আগস্ট ২০, ২০১৮ ১৩:৪৫ Asia/Dhaka

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২০ আগস্ট সোমবারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। শুরুতেই ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম।

বাংলাদেশের শিরোনাম:

  • 'লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক' ধ্বনিতে মুখরিত আরাফাত ময়দান- দৈনিক সমকাল
  • ঈদ জামায়াতের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে : ডিএমপি কমিশনার- দৈনিক নয়াদিগন্ত
  • ট্রেন আসছে দেরিতে ছাড়ছেও দেরিতে-  দৈনিক প্রথম আলো
  • মানুষের মনে ঈদ নেই: রিজভী- দৈনিক যুগান্তর
  •  ‘খালেদা জিয়াকেও একুশে আগস্ট মামলায় বিচারের আওতায় আনা দরকার’- দৈনিক ইত্তেফাক
  • জাতীয় ঐক্য ঘোষণার লক্ষ্যে ড. কামাল-বি. চৌধুরীর বৈঠক- দৈনিক মানবজমিন
  • সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন- দৈনিক ইনকিলাব

ভারতের শিরোনাম:

  • মোদির জনপ্রিয়তা কমছে, বলছে সমীক্ষা- দৈনিক আজকাল
  • ছাদেই নেমে এল কপ্টার, দুঃসাহসিক উদ্ধার কেরলে- দৈনিক আনন্দবাজার
  • দাউদের ডানহাত জাবির ধৃত লন্ডনে: ডনের কালো টাকার নিয়ন্ত্রণ থাকত তারই হাতে- দৈনিক বর্তমান

প্রিয় পাঠক/শ্রোতা‍! এবারে চলুন বাছাই করা কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ:

'লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক' ধ্বনিতে মুখরিত আরাফাত ময়দান- দৈনিক সমকাল

আজ সোমবার পবিত্র হজ। সকাল থেকেই আরাফাত ময়দানে জড়ো হতে শুরু করেছেন মুসল্লিরা। সেখানে সারাদিন অবস্থান করে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ইবাদত-বন্দেগি করবেন তারা। সাদা ইহরাম বাঁধা অবস্থায় মুসল্লিদের পদচারণায় আরাফাতের ময়দান পরিণত হয়েছে শুভ্রতার সমুদ্রে। 'লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক' ধ্বনিতে মুখরিত ময়দান।

সৌদি হজ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, বিশ্বের ১৫০টি দেশের ২০ লাখেরও বেশি মুসল্লি এবার হজ পালন করছেন। তাদের মধ্যে এক লাখ ২৬ হাজার বাংলাদেশি রয়েছেন। গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, হজ পালনের জন্য মক্কায় আসা মুসল্লিরা গত শুক্রবার মসজিদুল হারামে (কাবা শরিফ) জুমার নামাজ আদায় করেন। সৌদিতে ৭ জিলহজ, অর্থাৎ গত শনিবার থেকেই তারা হজের আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেন, যা শেষ হবে ১২ আগস্ট।

শনিবার মুসল্লিরা মক্কা থেকে হেঁটে, বাসে করে প্রায় ১০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে মিনার উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে তারা দু'দিন অবস্থান করেন। সেখান থেকে তালবিয়া পাঠ করে মহান রাব্বুল আলামিনের কাছে নিজের উপস্থিতি জানান দিয়ে পাপমুক্তির আকুল বাসনায় আজ সোমবার ফজরের নামাজের পর আরাফাতের ময়দানে সমবেত হয়েছেন তারা।

ঈদ জামায়াতের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে : ডিএমপি কমিশনার- দৈনিক নয়াদিগন্ত

পবিত্র ঈদ-উল-আযহায় জাতীয় ঈদগাহে সুদৃঢ় ও নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। সোমবার জাতীয় ঈদগাহ প্রাঙ্গণে ঈদের নামাজের নিরাপত্তায় ডিএমপি’র গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে উপস্থিত গণমাধ্যমে একথা বলেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার মোঃ আছাদুজ্জামান মিয়া বিপিএম (বার), পিপিএম ।

কমিশনার বলেন, পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম বিভাগের ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট দিয়ে ঈদগাহ সুইপিং করা হবে। স্ট্যান্ডবাই থাকবে কাউন্টার টেরোরিজমের সদস্য ও সোয়াট টিম। অন্যান্য সংস্থার সাথে সমন্বয় করে আমাদের পক্ষ থেকে নেয়া হয়েছে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা।

কমিশনার আরো বলেন- ঈদগাহের চতুর্থদিকে ও ভেতরে সর্তক অবস্থায় থাকবে ইউনিফর্মে ও সাদা পোশাকে পুলিশ। জাতীয় ঈদগাহে ও তার আশপাশের নিরাপত্তায় বসানো হয়েছে বিপুল সংখ্যক সিসি ক্যামেরা। পুলিশ কন্ট্রোল রুম থেকে সার্বক্ষণিক সিসি ক্যামেরা দিয়ে জাতীয় ঈদগাহ ও তার চারপাশে মনিটরিং করা হবে।

মানুষের মনে ঈদ নেই: রিজভী- দৈনিক যুগান্তর

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ঈদ মানেই উৎসব, ঈদ মানেই আনন্দ। কিন্তু মানুষের মনে কোনো ঈদের আনন্দ নেই। তিনি বলেন, দেশে যে ভয়াবহ দুঃশাসন ও স্বৈরশাসন চলছে, তার যাঁতাকলে পিষ্ট হয়ে জাতি আজ আতঙ্কিত।

সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। রিজভী বলেন, অবৈধ সরকারের দুর্নীতি, টাকা পাচার, লুটপাট, চাঁদাবাজি, দখলবাজিতে মানুষ অতিষ্ঠ। দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির কারণে মানুষ দিশাহারা।তিনি বলেন, বাড়িভাড়া বেড়েছে, গ্যাস-বিদ্যুতের দাম বেড়েছে দফায় দফায়, মানুষের দৈনন্দিন খরচ মেটাতে হিমশিম খাচ্ছে মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত শ্রেণির মানুষ।

‘শুধু কিছুসংখ্যক আওয়ামী ভাবাপন্ন লোক হয়তো তাদের নিজেদের নিরাপদ মনে করতে পারে, কিন্তু বিএনপিসহ বেশিরভাগ রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, দেশের সাধারণ মানুষ, শিক্ষক, সাংবাদিক, পেশাজীবী, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধরাণ শিক্ষার্থী, কোমলমতি ছাত্রছাত্রীরা এখন অবৈধ সরকারের নানা বাহিনী দ্বারা আক্রান্ত ও ক্ষতবিক্ষত।’তিনি বলেন, বিএনপির লাখ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে হাজার হাজার মিথ্যা মামলার খড়গ ঝুলছে। কারাবন্দি আছেন হাজারও নেতাকর্মী। প্রতিনিয়ত চলছে গুম-খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যা আর মিথ্যা মামলায় গ্রেফতার-নির্যাতন। এমন পরিস্থিতিতে আসন্ন ঈদ নিয়ে মানুষের মনে কোনো আনন্দ নেই, নেই কোনো স্বস্তি।

ট্রেন আসছে দেরিতে ছাড়ছেও দেরিতে-  দৈনিক প্রথম আলো

টিকিট কাটতে হয়েছে বিপত্তি। ট্রেনে চড়েও স্বস্তি নেই। আজ সোমবার সকাল থেকে ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশনে যাত্রীদের চাপ দেখা গেছে। ট্রেনের দেখা সময়মতো মেলেনি। চট্টগ্রাম ও সিলেটগামী ট্রেনগুলো সময়মতো ঢাকা ছাড়ছে। শিডিউলে বিপর্যয় হয়েছে উত্তরাঞ্চল ও দক্ষিণাঞ্চলের ট্রেনযাত্রায়।

সকাল সোয়া নয়টায় ছাড়ার কথা ছিল লালমণি ঈদ স্পেশাল ট্রেনের। দুপুর ১২টা পর্যন্ত কমলাপুর রেলস্টেশনের প্ল্যাটফর্মে আসেনি ট্রেনটি। একই অবস্থা রংপুর এক্সপ্রেসেরও। ট্রেনটির আজ সকাল নয়টায় আসার কথা ছিল। কিন্তু দুপুর ১২টায়ও দেখা পাওয়া যায়নি। ঢাকা থেকে সকাল ৬টা ২০ মিনিটের দিকে খুলনার দিকে রওনা হওয়ার কথা ছিল সুন্দরবন এক্সপ্রেসের। এটি প্রায় দুই ঘণ্টা পর কমলাপুর রেলস্টেশন ছেড়ে যায় এটি।

সকাল ছয়টায় রাজশাহীগামী ধূমকেতু এক্সপ্রেসের ঢাকা ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ট্রেনটি কমলাপুর আসেই সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে। সকাল সোয়া নয়টায় ট্রেনটি ছেড়ে যায়। এ ছাড়া চিলাহাটির নীলসাগর এক্সপ্রেসের কমলাপুর ছাড়ার নির্ধারিত সময় ছিল সকাল আটটা। কিন্তু চার ঘণ্টা দেরি করে দুপুর ১২টায় ট্রেনটি ঢাকা ছাড়ে। দেওয়ানগঞ্জের তিস্তা এক্সপ্রেস সকাল সাড়ে সাতটার পরিবর্তে সাড়ে নয়টায় কমলাপুর ছেড়ে যায়।

‘খালেদা জিয়াকেও একুশে আগস্ট মামলায় বিচারের আওতায় আনা দরকার’- দৈনিক ইত্তেফাক

আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সম্মতিতে তার পুত্র তারেক রহমান একুশে আগস্ট আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা চালিয়েছিল।তিনি বলেন, শুধু বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নয়, বেগম খালেদা জিয়াকেও একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বিচারের আওতায় আনা দরকার। তা না হলে বিচার সম্পূর্ণ হবে না।

সাবেক বন ও পরিবেশ মন্ত্রী ড. হাছান আরো বলেন, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সময় প্রধানমন্ত্রী ছিলেন বেগম খালেদা জিয়া। ক্ষমতাসীন সরকারের প্রধান হিসেবে তিনি এ হামলার দায় এড়াতে পারেন না।

আওয়ামী লীগের অন্যতম মুখপাত্র ড. হাছান মাহমুদ আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে নৃশংস ২১ আগস্ট স্মরণে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

জাতীয় ঐক্য ঘোষণার লক্ষ্যে ড. কামাল-বি. চৌধুরীর বৈঠক- দৈনিক মানবজমিন

এবার জাতীয় ঐক্য ঘোষণার উদ্দেশ্যে বৈঠক করেছেন  সাবেক রাষ্ট্রপতি ও যুক্তফ্রন্টের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. একিউএম বদরুদ্দোজা চৌধুরী এবং গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন।রোববার দিবাগত রাতে বিকল্প ধারা বাংলাদেশের মহাসচিব মেজর (অব.) মান্নানের গুলশানের বাসায় এ বিষয়ে একটি বৈঠক হয়। বৈঠকটি রাত সাড়ে ৮টায় শুরু হয়ে চলে রাত ১১টা পর্যন্ত।

বৈঠকে বদরুদ্দোজা চৌধুরী এবং কামাল হোসেন জাতীয় ঐক্যের বিষয়ে একমত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছেন জেএসডি সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন। বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জেএসডি মহাসচিব আবুল মালেক রতন, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরউল্লাহ।

'সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন- দৈনিক ইনকিলাব

‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা। চার্জশিট গ্রহণের আগে ফৌজদারি অপরাধে অভিযুক্ত কোনো সরকারি কর্মচারীকে গ্রেফতারের ক্ষেত্রে নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নেয়ার বিধান রেখে এ আইনটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

সোমবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিসভা বৈঠকে অবশেষে বহুল প্রতীক্ষিত আইনটি অনুমোদন দেয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠক শেষে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম এই অনুমোদনের কথা জানান।

সংবিধানে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের জন্য আইন প্রণয়নের বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু কোনো সরকারই এ আইন প্রণয়ন করেনি। সরকারগুলো বিধি, নীতিমালা ও প্রয়োজনমতো নির্দেশনাপত্র জারি করে সরকারি কর্মচারীদের পরিচালনা করছে। আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন গত মহাজোট সরকারের সময় আইনটি করার জন্য কয়েক দফা খসড়া প্রণয়ন করা হলেও খসড়ার বিভিন্ন বিধান নিয়ে বিতর্ক ওঠায় তা আর আলোর মুখ দেখেনি।

এবারে কোলকাতার বাংলা দৈনিকগুলোর বিস্তারিত খবর:

মোদির জনপ্রিয়তা কমছে, বলছে সমীক্ষা- দৈনিক আজকাল

দেশজুড়ে ক্রমেই কমছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনপ্রিয়তা। এমনটাই জানাচ্ছে একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের সমীক্ষা। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিজের প্রথম দফার সময়কালের চতুর্থ বছরে রয়েছেন মোদি। দু’‌বছর আগে এই সমীক্ষায় দেশের ৬৫ শতাংশ মানুষ জানিয়েছিলেন, তাঁরা মোদিকে প্রধানমন্ত্রী পেয়ে খুশি। কিন্তু বর্তমানে ৪৯ শতাংশ মানুষ জানাচ্ছেন, তাঁরা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদিকে চান। শুধু মোদি নয়, কেন্দ্রীয় সরকারের কাজের মান পড়ে গিয়েছে বলেও মনে করেন নাগরিকদের একটা বড় অংশ। ২০১৭ সালে কেন্দ্রীয় সরকারের কাজে সন্তোষপ্রকাশ করেছিলেন ৭১ শতাংশ মানুষ। এখন ৫৬ শতাংশ কেন্দ্রীয় সরকারের কাজে সন্তুষ্ট।

মোদির জনপ্রিয়তা একদিকে যেমন কমছে, তেমনই বাড়ছে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধীর জনপ্রিয়তা। ২০১৭–এর জানুয়ারিতে তাঁকে পছন্দ করতেন দেশের মাত্র ১০ শতাংশ মানুষ। এই মুহূর্তে রাহুলের কাজে খুশি দেশের ২৭ শতাংশ মানুষ। রাহুল ও মোদিক জনপ্রিয়তার গ্রাফে যা পার্থক্য, তাতে হয়তো এখনই রাহুল মোদিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিচ্ছেন এমনটা বলা যাবে না। কিন্তু প্রধান বিরোধী দলের প্রধান মুখের জনপ্রিয়তা বাড়া কিছুটা হলেও চাপে রাখবে গেরুয়া শিবিরকে।

ছাদেই নেমে এল কপ্টার, দুঃসাহসিক উদ্ধার কেরলে- দৈনিক আনন্দবাজার

ঘোলা জলে খেলনার মতো ভাসছে চার তলা বাড়িটা! দিগন্তে আওয়াজ পেয়েই পেয়েই আর্তনাদ শুরু করেছিলেন বিপন্ন কিছু মানুষ। তাঁদের অবাক করে দিয়েই ছাদের উপরে সটান নেমে এল পেল্লাই একটা হেলিকপ্টার!

বন্যাবিধ্বস্ত কেরলের কোচিতে রবিবার ‘সি কিং’ নামে নৌ-বাহিনীর ৪২সি সিরিজের কপ্টার দুঃসাহসিক উদ্ধার অভিযানের নমুনা রেখে গেল। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে উদ্ধারের কাজে চপার বা কপ্টার ব্যবহার হামেশাই হয়ে থাকে। কিন্তু স্বাভাবিক ক্ষেত্রে উদ্ধারের এলাকা চিহ্নিত করে অল্প উচ্চতায় ভেসে থাকে কপ্টার। নামিয়ে দেওয়া দড়ি ধরে দুর্গতদের তুলে নিয়ে যান উদ্ধারকারীরা। আর এ দিন যা হল, তা এক্কেবারে তাক লাগিয়ে দেওয়া! নীচে আদিগন্ত জল, এ দিক-ও দিক বাড়ি আর নারকেল গাছের ফাঁক গলে ছাদেই কপ্টার নামিয়ে দিলেন ক্যাপ্টেন রাজ কুমার। ঘূর্ণিঝড় ‘অক্ষি’র সময়ে তাঁর কাজের জন্য ‘শৌর্য চক্র’ পেয়েছেন রাজ। তাঁর রাজ্যে ভিভিআইপি-র সফর হলেই ডাক পড়ে পালাক্কাডের রাজের। কিন্তু এ বার আম জনতার প্রাণ বাঁচিয়ে অন্য শৌর্যের পরীক্ষায় সসম্মান উত্তীর্ণ তিনি।

দাউদের ডানহাত জাবির ধৃত লন্ডনে: ডনের কালো টাকার নিয়ন্ত্রণ থাকত তারই হাতে- দৈনিক বর্তমান

ভারতের অন্যতম ‘মোস্ট ওয়ান্টেড’ দাউদ ইব্রাহিমকে দেশে ফেরানোর পথ কিছুটা মসৃণ হল ভারতীয় তদন্তকারী সংস্থার। আন্ডারওয়ার্ল্ড ডনের ফিনান্স ম্যানেজার পাক নাগরিক জাবির মোতিকে আটক করল লন্ডন পুলিস। তাকে হিলটন হোটেল থেকে ধরা হয়। লন্ডন মেট্রপলিটন পুলিসের মুখপাত্র জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে কোনও মন্তব্য করা সম্ভব নয়। পশ্চিম এশিয়া, ইউরোপ, আফ্রিকা, পাকিস্তান সহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে দাউদের আর্থিক সাম্রাজ্য দেখভাল করত এই জাবির।

বেআইনি অস্ত্র কারবার থেকে শুরু করে তোলাবাজি, নারকোটিক্সের ব্যবসা থেকে দাউদের আয়ের একটি বড় অংশই ব্যবহার হতো ভারতের বিরুদ্ধে জঙ্গিদের মদত দিতে। জাবির এই ব্যবসার যাবতীয় খুঁটিনাটি জানতই শুধু নয়, দাউদের হয়ে ব্যবসা চালাত সেই। দাউদের স্ত্রী মহাজাবিন, পুত্র মইন নওয়াজ ও কন্যা মারুখ, মেহরিন, জামাই জুনেইদ ও আওরঙ্গজেব, ছোট মেয়ে মাজিয়ার লেনদেনও দেখত জাবির। করাচিতে যে কম্পাউন্ডে দাউদের পরিবার থাকে, সেখানে সম্পত্তিও আছে জাবিরের।

তো শ্রোতাবন্ধুরা! কথাবার্তার আজকের আসর এ পর্যন্তই। এ আসর নিয়ে আবার আমরা হাজির হব আগামীকাল।#

পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/২০