জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের চিন্তাভাবনা চলছে -ইসি রফিকুল
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! ২৬ আগস্ট রোববারের কথাবার্তার আসরে আপনাদের সবাইকে স্বাগত জানাচ্ছি। আশা করছি আপনার প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতেই দেখে নেব ঢাকা ও কোলকাতা থেকে প্রকাশিত প্রধান প্রধান বাংলা দৈনিকের গুরুত্বপূর্ণ কিছু শিরোনাম:
বাংলাদেশের শিরোনাম:
- বিভিন্ন দলের প্রস্তুতি: সেপ্টেম্বরে উত্তপ্ত হচ্ছে রাজনীতির মাঠ- দৈনিক যায়যায়দিন
- নির্বাচনী জোট নিয়ে ভাবনা: ভিন্ন কৌশল আওয়ামী লীগের- দৈনিক যুগান্তরের শীর্ষ শিরোনাম
- জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের চিন্তাভাবনা চলছে -ইসি রফিকুল- দৈনিক ইনকিলাব
- ঈদে পুলিশের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ফলে ঢাকায় বড় অপরাধ হয়নি: আছাদুজ্জামান- দৈনিক প্রথম আলো
- বিএনপিই গ্রেনেড হামলার বিচারকে প্রভাবিত করছে: হাছান মাহমুদ- দৈনিক ইত্তেফাক
- আরপিও সংশোধন নিয়ে ৩০ আগস্ট ইসির পরবর্তী সভা- দৈনিক নয়াদিগন্ত
- এবার ড. শহিদুল আলমের পাশে নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন- দৈনিক মানবজমিন
- আন্ডারওয়ার্ল্ডে অস্ত্র যাচ্ছে যেভাবে- দৈনিক সমকাল
ভারতের শিরোনাম:
- এখনই প্রধানমন্ত্রিত্বের কোনও পরিকল্পনা নেই: রাহুল- দৈনিক আজকাল
- ১০ মাসে ৬০ লক্ষ গেলেন কোথায়! প্রশ্নের মুখে মোদী- দৈনিক আনন্দবাজার
- লোকসভা ভোট: সরকার ও বিরোধী দু’পক্ষ জোট গড়ায় জোর দিচ্ছে- দৈনিক বর্তমান
প্রিয় পাঠক/শ্রোতা! এবারে চলুন বাছাই করা কয়েকটি খবরের বিস্তারিত জেনে নেয়া যাক। প্রথমেই বাংলাদেশ:
বিভিন্ন দলের প্রস্তুতি: সেপ্টেম্বরে উত্তপ্ত হচ্ছে রাজনীতির মাঠ- দৈনিক যায়যায়দিন

একাদশ জাতীয় সংসদ নিবার্চনকে সামনে রেখে ফের উত্তপ্ত হতে যাচ্ছে দেশের রাজনীতি। এরই মধ্যে প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাদের বক্তব্য ও পাল্টা বক্তব্যে এই উত্তাপের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। তবে সেপ্টেম্বরের শেষ ভাগে এসে এই দুই দলের কথার লড়াই মাঠে গড়াতে পারে। শুধু এই দুটি দল নয়, এ সময় শক্তি দেখাতে মাঠে নামতে চায় বাম গণতান্ত্রিক জোট, বিভিন্ন ইসলামি দল এবং অন্যান্য ছোট রাজনৈতিক দলগুলো। তাই রাজনীতির গতি প্রকৃতি কোনদিকে মোড় নেয় সে ব্যাপারে সারা দেশের মানুষের মধ্যে রয়েছে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা।
বিএনপি নিবার্চনে অংশ নেবে কি না, সরকার ও বিএনপি মধ্যে সংলাপ সমঝোতা হবে কি না, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার রায় নিবার্চনের পূবের্ই হবে কি না, সে মামলায় তারেক জিয়াসহ বিএনপির অন্যান্য নেতার ভাগ্য কোনদিকে মোড় নেবে, ড. কামাল হোসেন বি. চৌধুরীর ঐক্যে বিএনপি যাবে কি না, তৃতীয় শক্তির অনুপ্রবেশ সরকার কিভাবে মোকাবেলা করে টিকে থাকবে, এসব অমীমাংসিত অসংখ্য প্রশ্ন এখন রাজনীতিতে যা সারা দেশের মানুষের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে।
এরই মধ্যে প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপির নেতাদের বক্তব্য ও পাল্টা বক্তব্যে এই উত্তাপের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। খেঁাজ নিয়ে জানা গেছে, বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং সুষ্ঠু নিবার্চনের দাবি নিয়ে মাঠ উত্তপ্ত করার চেষ্টা করবে বিএনপি। সেপ্টেম্বরের মাঝামাঝিতে বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০-দলীয় জোট এবং তাদের সমমনা দলগুলো রাজপথে নামার প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিএনপি ছাড়াও সাবেক রাষ্ট্রপতি এ কিউ এম বদরুদ্দোজার নেতৃত্বে যুক্তফ্রন্ট এবং ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গণফোরাম সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহের দিকে পৃথক কমর্সূচি নিয়ে মাঠে নামতে পারে। একই সময়ে সুষ্ঠু নিবার্চনের দাবিসহ বিভিন্ন দাবিতে কমর্সূচি পালন করবে ৮টি বাম দল নিয়ে গঠিত বাম গণতান্ত্রিক জোটের নেতারা। বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর মাঠ উত্তপ্ত করার খবরে সরকারি দলও নানা কমর্সূচি নিয়ে এ সময় মাঠে থাকার পরিকল্পনা করছে।
নির্বাচনী জোট নিয়ে ভাবনা: ভিন্ন কৌশল আওয়ামী লীগের- দৈনিক যুগান্তরের শীর্ষ শিরোনাম

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ের ধারা অব্যাহত রাখতে ভিন্ন কৌশল নিয়ে এগোচ্ছে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। নির্বাচনী জোট গঠন থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রে তারা প্রায় একই পথ অনুসরণ করবে।
কৌশলের অংশ হিসেবে ভোটে বড় দলগুলোর অংশগ্রহণের ওপর নির্ভর করবে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে জোট বা মহাজোট গঠনের বিষয়। বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিলে মহাজোট নিয়ে অগ্রসর হবে ক্ষমতাসীনরা। আর না নিলে হিসাব হবে অন্যরকম। বাম এবং ইসলামী ঘরানার দলগুলোর সঙ্গেও ক্ষমতাসীনদের ঐক্য হতে পারে। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য নেয়া হবে নানা ধরনের পদক্ষেপ। বোঝাপড়ার মাধ্যমে এসব দল আওয়ামী লীগের কাছে ‘নির্বাচনী’ ছাড়ও পেতে পারে। সেপ্টেম্বরজুড়েই চলবে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা।
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের যুগান্তরকে বলেন, আগামী নির্বাচন প্রশ্নে অনেক দলের সঙ্গেই আলোচনা হচ্ছে। আরও অনেকের সঙ্গে হবে। এদের কেউ জোটে আসবে, কেউ আসবে না। আমরা আশা করি নির্বাচন অংশগ্রহণমূলক হবে।বিএনপি নির্বাচনে এলে জোটের হিসাব পাল্টে যাবে বলে জানান আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম। শনিবার তিনি যুগান্তরকে বলেন, জোটের পরিধি বাড়বে তবে সেটা নির্বাচনের আগ মুহূর্তে।
জাতীয় নির্বাচনে ইভিএম ব্যবহারের চিন্তাভাবনা চলছে -ইসি রফিকুল- দৈনিক ইনকিলাব

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের চিন্তাভাবনা চলছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম। রোববার কমিশনের ৩৫তম সভার পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
রফিকুল ইসলাম বলেন, আরপিও সংশোধনের চিন্তাভাবনা চলছে। এ জন্য আমরা বৈঠক করেছি। বৈঠক মুলতবি হয়েছে। ৩০ আগস্ট আবার বসব। আজ নির্বাচন ভবনে সকাল ১০টায় সভা শুরু হয়, চলে এক ঘণ্টা। এরপর রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন।
আগামী ৯ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদের অধিবেশন বসছে। এ অধিবেশন হবে সংক্ষিপ্ত। এত দ্রুত আরপিও সংশোধন করা হলে তা সংসদে পাস করা কীভাবে সম্ভব হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে রফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা সংশোধন করে আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠাব। এর মধ্যে পাস করা হলে হলো, নয়তো বিদ্যমান আইনেই নির্বাচন হবে।
ঈদে পুলিশের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তার ফলে ঢাকায় বড় অপরাধ হয়নি: আছাদুজ্জামান- দৈনিক প্রথম আলো

নগরীর নিরাপত্তাব্যবস্থা অত্যন্ত ভালো ও কঠোর ছিল উল্লেখ করে ঢাকা মহনগর (ডিএমপি) পুলিশ কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া বলেছেন, এবারের ঈদে পুলিশের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থার ফলে রাজধানী ঢাকায় উল্লেখযোগ্য কোনো বড় অপরাধ সংঘটিত হয়নি। আজ রোববার ডিএমপি সদর দপ্তরে আয়োজিত ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে আছাদুজ্জামান মিয়া এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ উদ্যাপনের ব্যবস্থা করেছি।’
কমিশনার বলেন, ‘আমরা নিজেরা ঈদের ছুটিতে না গিয়ে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা দিয়েছি। পুলিশ ঈদে নগরীর আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করেছে।’
সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, শুধু ঢাকা সিটিতে না, সারা দেশে উল্লেখযোগ্য কোনো বড় অপরাধ সংঘটিত হয়নি। ঢাকার নিরাপত্তাব্যবস্থা অত্যন্ত ভালো ও কঠোর ছিল। তিনি বলেন, ‘ঈদের আগে নগরবাসী নিরাপদে গভীর রাত পর্যন্ত শপিং করে বাড়ি ফিরেছে। আমরা বাস, ট্রেন ও লঞ্চ টার্মিনালে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছিলাম। ফলে নগরবাসী নিরাপদে উৎসবমুখর পরিবেশে নিজ নিজ গন্তব্যে ঢাকা ছেড়েছেন।’
বিএনপিই গ্রেনেড হামলার বিচারকে প্রভাবিত করছে: হাছান মাহমুদ

বিএনপিই সকাল-বিকাল সংবাদ সম্মেলন করে গ্রেনেড হামলার বিচারকে প্রভাবিত করছে বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এবং দলের অন্যতম মুখপাত্র ড. হাছান মাহমুদ এমপি। আজ শনিবার সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত 'বিএনপি-জামায়াত রাজনৈতিক অপশক্তি রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র' শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর সাম্প্রতিক সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যের কড়া সমালোচনা করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী এবং আমরা ২০০৪ সালের ২১ আগস্টের বিকটিম। আমরা এর বিচার চাইবো এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু বিএনপিই সকাল-বিকাল সংবাদ সম্মেলন করে ২১শে আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচারকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে।
তিনি বলেন, ২১শে অাগস্টের হামলাই বেগম খালেদা জিয়ার অনুমোদন ছিল এবং এটি এমন একটি হামলা যা দিবালোকের মতো পরিষ্কার। সেই বিচারের আওতায় খালেদা জিয়াকেও আনতে হবে। তাই এখন তারা (বিএনপি) হত্যা ও ষড়যন্ত্রের রাজনীতি বেছে নিয়ে আইএসআই এর এজেন্ডাকে বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া চালিয়ে যাচ্ছে এবং তাদের চিন্তা-চেতনায় কোনো পরিবর্তন এখনও হয়নি।আগামীতেও হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আরপিও সংশোধন নিয়ে ৩০ আগস্ট ইসির পরবর্তী সভা- দৈনিক নয়াদিগন্ত
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ (আরপিও) ১৯৭২ সংশোধন নিয়ে আলোচনা শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন ইসি। তবে কোন কোন ধারায় পরিবর্তন আসছে তা এখনো বলা যাচ্ছে না। ইসি আরও কয়েকটি বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত নেবে কোন কোন ধারায় পরিবর্তন আানা হবে। এছাড়া ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহারের বিষয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। আজ রোববার সকাল ১০টায় নির্বাচন কমিশন (ইসি) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ (আরপিও) ১৯৭২ সংশোধন নিয়ে ইসি’র ৩৫তম বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের একথা বলেন।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের পর রফিকুল ইসলাম জানান, আরপিও সংশোধনীর বিষয়ে আলোলোচনা শুরু হয়েছে। পাশাপাশি ইভিএম ব্যবহারেরর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। আরো কয়েকটি বৈঠকের পরে সিদ্ধান্ত হবে কোন কোন ধারা পরিবর্তন আনা হবে। নির্বাচন কমিশনে আালোচনার পর প্রস্তাবিত ধারাগুলো আাইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। ইভিএম অন্তর্ভুক্তির চেষ্টা চলছে। আইন মন্ত্রণালয় সবকিছু ঠিকঠাক করে সংসদে পাঠাবে। এরপর সংসদে পাস হবে। তবে বর্তমান সরকারের মেয়দের শেষ দিকে এসে আরপিও সংশোধনের খুব একটা সুযোগ থাকছে না। আাগামী ৯ সেপ্টেম্বর সংসদের অধিবেশন শুরু হচ্ছে। এই অধিবেশনই বর্তমান সরকারের বিদায়ী অধিবেশন ধরা হচ্ছে।
এদিকে নির্বাচন কমিশনার রফিকুল ইসলাম বলেন, আগামী অধিবেশনে প্রস্তাবগুলো পাঠানো সম্ভব হবে কি না নিশ্চিত করা যাচ্ছে না।
এবার ড. শহিদুল আলমের পাশে নোবেলজয়ী অমর্ত্য সেন- দৈনিক মানবজমিন

জেলবন্দি বাংলাদেশী সাংবাদিক ড. শহিদুল আলমের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করেছেন অর্থনীতিতে নোবেলজয়ী ড. অমর্ত্য সেন। শহিদুল আলমের সমর্থনে ভারতের একদল ফটোসাংবাদিক প্রচারণায় নেমেছেন। তাদেরকে অমর্ত্য সেন বলেছেন, গণতন্ত্রের জন্য ফটোসাংবাদিকতাসহ চরমভাবে মত প্রকাশের স্বাধীনতা গুরুত্বপূর্ণ। এ সময় তিনি শহিদুল আলমের প্রশংসা করেন। বলেন, শহিদুল আলম অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে এবং বহু বছর ধরে সাহসিকতার সঙ্গে যেসব কাজ করেছেন তার ভূয়সী প্রশংসা করার যথেষ্ট কারণ আছে আমাদের। তার কাজকে কঠোরভাবে দেখার পরিবর্তে প্রশংসা ও তারিফ করা উচিত।
এ খবর দিয়েছে আউটলুক ইন্ডিয়া। এতে উষিনর মজুমদারের লেখা প্রতিবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশী ফটো সাংবাদিক ও ফটোগ্রাফির প্রদর্শক শহিদুল আলম এখন কারাগারে। তার সমর্থনে একটি বিবৃতি দিয়েছেন অমর্ত্য সেন। এতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে মত প্রকাশের ক্ষেত্রে কণ্ঠরোধের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছে বিশ্বের অনেক মিডিয়া হাউজ ও সংগঠন। এর মধ্যে রয়েছেন নোয়াম চমস্কি, অরুন্ধতী রায়, পেন ইন্টারন্যাশনাল, বেশ কিছু ফটোগ্রাফি বিষয়ক সংগঠন, মিডিয়া বিষয়ক সংস্থা, আরএসএফ, কমিটি টু প্রটেক্ট জার্নালিস্টস। বিশ্বের এমন সব বোদ্ধাদের তালিকায় যোগ হলেন অমর্ত্য সেন।
আন্ডারওয়ার্ল্ডে অস্ত্র যাচ্ছে যেভাবে- দৈনিক সমকাল

জলদস্যু ও বনদস্যুসহ দেশের আন্ডারওয়ার্ল্ডের কাছে অভিনব উপায়ে পৌঁছে যাচ্ছে অস্ত্র। একশ্রেণির বৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ী অবৈধ পন্থায় হাতবদল করে অস্ত্র ব্যবহারের সুযোগ করে দিচ্ছেন দাগী সন্ত্রাসীদের। বিশেষ করে লাইসেন্স করা একনলা ও দোনলা বন্দুক কৌশলে মূল মালিকপক্ষের কাছ থেকে নিয়ে অর্থের বিনিময়ে সুন্দরবনের জলদস্যুদের দেওয়া হচ্ছে। যারা এ চক্রে জড়িত তাদের মধ্যে কয়েকজনকে এরই মধ্যে শনাক্ত করেছে পুলিশের কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের (সিটিটিসি) স্পেশাল অ্যাকশন গ্রুপ।
সংশ্নিষ্টরা বলছেন, বৈধ অস্ত্রের হিসাব রাখার ক্ষেত্রে দেশে ডিজিটালাইজেশনের কোনো ব্যবস্থা নেই। তাই বৈধ কোনো অস্ত্র কোথায় কীভাবে কার হাতে রয়েছে তা অনেক ক্ষেত্রে নির্ভুলভাবে জানা সম্ভব হয় না। অনেকে এই সুযোগে বৈধ অস্ত্রের চিহ্নিতকরণ নম্বর ঘষামাজা করে অবৈধভাবে হাতবদল করে দেয়।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সিটিটিসির এডিসি জাহাঙ্গীর আলম বলেন, অনেক বৈধ অস্ত্র ব্যবসায়ী অবৈধভাবে অস্ত্রের হাতবদল করে সন্ত্রাসী ও অপরাধীদের হাতে তুলে দিচ্ছেন। বৈধ অস্ত্রের সঠিক হিসাব রাখার জন্য ডিজিটালাইজেশনের বিকল্প নেই, যাতে দেশের কোনো জায়গায় একটি অস্ত্র জব্দ করা হলে তা বৈধ না অবৈধ তা তাৎক্ষণিকভাবে বের করা যায়।
এবারে কোলকাতার বাংলা দৈনিকগুলোর বিস্তারিত খবর:
এখনই প্রধানমন্ত্রিত্বের কোনও পরিকল্পনা নেই: রাহুল- দৈনিক আজকাল

তিনি শুধু নৈতিকতা এবং মূল্যবোধের লড়াই লড়ছেন। পরবর্তী প্রধানমন্ত্রী হওয়ার কোনও পরিকল্পনা নেই তাঁর। শনিবার সন্ধ্যায় লন্ডনের রুইস্লিপে ভারতীয় প্রবাসী কংগ্রেসের মেগা সম্মেলনে সাংবাদিকদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্বে এমনটাই বললেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। তিনি বলেন, ২০১৪ সালের পর থেকেই এই পরিবর্তন এসেছে তাঁর মধ্যে। আপাতত দেশের সাংগঠনিক উন্নতিই তাঁর লক্ষ্য। ২০১৯ সালে কে নেতৃত্ব দেবেন, এই প্রশ্নের জবাবে কংগ্রেস সভাপতি বলেন, বিজেপি এবং আরএসএস–কে হারানোর পর এবং লোকসভা ভোটে জেতার পরই বিরোধী দলগুলির সঙ্গে নেতৃত্ব নিয়ে আলোচনায় বসা হবে। রাহুলের অভিযোগ, আরএসএস ভারতের সাংগঠনিক পরিকাঠামো ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। তা যাতে না হয় সেজন্য বিরোধী দলগুলির নেতানেত্রীদের মধ্যে সচেতনতা বাড়ানো হচ্ছে। বিজেপি ভারতকে বিভাজিত করার যত চেষ্টাই করুক, কংগ্রেস কখনও হিংসার রাজনীতি করেনি। বিজেপির এই চেষ্টা ব্যর্থ করবে কংগ্রেস।
আরএসএস এবং প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তোপ দেগে রাহুল বলেন, মোদির রাজনৈতিক অবস্থান তৈরি করতে বড় ভূমিকা নিয়ে ছিল আরএসএস। উন্নাও গণধর্ষণকাণ্ডে প্রধানমন্ত্রীর নিশ্চুপ অবস্থান, নীরব মোদি, মেহুল চোকসি এবং বিজয় মালিয়ার মতো দুর্নীতিগ্রস্তদের এখনও দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যর্থতার জন্য মোদিকে দায়ী করেছেন রাহুল।
১০ মাসে ৬০ লক্ষ গেলেন কোথায়! প্রশ্নের মুখে মোদী- দৈনিক আনন্দবাজার

বছরে দু’কোটি চাকরির প্রতিশ্রুতি ছিল চার বছর আগে লোকসভা ভোটে জেতার অন্যতম অস্ত্র। কিন্তু সেই প্রতিশ্রুতিই এখন নরেন্দ্র মোদী সরকারের গলার কাঁটা। লক্ষ লক্ষ চাকরির হিসেব দিলেও দেশে নতুন চাকরির সংখ্যা নিয়ে রহস্য ঘনীভূত হচ্ছে মোদী সরকারের দেওয়া তথ্য থেকেই।
এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ড, ইএসআই-এর পরিসংখ্যান দেখিয়ে মোদী সংসদে প্রমাণ করতে চেয়েছিলেন, তাঁর জমানায় এক বছরে নতুন ১ কোটি চাকরি হয়েছে। এখন সেই প্রভিডেন্ট ফান্ডের হিসেবই বলছে, মাত্র দশ মাসে প্রভিডেন্ট ফান্ডের খাতা থেকে ৬০ লক্ষ ৪০ হাজার নাম বাদ গিয়েছে! তার মধ্যে ৪৬ লক্ষের বয়স ৩৫ বছরের কম। ইএসআই-এর খাতা থেকেও ২৩ লক্ষের নাম বাদ গিয়েছে।
এই কর্মীরা গেলেন কোথায়? যাঁদের বয়স ৩৫ বছরের কম, তাঁরা নিশ্চয়ই অবসর নেননি। শ্রমিক সংগঠন সিটু-র সাধারণ সম্পাদক তপন সেন বলেন, ‘‘এর অর্থ একটাই, ওই ৪৬ লক্ষ লোকের চাকরি গিয়েছে। বা বহু কারখানা বন্ধ হয়ে গিয়েছে।’’
লোকসভা ভোট: সরকার ও বিরোধী দু’পক্ষ জোট গড়ায় জোর দিচ্ছে- দৈনিক বর্তমান

দিল্লিতে এসে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী কে চন্দ্রশেখর রাও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করলেন। তেলেঙ্গানার জন্য বিশেষ প্যাকেজ চাওয়ার আড়ালে স্বাভাবিকভাবেই আলোচনার প্রধান প্রতিপাদ্য ছিল আগামী লোকসভা ভোটের আগেই এনডিএ জোটে তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির যোগ দেওয়ার জল্পনা। আজ লণ্ডনে বসে রাহুল গান্ধী সংবাদিক বৈঠকে একপ্রকার যেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রিত্ব নয়, তাঁর কাছে প্রধান অগ্রাধিকার বিজেপিকে হারানো।
ভোটের পরই স্থির হবে কে মহাজোটের নেতৃত্ব দেবেন। যা আসলে বৃহত্তম জোটেরই বার্তা রাহুলের তরফে। গুজরাতে আজ থেকে পতিদারদের সংরক্ষণের দাবিতে অনশনে বসা হার্দিক প্যাটেলের অনশনস্থলে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর দলের এমপি দীনশ ত্রিবেদিকে পাঠালেন। সব মিলিয়ে সরকারপক্ষ এবং বিরোধীদের মধ্যে হঠাৎ করেই জোট তৎপরতা প্রবল হয়েছে। দু’পক্ষই জোটের শক্তি ও শরিকের সংখ্যাবৃদ্ধির লক্ষ্যে মরিয়া হয়েছে।
আগামী লোকসভা ভোটে যে এককভাবে গরিষ্ঠতা পাওয়া সম্ভব নয়, সেকথা বুঝে নরেন্দ্র মোদি এখন থেকেই নতুন জোট শরিকের সন্ধান করছেন। এবং জানা যাচ্ছে এআইডিএমকে আর তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতিকে পাশে পাচ্ছে বিজেপি। অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে তেলুগু দেশম বেরিয়ে গিয়েছে। সেই ক্ষতিপূরণের জন্য বিজেপির চোখ এবার আর এক দল জগনমোহন রেড্ডির ওয়াই এস আর কংগ্রেসের দিকে।
তো শ্রোতাবন্ধুরা! কথাবার্তার আজকের আসর এ পর্যন্তই। এ আসর নিয়ে আবার আমরা হাজির হব আগামীকাল।#
পার্সটুডে/মুজাহিদুল ইসলাম/২৬