'খালেদা জিয়া প্রতিহিংসার বিচারে বন্দী, বিএনপিকে অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে'
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i54059-'খালেদা_জিয়া_প্রতিহিংসার_বিচারে_বন্দী_বিএনপিকে_অধিকার_থেকে_বঞ্চিত_করা_হচ্ছে'
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বর্তমান শাসনকালে নারীর প্রতি সহিংসতা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান দুঃসময়ে নারী ও শিশুরা অতি মাত্রায় নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ প্রতিহিংসার বিচারে বন্দী। নারী হলেও তার ওপর চালানো হচ্ছে বিচারের নামে অন্যায় জুলুম। এই নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে হবে।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
মার্চ ০৭, ২০১৮ ১৪:৪৩ Asia/Dhaka
  • বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া
    বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বর্তমান শাসনকালে নারীর প্রতি সহিংসতা উদ্বেগজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমান দুঃসময়ে নারী ও শিশুরা অতি মাত্রায় নির্যাতনের শিকার হচ্ছে। দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া আজ প্রতিহিংসার বিচারে বন্দী। নারী হলেও তার ওপর চালানো হচ্ছে বিচারের নামে অন্যায় জুলুম। এই নৈরাজ্যকর পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে হবে।

আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আজ গণমাধ্যমে দেয়া এক বাণীতে বিএনপি মহাসচিব এসব মন্তব্য করে  নারীদের জন্য নিরাপদ ও  সুখী সমৃদ্ধ জীবন কামনা করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, বিএনপি চেয়ারপার্সন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে নারীদের উন্নয়নে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়নে যথাযথ উদ্যোগের কারণেই বাংলাদেশে পিছিয়ে থাকা নারীরা নিজেদেরকে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী করতে অনেকটাই সক্ষম হয়েছে। সরকার বিএনপিকে সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

ওদিকে, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, ক্ষমতাসীন সরকার নিজেরা সভা-সমাবেশ করলেও বিরোধী দল তথা বিএনপিকে সভা-সমাবেশ করতে না দিয়ে সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করছে।

আজ (বুধবার) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় আমীর খসরু সরকারের একতরফা নীতির সমালোচনা করে বলেন, আমরা ১২ মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভার জন্য আবেদন করেছি। কিন্তু আজ অবধি সেই অনুমতির কথা জানানো হয়নি। অথচ আমরা দেখছি আজকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ক্ষমতাসীনেরা জনসভার আয়োজন করেছে। গত ১০ দিন ধরে ঢাকা শহরে মাইকিং করা হচ্ছে। কত কিলোমিটারের মধ্যে সভার মাইক লাগানো হয়েছে। রাস্তাঘাট বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। ঢাকা শহরের চারদিকে ব্যানার আর ফেস্টুন। কিন্তু আমরা তো এসব কিছুই চাইনা। কেবল একটি সভার অনুমতি চাচ্ছি। যা আমার সাংবিধানিক ও গণতান্ত্রিক, নাগরিক এবং রাজনৈতিক অধিকার। সেই অধিকার থেকেও বিএনপি আজকে বঞ্চিত হচ্ছে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী

আমীর খসরু বলেন, আমরা খুলনাতে সার্কিট হাউস মাঠে ১০ মার্চ একটি সভার জন্য অনুমতি চেয়েছিলাম তা দেয়া হয়নি। সেখানকার হাদিস পার্ক মাঠেও অনুমতি চেয়েছি। কিন্তু এখনো কিছুই জানানো হয়নি। তিনি জানান আগামী ২৭ মার্চ চট্টগ্রামের লালদিঘী ময়দানে জনসভার জন্য বিএনপি আবেদন করেছে।

৭ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে উল্লেখ করে আমীর খসরু বলেন, এ উপলক্ষে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যে কিছু বিষয়ে প্রত্যাশা করছি। “আশা করি, দেশের মানুষের যে প্রত্যাশা তা পূরণকল্পে প্রধানমন্ত্রী কয়েকটি কথা বলবেন। এগুলো হলো, আমরা আশা করি উনি বলবেন- জনগণের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা উনি করছেন, উনি নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করছেন, মানবাধিকার যে লঙ্ঘিত হচ্ছে সেদিকে উনি মনোযোগি হবেন, দেশে আইনের শাসন ফিরিয়ে দেয়ার ব্যাপারে উনারা মনোযোগী হবেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রতি মনোযোগী হবেন।  খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে দেশে একটি গ্রহণযোগ্য ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি নিরপেক্ষ সংসদ ও সরকার গঠনের জন্য তার বক্তব্যে প্রতিশ্রুতি থাকবে বলে আমরা আশা করবো।

বিভিন্ন জনসভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নৌকা প্রতীকে ভোট চেয়ে জনগণকে ওয়াদা করাচ্ছেন – এমনটি উল্লেখ করে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এটা সম্পূর্ণ সংবিধান পরিপন্থি অনৈতিক কাজ এবং ব্যক্তিস্বাধীনতার পরিপন্থি। #

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/৭