অসমের এনআরসি নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগের কিছু নেই: মোদির আশ্বাস
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i74025-অসমের_এনআরসি_নিয়ে_বাংলাদেশের_উদ্বেগের_কিছু_নেই_মোদির_আশ্বাস
অসমের নাগরিকপঞ্জি থেকে ১৯ লাখ মানুষ বাদ পড়া নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই বলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্বস্ত করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
সেপ্টেম্বর ২৭, ২০১৯ ২১:৫০ Asia/Dhaka
  • শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি
    শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি

অসমের নাগরিকপঞ্জি থেকে ১৯ লাখ মানুষ বাদ পড়া নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই বলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্বস্ত করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।

শুক্রবার স্থানীয় সময় দুপুরে লোটে নিউ ইয়র্ক প্যালেস হোটেলের কেনেডি রুমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে এ আশ্বাস দেন মোদি। পরে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন সাংবাদিকদের একথা জানান।

তিনি আরও বলেন, “যতগুলো আমাদের গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু রয়েছে সেগুলো সবই প্রধানমন্ত্রী তুলেছেন এবং এর ভালো সদুত্তর পেয়েছেন। উল্লেখযোগ্য হল আমাদের যে কনসার্ন যেমন ধরুন, আমাদের কনসার্ন হচ্ছে এনআরসি, আমাদের কনসার্ন হচ্ছে নদী- সবগুলোই উঠেছে। মোদি বলেছেন, আমাদের দুই দেশের যে সম্পর্ক এই ছোটখাট বিষয় আমরা সহজে টেক কেয়ার করব, আমার লোকেরা কাজ করবে এবং দে উইল ফিক্স ইট। এগুলো নিয়ে আপনাদের কোনো চিন্তা করার দরকার নাই। উই উইল টেক কেয়ার ইট।”

প্রায় চার বছর ধরে যাচাই-বাছাইয়ের পর ভারতের আসাম সরকার সম্প্রতি এনআরসির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে। তালিকায় ৩ কোটি ১১ লাখ ২১ হাজার ৪ জন জায়গা পেয়েছেন, বাদ পড়েছেন ১৯ লাখ ৬ হাজার ৬৫৭ জন।

বৈঠকে শেখ হাসিনা ও নরেন্দ্র মোদি

গত মাসে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করও ঢাকায় এসে বলেছিলেন, এই তালিকা ভারতের ‘অভ্যন্তরীণ বিষয়’ এবং এ নিয়ে বাংলাদেশের উদ্বিগ্ন হওয়ার কিছু নেই। তবে তারপরে আসামের অর্থমন্ত্রী বিজেপি নেতা হিমন্ত বিশ্ব শর্মা নাগরিকপঞ্জি থেকে বাদ পড়াদের ১৪-১৫ লাখ ‘অবৈধ অভিবাসীকে’ বাংলাদেশে ফেরত নিতে বলার পরিকল্পনার কথা জানালে বিষয়টি নিয়ে নানা মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়।

বিষয়ে এক সাংবাদিকের প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “এগুলো নিয়ে কোনো চিন্তা করার কারণ নেই। উনি (মোদি) বলেছেন যে, আমাদের দুই দেশের মধ্যে এত ভালো সম্পর্ক, এর প্রেক্ষিতে এই ছোটখাট অনেকগুলো ইস্যু আছে, এগুলো নিয়ে আমাদের কোনো রকমের উদ্বেগের কোনও কারণ নেই।”

বৈঠককে ‘মোটামুটি একটা সৌহার্দ্যপূর্ণ সাক্ষাৎ’ হিসেবে বর্ণনা করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, দ্বিপক্ষীয় বিষয়গুলো নিয়ে আগামী ৫ অক্টোবর শেখ হাসিনার ভারত সফরের সময় আরও বিস্তারিত আলোচনা হবে।

এই বৈঠক নিয়ে টুইট করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি। সেখানে তিনি লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে চমৎকার বৈঠক। আমরা বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছি, বিশেষত কীভাবে আমাদের দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং মানুষে মানুষে যোগাযোগ আরও বৃদ্ধি করা যায়।”#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/২৭

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।