ভোট বাতিলে নির্বাচন কমিশনকে ক্ষমতা দেয়ার প্রস্তাব মন্ত্রীসভায় !
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i121654-ভোট_বাতিলে_নির্বাচন_কমিশনকে_ক্ষমতা_দেয়ার_প্রস্তাব_মন্ত্রীসভায়_!
ভোট গ্রহণের পর ফলাফলের গেজেট প্রকাশ হলেও অনিয়ম পাওয়া গেলে নির্বাচন কমিশনকে সেই ভোট বাতিলের ক্ষমতা দিয়ে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ -১৯৭২ সংশোধনের খসড়া প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশের মন্ত্রীসভা।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
এপ্রিল ০৭, ২০২৩ ১৬:১৩ Asia/Dhaka

ভোট গ্রহণের পর ফলাফলের গেজেট প্রকাশ হলেও অনিয়ম পাওয়া গেলে নির্বাচন কমিশনকে সেই ভোট বাতিলের ক্ষমতা দিয়ে গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ -১৯৭২ সংশোধনের খসড়া প্রস্তাবে নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশের মন্ত্রীসভা।

সম্প্রতি বাংলাদেশের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন সাংবাদিকদের বলেছেন, এটার নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে, কিন্তু এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। এটার আরও কিছু সংশোধন করতে হবে। আরও কিছু মতামতসহ, আরেকটু পরীক্ষানিরীক্ষা করে এটা আবার মন্ত্রীসভায় উপস্থাপিত হবে।

নীতিগত অনুমোদন মানে এ ধরনের একটি আইন তৈরিতে সরকার সম্মতি দিয়েছে। তবে মন্ত্রীসভার চূড়ান্ত অনুমোদনের পর এটি বিল আকারে সংসদে যাবে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোঃ মাহবুব হোসেন জানান, আইনের ১৪টি ধারায় সংশোধনীর প্রস্তাব করা হয়েছিল।নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা এই প্রসঙ্গে কয়েকদিন আগে সাংবাদিকদের বলেছেন, আরপিও পাস হলে সেটা হবে একটা যুগান্তকারী আইন। আরপিও পাস হলে কমিশন, যারা ফিল্ডে কাজ করবেন, প্রত্যেকের জন্য খুব ভালো একটা কাজ হবে। বাংলাদেশে থেকে সবকিছু (নির্বাচনী অপরাধ) নির্মূল করা সম্ভব নয়, তবে অনেকটাই হ্রাস পাবে বলে আশা করছিল। এতে প্রার্থী, সমর্থক সবার আচরণগত পরিবর্তন হবে বলে মনে করেন তিনি।

কিন্তু বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন নিয়ে আস্থার যে সংকট রয়েছে, তা কতটা ফেরাতে পারবে এই সংশোধনী?বাংলাদেশে গত বছর নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করতে যে সার্চ কমিটি গঠন করা হয়েছিল, তাতে বিরোধী বিএনপিসহ একাধিক দল অংশগ্রহণ করেনি। নতুন কমিশন গঠনের জন্য কোনো নামও তারা সার্চ কমিটির কাছে জমা দেননি।

এবিষয়ে স্থানীয় সরকার ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ফরিদ হোসেন বলেন, উদ্দেশ্য ভাল, কিন্তু বাস্তবায়ন কতখানি তা দেখার বিষয়।তবে আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাসিম মনে করেন, প্রস্তাবিত সংশোধনী কত খানি বাস্তবতার নিরিখে আছে সেগুলো যাচাই বাছাই করেই সিদ্ধান্ত উচিত হবে। কারণ সবাই চায় গ্রহণযোগ্য ও সুষ্ঠু নির্বাচন। আইনে থাকলে হয়তো কমিশনের জন্য ভালো, কিন্তু আস্থা ফেরানোর বিষয়টি নির্ভর করে আসলে কমিশনের কর্মকাণ্ডের ওপরে। আস্থার বিষয়টি আসবে যদি নির্বাচন কমিশন এই আইনগুলোকে যথাযথভাবে প্রয়োগ করতে পারে। সেটা যতক্ষণ না হবে, ততক্ষণ আস্থার বিষয়টি আসবে না বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। #

পার্সটুডে/বাদশা রহমান/আমির/৭

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।