প্রিয়জন: 'রেডিও তেহরান ভালোলাগার মুগ্ধতা ছড়িয়ে যাচ্ছে'
শ্রোতা ভাই ও বোনেরা, আপনাদের সবাইকে অনেক অনেক প্রীতি আর শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরু করছি চিঠিপত্রের আসর প্রিয়জন। আশা করি সবাই ভালো ও সুস্থ আছেন। আজকের অনুষ্ঠানে আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি আমি নাসির মাহমুদ, আমি আকতার জাহান এবং আমি আশরাফুর রহমান।
আশরাফুর রহমান: অনুষ্ঠানের শুরুতেই আমি একটি হাদিস শোনাতে চাই। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বলেছেন, “আল্লাহ্ তাঁর বান্দাদের মধ্যে কিছু বান্দাকে সৃষ্টি করেছেন মানুষের উপকারের জন্য। তারা পরোপকারে তৃপ্তি লাভ করে এবং দানশীলতাকে মহত্বের কাজ বলে মনে করে। আর আল্লাহ উত্তম চরিত্রকে পছন্দ করেন।”
আকতার জাহান: আমরা সবাই যেন দানশীল ও পরোপকারী হতে পারি- এ আশাবাদ ব্যক্ত করে চিঠিপত্রের দিকে নজর দিচ্ছি।
আসরের প্রথম চিঠিটি এসেছে বাংলাদেশের জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জ থানার পূর্ব নলছিয়া গ্রাম থেকে। আর পাঠিয়েছেন সেখানকার জাগো রেডিও লিসেনার্স ক্লাবের সভাপতি হারুন অর রশীদ। তিনি লিখেছেন, “গত ১২ অক্টোবর প্রচারিত প্রিয়জন শুনলাম। খুবই ভালো লাগল। বিশেষ করে উপস্থাপক ভাইয়া ও উপস্থাপিকা আপুর চমৎকার কণ্ঠের সাবলীল উপস্থাপনা। তাছাড়া, ইরানপ্রবাসী বাংলাদেশি শ্রোতা বন্ধু আশিকুর রহমানের সাক্ষাৎকারও ভালো লেগেছে।" বিভিন্ন বেতার যখন গুণী উপস্থাপকের অভাবে শ্রোতাদের কাছে মূল্যায়ন হারাচ্ছে ঠিক তখন রেডিও তেহরান গুণী উপস্থাপকদের সুললিত কণ্ঠের জন্যই ভালোলাগার মুগ্ধতা ছড়িয়ে যাচ্ছে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।
নাসির মাহমুদ: হারুন অর রশীদ, রেডিও তেহরানের উপস্থাপকদের উপস্থাপনা আপনার নজর কেড়েছে জেনে ভালো লাগল। আশা করি নিয়মিত বিভিন্ন বিষয়ে মতামত, পরামর্শের পাশাপাশি গঠনমূলক সমালোচনাও করবেন। চিঠি লিখার জন্য আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।
আসরের পরের চিঠিটি এসেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার ‘ইন্টারন্যাশনাল ডি এক্স রেডিও শ্রোতা সংঘ’ থেকে। আর পাঠিয়েছেন এস এম নাজিম উদ্দিন। আন্তরিক প্রীতি ও শুভেচ্ছা জানানোর পর তিনি লিখেছেন, “২৯ অক্টোবর তারিখের ‘রংধনু আসর’-এ নতুন একটি শিক্ষণীয় গল্প শুনলাম। 'প্রতারক সারস ও কাঁকড়ার গল্প' অত্যন্ত চমৎকারভাবে পরিবেশন করা হলো। আশা করি সকল শিশু কিশোর বন্ধুরা এই গল্পটি উপভোগ করেছে এবং এই গল্প থেকে শিক্ষালাভ করেছে। আমাদের সমাজেও এমন অনেক সারস পাখির মত প্রতারক আছে; এদের থেকে সাবধান থাকতে হবে, সবাইকে এবং কৌশলে এড়িয়ে চলতে হবে এ সকল প্রতারকদের থেকে।”
আকতার জাহান: এরপর নাজিম উদ্দিন ভাই লিখেছেন, “অনেক দিন থেকেই, এমন সুন্দর সুন্দর গল্পের মাধ্যমে উপদেশপূর্ণ ও দিকনির্দশনামূলক পথেয় আমাদের মুগ্ধ করে। আমার প্রস্তাব, এ সকল নানা প্রাণীর গল্পের পাশাপাশি, ইসলামের ইতিহাস, হাদীস থেকেও গল্প শোনাতে পারেন। তাতে কিন্তু ধর্মীয় দিগনির্দেশনাও থাকবে। আশা করি পরের আসরে ছোট্ট সোনামনিদের আরও সুন্দর সুন্দর গল্পের পাশাপাশি গান ও সাক্ষাৎকার শুনতে পারব।"
আশরাফুর রহমান: ভাই নাজিম উদ্দিন, রংধনু আসর সম্পর্কে আপনার ভালো লাগার অনুভূতি জেনে ভালো লাগল। আর হ্যাঁ, আপনার পরামর্শ আমাদের মনে থাকবে।
বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ শহরের খড়মপট্টি থেকে শরিফা আক্তার পান্না লিখেছেন পরের চিঠিটি। তিনি লিখেছেন, "১৩ অক্টোবর রেডিও তেহরান থেকে প্রচারিত অনুষ্ঠানগুলো আমার খুব ভালো লেগেছে। কিছুক্ষণ রেডিওতে শোনার পর শ্রবণমান ভালো না হওয়ায় বাকীটা ইন্টারনেটে শুনেছি। ওয়েবসাইট থেকে চমৎকার শোনা গেছে। সেজন্যে ধন্যবাদ জানাই, আর শর্টওয়েভে শ্রবণমান উন্নত করার অনুরোধ জানাই।"
এরপর ওই দিনের অনুষ্ঠান সম্পর্কে তিনি লিখেছেন, "১৩ অক্টোবর প্রচারিত অনুষ্ঠানগুলোর মধ্যে বেশি ভালো লেগেছে শেষ প্রান্তিকে প্রচারিত ইরানি পণ্য-সামগ্রী। এমনিতেই এটি আমার প্রিয় অনুষ্ঠান। তার উপর এতে ইরানের ক্রোকারিজ সামগ্রী নিয়ে আলোচনা করা হয়। অনুষ্ঠান থেকে জানতে পারি যে, ইরানের তৈজসপত্র মানে ও গুণে ভালো। তাই তার ক্রেতাদের অধিকাংশই ইরানের তৈরি তৈজসপত্র পছন্দ করেন। জার্মানি, স্পেন, ভারতসহ পৃথিবীর প্রায় ২০টি দেশে এসব পণ্য রপ্তানি হয়। এসব অজানা তথ্য জানতে পেরে ভালো লেগেছে।"
নাসির মাহমুদ: ইরানি পণ্য-সামগ্রী অনুষ্ঠানে ক্রোকারিজ সামগ্রী সম্পর্কে আপনার মতামত জেনে ভালো লাগল। চিঠি লিখার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর থেকে মাকামে মাহমুদ চৌধুরী পাঠিয়েছেন পরের চিঠিটি।
আকতার জাহান: এ শ্রোতাবন্ধুর নাম আগে কখনো শুনেছি বলে মনে পড়ছে না। তিনি কি এবারই প্রথম চিঠি লিখলেন?
নাসির মাহমুদ: হ্যাঁ, আপনি ঠিকই ধরেছেন। তিনি কিছুদিন আগেই রেডিও তেহরানের সন্ধান পেয়েছেন এবং এই চিঠিতে তা উল্লেখ করেছেন। আমি বরং তার চিঠিটিই পড়ে শোনাচ্ছি। তিনি লিখেছেন, “আমার জন্য অত্যন্ত কষ্টকর একটি বিষয় হলো- রেডিও তেহরানের বর্তমান সার্ভিস সম্পর্কে আমার কোনো ধারণা ছিল না। ছোটবেলায় আমার এক খালাত ভাইয়ের কাছে রেডিও তেহরান-এর কথা বারবার শুনতে পেতাম। প্রযুক্তিগত জ্ঞান স্বল্পতার কারণে সে সময় রেডিও তেহরানের সাথে সখ্যতা হয়ে উঠেনি। তবে আমার নামটার মধ্যেই কেন জানি একটা অন্যরকম আবেগ কাজ করত। সেই আবগের কৌতূহলে আবার খুঁজতে শুরু করলাম রেডিও সার্ভিস তেহরান সম্পর্কে জানতে। কয়েকদিন আগে রেডিও তেহরানের বর্তমান সার্ভিস সম্পর্কে জানতে পারলাম মাত্র। জানা মাত্রই আপনাদের সুন্দর সাবলীল উপস্থাপনায় প্রতিটি সংবাদ, ওয়েবসাইটের প্রতিবেদন বিশেষ করে শ্রোতাদের কথা এত গুরুত্ব সহকারে প্রিয়জনে প্রকাশ হতে দেখে রেডিও তেহরানের প্রতি এক গভীর ভালোবাসা জন্মে গেল। অন্যান্য সংবাদ মাধ্যমে জনগণের মতামতকে যেখানে এত গুরুত্ব দেয়া হয় না সেখানে এত বড় সংবাদ মাধ্যম হয়েও শ্রোতাদের মতামত এবং ভাবনা এত গুরুত্ব সহকারে প্রচার এবং শ্রোতাদের জন্য বিভিন্ন কুইজের আয়োজন করে পুরস্কৃত করা- সবকিছু দেখে আমি সত্যিই অভিভূত। রেডিও তেহরানের প্রতি এই ভালোবাসা থেকে এখন নিয়মিত শুনে যাচ্ছি আপনাদের অনুষ্ঠানগুলো এবং আগামীতেও শুনব- এই কামনা করছি।
আশরাফুর রহমান: ভাই মাকামে মাহমুদ চৌধুরী, রেডিও তেহরানের প্রতি আপনার গভীর ভালোবাসার কথা জেনে আমরা সত্যিই আনন্দিত। আশাকরি এখন থেকে নিয়মিত চিঠি লিখবেন।
আকতার জাহান: আসরের এ পর্যায়ে আমরা সরাসরি কথা বলব ভারতের শ্রোতাবন্ধু বিধান চন্দ্র সান্যালের সঙ্গে।

আশরাফুর রহমান: সাক্ষাৎকারের পর আবারো চিঠিপত্রের দিকে নজর দিচ্ছি। বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জের গুরুদয়াল সরকারি কলেজের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ শাহাদত হোসেন পাঠিয়েছেন এই মেইলটি। ১৬ অক্টোবর তারিখে প্রচারিত অনুষ্ঠানমালা শোনার পরপরই তিনি এই চিঠিটি লিখেছেন। ওইদিন ইসলামের অনন্য মহানায়ক ইমাম রেজা (আ.)-এর শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে প্রচারিত বিশেষ অনুষ্ঠান সম্পর্কে শাহাদত ভাই লিখেছেন, এর আগেও রেডিও তেহরান বাংলা বিভাগে ইমাম রেজা (আ.) সম্পর্কে একাধিক অনুষ্ঠান শুনেছি। কিন্তু আজকের অনুষ্ঠানটি ছিল সবচেয়ে সেরা। মনে হল, আজ যেন একটি পরিপূর্ণ অনুষ্ঠান শুনতে পেলাম। আজকের অনুষ্ঠান থেকে জানতে পারলাম যে, নবী বংশের মধ্যে ইমাম রেজা (আ.) প্রথম ইরান সফর করেন। তার মানে, এর আগে নবী বংশের আর কেউ ইরান সফর করেননি। আর তাই ইমাম রেজা (আ.)-এর প্রতি ইরানবাসীর শ্রদ্ধা ও সহানুভূতি বেশি থাকাটাই স্বাভাবিক। এছাড়া তাঁর মাজারও ইরানে অবস্থিত।
আকতার জাহান: শাহাদত ভাই আরও লিখেছেন, ইমাম রেজা (আ.) মার্ভ থেকে বাগদাদে যাওয়ার পথে ২০৩ হিজরির ৩০ সফরে ইরানের খোরাসান বা বর্তমান মাশহাদ প্রদেশের তূস নামক অঞ্চলে বাদশাহ মামুনের প্ররোচনায় ইমামকে ডালিমের রস বা আঙ্গুরের সাথে বিষ প্রয়োগ করে হত্যা করা হয়। ইমামকে হত্যা করলেও তাঁর আদর্শকে হত্যা করতে পারেনি বাদশাহ মামুন। বরং ইমাম রেজা (আ.)-এর জন্মদিন ও শাহাদাত বার্ষিকীতে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ-লাখ মানুষ তাঁর পবিত্র মাজারে আসে তাঁর প্রতি আন্তরিক শ্রদ্ধা নিবেদন করতে। অর্থাৎ ইমামের আদর্শ ছড়িয়ে পড়ছে দেশ হতে দেশান্তরে। ধন্যবাদ রেডিও তেহরানকে এমন তথ্যবহুল ও চমৎকার একটি অনুষ্ঠানের জন্যে।
নাসির মাহমুদ: ইমাম রেজা (আ.)-এর শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে প্রচারিত অনুষ্ঠানের ওপর আপনার মূল্যায়ন জেনে ভালো লাগল। আশাকরি আবারো লিখবেন।
চট্টগ্রামের বাঁশখালী থেকে আবদুল্লাহ আল মামুন বাপ্পা পাঠিয়েছেন পরের মেইলটি। তিনি লিখেছেন, "আমি খুব ছোটবেলা থেকেই আব্বুর সাথে রেডিওতে আপনাদের অনুষ্ঠান শুনতাম। কিন্তু ২০১১ সাল থেকে রেডিও না থাকায় আপনাদের অনুষ্ঠান আর শুনতে পারিনি। যখন শুনতাম তখন আপনাদের অনুষ্ঠান খুবই উপভোগ করতাম এবং এটা আমার ছোট্ট হৃদয়ে দাগ কেটেছিল। এখন আমার বয়স ২৫ বছর। এখনও আপনাদের অনুষ্ঠান শুনতে মন ছটপট করে। তাই আপনারা যদি এফএম রেডিওতে অনুষ্ঠান সম্প্রচার করেন তাহলে আমরা উপকৃত হব।"
আশরাফুর রহমান: ভাই আবদুল্লাহ আল মামুন বাপ্পা, ছোটবেলায় শোনা রেডিও তেহরানকে এখনও মনে রেখেছেন জেনে ভালো লাগল। আর যতদিন এফএমে সম্প্রচার না হচ্ছে ততদিন আমাদের ওয়েবসাইট, ফেসবুক কিংবা মোবাইল অ্যাপে অনুষ্ঠান শুনতে পারেন। চিঠি লিখে নিজের মনের অনুভূতি জানানোয় আপনাকে ধন্যবাদ।
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া থানার ইমামপুর থেকে ফারিয়া খানম মুমু লিখেছেন আসরের পরের চিঠিটি। এ শ্রোতাবোন সেখানকার গন্তব্য শ্রোতা সংঘের সভাপতি। তিনি লিখেছেন, "রেডিও তেহরানের বাংলা অনুষ্ঠান শুনছি প্রায় ৬ মাস যাবত। এরই মধ্যে এই বেতার আমার হৃদয়মন জয় করেছে। ‘পাশ্চাত্যে জীবন ব্যবস্থা’ অনুষ্ঠানের ৭ম পর্বে বিষণ্ণতার কারণ সম্পর্কে জানলাম। এতে বলা হয়েছে, বিষণ্ণতা আসে দীর্ঘদিনের স্ট্রেস বা মানসিক চাপ থেকে। একটানা মানসিক চাপের মধ্যে থাকলে নিয়মিত ঘুমে ব্যাঘাত ঘটতে পারে। বিশেষ করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যেতে পারে এবং নানা ধরনের ইনফেকশনের কারণ হতে পারে। আরও জানলাম- প্রত্যেক মানুষের দৈনিক ৮ ঘণ্টা ঘুম দরকার। এর কম হলে মানসিক চাপ ও অস্থিরতা বাড়ে। রেডিও তেহরানকে ধন্যবাদ এমন তথ্যবহুল অনুষ্ঠান প্রচারের জন্য।"
আকতার জাহান: ‘পাশ্চাত্যে জীবন ব্যবস্থা’ অনুষ্ঠান থেকে উপকৃত হয়েছেন জেনে আমাদেরও ভালো লাগছে। চিঠি লিখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।
আমাদের অনুষ্ঠানের শ্রবণমান রিপোর্ট যারা পাঠিয়েছেন আসরের এ পর্যায়ে আমি তাদের কয়েকজনের নাম-ঠিকানা জানিয়ে দিচ্ছি।
- ভারতের ছত্তিশগড় থেকে আনন্দ মোহন বাইন।
- পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ থেকে নাজিম উদ্দিন
- খোন্দকার রফিকুল ইসলাম নওগাঁ জেলার সান্তাহার থেকে
- কিশোরগঞ্জ থেকে মো. শাহাদত হোসেন ও শরিফা আক্তার পান্না
- কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারি থেকে আবদুল কুদ্দুস মাস্টার
- শাওন হোসাইন রাজবাড়ি থেকে
- এবং জাওয়াদ সাবের মরক্কো থেকে।
নাসির মাহমুদ: তো অনুষ্ঠান শোনার পাশাপাশি শ্রবণমান রিপোর্ট পাঠানোর জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ। তো বন্ধুরা, আজকের আসরও শেষ করব একটি গান শুনিয়ে। ‘হাবীব আল্লাহ’ শিরোনামের গানটির কথা ও সুর আহমদ আব্দুল্লাহ। আর গেয়েছেন বাংলাদেশের জনপ্রিয় নাশিদকণ্ঠ মুনায়েম বিল্লাহ।
আশরাফুর রহমান: তো বন্ধুরা, আপনারা গানটি শুনতে থাকুন আর আমরা বিদায় নিই প্রিয়জনের আজকের আসর থেকে।#
পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/ মো.আবুসাঈদ/৩০
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।