বাংলাদেশে এলপিজির দাম বৃদ্ধি: সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১১৯ টাকা ৯৪ পয়সা
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i106096-বাংলাদেশে_এলপিজির_দাম_বৃদ্ধি_সর্বোচ্চ_খুচরা_মূল্য_১১৯_টাকা_৯৪_পয়সা
বাজারে নিত্যপ্রয়জনীয় দ্রব্য মূল্যের চাপে পর্যুদস্ত ভোক্তা সাধারনের জন্য আরো একটি খাড়ার ঘা নেমে এসেছে। এক মাসের ব্যাবধানে দ্বিতীয়বার বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এলপিজির (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) মূল্য।
(last modified 2026-02-17T13:30:44+00:00 )
এপ্রিল ০৩, ২০২২ ১৮:৪৩ Asia/Dhaka
  • বাংলাদেশে এলপিজির দাম বৃদ্ধি:  সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ১১৯ টাকা ৯৪ পয়সা

বাজারে নিত্যপ্রয়জনীয় দ্রব্য মূল্যের চাপে পর্যুদস্ত ভোক্তা সাধারনের জন্য আরো একটি খাড়ার ঘা নেমে এসেছে। এক মাসের ব্যাবধানে দ্বিতীয়বার বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে এলপিজির (তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস) মূল্য।

আজ রোববার ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে নতুন এই দাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্ববাজারে গ্যাসের দাম চড়া বলেই দেশে দাম সমন্বয় করা হয়েছে বলে দাবী করেছে কমিশন।

আজ সন্ধ্যা ছয়টা থেকে কার্যকর হওয়া বর্ধিত মূল্য অনুযায়ী, বেসরকারি খাতে প্রতি কেজি এলপিজির সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য ধরা  হয়েছে  ১১৯ টাকা ৯৪ পয়সা। এ হিসাবে ১২ কেজি সিলিন্ডারের এলপিজি মূসকসহ ১ হাজার ৩৯১ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৪৩৯ টাকা নির্ধারন করা হয়েছে।

এর  আগের মাসে এলপিজি’ র দাম বাড়ানো হয়েছিল ১৫১ টাকা। আগের মাসের চেয়ে কেজিতে দাম বেড়েছে সাড়ে ৩ শতাংশ। এ ছাড়া গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটো গ্যাস) নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি লিটার ৬৭ টাকা ২ পয়সা, যা আগে ছিল ৬৪ টাকা ৭৮ পয়সা। তবে উৎপাদন পর্যায়ে ব্যয়ের পরিবর্তন না হওয়ায় রাষ্ট্রায়ত্ত কোম্পানির উৎপাদিত এলপিজির দাম বাড়ানো হয়নি। সরকারি রেটে সাড়ে ১২ কেজি এলপিজির দাম আগের ৫৯১ টাকাই থাকছে। গত বছরের ১২ এপ্রিল দেশে প্রথমবারের মতো এলপিজির দাম নির্ধারণ করেছিল এ সংস্থা। এরপর থেকে প্রতি মাসে একবার দাম সমন্বয় করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে বিইআরসির চেয়ারম্যান মো. আবদুল জলিল সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন, শিগগিরই দাম কমবে কিনা এটা অনুমান করা খুব কঠিন। ভর্তুকির বিষয়ে তিনি বলেন, এটি পুরোপুরি সরকারের নীতি সিদ্ধান্ত। বেসরকারি এলপিজি খাতে এখন পর্যন্ত সরকারের কোনো ভর্তুকির সিদ্ধান্ত হয়নি।

চার হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দেওয়া হয়েছে:  প্রতিমন্ত্রী

এদিকে, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ রোববার জাতীয় সংসদের বৈঠকে জানান এলএনজি আমদানিতে ২০২১-২২ অর্থবছরে রাষ্ট্রায়াত্ব প্রতিষ্ঠান পেট্রোবাংলাকে অর্থ বিভাগ থেকে চার হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি/অনুদান দেওয়া হয়েছে।

জাতীয় পার্টির সাংসদ মুজিবুল হকের প্রশ্নের জবাবে নসরুল হামিদ বলেন, সমুদ্রাঞ্চলে অবস্থিত গ্যাস ব্লকগুলো নিজেরা খনন করার পরিকল্পনা আপাতত সরকারের নেই। পেট্রোবাংলার আওতাধীন দেশীয় অনুসন্ধান কোম্পানি বাপেক্সের স্থলভাগে সক্ষমতা থাকলেও সমুদ্রাঞ্চলে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান, উন্নয়ন ও উৎপাদন বিশেষভাবে প্রযুক্তিনির্ভর ও ব্যয়বহুল হওয়ায় সে সক্ষমতা নেই। প্রতিমন্ত্রী জানান, অগভীর এবং গভীর সমুদ্রাঞ্চলে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান, উন্নয়ন ও উৎপাদনকার্যক্রম উচ্চ প্রযুক্তি নির্ভর, অত্যধিক ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ বিধায় উৎপাদন বণ্টন চুক্তির (পিএসসি) আওতায় আন্তর্জাতিক তেল কোম্পানির মাধ্যমে তা সম্পন্ন করা হয়ে থাকে।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/ বাবুল আখতার /৩

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।