আশুরা উপলক্ষে প্রেসিডেন্ট-প্রধানমন্ত্রীর বাণী, কারবালার ঘটনা থেকে শিক্ষা নেয়ার আহ্বান
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i82653-আশুরা_উপলক্ষে_প্রেসিডেন্ট_প্রধানমন্ত্রীর_বাণী_কারবালার_ঘটনা_থেকে_শিক্ষা_নেয়ার_আহ্বান
বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পবিত্র আশুরা উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন। আশুরার মর্মবাণী অন্তরে ধারণ করে জাতীয় জীবনে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই চেতনা ধারণ করে নিজ নিজ অবস্থান থেকে জনকল্যাণমুখী কাজে অংশ নিয়ে বৈষম্যহীন, সুখী, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ে তুলতে হবে।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
আগস্ট ৩০, ২০২০ ০৭:৪৩ Asia/Dhaka
  • প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
    প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

বাংলাদেশের প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পবিত্র আশুরা উপলক্ষে বাণী দিয়েছেন। আশুরার মর্মবাণী অন্তরে ধারণ করে জাতীয় জীবনে সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, এই চেতনা ধারণ করে নিজ নিজ অবস্থান থেকে জনকল্যাণমুখী কাজে অংশ নিয়ে বৈষম্যহীন, সুখী, সমৃদ্ধ ও শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ে তুলতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে আরও বলেন, ‘পবিত্র আশুরা একটি তাৎপর্যপূর্ণ দিন। এ দিনটি বিশ্বের মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র ও ভাবগাম্ভীর্যপূর্ণ।’

তিনি বলেন, হিজরি ৬১ সালের ১০ মহররম মহানবী হযরত মুহম্মদ (সা.) এর প্রিয় দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসেন (র.) ও তার পরিবারবর্গ কারবালার প্রান্তরে শাহাদত বরণ করেন। সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠায় তাদের এ আত্মত্যাগ মুসলিম উম্মাহর জন্য এক উজ্জ্বল ও অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত সৃষ্টি করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এবার আমরা এক সংকটময় সময়ে আশুরা পালন করছি। করোনাভাইরাস সারাবিশ্বকে স্থবির করে দিয়েছে। আমাদের সরকার এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছে। আমরা জনগণের প্রতি সকল সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছি।

তিনি বলেন, মহান আল্লাহ বিপদে মানুষের ধৈর্য্য পরীক্ষা করেন। এ সময় সকলকে অসীম ধৈর্য নিয়ে সহনশীল ও সহানুভূতিশীল মনে একে অপরকে সাহায্য করে যেতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, আমরা সকলে মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ দোয়া করি যেন এই সংক্রমণ থেকে দ্রুত মুক্তি পাই।

এদিকে, প্রেসিডেন্ট মো. আবদুল হামিদ তার বাণীতে বলেছেন, কারবালার শোকাবহ ঘটনা আমাদেরকে অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে উদ্বুদ্ধ করে এবং সত্য ও সুন্দরের পথে চলার প্রেরণা যোগায়।

তিনি বলেন, ‘পবিত্র আশুরা উপলক্ষে আমি কারবালা প্রান্তরে শাহাদতবরণকারী সকল শহীদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।’

তিনি বলেন, পবিত্র আশুরা সমগ্র মুসলিম উম্মাহর জন্য এক তাৎপর্যময় ও শোকের দিন। সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে হিজরি ৬১ সনের ১০ মহররম হযরত মুহাম্মদ (সা.) এর প্রাণপ্রিয় দৌহিত্র হযরত ইমাম হোসেন (রা.) তার পরিবারের সম্মানিত সদস্য ও ঘনিষ্ঠ সহচররা বিশ্বাসঘাতক ইয়াজিদের সৈন্যদের হাতে কারবালায় শহীদ হন।

প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ইসলামের সুমহান আদর্শ ও ত্যাগের মহিমাকে সমুন্নত রাখার জন্য তাদের এই আত্মত্যাগ ইতিহাসে সমুজ্জ্বল হয়ে আছে। কারবালার শোকাবহ ঘটনা আমাদেরকে অন্যায় ও অত্যাচারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে উদ্বুদ্ধ করে এবং সত্য ও সুন্দরের পথে চলার প্রেরণা যোগায়।

মো. আবদুল হামিদ বলেন, ইসলাম শান্তি ও সম্প্রীতির ধর্ম। এখানে হানাহানি, হিংসা, দ্বেষ বা বিভেদের কোন স্থান নেই। তিনি প্রত্যাশা ব্যক্ত করে বলেন, সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি সমাজে সত্য ও সুন্দরের আলো ছড়িয়ে দিতে পবিত্র আশুরার মহান শিক্ষা সকলের প্রেরণার উৎস হয়ে উঠবে।#