নভেম্বর ১১, ২০২০ ২০:০৮ Asia/Dhaka

শ্রোতা ভাই ও বোনেরা, আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক প্রীতি আর শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি চিঠিপত্রের আসর প্রিয়জন। আশা করি সবাই ভালো ও সুস্থ আছেন। প্রতি সপ্তার মতো আজও অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় রয়েছি আমি নাসির মাহমুদ, আমি আকতার জাহান এবং আমি আশরাফুর রহমান।

আশরাফুর রহমান: আসরের শুরুতেই আমি একটি হাদিস শোনাতে চাই। মহানবী (সা.) বলেছেন, “যে ব্যক্তি পুরো এক দিন ও এক রাত রোগীর যত্ন করবে মহান আল্লাহ তাকে ইব্রাহীম খলিল (আ) নবীর সঙ্গে ওঠাবেন এবং ওই ব্যক্তি তীব্র ধাবমান বিদ্যুতের মত পুলসিরাত পার হয়ে যাবেন।”

আকতার জাহান: খুবই মূল্যবান একটি হাদিস শুনলাম। মহান আল্লাহ আমাদের সবাইকে সুস্থ থাকার ও রোগীদের যত্ন নেয়ার ও দেখতে যাওয়ার তৌফিক দিন- এই প্রার্থনার মধ্য দিয়ে নজর দিচ্ছি চিঠিপত্রের দিকে। আসরের প্রথম মেইলটি এসেছে বাংলাদেশের ফরিদপুরের মধুখালী থানার জগন্নাথদী গ্রামের ওয়ার্ল্ড রেডিও লিসেনার্স ক্লাব থেকে। আর পাঠিয়েছেন এম এম গোলাম সারোয়ার।

রেডিও তেহরানকে 'চেতনার বাতিঘর' হিসেবে আখ্যায়িত করে তিনি লিখেছেন, রেডিও তেহরান ঘুমন্তকে জাগিয়ে তোলে এমন একটা প্রচার মিডিয়া। কুরআনের আয়াত তেলাওয়াতের মাধ্যমে এ বেতার অধিবেশন শুরু করে। বিশ্বসংবাদে বস্তুনিষ্ঠ খবরাখবর পরিবেশন করা হয়, তা নিরপেক্ষতার দাবিদার। এছাড়াও  ইরান ভ্রমণ, বিশিষ্ট ব্যক্তি ও শ্রোতাদের সাক্ষাৎকার আমার অভিজ্ঞতাকে শাণিত করে। আমার প্রত্যাশা, বিভিন্ন প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শ্রোতাদেরকে ইরান সফর করাবেন তাতে আমরা আনন্দিত হবো।

নাসির মাহমুদ: রেডিও তেহরান সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন জেনে ভালো লাগল। আর আপনার প্রস্তাবটি আমাদের বিবেচনায় থাকল। আশা করি নিয়মিত চিঠি লিখবেন।

আসরের পরের মেইলটি পাঠিয়েছেন বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল সরকারি কলেজের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ শাহাদত হোসেন। বর্ধিত কলেবরে প্রচারিত প্রিয়জনের দ্বিতীয় আসর শোনার পর তিনি এ চিঠিটি পাঠিয়েছেন।

শাহাদত ভাই লিখেছেন- "৫ অক্টোবর তারিখে প্রচারিত প্রিয়জন শুনে শরীরের ক্লান্তি আর মনের বিষণ্নতা দূর হয়ে গেল। আসলে কুড়ি মিনিটের প্রিয়জন যে কতটা মধুর আর রসালো তা আমরা গত সপ্তাহ থেকে ঠিকই উপলব্ধি করতে পারছি। এখন প্রিয়জন মানে শুধু চিঠিপত্রের আসর নয়, নয় শুধু চিঠি পড়া। এখন প্রিয়জন মানে শ্রোতাদের সাথে রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগের উপস্থাপকদের আড্ডা। কেননা প্রিয়জনে এখন যেমন চিঠি থাকে, তেমনি থাকে উপস্থাপকগণের মতামত। থাকে প্রশ্নের উত্তর আর গান। থাকে হাস্যরসাত্মক কথা। আমরা আশা করি, ভবিষ্যতে এতে কবিতা, কৌতুক, গজল- ইত্যাদিও থাকবে।"

আশরাফুর রহমান: এরপর শাহাদত ভাই লিখেছেন, চিঠি লিখব না ভেবেও আজ চিঠি লেখার প্রধান কারণ হল, আজকের প্রিয়জনে আমি প্রায় ২৪ জন শ্রোতাবন্ধুর নাম শুনেছি। অতীতে আর কোনো প্রিয়জনে এত বেশি শ্রোতার নাম শুনিনি। একটি অনুষ্ঠানে ২৪ জন শ্রোতাকে সম্পৃক্ত করতে পারাটা বিরাট ব্যাপার। রেডিও তেহরানের এমন অভাবনীয় উদ্যোগের জন্যে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই।

আকতার জাহান: ভাই শাহাদত হোসেন, নতুন আঙ্গিকে ও বর্ধিত কলেবরে সাজানো প্রিয়জন আপনার ভালো লাগছে জেনে আমাদেরও খুব ভালো লাগছে। চিঠি লিখার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

বাংলাদেশের পর ভারতের পশ্চিম বঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার নওপাড়ার ফ্যামিলি রেডিও লিসনার্স ক্লাব থেকে আসা একটি ইমেইলের দিকে নজর দিচ্ছি। এটি পাঠিয়েছেন পারভিনা নাসরিন।

নাসির মাহমুদ: পারভিনা নাসরিন নামটা বেশ পরিচিত মনে হচ্ছে।

আশরাফুর রহমান: পরিচিত হওয়ারই কথা। কারণ এ শ্রোতাবোন রেডিও তেহরানের মাসিক কুইজ প্রতিযোগিতার চতুর্থ পর্বে লটারির মাধ্যমে বিজয়ী হয়েছেন।

আকতার জাহান: কুইজবিজয়ী পারভিনা নাসরিনকে অভিনন্দন জানিয়ে আমি তার চিঠিটি পড়ে শোনাচ্ছি। তিনি লিখেছেন, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে আমার স্বামী মতিউর রহমান গত ২৭ জুলাই তারিখে করোনা আক্রান্ত হয়ে ইন্তেকাল করেন। মাত্র ৩১ বছর বয়সে তার অকাল মৃত্যুতে আমার হৃদয় ভীষণভাবে শোকাহত ও ভারাক্রান্ত। বর্তমানে একমাত্র সন্তান আরিফুর রহমান নিয়ে পিতৃগৃহে অবস্থান করছি। মনটাকে হালকা করার জন্য রেডিও তেহরানের বাংলা অনুষ্ঠান মাঝেমধ্যে শুনে থাকি।

নাসির মাহমুদ: এরপর পারভিনা নাসরিন লিখেছেন, দেড় দশকেরও বেশি আগে আমার আব্বুর সাথে আপনাদের রংধনুর আসর শোনার মধ্য দিয়েই আমার বেতার জগতের সঙ্গে পরিচয় ঘটে। তারপর পড়াশোনা এবং বৈবাহিক জীবনে ব্যস্ততার কারণে রেডিও শোনায় বেশ টানাপোড়েন চলে। বর্তমানে এক শূন্য হৃদয়ে দিশেহারা জীবন নিয়ে মাঝে মাঝে শুনে থাকি ফেসবুকে আপনাদের অনুষ্ঠান।

আপনারা ভালো ও সুস্থ থাকবেন আর আমার স্বামীর রুহের জন্য মাগফিরাত কামনা করবেন- এ কামনায় ইতি টানলাম আজকের লিখায়।   

আশরাফুর রহমান: বোন পারভিনা নাসরিন, আপনার স্বামীর মৃত্যুতে আমরাও শোকাহত। মহান আল্লাহ তাকে বেহেশতবাসী করুন এবং আপনাদেরকে ধৈর্য ধরার শক্তি দিন- এ দোয়া করছি।

বাংলাদেশের ঝিনাইদহের চাপরাইল বাজারের 'প্রত্যাশা বেতার শ্রোতা সংঘ' থেকে এস এম ছবেদ আলী পাঠিয়েছেন পরের চিঠিটি। অনলাইন কুইজ প্রতিযোগিতার চতুর্থ পর্বে বিজয়ী এ শ্রোতাবন্ধু লিখেছেন, আমি রেডিও তেহরানের অনেক পুরনো শ্রোতা।  এখনও রেডিও তেহরান শুনি।  আমি অনলাইন কুইজ চতুর্থ পর্বে বিজয়ী হয়ে খুব খুশী হয়েছি। রেডিও তেহরানের বাংলা অনুষ্ঠান সকল শ্রোতার মন জয় করুক। 'প্রিয়জন' আরও প্রিয় হয়ে উঠুক।

আকতার জাহান: ভাই এস এম ছবেদ আলী, কুইজে অংশ নিয়ে বিজয়ী হওয়ায় আপনাকে অভিনন্দন। আশা করি যখনই সময় পাবেন- চিঠি লিখে আমাদেরকে অনুপ্রাণিত করবেন।

নাসির মাহমুদ: আসরের এ পর্যায়ে আমরা কথা বলব এক বাংলাদেশি শ্রোতাবন্ধু শাওন হোসাইনের সঙ্গে, জানব আমাদের অনুষ্ঠান সম্পর্কে তার গুরুত্বপূর্ণ মতামত।

আকতার জাহান: আপনার পরামর্শগুলো আমাদের বিবেচনায় থাকল। তো আমাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

নাসির মাহমুদ: সাক্ষাৎকারের পর আবারো চিঠিপত্রের দিকে নজর দিচ্ছি। বগুড়ার চাঁদনী বাজার থেকে মোঃ সাইফুল ইসলাম পাঠিয়েছেন কয়েকটি ইমেইল। এগুলোর মধ্যে রংধনু আসর সম্পর্কে তার লেখা মেইলটি পড়ে শোনাচ্ছি। তিনি লিখেছেন, জনপ্রিয় গল্পের আসর 'রংধনু' আমার খুব পছন্দের একটি আসর। আমি নিয়মিতভাবে এ আসরটি শ্রবণ করে থাকি। শুনলাম গত পহেলা অক্টোবরের রংধনু'র আসর। এতে শুনলাম চমৎকার এক রূপকথার গল্প। গল্পটির নাম হচ্ছে- "রাজার উপদেষ্টা"। শুনলাম দুটি কবিতা 'স্বদেশ' ও 'পাখির মতো'। কবিতাগুলি চমৎকারভাবে পাঠ করেছে ঢাকার ছোট্ট বন্ধু তুবা এবং রংপুরের ছোট্ট বন্ধু সারা। সবশেষে শুনলাম ছোট্ট বন্ধু ওবায়েদ-এর কণ্ঠে 'এক কূল আমার মা' শিরোনামের সুন্দর একটি গান। চমৎকার আয়োজন ভরপুর ছিল এই দিনের রংধনু'র আসর। অজস্র ধন্যবাদ এজন্য রেডিও তেহরানের বাংলা বিভাগকে।

সাইফুল ভাই তার আরেকটি মেইলে একটি গান শোনানোর অনুরোধ করেছেন।

আশরাফুর রহমান: সাইফুল ভাইয়ের পছন্দের গানটি আজকের আসরের শেষের দিকে বাজিয়ে শোনানো হবে। তো নিয়মিত চিঠি লেখার জন্য সাইফুল ভাই আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

বাংলাদেশের নওগাঁ জেলার সাহাপুর কে পাড়ার সোর্স অফ নলেজ ক্লাসের সভাপতি খোন্দকার রফিকুল ইসলাম পাঠিয়েছেন এবারের চিঠিটি। এ শ্রোতাবন্ধু প্রায় তিন দশক আগে রেডিও তেহরান শোনা শুরু করেন এবং সে সময়ের বেশকিছু রিসেপশন রিপোর্ট এখনও যত্নের সাথে রেখে দিয়েছেন বলে এই চিঠিতে উল্লেখ করেছেন। রেডিও তেহরান সম্পর্কে তার মূল্যায়ন এরকম- সবগুলো আন্তর্জাতিক বাংলা বেতারের মাঝে রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগের বৈচিত্র্যধর্মী অনুষ্ঠান আমাকে এত বেশি আকর্ষণ করে যে, তা এই ছোট পরিসরে লিখে কিছুতেই শেষ করতে পারব না। 

আকতার জাহান: ভাই খোন্দকার রফিকুল ইসলাম, চিঠি ও মতামতের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমান জেলার চুপী থেকে হাফিজুর রহমান পাঠিয়েছেন পরের মেইলটি। তিনি লিখেছেন, “আমার অন্যতম প্রিয় অনুষ্ঠান পারস্যের প্রতিভা, বিশ্বের গর্ব। ইরানি মনীষীরা যেভাবে ইরানি, ইসলামী এবং বিশ্ব- সভ্যতাকে সমৃদ্ধ করেছেন তার চমৎকার আলেখ্য ও আলোক-সম্পাত দেখা যায় ধারাবাহিক এ আলোচনা অনুষ্ঠানে। অনুষ্ঠানটি নিয়মিত শুনছি এবং প্রিয় দেশ ইরান সমন্ধে কতনা অজানা বিষয় জানতে পারছি! সমৃদ্ধ করতে পারছি নিজের জ্ঞান ভাণ্ডারকে। আন্তরিক ধন্যবাদ রেডিও তেহরানকে সুন্দর, আকর্ষণীয় ও তথ্যসমৃদ্ধ অনুষ্ঠান উপহার দিয়ে আমাদের সমৃদ্ধ করার জন্য।”

নাসির মাহমুদ: মতামতসমৃদ্ধ চমৎকার চিঠির জন্য হাফিজুর রহমান ভাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে নজর দিচ্ছি বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ থেকে আসা একটি চিঠির দিকে। খড়ম পট্টি থেকে এটি পাঠিয়েছেন শরিফা আক্তার পান্না। এ শ্রোতাবোন লিখেছেন- ২৩ সেপ্টেম্বর প্রচারিত রেডিও তেহরানের বাংলা অনুষ্ঠান আমার খুব ভালো লেগেছে। তবে বিশেষভাবে ভালো লেগেছে কথাবার্তা। দৈনিক পত্রিকার শিরোনামের পর গুরুত্বপূর্ণ দু’টি সংবাদের বিশ্লেষণ করেন জনাব সিরাজুল ইসলাম। আজকের প্রথম বিশ্লেষণের বিষয়টি হল ‘চীন থেকে বাংলাদেশকে দূরে রাখতে প্রতিরক্ষা কূটনীতি ব্যবহার করছে যুক্তরাষ্ট্র’। দৈনিক মানবজমিনের এ খবর সম্পর্কে তাঁর বিশ্লেষণ আমাদের খুব ভালো লেগেছে। জনাব সিরাজুল ইসলাম ঠিকই বলেছেন, আমেরিকা কারো বন্ধু হতে পারে না। তারা নিজেদের স্বার্থে কোনো দেশকে সাহায্য করে, আবার প্রয়োজন ফুরালে সে দেশকে ছুড়ে ফেলে দেয়। এর প্রমাণ হল ইরাক ও পাকিস্তান। সেজন্যে আমেরিকাকে বিশ্বাস করা বা তার সাথে অতি ঘনিষ্ঠতা সৃষ্টি করা যৌক্তিক নয়।

আশরাফুর রহমান: কথাবার্তা অনুষ্ঠান সম্পর্কে মতামতের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। আসরের শেষ চিঠিটি এসেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বারুইপাড়া থেকে। এটি পাঠিয়েছেন নাজিম উদ্দিন। তিনি লিখেছেন, ১০ অক্টোবর প্রচারিত সাপ্তাহিক পরিবেশনা ‘ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস’ এর নতুন একটি পর্ব শুনলাম। এ পর্বে ‘বাইতুল মোকাদ্দাস’ অভিযানের রাজনৈতিক অর্জন নিয়ে বিশ্লেষণটি ছিল বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। এ অভিযানের অন্যান্য সফলতার মধ্যে ‘খুররমশাহর’ ইরাকি আগ্রাসী বাহিনীর কবল থেকে উদ্ধার করা ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। এর মাধ্যমে ইরানের বিজয় আরো ত্বরান্বিত হতে সহায়তা করে। ইরাকি বাহিনীর ফেলে যাওয়া প্রচুর পরিমাণে অস্ত্রভাণ্ডার গণিমত হিসেবে অর্জন করে ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান। এর ফলে সাদ্দাম হোসেনের কথিত শক্তিমত্তার কাহিনী সম্পর্কে ধারণা পাল্টে যায়।

ধারাবাহিকভাবে ‘ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস’ নিয়ে আলোচনায় অনেক নতুন নতুন তথ্য জানতে পারি। ধন্যবাদ এ ধরনের পরিবেশনা উপহার দেবার জন্যে।

আকতার জাহান: মনোযোগ দিয়ে অনুষ্ঠান শোনার জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ। অনুষ্ঠানের এ পর্যায়ে কয়েকজন শ্রোতার চিঠি থেকে সংক্ষিপ্ত কিছু মতামত তুলে ধরব। গোপালগঞ্জের ঘোড়াদাইড় মধুমতি বেতার শ্রোতা সংঘের সভাপতি ফয়সাল আহমেদ সিপন লিখেছেন,

“সম্প্রতি বাংলাদেশে নারী নির্যাতনের হার ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। সামাজিক প্রতিরোধ ছাড়া ধর্ষণ ও নারী নির্যাতন বন্ধ সম্ভব হবে না। সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য সমাজের প্রগতিশীল ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব যারা আছেন তাদের সবাইকে জোটবদ্ধ হয়ে এগিয়ে আসতে হবে।”

নাসির মাহমুদ: বরিশাল জেলার পূর্ব ইছাকাঠী থেকে জিল্লুর রহমান জিল্লু লিখেছেন, “রেডিও তেহরান আমার খুবই প্রিয় একটি গণমাধ্যম যা ইসলামের মূলের উপর ভিত্তি করে মানবতার কথা বলে। বর্তমানে নৈতিক শিক্ষার বড়ই অভাব দেখা দিয়েছে যার ফলে সমাজে বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছে। রেডিও তেহরানকে সাধুবাদ জানাই আমাদের আগামী প্রজন্মের কথা চিন্তা করে ছোটদের জন্য সুন্দর শিক্ষামুলক একটি পর্ব ‘রংধনু আসর’ প্রচার করায়।”

আশরাফুর রহমান: ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা থানার আনসার ও ভিডিপি শ্রোতা ক্লাবের সভাপতি মো. লাল মিয়া লিখেছেন- “গত ২ অক্টোবর তারিখে প্রচারিত বিশ্বসংবাদে ২০৪১ সাল নাগাদ কর্মক্ষেত্রে নারীর অংশগ্রহণ ৫০ শতাংশে উন্নীত করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গীকার শীর্ষক খবরটি প্রচার করায় রেডিও তেহরানকে ধন্যবাদ জানাই।”

আকতার জাহান: মতামতের জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে আজকের আসর শেষ করতে চাই। তবে এ পর্যায়ে রয়েছে বগুড়ার শ্রোতাবন্ধু সাইফুল ইসলামের অনুরোধের একটি গান।

নাসির মাহমুদ: গানটির কথা লিখেছেন দেলোয়ার আরজুদা শরাফ, সুর করেছেন অভি আকাশ আর গেয়েছেন শিল্পী কামরুজ্জামান রাব্বি। তো শ্রোতাবন্ধুরা, আপনারা গানটি শুনতে থাকুন আর আমরা বিদাই চিঠিপত্রের আজকের আসর থেকে।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১১

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।