খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি মামলার চার্জ গঠনের শুনানি পেছাল
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i75202-খালেদা_জিয়ার_বিরুদ্ধে_বড়পুকুরিয়া_কয়লাখনি_মামলার_চার্জ_গঠনের_শুনানি_পেছাল
বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার চার্জ গঠনের শুনানি পিছিয়ে আগামী ১৫ জানুয়ারি ধার্য করেছে আদালত। আজ (মঙ্গলবার) ঢাকার ২ নম্বর বিশেষ জজ এএইচএম রুহুল ইমরান শুনানির নতুন এ তারিখ ধার্য করেন।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
নভেম্বর ১২, ২০১৯ ১৩:৫৪ Asia/Dhaka
  • হুইল চেয়ারে খালেদা জিয়া
    হুইল চেয়ারে খালেদা জিয়া

বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও কারাবন্দী বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলার চার্জ গঠনের শুনানি পিছিয়ে আগামী ১৫ জানুয়ারি ধার্য করেছে আদালত। আজ (মঙ্গলবার) ঢাকার ২ নম্বর বিশেষ জজ এএইচএম রুহুল ইমরান শুনানির নতুন এ তারিখ ধার্য করেন।

কেরানীগঞ্জের কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে নবনির্মিত ২ নম্বর ভবনে স্থাপিত অস্থায়ী এজলাসে এ মামলায় শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় খালেদা জিয়া বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে কারা  হেফাজতে চিকিৎসাধীন থাকায় তাকে আদালতে হাজির করাতে ব্যর্থ হন কারা-কর্তৃপক্ষ। এ অবস্থায় বেগম জিয়ার আইনজীবীরা চার্জ শুনানি মুলতবির আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত চার্জগঠনের শুনানি পিছিয়ে আগামি ১৫ জানুয়ারি শুনানির নতুন দিন ধার্য করেন।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি একই আদালতে খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির করতে প্রডাকশন ওয়ারেন্ট ইস্যু করেন। পরে খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ১ এপ্রিল তাকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে ভর্তি করে কারাকর্তৃপক্ষ।

বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতির এ মামলার অপর আট আসামিরা হলেন, এয়ারভাইস মার্শাল (অব) আলতাফ হোসেন চৌধুরী, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, একেএম মোশাররফ হোসেন, জ্বালানী মন্ত্রণালয়ের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সচিব নজরুল ইসলাম, পেট্রোবাংলার সাবেক চেয়ারম্যান এসআর ওসমানী, পেট্রোবাংলার সাবেক পরিচালক মইনুল আহসান, বড় পুকুরিয়া কয়লা খনি ব্যবস্থাপনার নিয়োজিত ঠিকাদার সুজু কোল মাইনিং গ্রুপ কনসোর্টিয়ামের পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম ও হোসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেন। এছাড়াও জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মুহাম্মাদ মুজাহিদ, বিএনপি নেতা আব্দুল মান্নান ভূইয়া এবং সাইফুর রহমান, এমকে আনোয়ার ও এম শামসুল ইসলামও এ মামলায় আসামি ছিলেন। তবে তারা কেউই আর জীবিত নেই।

বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারে সময় ২০০৮ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া ও তার মন্ত্রিসভার সদস্যসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলা দায়ের করে দুদক। দুর্নীতি দমন কমিশনের তৎকালীন সহকারী পরিচালক মো. সামছুল আলম শাহবাগ থানায় মামলাটি করেন।

কনসোর্টিয়াম অব চায়না ন্যাশনাল মেশিনারি ইম্পোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট করপোরেশনকে (সিএমসি) বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির অনুমোদন দিয়ে রাষ্ট্রের কয়লা উত্তোলনে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দরদাতা সিএমসির সঙ্গে বড়পুকুরিয়া কয়লাখনির উৎপাদন, ব্যবস্থাপনা ও রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তি করায় সরকারের প্রায় ১৫৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার ক্ষতি হয়। পরে এ মামলা দায়েরের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে রিট করেন খালেদা জিয়া। ২০০৮ সালের ১৬ অক্টোবর হাইকোর্ট বেঞ্চ বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন। একই বছরের ৫ অক্টোবর আদালতে এ মামলায় চার্জশিট দেওয়া হয়।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/১২

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।