্ত, বরং এই দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যকে হাতিয়ার করেই কাশ্মীরের সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে অর্থ জোগান দিচ্ছে এক শ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী।

মুকুল নাকি ‘‌‌চাটনি’‌, ঠাট্টায় অবজ্ঞার সুর দিলীপের- দৈনিক আজকাল

নাম না করে বিজেপিতে সদ্য যোগ দেওয়া মুকুল রায়কে চাটনির সঙ্গে তুলনা করলেন দলের রাজ্য সম্পাদক দিলীপ ঘোষ। রবিবার ঝাড়গ্রামে দলের এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে এসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে দিলীপ ঘোষ মন্তব্য করেন, ‘‌খাবারের পাতে ভাত, ডাল, তরকারির পর চাটনি হলে ভাল লাগে। কিন্তু চাটনি শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর। তবু ভাল লাগে বলে আমরা খাই।’‌ এরপরেই নারদা কেলেঙ্কারির সঙ্গে মুকুল রায়ের সম্পর্ক বিষয়ে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকেরা। উত্তরে দিলীপ ঘোষের মন্তব্য, ‘‌ঝড় উঠলে অনেক লতাপাতা মন্দিরের মাথায় এসে পড়ে। কিন্তু আবার ঝেড়ে ফেলে দেওয়া হয়। মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হলে দল ব্যবস্থা নেবে।’‌

রবিবার ঝাড়গ্রামে দলের জেলা কার্যালয় উদ্বোধন করেন দিলীপ ঘোষ। অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘‌বিজেপি নিজের সাংগঠনিক শক্তিতে মানুষকে সঙ্গে নিয়ে নির্বাচন জিতবে।’‌ এদিন রাজ্য সরকারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘এ রাজ্যে স্থায়ী উন্নয়ন, স্থায়ী কর্মসংস্থান কিছুই হয়নি। এই সরকার খালি চুনকাম করছে। রাজ্যের স্থায়ী উন্নয়ন দরকার। ‌তাই বিজেপির হাত ধরেই পরিবর্তন হবে রাজ্যে।’‌ একইসঙ্গে তিনি বলেন, কুরমি ও মাহাতোদের সংস্কৃতির সঙ্গে জঙ্গলমহলের সংস্কৃতির মিল আছে। এই দুই গোষ্ঠীর লোকেরা পিছিয়ে আছেন। তাঁদের সংরক্ষণের দাবি মেনে নেওয়া উচিত। এদিনের অনুষ্ঠানে হাজির ছিলেন বিজেপির ঝাড়গ্রামের দায়িত্বে থাকা পর্যবেক্ষক কুশল মুখার্জি, বিজেপি নেতা অমিয় সরকার, বিশ্বপ্রিয় রায়চৌধুরি, জেলা সভাপতি সুখময় শতপথি প্রমুখ।

ফাঁকি দিলে দূরের কলেজে বদলি, হুমকি পার্থের- দৈনিক আনন্দবাজার

কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের উপস্থিতি নিয়ে বরাবরই কড়া বার্তা দিয়ে আসছেন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এ বার এক ধাপ এগিয়ে তিনি জানিয়ে দিলেন, কাজে ফাঁকি দিলে শিক্ষক-শিক্ষিকারা দূরের জেলায় বদলি-সহ যে-কোনও ধরনের শাস্তির মুখে পড়তে পারেন। রবিবার বেহালা কলেজে অধ্যক্ষ পরিষদের বিজয়া সম্মিলনীতে সব কলেজের অধ্যক্ষ ও শিক্ষকদের এ ভাবেই হুঁশিয়ারি দেন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষক-শিক্ষিকারা কেন ঠিক সময়ে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ে উপস্থিত হবেন না, এর আগেও সেই প্রশ্ন তোলার সঙ্গে সঙ্গে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন পার্থবাবু। পড়ুয়াদের পঠনপাঠনের প্রতি আগ্রহী করে তোলা এবং সার্বিক উন্নয়নের জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকাদের নিয়ম মেনে ক্লাস করা উচিত বলে অজস্র বার মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি। সময়ে হাজিরা নিশ্চিত করার জন্য উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু করার পথেও এগিয়েছে সরকার। তবে শিক্ষামন্ত্রী এ দিন জানিয়ে দেন, জোর করে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি চালু করা হবে না। কিন্তু কাজে ফাঁকি দিলে শাস্তির মুখে পড়তে হতে পারে। এমনকী বদলিও করা হতে পারে।

পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/৬