রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে আনতে সৌদি চাপ এবং বিশ্লেষক প্রতিক্রিয়া
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i77363-রোহিঙ্গাদের_ফিরিয়ে_আনতে_সৌদি_চাপ_এবং_বিশ্লেষক_প্রতিক্রিয়া
বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী ৪২ হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশের ওপর চাপ দিচ্ছে সৌদি আরব সরকার। ইতোমধ্যে একাধিক চিঠি দিয়ে সমস্যাটি সমাধানের জন্য বলা হয়েছে। গত জানুয়ারিতে দোহায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশীর রাষ্ট্রদূতদের সভায় প্রধানমন্ত্রীর উপিস্থিতিতেও বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২০ ১৬:৪৯ Asia/Dhaka
  • রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে আনতে সৌদি চাপ এবং বিশ্লেষক প্রতিক্রিয়া

বাংলাদেশি পাসপোর্টধারী ৪২ হাজার রোহিঙ্গাকে ফিরিয়ে নিতে বাংলাদেশের ওপর চাপ দিচ্ছে সৌদি আরব সরকার। ইতোমধ্যে একাধিক চিঠি দিয়ে সমস্যাটি সমাধানের জন্য বলা হয়েছে। গত জানুয়ারিতে দোহায় অনুষ্ঠিত বাংলাদেশীর রাষ্ট্রদূতদের সভায় প্রধানমন্ত্রীর উপিস্থিতিতেও বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।

এদিকে, আগামী  বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ঢাকায় অনুষ্টিতব্য দু’ দেশের যৌথ কমিশিনের বৈঠকে সৌদি আরব বিষয়টিকে আবারও উত্থাপন করবে বলে  কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে।

সৌদি আরবের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক খুবই ঘনিষ্ঠ।আন্তর্জাতিক জঙ্গিবিরোধী জোটে সৌদি আরবের সাথে চুক্তিবদ্ধ এবং ইয়েমেনে সৌদি অভিযানের পক্ষে অবস্থান নেবার পরও বাংলাদেশের ওপর রোহিঙ্গা  ইস্যুতে এমন আচরণ বাংলাদেশ মেনে নিতে পারছেনা।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশের সাবেক প্রতিমন্ত্রী ডঃ  এহসানুল হক মিলন রেডিও তেহরানকে বলেন, নির্যাতত রোহিঙ্গা মুসলমানদের ব্যাপারে মুসলিম উম্মার অন্তর্ভুক্ত সকল দেশের দায়িত্ব নেয়া উচিত। সম্পদশালী দেশ এবং পবিত্র মক্কা শরিফের জিম্মাদার সৌদি আরবকে অবশ্যই সে ক্ষেত্রে  আর বেশি ভূমিকা পালনক রতে হবে। 

এর  আগে ‌দ্য ইসলামিক ইনফরমেশন ডটকম'  জানিয়েছিল, রোহিঙ্গা মুসলিমদের নাগরিকত্ব দিতে যাচ্ছে সৌদি আরব। সৌদি আরবে বসবাসরত রোহিঙ্গা মুসলিমদের ফ্রিতে নাগরিকত্ব দিতে বাদশাহ সালমানের নির্দেশ! এমন  শিরোনামে জানানো হয়েছিলো সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আব্দুল আজিজ রোহিঙ্গা মুসলিমদের ফ্রি নাগরিত্ব দেয়ার আদেশ দিয়েছেন।

সৌদি আরব সরকার রোহিঙ্গা অভিবাসীদের সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় কোনো ফ্রি ছাড়াই বিনামূল্যে ইকামাসহ সরবরাহ করবে। বাদশাহ সালমান আরও ঘোষণা করেন যে, মিয়ানমারের ১ মিলিয়ন (১০ লাখ) লোককে ইকামা প্রদান করবে। রোহিঙ্গা মুসলিমদের প্রতি বাদশা সালমানের সহযোগিতা ও সহমর্মিতার জন্য জাতিসংঘ আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন বলেও জানা যায়।

সৌদি আরবে বসবাসের জন্য সে দেশের নাগরিকসহ সব অভিবাসীরই ইকামা প্রয়োজন হয়। ইকামা ছাড়া কেউ-ই সেখানে বসবাস করতে পারে না। রোহিঙ্গা মুসলিমদের দেয়া ইকামায় তারা সৌদি আরবের নাগরিকদের মতোই চিকিৎসা ও আবাসন সুযোগ-সুবিধা লাভ করবে বলে জানান হয়েছিল।

এ প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজ -এর পরিচালক প্রফেসর ইমতিয়াজ আহমেদ  বলেছেন, নির্যাতনের শিকার হয়ে  দেশ ছাড়া রোহিঙ্গা মুসলিমদের মানবিক কারনেই সেখানে থাকার সুযোগ  দেয়া উচিৎ। তাছাড়া মুসলমান হিসাবে তাদের এ ন্যায্য দাবি মেনে নেয়া উচিৎ।#

পার্সটুডে/ আব্দুর রহমান খান/বাবুল আখতার/১০

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।