প্রিয়জন: 'বিশ্ব পরিস্থিতি জানতে রেডিও তেহরানের অনুষ্ঠানের কোনো তুলনা নেই'
শ্রোতা ভাই ও বোনেরা, আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক প্রীতি আর শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি চিঠিপত্রের আসর প্রিয়জন। আশা করি সবাই ভালো ও সুস্থ আছেন। আজকের অনুষ্ঠান উপস্থাপনায় রয়েছি আমি বাবুল আকতার, আমি আকতার জাহান এবং আমি আশরাফুর রহমান।
আশরাফুর রহমান: আসরের শুরুতেই আমি একটি হাদিস শোনাতে চাই। মহানবী (সা.) বলেছেন, "জ্ঞান মুমিনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু, অধ্যবসায় হলো তার সহযোগী, বুদ্ধিমত্তা হলো তার পথনির্দেশক, ধৈর্য তার সৈন্যদলের সেনাপতি এবং মমতা তার পিতা ও পুণ্যকর্ম তার ভাইয়ের ন্যায়।"
আকতার জাহান: খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি হাদিস শুনলাম। আমরা যেন এই গুণগুলো অর্জন করতে পারি- এ কামনা করে নজর দিচ্ছি চিঠিপত্রের দিকে। আসরের প্রথম চিঠিটি এসেছে বাংলাদেশের রংপুর জেলার পীরগাছা উপজেলার সৈয়দপুর গ্রাম থেকে। আর পাঠিয়েছেন সেখানকার 'আলোকিত মানুষ চাই, আন্তর্জাতিক বেতার শ্রোতা ক্লাব-এর সভাপতি এ, টি, এম, আতাউর রহমান রঞ্জু।
তিনি লিখেছেন, রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগ শ্রোতাদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে সুন্দর সুন্দর অনুষ্ঠান প্রচার করছে। শ্রোতাদের জন্য মাসিক কুইজ প্রতিযোগিতা ও শ্রেষ্ঠ শ্রোতা নির্বাচন ভালো উদ্যোগ। এজন্য রেডিও তেহরানের পরিচালক, উপস্থাপক, উপস্থাপিকা, কলাকুশলী সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ।
বাবুল আকতার: এরপর রঞ্জু ভাই জানিয়েছেন, তার মেয়ে আদিবা রহমান মন ও আফিয়া রহমান ইবনাত রুহী রংধনু আসরে সাক্ষাৎকার দিয়েছে। সাক্ষাৎকার গ্রহণ করায় রেডিও তেহরানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।
আশরাফুর রহমান: আদিবা ও আফিয়াকেও আমাদের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ। আর চিঠি লেখার জন্য আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা।
ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব বর্ধমান জেলার চুপী থেকে হাফিজুর রহমান পাঠিয়েছেন পরের মেইলটি। তিনি লিখেছেন, রেডিও তেহরানের বাংলা অনুষ্ঠান অত্যন্ত উচ্চমানের, তথ্য সমৃদ্ধ, বস্তুনিষ্ঠ ও আকর্ষণীয়। বিশ্ব পরিস্থিতিকে বুঝতে ও জানতে রেডিও তেহরানের অনুষ্ঠানের কোনো তুলনা নেই। রেডিও তেহরানের শুনি বলে আমি নিজেকে ভাগ্যবান মনে করি আর সেই সাথে মনে মনে গর্ব অনুভব করি। এ বেতার আমাদের মনের কথা বলে-কথা বলে, হৃদয়ের কথা বলে। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইরান তথা বন্ধুপ্রতীম সেদেশের জনগণের ঐতিহ্যবাহী রীতিনীতি, অর্থনীতি, শিক্ষা, সংস্কৃতি ইত্যাদি নানা বিষয়কে সুচারুরুপে তুলে ধরায় আমরা অত্যন্ত খুশি।
আকতার জাহান: রেডিও তেহরান সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন জেনে ভালো লাগল। আশা করি নিয়মিত লিখবেন।
বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার আলী সাহারদির উৎস ডিএক্স কর্ণারের প্রেসিডেন্ট এইচ এম তারেক পাঠিয়েছেন এবারের চিঠিটি। তিনি লিখেছেন, রেডিও তেহরান- একটি আদর্শ ও পরিপূর্ণ গণমাধ্যম। এতে রয়েছে বিচিত্র জ্ঞানের ভাণ্ডার।
ইরানের পণ্যসামগ্রী অনুষ্ঠানে ডালিমের উপকারিতার কথা জেনে উপকৃত হয়েছেন উল্লেখ করার পর তিনি একটি প্রশ্ন করেছেন। জানতে চেয়েছেন, ইরানে কি আমড়া পাওয়া যায়?
বাবুল আকতার: না ভাই, ইরানে আমড়া পাওয়া যায় না। তবে ইরানিরা আমড়া খেতে পছন্দ করে বলে আমাদের কাছে মনে হয়েছে। কারণ বাংলাদেশ থেকে যতবারই আমড়া আনা হয়েছে যতবারই ইরানি সহকর্মীরা তা খেয়ে অনেক প্রশংসা করেছেন।
আসরের পরের চিঠিটি এসেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বারুইপাড়া থেকে। এটি পাঠিয়েছেন নাফিসা খাতুন। রেডিও তেহরান, বাংলা বিভাগের সকল শ্রোতা ও কলাকুশলীকে আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানানোর পর তিনি লিখেছেন, "আমি রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগের নিয়মিত শ্রোতা। ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানকে জানা ও বোঝার জন্যে খুব সুন্দর একটি সাপ্তাহিক পরিবেশনা হলো, 'ইরানের পণ্য-সামগ্রী' অনুষ্ঠান। এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ইরানে উৎপাদিত নানা সামগ্রীর কথা জানতে পারি। গত ৬ অক্টোবর ইরানের পণ্য- সামগ্রী অনুষ্ঠানে আলোচনা হলো- ইরান ও চীনের মৃৎ-শিল্পের সম্পর্কে। এ আলোচনার মাধ্যমে ইরানের মৃৎ শিল্পের নানা প্রাচুর্যের কথা জানতে পারলাম। অনুষ্ঠানে আরো জানতে পারলাম যে অনেকে ইরানের মৃৎ-শিল্পকে চীনা মৃৎ-শিল্প হিসেবে ভুল করেন। বর্তমানে ইরানে আধুনিক ও উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে বৈচিত্রময় মৃৎ-শিল্প-পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে। আর এসকল উৎপাদিত পণ্যের আকার, রং ও ডিজাইন খুবই চমৎকার। অনুষ্ঠানটি থেকে ইরানের উৎপাদিত পণ্যের একটি ভিন্ন দিক শুনতে পারে খুব ভালো লাগলো। ধন্যবাদ এ ধরনের পরিবেশনা উপহার দেবার জন্যে।"
সবশেষে এ শ্রোতাবোন একটি প্রশ্ন করেছেন। জানতে চেয়েছেন- ইমাম খোমেনী (র.)-এর পরিবারে এখন বেঁচে আছেন যারা, তারা প্রশাসনিক কোনো দায়িত্ব পালন করেন কি?
আশরাফুর রহমান: ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নেতা মরহুম ইমাম খোমেনীর পরিবার সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ এ প্রশ্নটির উত্তর দিচ্ছেন রেডিও তেহরানের সিনিয়র সাংবাদিক ড. সোহেল আহম্মেদ।
আকতার জাহান: নাফিসা খাতুন, আপনার প্রশ্নের উত্তর দেয়া হলো। আশাকরি আপনার কৌতুহল মিটেছে।
বাবুল আকতার: অনুষ্ঠানের এ পর্যায়ে আমাদের অনুষ্ঠান সম্পর্কে সরাসরি মতামত জানব এক বাংলাদেশি শ্রোতা বন্ধুর সঙ্গে। টেলিফোনের অপর প্রান্তে যিনি অপেক্ষা করছেন প্রথমেই তার পরিচয় জানা যাক।
আকতার জাহান: তো ভাই জামাল আহমেদ সুবর্ণ, রেডিও তেহরান সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন, পরামর্শসহ এই সাক্ষাৎকারটি আমাদের ভীষণ ভালো লেগেছে। তো আমাদের সাথে এই কথোপকথনে অংশ নেয়ার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

বাবুল আকতার: সাক্ষাৎকারের পর আবারো চিঠিপত্রের দিকে নজর দিচ্ছি। বগুড়ার চাঁদনী বাজার থেকে মোঃ সাইফুল ইসলাম পাঠিয়েছেন এই ইমেইলটি। তিনি লিখেছেন- "ভ্রমণ বিষয়ক অনুষ্ঠান 'ইরান ভ্রমণ'-এর প্রতিটি আসরই আমি অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে উপভোগ করে থাকি। গত কয়েক সপ্তাহ যাবৎ এ আসরে ইরানের কেরমান প্রদেশের নানা ঐতিহাসিক নিদর্শন ও ঐতিহ্যর সাথে পরিচিত হচ্ছি। গত আসরে বৃহৎ এই প্রদেশের তামা শিল্পের সাথে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি এই প্রদেশের বামনগরী সম্পর্কে বিস্তারিত শুনেছি। গত ৩ অক্টোবরের এ আসরে এই প্রদেশে জরাথুস্ট্রদের বসবাস এবং তাদের কিছু ঐতিহাসিক নিদর্শনের সাথে পরিচিত হলাম। জানলাম কেরমানে বিভিন্ন গোত্রের মানুষ বসবাস করে তাদের আবার ভিন্ন ভিন্ন ভাষাও রয়েছে। রয়েছে ভিন্ন সংস্কৃতি এবং উৎসব। আরও পরিচিত হলাম কেরমান শিল্প যাদুঘরের সাথে। ভীষণ ভালো লাগছে ইরান ভ্রমণের এ আসরটি। অজস্র ধন্যবাদ রেডিও তেহরানের বাংলা বিভাগকে ভ্রমণ বিষয়ক এমন সুন্দর একটি আসর শ্রোতাদের উপহার দেয়ার জন্য।"
আশরাফুর রহমান: ইরান ভ্রমণ অনুষ্ঠান সম্পর্কে মতামত জানিয়ে বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল সরকারি কলেজের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ শাহাদত হোসেন পাঠিয়েছেন পরের মেইলটি। তিনি লিখেছেন, ১০ অক্টোবর প্রচারিত ইরান ভ্রমণে কেরমান প্রদেশের সজদে মোহন বাগিচার বিবরণ দেয়া হয়। উক্ত বাগিচার সবুজ পরিবেশ দেখতে চমৎকার লাগে। এক ধরনের বেহেশতি আমেজ তৈরি হয়েছে এ বাগিচায়। বিশাল বিশাল গাছের ছায়া ও পানির বহমান ধারা হৃদয়কে আপ্লুত করে ফেলে। গাছের গোড়ায় গোড়ায় পানি সরবরাহের জন্যে ক্যানেল তৈরি করা হয়েছে। পার্কের ভিতরে আছে চমৎকার একটি প্রাসাদ। এছাড়া এখানে হোটেল, রেস্তোরা- সব রকমের সুযোগ-সুবিধাই রয়েছে পর্যটকদের জন্যে। বাগিচার মনোরম বর্ণনা শুনতে শুনতে মনটা শীতল হয়ে গেল। আহা! এ বাগিচায় যদি হেঁটে বেড়াতে পারতাম। রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগের সবাইকে ধন্যবাদ জানাই, এমন চমৎকার একটি অনুষ্ঠান আমাদের উপহার দেয়ার জন্যে।
আকতার জাহান: ইরান ভ্রমণ অনুষ্ঠান সম্পর্কে মতামত জানানোর জন্য সাইফুল ইসলাম ও শাহাদত হোসেন ভাইকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আসরের পরের চিঠিটি এসেছে রাজবাড়ীর খোশবাড়ী গ্রাম থেকে। আর পাঠিয়েছেন আমাদের নিয়মিত শ্রোতা ও পত্রলেখক শাওন হোসাইন। তিনি লিখেছেন, "গত ১৫ অক্টোবর সন্ধ্যায় আমার প্রিয় বেতার কেন্দ্র রেডিও তেহরানের সান্ধ্য অধিবেশন শোনার জন্য রেডিও সেটে কান পাতলাম। প্রতিদিনের নিয়মিত আয়োজন বিশ্বসংবাদ ও দৃষ্টিপাতের পাশাপাশি এদিন প্রচার হয়েছিল মহানবী হজরত মুহাম্মদ (স.) এর ওফাত বার্ষিকী ও ইমাম হাসান (আ)-এর শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে বিশেষ আলোচনা অনুষ্ঠান। মহানবী ছিলেন মানব জাতির মুক্তির ও সর্বোত্তম উন্নয়নের দিশারী। আর ইমাম হাসান (আ) ছিলেন মহানবীর প্রিয় দৌহিত্র। তিনি ছিলেন মহানবীর আদর্শের ধারক ও বাহক। মহামানবদের জীবন থেকে আমাদের অনেক কিছু শেখার ও জানার আছে।
বাবুল আকতার: ভাই শাওন হোসাইন, বিশেষ আলোচনাটি শোনার পাশাপাশি মতামত জানানোর জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
বাংলাদেশের চাঁদপুর আহমাদিয়া ফাজিল ডিগ্রী মাদ্রাসার উপাধ্যক্ষ আল্লামা মিজানুর রহমান লাকসামী পাঠিয়েছেন পরের মেইলটি। তিনি লিখেছেন, ইরানের ওপর থেকে জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় আমি ব্যক্তিগতভাবে খুব আনন্দিত। এখন থেকে ইরান যেকোন দেশে অস্ত্র প্রযুক্তি বিক্রি করতে পারবে, কিনতেও পারবে। এর ফলে ইরান অস্ত্রশস্ত্রের মাধ্যমে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে যাবে এবং বিশ্বের অন্যতম মুসলিম পরাশক্তি হিসেবে আবির্ভাব হবে। আমি মনে করি, অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার মাধ্যমে ইরানের জয় হয়েছে, আমেরিকা পরাজিত হয়েছে।
আশরাফুর রহমান: একই বিষয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ থেকে এস এম নাজিম উদ্দিন লিখেছেন, "বিশ্ব সমাজের জন্য এ দিনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ কারণ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে আন্তর্জাতিক সমাজ ইরানের পরমাণু সমঝোতা ও জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ২২৩১ নম্বর প্রস্তাব রক্ষা করেছে। এর ফলে ইরানের কাছে আমেরিকা পরাজিত হয়েছে। এই সাফল্যের ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ইরানের গ্রহণযোগ্যতা আরো বাড়বে বলে মনে করি। এর সাথে সাথে ইরানের শত্রুরা অসহায় বোধ করবে; যার প্রভাব পড়বে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে। অভিনন্দন, ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানকে- এই কূটনৈতিক বিজয় অর্জনের জন্যে।"
আকতার জাহান: ভাই মিজানুর রহমান লাকসামী এবং এস এম নাজিম উদ্দিন, ইরানের ওপর থেকে অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পরপরই প্রতিক্রিয়া জানিয়ে ইমেইল করায় আপনাদেরকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
আসরের শেষ চিঠিটি এসেছে, বাংলাদেশের জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানার পূর্ব নলছিয়ার জাগো রেডিও লিসেনার্স ক্লাব থেকে। আর পাঠিয়েছেন হারুন অর রশীদ। অন্তরঙ্গ প্রীতিসহ অনুপম শুভেচ্ছা জানানোর পর তিনি লিখেছেন, ইরানের মানুষের চমৎকার জীবন ধারা, দর্শনীয় স্থান সমন্ধে জানার আগ্রহ রয়েছে আমার। সেই আগ্রহ থেকেই বাংলাটিউন অ্যাপ থেকে আপনাদের অনুষ্ঠান শুনলাম। ভালো লাগল। অনুষ্ঠান শোনার পর প্রিয়জনে প্রথম লিখলাম। এখন বিভিন্ন বেতার কুইজ আয়োজন করে, শ্রোতা সম্মেলন করে। চমৎকার পুরস্কারও প্রদান করছে। আশা করি রেডিও তেহরানও এমন ব্যবস্থা করবে।
নাসির মাহমদু: ভাই হারুন অর রশীদ, আপনার অবগতির জন্য জানাচ্ছি যে, রেডিও তেহরান মাসিক কুইজ প্রতিযোগিতার পাশাপাশি মাসিক ও বার্ষিক শ্রেষ্ঠ শ্রোতা পুরস্কারও চালু করেছে। আমাদের ওয়েবসাইটের ‘প্রতিযোগিতা’ ক্যাটাগরি থেকে বিস্তারিত জানতে পারবেন। তো, অনুষ্ঠান শোনার পর পরই চিঠি লেখায় আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আশরাফুর রহমান: অনুষ্ঠানের এ পর্যায়ে কয়েকজন শ্রোতার চিঠির প্রাপ্তিস্বীকার করছি যারা বিভিন্ন বিষয়ে সংক্ষিপ্ত মতামত জানিয়েছেন।
- নরসিংদীর বানিয়াছল বেতার বন্ধু সংসদ থেকে মোঃ হোসাইন মুসা।
- পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার মহেশগঞ্জ থেকে অপূর্ব কুমার পাল।
- মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার ইমামপুর থেকে ফারিয়া খানম মুমু।
- মৌলভীবাজারের কুলাউড়া শহর থেকে আবদুল হান্নান।
আকতার জাহান: মতামত জানানোর জন্য এই বন্ধুদের ধন্যবাদ জানিয়ে আমি আরও কয়েকজন শ্রোতার নাম-ঠিকানা উল্লেখ করতে চাই যারা আমাদের অনুষ্ঠানের রিসিপশন রিপোর্ট পাঠিয়েছেন।
- বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জ থেকে ফিরোজ আলম
- শাওন হোসাইন, রাজবাড়ী থেকে
- কিশোরগঞ্জ থেকে শাহাদত হোসেন
- পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ থেকে নাজিম উদ্দিন
- দক্ষিণ দিনাজপুর থেকে রতন কুমার পাল
- জার্মানি থেকে ডি. সোমের
- এবং মরক্কো থেকে জাওয়াদ সাবের।
বাবুল আকতার: তো শ্রবণমান রিপোর্ট পাঠানোর জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। তো বন্ধুরা, আজকের আসরও শেষ করব একটি গান শুনিয়ে। ‘আল্লাহ তা’লার হাবিব তুমি, ইয়া মোহাম্মদ সাল্লে আলা’ শিরোনামের গানটি লিখেছেন নুরুল ইসলাম মানিক। সুর করার পাশাপাশি গানটি গেয়েছেন শিল্পী আবু বকর সিদ্দিক।
আশরাফুর রহমান: তো বন্ধুরা, আপনারা গানটি শুনতে থাকুন আর আমরা বিদায় নিই প্রিয়জনের আজকের আসর থেকে।#
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১৭
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।