বিভিন্ন দেশে হাজার হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে, আমরা ভালো আছি: শেখ হাসিনা
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i79180-বিভিন্ন_দেশে_হাজার_হাজার_মানুষ_মারা_যাচ্ছে_আমরা_ভালো_আছি_শেখ_হাসিনা
করোনাভাইরাসের কারণে দেশে যেন কোনো খাদ্য ঘাটতি না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখে সরকার কাজ করছে। এমনটি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকারের পদক্ষেপে পাঁচ কোটি লোক খাদ্য সহায়তার আওতায় আসবেন।
(last modified 2026-04-22T13:03:13+00:00 )
এপ্রিল ১৮, ২০২০ ১৬:০৯ Asia/Dhaka
  • জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
    জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

করোনাভাইরাসের কারণে দেশে যেন কোনো খাদ্য ঘাটতি না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখে সরকার কাজ করছে। এমনটি জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, সরকারের পদক্ষেপে পাঁচ কোটি লোক খাদ্য সহায়তার আওতায় আসবেন।

আজ (শনিবার) জাতীয় সংসদের সংক্ষিপ্ত অধিবেশনে সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে চলতি সংসদের সপ্তম এ অধিবেশন বিকেল ৫টায় শুরু হয়।

করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রক্ষায় ব্যতিক্রমী এ অধিবেশন শুরু হয় বাছাইকৃত সংসদ সদস্যদের (এমপি) নিয়ে। সম্ভব সব ধরনের স্বাস্থ্যবিধি মেনে এতে অংশ নেন এমপিরা। এসময় তাদের অধিকাংশের মুখে মাস্ক ও হাতে গ্লাভস পরিহিত ছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে ৫০ লাখ মানুষকে রেশন কার্ড দেয়া হচ্ছে। আরও ৫০ লাখ লোককে রেশন কার্ড দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এটি বাস্তবায়ন হলে এক কোটি লোক খাদ্য সহায়তা পাবেন। আর এই এক কোটি লোকের পরিবারের সদস্য সংখ্যা যদি পাঁচজন হয়, তাহলে পাঁচ কোটি লোক খাদ্য সহায়তার আওতায় আসবেন। খাদ্যে যেন কোনো সমস্যা না হয় সে ব্যবস্থা আমরা করতে পারব।

করোনা চিকিৎসায় সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের হাসপাতালগুলোতে আইসোলেশন ওয়ার্ড খোলা হয়েছে। অনেক বিভাগীয়, জেলা এবং উপজেলায় পৃথক আইসোলেশন হাসপাতাল খোলা হয়েছে। আইসোলেশন ইউনিট ৬ হাজার ২০০টি। ভবিষ্যতের জন্য ইতোমধ্যে আমরা কিছু উদ্যোগ নিয়েছি। প্রত্যেক জেলা হাসপাতালে উন্নত ধরনের চিকিৎসা যেন জনগণ পায় সেই ব্যবস্থাটাও ভবিষ্যতে আমরা করব।

তিনি ঢাকায় সুনির্দিষ্ট সেবা দিতে কয়েকটি হাসপাতালের তালিকা দিয়ে বলেন, যদি রোগীর সংখ্যা বাড়ে এসব হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হবে। এটি এমন একটি বিষয় যা কতদিন চলবে তা কেউ জানে না। সারাবিশ্ব বলতে পারছে না।

করোনা পরিস্থিতি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এখনও বাংলাদেশ যথেষ্ট ভালো। যেখানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে হাজার হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে, সেখানে আমরা ভালো আছি। আমরা বার বার ঘরে থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি। আসলে মানুষ কেন যেন বেশি সাহসী হয়ে গেছে। অনেকে মানতেই চায় না। আমি সবাইকে ঘরে থাকার অনুরোধ করছি। স্বাস্থ্য সুরক্ষার যে নির্দেশনা, সবাই দয়া করে সেটা মেনে চলবেন। তাহলে কেউ করোনা ঝুঁকিতে পড়বেন না। স্বাস্থ্য সুরক্ষার সব নির্দেশনা মেনে চলবেন।

সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের পর স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। চলমান করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির কারণে সংক্ষিপ্ত সময়ে সংসদের এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।#

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/১৮