ইমাম খোমেনী (রহ.) ছিলেন কালের শ্রেষ্ঠ মহামানব: এইচ টি ইমাম
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i39378-ইমাম_খোমেনী_(রহ.)_ছিলেন_কালের_শ্রেষ্ঠ_মহামানব_এইচ_টি_ইমাম
বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেছেন, "ইরানের ইসলামী বিপ্লবের নেতা ইমাম খোমেনী (রহ.) ছিলেন আত্মপ্রত্যয়ী ও প্রবল আত্মবিশ্বাসী একজন সংগ্রামী মানুষ। তিনি ছিলেন ধৈর্য্যশীল এবং সুগভীর ও দীর্ঘমেয়াদী চিন্তার এক জাতীয় ব্যক্তিত্ব। তার অনুমান শক্তি ছিল অত্যন্ত প্রখর।"
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
জুন ০৪, ২০১৭ ১১:৩৩ Asia/Dhaka
  • বক্তব্য রাখছেন এইচ টি ইমাম
    বক্তব্য রাখছেন এইচ টি ইমাম

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা এইচ টি ইমাম বলেছেন, "ইরানের ইসলামী বিপ্লবের নেতা ইমাম খোমেনী (রহ.) ছিলেন আত্মপ্রত্যয়ী ও প্রবল আত্মবিশ্বাসী একজন সংগ্রামী মানুষ। তিনি ছিলেন ধৈর্য্যশীল এবং সুগভীর ও দীর্ঘমেয়াদী চিন্তার এক জাতীয় ব্যক্তিত্ব। তার অনুমান শক্তি ছিল অত্যন্ত প্রখর।"

ইরানের ইসলামী বিপ্লবের মহান নেতা খোমেনী (রহ.)-এর ২৮তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। এইচ টি ইমাম আরো বলেন, "ইমাম খোমেনী বিপ্লবী ছিলেন ও দেশের পটপরিবর্তন করতে সক্ষম হয়েছিলেন কিন্তু হত্যা, সন্ত্রাস ও ক্যু-এর রাজনীতিতে বিশ্বাসী ছিলেন না। সর্বদা ঐক্য সম্প্রীতি ও সংলাপে বিশ্বাসী ইমাম খোমেনী (রহ.) ছিলেন কালের শ্রেষ্ঠ মহামানব।"

ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আব্বাস ভায়েজী দেহনবী

সেমিনারে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকায় নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত আব্বাস ভায়েজী দেহনবী। তিনি বলেন, "ইমাম খোমেনী (রহ.) ছিলেন এক মহান বিপ্লবী। তিনি ইরানে যে ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিপ্লব সম্পন্ন করেছিলেন তা সারা বিশ্বে প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়েছিল। তিনি সমাজবাদী বা সমাজতন্ত্রী ছিলেন না, বস্তুবাদী ছিলেন না, ছিলেন না ধর্মনিরপেক্ষতাবাদী। তিনি ইসলামী নেতা ছিলেন। তবে তার ইসলামী চেতনার ভেতর সকল মানবিক মূল্যবোধগুলো ছিল।"

সভাপতির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় জামে মসজিদের খতিব ড. সাইয়েদ ইমদাদ উল্লাহ বলেন, ‘‘ইমাম খোমেনী ছিলেন একজন মার্জায়ে তাকলিদ। ইলমে মারেফতসম্পন্ন ব্যক্তি। গোটা ইরানি জাতি তাঁকে প্রাণ দিয়ে ভালোবাসতো। আর ইরানের বাইরে মূসলিম উম্মাহ তাঁকে আজও শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে। তাঁর জানাজায় কোটি লোকের সমাগম তাকে ভালোবাসারই নিদর্শন।" 

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থপান করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. সিদ্দিকুর রহমান খান, আলোচনায় অংশ নেন ঢাকা ইউ আই টি এস -এর ভি সি জনাব ড. মুহাম্মদ সোলায়মান, ইসলামি চিন্তাবিদ লেখক গবেষক, কবি ড, মাওলানা ঈসা শাহেদী। স্বাগত ভাষণ দেন ইরান কালচারাল সেন্টারের কাউন্সিলর সাইয়েদ মুসা হোসাইনি।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/৪