• ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৪০): কয়েকজন ঈমানদার ইরানি কমান্ডার

    ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৪০): কয়েকজন ঈমানদার ইরানি কমান্ডার

    নভেম্বর ০১, ২০২২ ১৮:৫০

    আগ্রাসী ইরাকি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী ইরানি সৈন্য ও কমান্ডাররা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ এবং তাকে সন্তুষ্ট করার জন্য যুদ্ধ করেছিলেন বলেই বিজয়ী হয়েছিলেন। এ সম্পর্কে পবিত্র প্রতিরক্ষা যুদ্ধে শহীদ ইরানি কমান্ডার হাজি ইব্রাহিম হেম্মাত তার যোদ্ধাদের বলেন: “আপনারা যখনই কোনো কাজ করতে যাবেন তা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য করুন। এটা করতে পারলেই আমাদের বিজয় নিশ্চিত।

  • ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৩৯): যুদ্ধক্ষেত্রে ইরানি যোদ্ধাদের আল্লাহর স্মরণ

    ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৩৯): যুদ্ধক্ষেত্রে ইরানি যোদ্ধাদের আল্লাহর স্মরণ

    নভেম্বর ০১, ২০২২ ১৮:৪২

    গত তিন আসরে আমরা যুদ্ধক্ষেত্রে তিনজন শহীদ ইরানি কমান্ডারের খোদাভীরুতা ও পরহেজগারি নিয়ে আলোচনা করেছি। আগ্রাসী ইরাকি বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইরানি শিবিরগুলোতে যে আধ্যাত্মিক পরিবেশ বিরাজ করত তার উদারহণ দিতে গিয়ে আমরা শহীদ আব্বাস বাবায়ি, শহীদ মোহাম্মাদ বোরুজেরদি ওরফে মাসিহ কুর্দিস্তান এবং শহীদ সাইয়্যেদ হোসেইন আলামুল হুদার জীবন ও কর্মের ওপর আলোচনা করেছি।

  • ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৩৮): শহীদ কমান্ডার হোসেইন আলামুল হুদা

    ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৩৮): শহীদ কমান্ডার হোসেইন আলামুল হুদা

    নভেম্বর ০১, ২০২২ ১৮:৩৩

    ১৯৭৯ সালে ইমাম খোমেনী (রহ.)-এর নেতৃত্বে ইসলামি বিপ্লব সংঘটিত হওয়া পর ইরানি জনগণের মধ্যে ঐক্য ও সংহতি শক্তিশালী হয় এবং ধর্মীয় মূল্যবোধ ও নীতি-নৈতিকতার প্রসার ঘটে। তবে যুদ্ধের ময়দানে ইরানি যোদ্ধাদের মধ্যে ধর্মীয় ও মানবিক মূল্যবোধের যে অভাবনীয় বিকাশ দেখা গিয়েছিল সেটা শুধুমাত্র বিপ্লব পরবর্তী ওই পরিবেশের কারণে হয়নি।

  • ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৩৭): ইরানি কমান্ডার শহীদ মোহাম্মাদ বোরুজেরদি

    ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৩৭): ইরানি কমান্ডার শহীদ মোহাম্মাদ বোরুজেরদি

    নভেম্বর ০১, ২০২২ ১৫:২৬

    ইরানি জনগণের ধর্মীয় বিশ্বাস নিয়ে কথা বলছিলাম আমরা। ইরানের তরুণ ও যুবসমাজসহ সর্বস্তরের জনগণের ধর্মীয় বিশ্বাস অত্যন্ত গভীর ছিল বলেই তারা স্বৈরাচারী শাহ সরকার উৎখাতের আন্দোলনে একজন আলেমকে নেতা হিসেবে মেনে নিয়েছিল। ইমাম খোমেনী (রহ.)-এর মতো একজন আধ্যাত্মিক নেতার নেতৃত্বে ইরানি জনগণ এদেশের মাটি থেকে আড়াই হাজার বছরের রাজতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা উৎখাত করেছিল।

  • ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৩৬): ইরানি সাহসি যোদ্ধা ও কমান্ডার আব্বাস বাবায়ি

    ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৩৬): ইরানি সাহসি যোদ্ধা ও কমান্ডার আব্বাস বাবায়ি

    নভেম্বর ০১, ২০২২ ১৫:১৯

    প্রকৃতপক্ষে ইরাক-ইরান যুদ্ধে জয়-পরাজয় নির্ধারণে যে বিষয়টি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক শক্তি হিসেবে কাজ করে তা ছিল ইরানি যোদ্ধাদের গভীর ধর্মীয় বিশ্বাস। পরকালকে সামনে রেখে পার্থিব জীবনকে সাজিয়ে নেয়ার নামই ধর্মীয় বিশ্বাস। এই বিশ্বাসে বিশ্বাসী একজন মানুষ পৃথিবীর কোনো ঘটনাকেই পরকালের সঙ্গে সম্পর্কহীন মনে করেন না বরং তিনি গভীরভাবে বিশ্বাস করেন পৃথিবীতে তিনি যা কিছু করেন তার প্রতিটি কাজের হিসাব আল্লাহর কাছে দিতে হবে।

  • ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৩৫): তেহরানের কাছে বাগদাদের শোচনীয় পরাজয়ের কারণে

    ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৩৫): তেহরানের কাছে বাগদাদের শোচনীয় পরাজয়ের কারণে

    নভেম্বর ০১, ২০২২ ১৫:১২

    ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে শুধু যে তৎকালীন পরাশক্তিগুলো এবং ইউরোপীয় দেশগুলোই ইরাকের পাশে দাঁড়িয়েছিল তাই নয় সেইসঙ্গে ইসলামি সম্মেলন সংস্থা বা ওআইসি এবং জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন বা ন্যামের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলিও সাদ্দাম সরকারকে সমর্থন দিয়েছিল।

  • ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৩৪): ইরাক সরকারের প্রতি পশ্চিমা দেশগুলোর নিষিদ্ধ রাসায়নিক অস্ত্র সরবরাহ

    ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৩৪): ইরাক সরকারের প্রতি পশ্চিমা দেশগুলোর নিষিদ্ধ রাসায়নিক অস্ত্র সরবরাহ

    নভেম্বর ০১, ২০২২ ১৪:৪৯

    ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে তৎকালীন দুই পরাশক্তি আমেরিকা ও সোভিয়েত ইউনিয়নের পর ইরাকের সাদ্দাম সরকারকে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করেছে ইউরোপীয় দেশগুলো। দুই পরাশক্তির মতো তাদের ইউরোপীয় মিত্ররাও ইরাক-ইরান যুদ্ধের শুরুতে অর্থপূর্ণ নীরবতা অবলম্বন করে। ইরাককে হামলা থেকে বিরত রাখা তো দূরের কথা এমনকি তারা ইরানের ওপর ইরাকি বাহিনীর আগ্রাসনের নিন্দা পর্যন্ত জানায়নি।

  • ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৩৩):  যুদ্ধের ব্যাপারে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের দ্বৈত আচরণ

    ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৩৩): যুদ্ধের ব্যাপারে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের দ্বৈত আচরণ

    নভেম্বর ০১, ২০২২ ১৪:৩৩

    ইরাকের সাদ্দাম সরকারের প্রতি প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের দুই পরাশক্তির পৃষ্ঠপোষকতা ছিল পবিত্র প্রতিরক্ষা যুদ্ধের একটি বড় বৈশিষ্ট্য। ১৯৭৯ সালে ইরানে অনুষ্ঠিত ইসলামি বিপ্লব ওই দুই পরাশক্তির সামনে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছিল। পাশাপাশি বিশ্বের স্বাধীনতাকামী আন্দোলনকারীরা এই বিপ্লব থেকে পেয়েছিল অনুপ্রেরণা। সাদ্দামের নেতৃত্বাধীন ইরাকের বামপন্থি বাথ সরকার ছিল প্রাচ্যের পরাশক্তি অর্থাৎ সোভিয়েত ইউনিয়নের পরিপূর্ণ অনুগত।

  • ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৩২): আত্মিক শক্তিতে বলীয়ান হয়ে ইরানি যোদ্ধাদের যুদ্ধে জয়লাভ

    ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৩২): আত্মিক শক্তিতে বলীয়ান হয়ে ইরানি যোদ্ধাদের যুদ্ধে জয়লাভ

    অক্টোবর ২৮, ২০২২ ১৮:৫১

    গত কয়েক আসরে আমরা ইরাক-ইরান যুদ্ধের সময় ইরানি শিবিরের আধ্যাত্মিক পরিবেশ নিয়ে আলোচনা করেছি। ইরানি যোদ্ধাদের যদি আধ্যাত্মিক জগতে এত উন্নতি না থাকত এবং আত্মিক দিক দিয়ে তারা যদি শক্তিশালী না হতো তাহলে ওই যুদ্ধের পরিণতি অন্যরকম হতে পারত। কারণ, সেনাসংখ্যা এবং সমরাস্ত্রের দিক দিয়ে ইরাকের বিশাল বাহিনীর সঙ্গে ইরানের কোনো তুলনা ছিল না।

  • ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৩১): পবিত্র প্রতিরক্ষা যুদ্ধে মানসিক উদ্দীপনা ও সাহস

    ইরান-ইরাক যুদ্ধের ইতিহাস (১৩১): পবিত্র প্রতিরক্ষা যুদ্ধে মানসিক উদ্দীপনা ও সাহস

    অক্টোবর ২৫, ২০২২ ১৬:৫৫

    ইরাকের সাদ্দাম বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধে ইরানের সেনা শিবিরগুলোতে সব সময় আধ্যাত্মিক পরিবেশ বিরাজ করত।  এই পরিবেশ থেকে আগ্রাসী শক্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলার যে সংস্কৃতি তৈরি হয়েছিল তা বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য স্বাধীনতাকামী আন্দোলনকারী দেশগুলোর আদর্শে পরিণত হয়েছে।