এক্সপ্রেসওয়ের যুগে বাংলাদেশ; বিভিন্ন র‍্যাম্পের শুরু ও শেষে যানজটের শংকা
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i127612-এক্সপ্রেসওয়ের_যুগে_বাংলাদেশ_বিভিন্ন_র_্যাম্পের_শুরু_ও_শেষে_যানজটের_শংকা
চালু হলো বাংলাদেশের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। আজ (শনিবার) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর কাওলা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ১১ কিলোমিটারের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করেছেন।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
সেপ্টেম্বর ০২, ২০২৩ ১৪:৪৩ Asia/Dhaka

চালু হলো বাংলাদেশের প্রথম এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে। আজ (শনিবার) বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর কাওলা থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ১১ কিলোমিটারের এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে উদ্বোধন করেছেন।

বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে প্রধানমন্ত্রী কাওলার র‌্যাম্পে যান। সেখানে তাকে স্বাগত জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। বোতাম টিপে এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ফলক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী। পরে সেখানে বর্ণিল ডে ফায়ারওয়ার্কসের প্রদর্শনী করা হয়। কাওলায় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে সরকারপ্রধানের গাড়িবহর এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে ফার্মগেট পর্যন্ত যায়। এরপরে বিকেলে আগারগাও পুরাতন বাণিজ্য মেলা মাঠে সুধী সমাবেশে যোগদেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ফলক উন্মোচন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

আগামীকাল রোববার সকাল ৬টা থেকে সাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হবে এ উড়াল পথ। কর্তৃপক্ষ বলছে, এ পথে মাত্র দশ মিনিটে এয়ারপোর্ট থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত যাওয়া-আসা করা যাবে। এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের প্রকল্প পরিচালক এ এইচ এম এস আকতার জানিয়েছেন, আপাতত ১১ কিলোমিটার খুলে দেয়া হয়েছে, এর পরিচালনা সবই হবে স্বয়ংক্রিয়। এই এক্সপ্রেসওয়েতে চলবে বিশেষ ধরণের দ্রুতগতির যানবাহন। যার মোট স্টেশন সংখ্যা ২৫টি, শুরুতে খুলে দেয়া হচ্ছে ১১টি। এখানে ৬০ কিলোমিটার গতিতে একটানা ছুটে চলবে বিশেষ বাস ও যানবাহন।

এই এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে মোটরসাইকেল ও থ্রি-হুইলার চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এছাড়া মোটরচালিত প্রায় সব ধরনের যান চলাচলের অনুমতি রয়েছে। প্রকল্প কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রতিদিন প্রায় ৮০ হাজার যানবাহন ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে দিয়ে যেতে পারবে। এক্সপ্রেসওয়েটি রাজধানীর যানজট এবং যাতায়াতের খরচ অনেকাংশে কমিয়ে দেবে। এটি সম্পূর্ণভাবে নির্মাণ হলে রাজধানীর কাওলা থেকে কুড়িল-বনানী-মহাখালী-তেজগাঁও-মগবাজার-কমলাপুর-সায়েদাবাদ-যাত্রাবাড়ী হয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী এলাকা পর্যন্ত যাওয়া যাবে অল্প সময়ে।

কিন্তু ফার্মগেট আসতে বা বিমানবন্দর পৌঁছাতে যেসব র‌্যাম্প দিয়ে গাড়িগুলো নামবে তার মুখে যদি গাড়ির জট থাকে তবে সেই জট উড়াল সড়কেও উঠে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন যোগাযোগ বিশেষজ্ঞরা। তারা বলছেন, যদি এক্সপ্রেসওয়েটি ঢাকা শহরকে পুরোপুরি বাইপাস করতে পারতো তাহলে সবচেয়ে বেশি কার্যকর হতো।

এমন বাস্তবতায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে যানজট নিরসনে কিভাবে ভূমিকা রাখবে সেই বিশ্লেষন তুলে ধরেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় – বুয়েটের পুরোকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. শামসুল আলম। #

পার্সটুডে/বাদশা রহমান/আশরাফুর রহমান/২