বাংলাদেশে করোনার মধ্যেই চলছে ডেঙ্গুর প্রকোপ
-
ডেঙ্গু রোগী
বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের মধ্যেই চলছে ডেঙ্গু রোগের বিস্তার। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ২৯৬ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত বলে শনাক্ত হলেও কোনো মৃত্যু হয়নি। তবে গত বছরে এ সময়ের মধ্য আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ১৩১ জন।
সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গত বছর এক লাখ এক হাজার ৩৫৪ জন ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন এবং তাঁদের মধ্যে ১৭৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।
কীটবিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, করোনাভাইরাসের মহামারির মধ্যে মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগ গত বছরের চেয়েও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দ্রুততম সময়ের মধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে চলতি বছরের জুলাই-আগস্টের দিকে প্রাদুর্ভাব বেড়ে যেতে পারে। তারা বলছে, সিটি করপোরেশন কর্তৃক মশা ধ্বংস করতে ব্যবস্থা গ্রহণের শৈথিল্য মাঝে মাঝে বৃষ্টিপাত এবং লকডাউনের মধ্যে জলাবদ্ধতা এবং পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ার কারণে আবারও ডেঙ্গু ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে।
ওদিকে, পুরান ঢাকার ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সম্প্রতি মশার উপদ্রব ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। লোকজন ঘরবন্দি হয়ে পড়ায় ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানিতে মশা জন্ম নিচ্ছে।
এ ব্যাপারে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম বলেছেন, এডিশ মশার বংশবিস্তার করতে পারে এমন স্থানগুলো ধ্বংস করা হয়েছে কিনা, তা তদারকি করতে ১০ মের পর থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হবে। স্থানীয় সরকারমন্ত্রী জানান, ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনেই মশা দমনের জন্য এক বছরের জন্য পর্যাপ্ত ওষুধ মজুদ রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার ড. মো. শরিফ আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেছেন, তাঁরা সারা বছরের কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী মশা এবং মশার প্রধান প্রজনন ক্ষেত্রগুলো ধ্বংসে কাজ করে যাচ্ছেন। মশা নিধনের পাশাপাশি সচেতনতা বৃদ্ধিতেও কাজ করছেন বলে তিনি জানান। #
পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/৬
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।