কথাবার্তা: কৃষক আন্দোলন নিয়ে বিরোধীদের সমালোচনায় মোদি, মমতা-রাহুল বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রীকে
শ্রোতা/পাঠক!২৬ ডিসেম্বর শনিবারের কথাবার্তার আসরে স্বাগত জানাচ্ছি আমি গাজী আবদুর রশীদ। আশা করছি আপনারা প্রত্যেকে ভালো আছেন। আসরের শুরুতে ঢাকা ও কোলকাতার গুরুত্বপূর্ণ বাংলা দৈনিকগুলোর বিশেষ বিশেষ খবরের শিরোনাম তুলে ধরছি। এরপর গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবরের বিশ্লেষণে যাবো। বিশ্লেষণ করবেন সহকর্মী সিরাজুল ইসলাম।
বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ খবরের শিরোনাম:
- করোনা মোকাবেলায় দক্ষিণ এশিয়ায় শীর্ষে বাংলাদেশ-ইত্তেফাক
- কিশোরগঞ্জে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষে নিহত ২–যুগান্তর
- বাড়ছে ডিজিটাল অপরাধ-সাইবার পুলিশ সেন্টারে দিনে ৮০০ অভিযোগ -মানবজমিন
- মানুষের হৃদয়ে বেঁচে থাকবেন আব্দুল কাদের-প্রধানমন্ত্রী-বাংলাদেশ প্রতিদিন
- লেভেলক্রসিংয়ে মৃত্যুর দায় কার -কালের কণ্ঠ
- আইএমইডির প্রতিবেদন-গরিবের ভাগ্য বদলের প্রকল্পে লুটপাট -সমকাল
এবার ভারতের কয়েকটি খবরের শিরোনাম:
- সরকার নিয়ন্ত্রিত হলেও RTI-এর আওতাধীন নয় PM CARES! কেন্দ্রের নয়া ব্যাখ্যায় বিভ্রান্তি -আনন্দবাজার পত্রিকা
- প্রধানমন্ত্রীর নতুন আবেদনের পর আজ বৈঠকে কৃষকরা -আজকাল
- যেদিন সত্যিই মারতে শুরু করব, ব্যান্ডেজ বাঁধার জায়গা পাবে না’, তীব্র হুঁশিয়ারি দিলীপের-সংবাদ প্রতিদিন
শিরোনামের পর এবার দুটি বিষয়ের বিশ্লেষণে যাব।
কথাবার্তার বিশ্লেষণের বিষয়:
১. ঈশ্বরদীতে এশিয়ান টোব্যাকো লিমিটেড নতুন সিগারেট কারখানা স্থাপনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এ পদক্ষেপ কী তামাকমুক্ত বাংলাদেশ অর্জনের প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করবে না?
২. সিরিয়ার ওপর ইসরাইল দফায় দফায় বিমান ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে আসছে। এই হামলা বন্ধ করার জন্য জাতিসংঘের প্রতি বার বার আহ্বান জানাচ্ছে সিরিয়া। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। কারণ কী?
বিশ্লেষণের বাইরে গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি খবর
বাড়ছে ডিজিটাল অপরাধ-সাইবার পুলিশ সেন্টারে দিনে ৮০০ অভিযোগ-দৈনিক মানবজমিন
বাড়ছে ডিজিটাল মাধ্যমের ব্যবহার। এর সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সাইবার ক্রাইম। সিআইডি’র সাইবার পুলিশ সেন্টারে (সিপিসি) দিনে জমা পড়ছে প্রায় ৮০০ অভিযোগ। প্রতারণা, হুমকি, হ্যাকিং, পর্নোগ্রাফি, শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে টাকা আদায়- এমন নানা অভিযোগ আসছে মিনিটে মিনিটে। সাইবার পুলিশ সেন্টারের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতারণা ও যৌন হয়রানির অভিযোগই আসছে সবচেয়ে বেশি। সাইবার ক্রাইমে সবচেয়ে বেশি শিকার হচ্ছেন নারীরা। অনলাইনে প্রায়ই নানা হয়রানির মুখে পড়ছেন তারা।
ভুক্তভোগীরা সাইবার পুলিশ সেন্টারের ইমেইলে, ফেসবুকে অথবা ইমোতে ফোন করে অভিযোগগুলো দিচ্ছেন।
এরপর সাইবার পুলিশ সেন্টারের গোয়েন্দা শাখা বিষয়গুলো মাঠ পর্যায়ে তদন্ত করে। এ বিষয়ে সিআইডির এসপি (সাইবার ইনটেলিজেন্স) মো. রেজাউল মাসুদ জানান, ‘বিভিন্ন মাধ্যমে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করছেন। অভিযোগগুলো আমলে নিয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হয়ে থাকে।’
সাইবার পুলিশ সেন্টার সূত্রে জানা গেছে, মুন্সীগঞ্জের আবির নামে এক ব্যক্তি সাইবার পুলিশ সেন্টারে অভিযোগ করেছেন যে, একটি এমএলএম কোম্পানি তার কাছে পণ্য বিক্রি করার নামে ১০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। গত ৩ মাস আগে ওই কোম্পানিটি মুন্সীগঞ্জের লৌহজং এলাকায় একটি অফিস খোলে। তারা নভেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহে অফিসে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান। বিষয়টি তদন্ত করছে সাইবার পুলিশ সেন্টারের কর্মকর্তারা।
রুমা (ছদ্মনাম) নামে একজন নারী অভিযোগ করেছেন যে, ‘সুমন নামে এক সহপাঠীর সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সম্পর্ক এক সময় শারীরিক পর্যায়ে গড়াই। সুমন তাকে বিয়ে করার নাম করে ফুসলিয়ে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে। তিনি তার সহপাঠীর মাধ্যমে প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেন। সিপিসি’র কর্মকর্তারা তার এ অভিযোগ তদন্ত করছেন।
আজিজ নামে এক ব্যক্তি অভিযোগ করেছেন যে, একটি ম্যারেজ মিডিয়ার ফাঁদে পড়েন তিনি। এক ব্যক্তির মাধ্যমে গুলশানে একটি ম্যারেজ মিডিয়ার অফিসে যান। সেখানে গিয়ে দেখেন যে, এক সুন্দরী মহিলা বসে আছেন। তাকে কনের বড়বোন পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়। বলা হয় যে, তার বোন অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক। ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে ফিরবেন। তাকেও অস্ট্রেলিয়ায় নিয়ে যাওয়া হবে। পাত্র তাদের পছন্দ হয়েছে। এজন্য পাত্রের কাছে তারা অস্ট্রেলিয়ায় সেটআপ করার জন্য এক লাখ টাকা চায়। আজিজ সরল বিশ্বাসে ওই টাকা দিয়েছেন। টাকা দেয়ার পর ওই মহিলার নম্বর বন্ধ হয়ে গেছে। ম্যারেজ মিডিয়া প্রতিষ্ঠানও বলছে যে, ওই মহিলার দ্বারা তারাও প্রতারণার শিকার হয়েছেন। সিপিসির কর্মকর্তারা ওই বিষয়টি তদন্ত করে দেখছেন। সিপিসি সূত্রে জানা গেছে, সিপিসিতে আর্থিক প্রতারণা। বিশেষ করে ই-কমার্স এবং অনলাইনে পণ্য বেচাকেনায় প্রতারণার অভিযোগ বেশি। এছাড়াও এমএলএম কোম্পানির নামে প্রতারণার অভিযোগ আসছে। অভিযোগ আসছে, চাকরি দেয়ার নামে প্রতারণার। শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়াও একাধিক এনজিও এবং মানবাধিকার সংগঠনের নামে একটি চক্র দেশব্যাপী যে প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে তার অনেক অভিযোগ আসছে সিপিসিতে। তাছাড়াও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বন্ধু সেজে বিদেশ থেকে উপহার পাঠানোর নামে অনেকের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ চক্রটি আবার বিমানবন্দর কেন্দ্রিক কাজ করে থাকে।
সূত্র জানায়, বিদেশে জনশক্তি পাঠানোর নামে প্রতারণার অভিযোগ আসছে সিপিসিতে। কোনো কোনো ভুক্তভোগী করোনার সনদ সন্দেহজনক মনে করে ওই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও অভিযোগ করেছেন। এছাড়াও প্রভাবশালী ব্যক্তির এপিএস, সংসদ সদস্য, সচিব ও পুলিশের নাম করে একটি চক্র দেশব্যাপী যে প্রতারণা করে যাচ্ছে তার ভিকটিমগুলো সিপিসিতে অভিযোগ করছেন। বিয়ের নামেও প্রতারণার অভিযোগ পাওয়া গেছে।সূত্র জানায়, প্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে বহুমুখী প্রতারণা। সিপিসিতে যেসব অভিযোগ আসছে তাদের মধ্যে অধিকাংশ প্রযুক্তিগত প্রতারণার শিকার হয়েছেন। কিছু কিছু অভিযোগ আমলে নেয়ার মতো নয়।
ভারতের কয়েকটি খবরের বিস্তারিত:
রাজনৈতিক স্বার্থে কৃষকদের ক্ষতি করবেন না’, মেগা শো থেকে বিরোধীদের তুলোধোনা মোদির-সংবাদ প্রতিদিন
“স্রেফ নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য কৃষি আইন নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বিরোধীরা। আজ যারা কৃষকদের জন্য এত বড় বড় কুম্ভীরাশ্রু ফেলছেন, ক্ষমতায় থাকাকালীন তাঁরা কোন কাজটা করেছেন বলতে পারেন? ওঁদের নীতিতে গরিব আরও গরিব হয়েছে। কৃষকদের দুরবস্থা দেখেও ওঁরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে।” নতুন কৃষি আইন (Farm Laws) নিয়ে ভুল বোঝানোর অভিযোগ তুলে বিরোধীদের তুলোধোনা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। অটলবিহারী বাজপেয়ীর জন্মতিথিতে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ সম্মান নিধির কিস্তি বাবদ ১৮ হাজার কোটি টাকা কৃষকদের জন্য বরাদ্দ করলেন প্রধানমন্ত্রী। আর সেই সঙ্গে কৃষি আইন নিয়ে কৃষকদের যাবতীয় ভ্রান্ত ধারণা দূর করারও চেষ্টা করলেন।প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাফ কথা, মানুষের দ্বারা প্রত্যাখ্যাত কয়েকটি রাজনৈতিক দল নিজেদের প্রাসঙ্গিক করে তোলার জন্য ভুরি ভুরি মিথ্যাচার করছে। কৃষকদের ভুল বোঝাচ্ছে, দ্বিমুখী নীতি নিয়ে চলছে। এঁরা কেরলে, পশ্চিমবঙ্গে কৃষকদের স্বার্থে আন্দোলন করে না, অথচ পাঞ্জাবে গিয়ে কৃষকদের ভুল বোঝায়। দেশের একেক রাজ্যে গিয়ে একেক রকম কথা বলছেন। মোদির অভিযোগ, বিরোধীরা কৃষকদের ঘাড়ে বন্দুক রেখে গুলি চালানোর চেষ্টা করছেন। কংগ্রেসের থেকে এদিন মোদির লক্ষ্যে মূলত ছিলেন বামেরা। প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, কৃষি আইনের আড়ালে এঁরা নিজেদের রাজনৈতিক এজেন্ডা ফলানোর চেষ্টা করছে।
বিতর্কিত কৃষি আইনকে (Farm Laws) কেন্দ্র করে ফের সরগরম জাতীয় রাজনীতি। ‘গণতন্ত্র’ মন্তব্যের জন্য এবার কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) উপর খড়গহস্ত হলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। দাবি করলেন, যারা তাঁকে গণতন্ত্রের শিক্ষা দিতে আসে, তারাই নিজেদের দখলে থাকা রাজ্যে সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও পুরভোটের আয়োজন করে না। ওদের ছল এবং কপটতা দেখলে অবাক হতে হয়।
দৈনিকটির অন্য একটি খবরের শিরোনাম এরকম, ‘অর্ধসত্য বলে বিভ্রান্ত করতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী’, কৃষক বঞ্চনা ইস্যুতে মোদিকে জবাব মমতার-বিস্তারিত খবরে লেখা হয়েছে,
বড়দিনের সকালে কৃষক ইস্যুতে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। অভিযোগ করেছিলেন রাজনৈতিক কারণে বাংলার কৃষকরা কেন্দ্রীয় প্রকল্প থেকে বঞ্চিত। তৃণমূল সাংসদের পর প্রধানমন্ত্রীর এই অভিযোগের জবাব দিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী অধর্সত্য বলছেন। পরিকল্পনামাফিক ভুল তথ্য প্রচার করে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে চাইছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায়, “লক্ষ লক্ষ কৃষক কেন্দ্রের এই আইনের বিরুদ্ধে। আমি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলেছি। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তে কোনও কৃষকই খুশি নন।”
এদিকে ‘বামেরা কৃষকদের জন্য কিছুই করেনি’, প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যের বিরোধিতা করে সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিম এদিন বলেন, “প্রধানমন্ত্রী দেশের কৃষির ইতিহাসই পড়েননি।”
শুক্রবার ভারচুয়াল অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সারা দেশের ৯ কোটি কৃষকের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে ১৮ হাজার কোটি ট্রান্সফার করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কথা বলেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা কৃষকদের সঙ্গে। যাঁরা প্রায় সকলেই নয়া কৃষি আইনের ফলে উপকৃত হবেন বলে দাবি করেন। এরপরই কৃষকদের নোংরা রাজনীতির স্বার্থে ব্যবহার করার জন্য পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের তুমুল সমালোচনা করেন মোদি। সকালেই প্রধানমন্ত্রীর এই আক্রমণের জবাব দিয়েছিলেন তৃণমূল সাংসদ সৌগত রায়। বলেছিলেন, “গত ১০ বছরে বাংলায় কোনও কৃষক আন্দোলন দেখেছেন? এখানকার কৃষকদের রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কোনও ক্ষোভ নেই। তাঁরা ভাল আছেন। রাজ্যে কৃষকদের জন্য বরাদ্দ বেড়েছে ৫ গুণ।” এবার উত্তর দিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর নতুন আবেদনের পর আজ বৈঠকে কৃষকরা-দৈনিক আজকাল
দৈনিকটির অন্য একটি খবরের শিরোনাম-অধরা সমাধান–সূত্র, কৃষকদের সঙ্গে আলোচনায় না বসে রাহুলকে তর্কমঞ্চে ডাকছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী!কৃষকদের ভুল বোঝাচ্ছে বিরোধীরা। এমন একটা ছবি তৈরি করতে চাইছে, যেন এতবছর ধরে কৃষকরা তাদের সঙ্গেই ছিলেন! কংগ্রেস নেতাকে রাহুল গান্ধীকে উদ্দেশ্য করে আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রকাশ জাভরেকড়। কৃষক–বিক্ষোভে রাজনৈতিক যোগের ‘কেন্দ্রীয়’ তত্ত্বকে খারিজ করে সম্প্রতি কৃষকরা জানিয়েছেন, ‘এই আন্দোলনের জেরেই আজ রাজনৈতিক দলগুলি তাদের অবস্থান বদলাতে শুরু করেছে। বিরোধীদের কথায় এই আন্দোলন চলছে না, বরং তারাই কৃষকদের পাশে দাঁড়াতে বাধ্য হচ্ছে।’ তারপরও কেন্দ্রীয় মন্ত্রীদের গলার সুর বদলালো না! আর দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকা লিখেছে,আজ বৈঠক কৃষক সংগঠনগুলির, সরকারের প্রস্তাবে সাড়া দেওয়া নিয়ে জল্পনা। এতে বলা হয়েছে,প্রশ্ন একটাই। জট কাটবে কি কাটবে না।
সরকারের সঙ্গে ফের আলোচনায় বসা হবে কি না, তা নিয়ে শনিবার দুপুরে বৈঠকে বসতে চলছে কৃষক সংগঠনগুলো। এই বৈঠকেই পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা হবে বলে সূত্রের খবর।শুক্রবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পিএম-কিসান প্রকল্পে ১৮ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের কথা ঘোষণা করেছেন। সেই সঙ্গে কৃষকদের আশ্বস্ত করেছেন, ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (এমএসপি) নিয়ে যে ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হয়েছে তাঁদের মধ্যে, তা ঠিক নয়। শুধু তাই নয়, বিরোধীদের আক্রমণ করে কৃষকদের উদ্দেশে বার্তাও দিয়ে বলেন, বেশ কিছু মানুষ কৃষি আইন নিয়ে ভুল বোঝাচ্ছে। সেই ফাঁদে তাঁরা যেন পা না দেন। সরকার কৃষকদের সঙ্গে সব সময় আলোচনায় প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।
প্রধানমন্ত্রীর এই আশ্বাসে কি বরফ গলবে? এখন এই চর্চাই চলছে আমজনতা থেকে রাজনৈতিক কারবারিদের মধ্যে। যদিও সরকারের সঙ্গে বৈঠকে বসবেন, না কি ফের তাদের প্রস্তাব ফিরিয়ে দেবেন তা নিয়ে একটা রণকৌশল তৈরি করতে শনিবার নিজদের মধ্যে বৈঠকে বসছে কৃষক সংগঠনগুলো। শুক্রবারের কৃষক সংগঠনগুলোর এই বৈঠকের দিকে এখন তাকিয়ে গোটা দেশ।
যেদিন সত্যিই মারতে শুরু করব, ব্যান্ডেজ বাঁধার জায়গা পাবে না’, তীব্র হুঁশিয়ারি দিলীপের-দৈনিক সংবাদ প্রতিদিন
বিধানসভা নির্বাচনের (Assembly Election 2021) আগে ক্রমশই বাক তরজায় জড়াচ্ছে শাসক-বিরোধী উভয়পক্ষ। ঝাঁজ বাড়ছে বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের কথাতেও। শনিবার ভাঙড়ের বামনঘাটা চা চক্রে একাধিক ইস্যুতে রাজ্যকে বিঁধলেন বিজেপি রাজ্য সভাপতি। রীতিমতো হুঙ্কার ছাড়লেন তিনি।
এদিন সকালেও আরও একবার রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বিজেপি কর্মীদের উপর আক্রমণের অভিযোগ তোলেন তিনি। আর সেই অভিযোগকে হাতিয়ার করেই শাসকদল তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি দেন। তিনি বলেন, “যেদিন সত্যি সত্যি মারতে শুরু করব, ব্যান্ডেজ বাঁধার জায়গা পাবে না।” বৃহস্পতিবার রাত থেকে দফায় দফায় চলা কোচবিহারের হিংসা নিয়েও তোপ দাগেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। তিনি বলেন, “তৃণমূলের হারার সম্ভবনা যত বাড়ছে তত হিংস্র হচ্ছে। আরও খুন বাড়বে। পুলিশকে পুরো নপুংসক বানিয়ে রাখা হয়েছে।
সারা বিশ্বের অর্থনীতির বড় ক্ষতি করলেও চিনের অর্থনীতির উপর খুব বেশি প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি কোভিড। তা ফের প্রমাণিত হল। অতিমারির অতীত পিছনে ফেলে ২০২৮ সালেই আমেরিকাকে ছাপিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে উঠে আসবে চিন। নিজেদের বার্ষিক রিপোর্টে এমনটাই দাবি করল ব্রিটেনের অন্যতম শীর্ষ অর্থনৈতিক পরামর্শদাতা সংস্থা ‘সেন্টার ফর ইকনমিকস অ্যান্ড বিজনেস রিসার্চ’।
আর্থিক শক্তিবৃদ্ধির নিরিখে বিশ্বের অন্যতম দুই ক্ষমতাশালী রাষ্ট্রের অবস্থান পাল্টালেও, বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি হিসেবে জাপানের অবস্থান পাল্টানোর তেমন সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে ব্রিটেনের ওই সংস্থা। তবে ২০৩০ সালের শুরু দিকে তাদের টপকে তৃতীয় স্থানে উঠে আসতে পারে ভারত। সে ক্ষেত্রে জার্মানি চতুর্থ থেকে পঞ্চম স্থানে চলে আসতে পারে। এই মুহূর্তে বিশ্বতালিকায় ব্রিটেন পঞ্চম স্থানে রয়েছে। ২০২৪ সাল নাগাদ তারা ষষ্ঠ স্থানে নেমে যেতে পারে।
এনআরসি অসম্পূর্ণ, হিন্দুদের জন্য সুবিচার চাই’, বিস্ফোরক বিজেপি নেতা হিমন্ত বিশ্বশর্মা-সংবাদ প্রতিদিন
অসমের নাগরিকপঞ্জি অর্থাৎ এনআরসি সম্পূর্ণ নয়। এর ফলে বরাক উপত্যকার হিন্দুরা সুবিচার পায়নি। এবার বিস্ফোরক অভিযোগ খোদ বিজেপিরই প্রভাবশালী নেতা তথা অসমের একাধিক দপ্তরের মন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার (Himanta Biswa Sarma)। তাঁর কথায়, বরাক উপত্যকার হিন্দুদের আমরা সুবিচার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছি। এবং সেটা আমরা নিশ্চিত করব। প্রাক্তন এনআরসি কো-অর্ডিনেটর প্রতীক হ্যাজেলাকে কাঠগড়ায় তুলে হিমন্ত দাবি করেন, ‘ওঁর জন্যই অসমের বরাক উপত্যকার হিন্দুরা আজ বঞ্চিত।’
পার্সটুডে/গাজী আবদুর রশীদ/২৬
- বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।