জানুয়ারি ১৪, ২০১৮ ০৭:৪৪ Asia/Dhaka

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ১৪ জানুয়ারি রোববারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম।

বাংলাদেশের শিরোনাম:

  • সিপিডির অর্থনৈতিক পর্যালোচনা: ২০১৭ ব্যাংকিং খাতের কেলেঙ্কারির বছর- দৈনিক যুগান্তর
  • নির্বাচনের বিষয়ে সংলাপের প্রয়োজন নেই: ওবায়দুল কাদের- দৈনিক প্রথম আলো
  • সংবিধানে নির্বাচনকালীন সরকারের স্পষ্ট বিধান নেই: ফখরুল- দৈনিক মানবজমিন
  • ১২ লাখ পোলিং এজেন্ট প্রশিক্ষণ দেবে আওয়ামী লীগ- দৈনিক সমকাল
  • ভারতে স্কুলগুলোতে ‘মুসলিম বাচ্চারা হয়রানির শিকার- দৈনিক ইত্তেফাক
  • যাত্রী কল্যাণ সমিতির তথ্য: ২০১৭ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৭৩৯৭- দৈনিক নয়াদিগন্ত
  • অনশনের ৫ দিন: দেড় শতাধিক মাদরাসা শিক্ষক অসুস্থ- দৈনিক ইনকিলাব
  • তদবিরের হিড়িক, না মানলে নানা হয়রানি: ক্ষমতার দাপটে স্থবির প্রশাসন- যায়যায়দিন
  • প্রশাসনে দ্বিধাবিভক্ত আওয়ামীপন্থীরা- দৈনিক যুগান্তর

ভারতের শিরোনাম:

  • দাবিতে অনড় চার ‘বিদ্রোহী’ বিচারপতি- দৈনিক আনন্দবাজার
  • প্রতিরোধ সঙ্কল্প অভিযান: বিজেপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার মামলা- দৈনিক আজকাল
  • পাহাড়ের অশান্তিতে নাগাড়ে অর্থ জোগান চিনের, কেন্দ্রের নজরে চামলিং- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা‍! এবারে চলুন বাছাই করা কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ:

সিপিডির অর্থনৈতিক পর্যালোচনা: ২০১৭ ব্যাংকিং খাতের কেলেঙ্কারির বছর- দৈনিক যুগান্তর

২০১৭ সাল ছিল দেশের ব্যাংকিং খাতের কেলেঙ্কারি বছর। ওই বছর ব্যাংকের কুঋণ ও সঞ্চিতির ঘাটতি বেড়েছে। পাশাপাশি বেড়েছে অপরিশোধিত ঋণ। এতে গুটিকয়েক জনের প্রাধান্য তৈরি হয়েছে। আর জনগণের করের টাকায় রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের মূলধন ঘাটতি পূরণ করা হচ্ছে। শুধু তা-ই নয়, রাজনৈতিক বিবেচনায় দেয়া নতুন ব্যাংকগুলো সঠিকভাবে কার্যকর না হয়ে বরং জটিলতার সৃষ্টি করেছে। জড়িয়ে পড়েছে টাকা পাচারের সঙ্গেও। এসব অনিয়মের ক্ষেত্রে কোনো প্রতিষেধক ব্যবস্থা না নিয়ে সরকার উল্টো ব্যাংক কোম্পানি আইন সংশোধন করে সেখানে পরিবারতন্ত্র কায়েম করেছে।

শনিবার সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ‘বাংলাদেশ অর্থনীতি ২০১৭-২০১৮: প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন পযালোচনা’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।

রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, ব্যক্তি খাতে বিনিয়োগ বাড়েনি। গুণগত প্রবৃদ্ধি না হওয়ায় আশানুরূপ কর্মসংস্থান হচ্ছে না। কমছে না দারিদ্র্যবিমোচনের গতির হার। এ অর্থনৈতিক পর্যালোচনায় আরও স্থান পেয়েছে রোহিঙ্গা ইস্যু, বন্যা ও খাদ্য আমদানি সংক্রান্ত নানা বিষয়। আর প্রশ্ন তুলেছে খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতির সরকারি হিসাব নিয়ে।

নির্বাচনের বিষয়ে সংলাপের প্রয়োজন নেই: ওবায়দুল কাদের- দৈনিক প্রথম আলো

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আগামী নির্বাচনের বিষয়ে সংলাপের প্রয়োজন নেই। সংলাপ করার পরিবেশ বিএনপি রাখেনি। যদি কখনো সংকট আসে, সংলাপের বিষয়ে তখন সিদ্ধান্ত নেওয়া যাবে।

বিএনপির সংবাদ সম্মেলনের প্রতিক্রিয়া জানাতে আজ শনিবার ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভানেত্রীর রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে আওয়ামী লীগ। সেখানে এ মন্তব্য করেন ওবায়দুল কাদের।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে সংবাদ সম্মেলন করে বিএনপি। আজ বিকেলে গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে আয়োজিত ওই সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি সুশীল সমাজসহ সব দলের অংশগ্রহণে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পদ্ধতি নির্ধারণের দাবি জানান।

ওবায়দুল কাদের বলেন, সংবিধানে নির্বাচনের বিষয়ে পথনির্দেশনা দেখানো আছে। সেই পথ নিয়ে আবার সংলাপের প্রয়োজন কেন? নির্বাচন বিএনপির অধিকার, সুযোগ নয়। নির্বাচন বিএনপির গণতান্ত্রিক অধিকার। দয়া-দাক্ষিণ্যের মাধ্যমে কি বিএনপি নির্বাচন করবে? তিনি আরও বলেন, ‘একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করার জন্য সরকার নির্বাচন কমিশনকে সাহায্য করবে। এ বিষয়ে সংলাপের কোনো প্রয়োজন দেখছি না। সংলাপ করার পরিবেশ বিএনপি রাখেনি। সামনে কোনো সংকট কিংবা সংলাপের পরিবেশ সৃষ্টি হলে, তখন দেখা যাবে।’

সংবিধানে নির্বাচনকালীন সরকারের স্পষ্ট বিধান নেই: ফখরুল- দৈনিক মানবজমিন

সংবিধানে ‘নির্বাচনকালীন সরকার’ সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো বিধান নেই বলে দাবি করেছে বিএনপি। বর্তমান সরকারের ৪ বছরপূর্তি উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া বক্তব্যের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ায় এ দাবি জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য নির্বাচনকে ঘিরে বিদ্যমান সংকটকে আরো ঘনীভূত করে তুলেছে। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘সংবিধান অনুযায়ী ২০১৮ সালের শেষদিকে একাদশ জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’ কিন্তু সংবিধানে ‘নির্বাচনকালীন সরকার’ সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো বিধান নেই। তাই বিদ্যমান সংবিধান অনুযায়ী সংসদ বহাল রেখে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে তা অবাধ ও সুষ্ঠু হবে না। কারণ সংসদ বহাল অবস্থায় নির্বাচনকালীন সরকারও হবে বিদ্যমান সরকারেরই অনুরূপ।

সংবিধানে ‘নির্বাচনকালীন সরকার কেবল রুটিন ওয়ার্ক করবে’- এমন কিছু উল্লেখ নেই। বিএনপি মহাসচিব বলেন, প্রধানমন্ত্রী যদি আন্তরিকভাবে নির্বাচনকালীন সরকার সম্পর্কে নতুন কিছু ভেবে থাকেন তাহলে তাঁর উচিত হবে এ নিয়ে সকল স্টেক-হোল্ডারদের সঙ্গে সংলাপের উদ্যোগ নেয়া। বিএনপি মনে করে একটি আন্তরিক ও হৃদ্যতাপূর্ণ সংলাপের মাধ্যমে ২০১৮’র নির্বাচন সম্পর্কে অর্থবহ সমাধানে আসা সম্ভব। নির্বাচনকালীন সরকারের রূপরেখা কেমন হতে পারে, তা নিয়ে বিএনপির একটি চিন্তা-ভাবনা আছে। একটি সুন্দর পরিবেশে সংলাপটি অনুষ্ঠিত হলে জাতির মনে যে অনিশ্চয়তা বিরাজ করছে তা কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে বলে আমরা আস্থা রাখতে চাই।

১২ লাখ পোলিং এজেন্ট প্রশিক্ষণ দেবে আওয়ামী লীগ- দৈনিক সমকাল

নির্বাচনী মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের পুরোমাত্রায় সক্রিয় করার উদ্যোগ নিয়েছে আওয়ামী লীগ। এ জন্য দেশজুড়ে ১২ লাখ পোলিং এজেন্টকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কর্মসূচি শুরু করা হচ্ছে। সেইসঙ্গে অন্তত চারটি প্রক্রিয়ায় নির্বাচনী প্রচার কার্যক্রম বাস্তবায়নের প্রস্তুতি রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচটি ইমাম সার্বিক বিষয় দেখভাল করছেন। তিনি সমকালকে জানিয়েছেন, এরই মধ্যে প্রাথমিকভাবে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ শুরু হয়েছে। এর অংশ হিসেবে খুব দ্রুতই সারাদেশে পোলিং এজেন্টদের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হবে। আওয়ামী লীগের কয়েকজন নীতিনির্ধারক নেতা বলেছেন, আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের পোলিং এজেন্টদের  প্রশিক্ষণ দেওয়ার পরিকল্পনা অনেকটাই গুছিয়ে আনা হয়েছে। এ পরিকল্পনাটি খুব কম সময়ের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে উপস্থাপন করা হবে। তিনি অনুমোদন দিলেই বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া শুরু হবে।

এ পরিকল্পনার আওতায় কমপক্ষে ১১ লাখ ৬২ হাজার ৫০০ কর্মীকে পোলিং এজেন্ট করা হবে বলে নেতারা জানিয়েছেন। তাদের হিসাবে আগামী নির্বাচনে কমবেশি ৪৬ হাজার ৫০০টি ভোটকেন্দ্র হতে পারে। একেকটি ভোটকেন্দ্রে গড়পড়তা পাঁচটি করে বুথ করা হলে মোট বুথের সংখ্যা হবে দুই লাখ ৩২ হাজার ৫০০টি। তবে এ সংখ্যার চেয়ে কমপক্ষে পাঁচগুণ বেশি পোলিং এজেন্ট নিয়োগ করা হবে।

ভারতে স্কুলগুলোতে ‘মুসলিম বাচ্চারা হয়রানির শিকার- দৈনিক ইত্তেফাক

ভারতে বিভিন্ন অভিজাত স্কুলেও মুসলিম ছেলেমেয়েরা তাদের ধর্মের কারণে ক্রমবর্ধমান হয়রানির লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে বলে একটি বইয়ে উল্লেখ করা হয়েছে। বইটির লেখক নাজিয়া ইরাম।  তিনি ভারতের ১২টি শহরে ১৪৫টি পরিবার এবং রাজধানী দিল্লির ২৫টি অভিজাত স্কুলের ১০০ জন ছাত্রছাত্রীর সাথে কথা বলেছেন। তিনি জানান, এমনকি পাঁচ বছরের শিশুও এসব হয়রানির লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে। ভারত এবং বিশ্বজুড়ে ইসলামভীতি ক্রমশ বাড়তে থাকার পটভূমিতেই এটা ঘটছে বলে মনে করা হচ্ছে।

নাজিয়া ইরাম বলেন, তিনি তার গবেষণায় যা পেয়েছেন তা তাকে স্তম্ভিত করেছে। ‘যখন পাঁচ-ছয়  বছরের বাচ্চারা বলে তাদেরকে ‘পাকিস্তানি’ বা ‘সন্ত্রাসী’ বলে ডাকা হয়েছে-আপনি তার কি জবাব দেবেন? সেই স্কুলের কাছেই বা কি অভিযোগ করবেন। এর অনেকগুলোই হয়তো মজা করে বলা হয়েছে, মনে হতে পারে এটা নির্দোষ ঠাট্টা। কিন্তু আসলে তা নয়, এটা উৎপীড়ন।’

বইতে নাজিয়া ইরাম যেসব বাচ্চাদের সাক্ষাতকার নিয়েছেন, তারা বলেছে এমন কিছু প্রশ্ন বা মন্তব্য আছে যা প্রায়ই তাদের দিকে ছুঁড়ে দেওয়া হয়। যেমন : ‘তুমি কি একজন মুসলিম? আমি মুসলিমদের ঘৃণা করি।’ ‘তোমার বাবা-মা কি বাড়িতে বোমা বানায়?’ ‘তোমার বাবা কি তালেবানের অংশ? 'সে একজন পাকিস্তানি।’ ‘সে একজন সন্ত্রাসী।’ ‘ওই মেয়েটাকে জ্বালিও না, সে তোমাকে বোমা মেরে দেবে।’

এই বইটি বের হবার পর থেকেই স্কুলগুলোতে ধর্মীয় ঘৃণা এবং বিরূপ ধারণা কতটা আছে তা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনা শুরু হয়েছে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির তথ্য: ২০১৭ সালে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৭৩৯৭- দৈনিক নয়াদিগন্ত

বিদায়ী ২০১৭ সালে সারাদেশে চার হাজার ৯৭৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় সাত হাজার ৩৯৭ জন নিহত, ১৬ হাজার ১৯৩ জন আহত হয়েছে। যাত্রী কল্যাণ সমিতি পর্যবেক্ষণে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

ঢাকা রির্পোটার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আজ এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ তথ্য তুলে ধরেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ড. হোসেন জিল্লুর রহমান, পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যান ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধ সংগঠন ফুয়ারার সভাপতি ইকরাম আহম্মেদ, সাংবাদিক আবু সাঈদ খান, বুয়েটের দুর্ঘটনা গবেষণা কেন্দ্রের সহকারী অধ্যাপক কাজী সাইফুন নেওয়াজ, সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট হুমায়ন কবির হিরু, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. হারুন অর রশিদ প্রমূখ।

দেশের জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্রসমূহে প্রকাশিত সড়ক দুর্ঘটনার সংবাদ মনিটরিং করে এ প্রতিবেদন তৈরি করে সংগঠনটি।

এতে দেখা গেছে বিদায়ী ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ১২ মাসে ছোট-বড় চার হাজার ৯৭৯টি সড়ক দুর্ঘটনা হয়েছে। এতে সর্বমোট ২৩ হাজার ৫৯০ জন যাত্রী, চালক ও পরিবহন শ্রমিক হতাহত হয়েছে।

অনশনের ৫ দিন: দেড় শতাধিক মাদরাসা শিক্ষক অসুস্থ- দৈনিক ইনকিলাব

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে টানা ৫ দিনের অনশনে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষকরা। এ পর্যন্ত অসুস্থ হয়েছেন প্রায় দেড় শতাধিক শিক্ষক। এর মধ্যে ৮ জনের অবস্থা গুরুতর। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষকরা। তারা জানান, জাতীয়করণের দাবিতে টানা ৮ দিন জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান ধর্মঘট পালনের পর সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো আশ্বাস না পাওয়ায় গত মঙ্গলবার থেকে একই স্থানে তীব্র শীতের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে আমরণ অনশন পালন করছেন। তারা আরও জানান, আমরণ অনশনে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ১৪৫ জন অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। তার মধ্যে ৮ জন ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি রয়েছেন। অন্যদের অনশন স্থলে প্রাথমিক চিকিৎসা ও শরীরে স্যালাইন দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা শিক্ষক সমিতির সভাপতি ক্বারী রুহুল আমিন চৌধুরী বলেন, ইবতেদায়ি মাদরাসায় শিক্ষকতা করে আমরা মানবেতর জীবন-যাপন করছি। স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা জাতীয়করণের ন্যায্য দাবি প্রতিষ্ঠায় শীতের মধ্যে খোলা আকাশের নিচে আমরণ অনশন চালিয়ে যাচ্ছি। তিনি বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসা জাতীয়করণের দাবি করে আসলেও এ পর্যন্ত বিষয়টি আমলে নেয়া হয়নি। এ কারণে আমরা বাধ্য হয়ে আমরণ আন্দোলনে যুক্ত হয়েছি। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট আশ্বাস ছাড়া আমাদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। প্রয়োজনে আমরা প্রাণ দেব, তবু আন্দোলন ছেড়ে যাব না। আন্দোলনকারী শিক্ষকরা বলেন, লেখাপড়া শিখে শিক্ষকতার মহান পেশায় এসেছি। বেতন-ভাতা না পাওয়ায় পরিবারের ভরণ-পোষণের খরচ মেটাতে পারছি না। মানবেতর জীবন-যাপন করছি। তাই রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ন্যায় স্বতন্ত্র ইবতেদায়ি মাদরাসাও জাতীয়করণ করতে হবে।

তদবিরের হিড়িক, না মানলে নানা হয়রানি: ক্ষমতার দাপটে স্থবির প্রশাসন- যায়যায়দিন

জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক তৎপরতার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে মাঠ প্রশাসনে ক্ষমতাসীনদের খবরদারি অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। এ নিয়ে কোথাও কোথাও দলীয় গডফাদারদের সঙ্গে প্রশাসনের ঊর্ধ্বতনদের দ্বন্দ্ব দেখা দিয়েছে। এতে প্রশাসনের গতিশীলতা যেমন কমেছে তেমনি সরকারের উন্নয়ন কর্মসূচি বাস্ত্মবায়নের ক্ষেত্রেও নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। উদ্বিগ্ন এ পরিস্থিতিতে প্রশাসনের নিষ্ঠাবান দক্ষ কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে দায়িত্ব পালনে আগ্রহ হারিয়ে ফেলছেন। অনেকে গুরম্নত্বপূর্ণ দায়িত্ব থেকে কৌশলে নিজেকে গুটিয়ে নেয়ার চেষ্টা করছেন।

তাদের ধারণা, জাতীয় সংসদ নির্বাচন যতই ঘনিয়ে আসবে ক্ষমতাসীনদের দাপট ততই বাড়বে। তাদের অযাচিত হস্ত্মক্ষেপে বিভিন্ন খাতে হ-য-ব-র-ল দশার সৃষ্টি হবে। যা সামাল দেয়া তাদের পক্ষে কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। অথচ প্রশাসনিক ব্যর্থতার সব দায় তাদের ঘাড়েই চাপবে। এছাড়াও ক্ষমতাসীন দলের ছোটখাটো নেতাদের অন্যায্য তদবিরের হিড়িক এবং তা না মানলে নানা ধরনের হয়রানি ও তুচ্ছতাচ্ছিল্যের ঘটনাও প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের পীড়া দিচ্ছে। যদিও এ ক্ষেত্রে বিস্তর ভিন্ন চিত্রও রয়েছে।

 প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ে কর্মরত রাজনৈতিক পক্ষপাতদুষ্টু অনেক কর্মকর্তা রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিজেদের আখের গোছাচ্ছেন। কেউ কেউ কৌশলে ক্ষমতাসীন নেতাদের ঘাড়ে ভর করে নিজেরাই নানা অনিয়ম-দুর্নীতি করছেন। ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণ, ছোটখাটো চাকরি, প্রকল্প গ্রহণ, নিয়োগ-বদলি, প্রমোশন ইত্যাদি বিষয়ে নিজের তদবির নেতাদের নামে চালিয়ে বাড়তি ফয়দা লুটছেন।

অন্যদিকে প্রশাসনে খবরদারির সুযোগ না দেয়ায় ক্ষমতাসীন দলের সাংসদসহ প্রভাবশালী নেতাদের সঙ্গে সরকারি কর্মকর্তাদের দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ার ঘটনাও বাড়ছে। ব্যক্তিগত সুবিধা আদায়ের তদবির না শুনলেই স্থানীয় নেতারা তা দলীয় স্বার্থে ব্যাঘাত ঘটার কথা উলেস্নখ করে হাইকমান্ডের কাছে অভিযোগ করছেন। এমনকি সংশিস্নষ্ট কর্মকর্তাকে জামায়াত-শিবিরের পক্ষপাতদুষ্ট চিহ্নিত করে শাস্ত্মিমূলক বদলির জন্যও তদবির করা হচ্ছে। তা না হলে আগামী নির্বাচনে স্থানীয়ভাবে দলের ভোট কমবে এমন ভয়ও দেখাচ্ছে। যা মোক্ষম অস্ত্র হিসেবে কাজ করছে।

প্রশাসনে দ্বিধাবিভক্ত আওয়ামীপন্থীরা- দৈনিক যুগান্তর

ব্যক্তিস্বার্থ ও ভুলনীতির কারণে প্রশাসনে ক্রমেই কোণঠাসা হয়ে পড়ছেন আওয়ামী লীগ সমর্থক ত্যাগী কর্মকর্তারা। বিএনপি সরকারের সময় নির্যাতিত ও হয়রানির শিকার হওয়া প্রথম সারির কর্মকর্তাদের যেভাবে মূল্যায়িত হওয়ার কথা, অনেক ক্ষেত্রে তার কিছুই হয়নি। শুধু পদোন্নতি আর যেনতেন পোস্টিং নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হচ্ছে। কিন্তু তাদের ক্ষোভ এই ভেবে যে, সরকারকে ঠিকই প্রশাসন দলীয়করণের তকমা নিতে হচ্ছে।

অথচ বাস্তবতা অনেকটাই ভিন্ন। গত ৯ বছরে সচিব থেকে শুরু করে প্রশাসনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ পদায়ন চিত্র বিশ্লেষণ করলে দেখা যাবে দুর্নীতিবাজ, অদক্ষ ও সরকারবিরোধীদের নিয়ন্ত্রণ ছিল প্রকট। এখনও তাই। তাদের আশঙ্কা, এ ধারা অব্যাহত থাকলে নির্বাচনের বছরে সরকার বড় ধরনের বিপাকে পড়লে তা নিয়ে অবাক হওয়ার কিছুই থাকবে না। ভুক্তভোগী কর্মকর্তাদের অনেকে যুগান্তরের কাছে এমন ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন।

এদিকে প্রাপ্ত বিভিন্ন তথ্য পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, সচিবালয়সহ প্রশাসনের সর্বত্র সরকারি দল সমর্থক কর্মকর্তারা নিজেদের স্বার্থে দ্বন্দ্বে অনেকটা দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েছেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, দলমত নিরপেক্ষ মেধাভিত্তিক দক্ষ প্রশাসন গড়ে তোলা বিদ্যমান বাস্তবতায় দুঃস্বপ্ন ছাড়া আর কিছু নয়। তবে দলীয় লেজুড়বৃত্তির বাইরে এখনও এ সারির যেসব কর্মকর্তা রয়েছেন তাদেরকে সরকার সঠিকভাবে মূল্যায়ন করতে ব্যর্থ হলে প্রশাসনে আরও বিপর্যয় নেমে আসবে। ভবিষ্যতে মেধাবীরা আর সিভিল সার্ভিসে আসতে আগ্রহ দেখাবে না।

এবারে কোলকাতার বাংলা দৈনিকগুলোর বিস্তারিত খবর:

দাবিতে অনড় চার ‘বিদ্রোহী’ বিচারপতি- দৈনিক আনন্দবাজার

দাবি উঠেছে, পারিবারিক বিবাদ। চার দেওয়ালের মধ্যেই মিটিয়ে নেওয়া ভাল। নরেন্দ্র মোদী সরকারের প্রতিনিধি, অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, প্রবীণ আইনজীবীরা দৌত্য করছেন। চেষ্টা চলছে প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্র বনাম চার প্রবীণতম বিচারপতির বিবাদ মেটানোর।

ক্ষুব্ধ চার বিচারপতির অন্যতম, বিচারপতি কুরিয়েন জোসেফ আজ কোচিতে জানিয়ে দিলেন, ‘‘বাইরে থেকে দৌত্যের কোনও প্রয়োজন নেই। সরকার বা রাষ্ট্রপতির হস্তক্ষেপের প্রয়োজন নেই। এটা প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ সমস্যা। প্রতিষ্ঠানকেই মেটাতে হবে। প্রতিষ্ঠানের ভিতরে যে সব ভুল হচ্ছে, সেগুলো শোধরাতে হবে।’’

শুক্রবার চার প্রবীণতম বিচারপতি প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছিলেন, কোন মামলা কোন বিচারপতির বেঞ্চ শুনবে, তা ঠিক করার সময় প্রধান বিচারপতি অনুচিত কাজ করছেন। প্রবীণ বিচারপতিদের বাদ দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ, স্পর্শকাতর মামলা বাছাই করা কিছু বিচারপতির কাছেই পাঠানো হচ্ছে।

রবিবার প্রধান বিচারপতি বাকি চার প্রবীণ বিচারপতির সঙ্গে বৈঠকে বসতে পারেন বলে সূত্রের খবর। কিন্তু আজ বিচারপতি জোসেফ বুঝিয়ে দিয়েছেন, প্রধান বিচারপতি দীপক মিশ্র তাঁদের দাবি মানলে তবেই সমস্যা মিটবে। নচেৎ নয়।

আজ ক্ষুব্ধ বিচারপতিদের পাশে দাঁড়িয়েছে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনও। আইনজীবীদের সিদ্ধান্ত, যে সব জনস্বার্থ মামলা হচ্ছে, সেগুলি প্রধান বিচারপতি ও অন্য চার প্রবীণ বিচারপতির নেতৃত্বাধীন পাঁচটি বেঞ্চেই পাঠানো হোক। সংগঠনের যুগ্ম-সম্পাদক পীযূষ রায়ের ব্যাখ্যা, ‘‘আগেও এমন হত। আমরা কোনও পক্ষ নিচ্ছি না। কিন্তু প্রবীণ বিচারপতিরা এ বিষয়ে সমস্যার কথা তুলেছেন। এখন এই পথে সমস্যার সমাধান হতে পারে।’’

প্রতিরোধ সঙ্কল্প অভিযান: বিজেপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার মামলা- দৈনিক আজকাল

কলকাতা পুলিসের ওসি সুবলচন্দ্র মণ্ডল এবং শাসক দল তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকদের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে বিজেপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে বেআইনি জমায়েত, খুনের চেষ্টা (৩০৭), সরকারি সম্পত্তি ধ্বংস (৩ পি ডি পি পি অ্যাক্ট), শ্লীলতাহানি (৩৫৪) এবং হাঙ্গামা বাধানো, সরকারি কর্মীকে মারধর ও কাজে বাধাদানের মতো একাধিক জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দায়ের করল পুলিস। কলকাতা পুলিসের এক সূত্র জানাচ্ছে, শুধুমাত্র জোড়াবাগান থানায় চারটি মামলা হয়েছে। যার মধ্যে তিনটি বিজেপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। বাকি একটি অবশ্য অজ্ঞাতপরিচয় তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে বিজেপি কাউন্সিলার মীনাদেবী পুরোহিতের আনা শ্লীলতাহানির অভিযোগের ভিত্তিতে।

১২ জানুয়ারি বিবেকানন্দের জন্মদিনে উপলক্ষে শহরের জোড়াবাগানে বিজেপি যুব মোর্চার ‘প্রতিরোধ সঙ্কল্প অভিযান’-কে কেন্দ্র করে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষে রাজপথ রণক্ষেত্রের চেহারা নেয়। কলকাতা হাইকোর্ট নিযুক্ত স্পেশাল অফিসারের গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। এমনকী ওই অফিসারও জখম হন। তৃণমূলের অভিযোগ, পাথুরিয়াঘাটা স্ট্রিটে বিনানি ধরমশালার সামনে জয়ামেত হওয়া বিজেপির নেতা-কর্মীরা তাঁদের সমর্থকদের ওপর চড়াও হয়। অপরদিকে, বিজেপি শিবিরিরের পাল্টা অভিযোগ, দীঘা থেকে প্রতিরোধ মিছিল সেরে বিজেপির যুব মোর্চার কর্মীরা উত্তর কলকাতার বিনানি ধরমশালায় উঠেছিলেন। সেখানেই তৃণমূল সমর্থকরা চড়াও হয়ে হামলা চালায়। সেই সময় মীনাদেবী পুরোহিতের মতো স্থানীয় বিজেপি নেতারা পাল্টা প্রতিরোধ গড়েন।

পাহাড়ের অশান্তিতে নাগাড়ে অর্থ জোগান চিনের, কেন্দ্রের নজরে চামলিং- দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন

গুরুং-বৃত্তান্ত খুঁড়তে গিয়ে বেরিয়ে এল ভয়াবহ তথ্য। বাংলার ‘চিকেন নেক’ ছিঁড়ে নিতে চায় চিন। এই উদ্দেশ্যেই দার্জিলিং পাহাড়কে উত্তপ্ত করে তোলা হয়েছিল, যে কাজে অতি সন্তর্পণে কাজে লাগানো হয়েছিল সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী পবন চামলিংয়ের ‘ইন্টেলিজেন্স’কে। এখন পরিস্থিতি অনেকটা শান্ত হলেও নেপাল-ভুটান সীমান্তবর্তী ওই শিলিগুড়ি করিডর থেকে চিন এখনও নজর ঘোরায়নি। ওত পেতে আছে মওকার অপেক্ষায়। জাতীয় নিরাপত্তার পক্ষে অশনি সংকেতস্বরূপ মারাত্মক খবরটি আপাতত প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে ফাইলবন্দি। উদ্বিগ্ন দিল্লি গোটা অঞ্চলে সতর্ক নজর রাখছে। দেশের সুরক্ষার স্বার্থে আপাতত কেন্দ্রের ‘নজরবন্দি’ চামলিংও।

কানাঘুষো একটা ছিলই। চিন নাকি নাক গলিয়ে দিয়েছে শিলিগুড়ি করিডরে। দার্জিলিং তখন উত্তাল। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলোও রিপোর্ট পাঠাচ্ছে। নিত্য হাঙ্গামা। মোর্চা ‘সুপ্রিমো’ বিমল গুরুং বাংলার সীমানা পেরিয়ে সিকিমের জঙ্গলে গা-ঢাকা দিয়েছেন। তাঁর খোঁজে হন্যে রাজ্য পুলিশ। আর সেই গুরুংকে পাকড়াও করতে গিয়েই সিকিম সীমানায় রঙ্গিত নদীর তীরে মোর্চার ঘাতকবাহিনীর হাতে প্রাণ খোয়ালেন রাজ্য পুলিশের তরুণ অফিসার অমিতাভ মালিক।

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! কথাবার্তার আজকের আসর এ পর্যন্তই।  এ আসরে আবারো কথা হবে আগামীকাল।

পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/১৪