করোনার কারণে বাংলাদেশে এ বছর এইচএসসি পরীক্ষা হবে না: শিক্ষামন্ত্রী
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i83662-করোনার_কারণে_বাংলাদেশে_এ_বছর_এইচএসসি_পরীক্ষা_হবে_না_শিক্ষামন্ত্রী
বাংলাদেশে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছে, মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে এ বছর উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন হবে তাদের জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার গড়ের ভিত্তিতে।
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
অক্টোবর ০৭, ২০২০ ১১:১০ Asia/Dhaka
  • শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি
    শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি

বাংলাদেশে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছে, মহামারি করোনাভাইরাসের কারণে এ বছর উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের মূল্যায়ন হবে তাদের জেএসসি ও এসএসসি পরীক্ষার গড়ের ভিত্তিতে।

আজ (বুধবার) দুপুর ১টার দিকে এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী।  তিনি বলেন, “পরীক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা ভেবে ২০২০ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সরাসরি না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। পরীক্ষা গ্রহণ না করে ভিন্ন পদ্ধতিতে নেওয়ার পরিকল্পনা করেছি। যেহেতু এইচএসসি পরীক্ষা যারা দিচ্ছে, তারা দুটি পরীক্ষা দিয়ে এসেছে, এ কারণে তাদের মূল্যায়নের সুযোগ রয়েছে।”

যাদের জেএসসি ও এসএসসির ফল খারাপ ছিল কিন্তু এইচএসসিতে ভালো প্রস্তুতি ছিল, তাদের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, “কী হতে পারত, সেটা বলার মতো সময় এটা না। বা সুযোগ নেই। এমন অনেক শিক্ষার্থীর হয়ত এইচএসসি পরীক্ষা ভালো নাও হতে পারত বা পরীক্ষা শেষ নাও হতে পারত। তদের জন্যও ভালো হবে। সবার জন্য সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশে এইচএসসি পরীক্ষার্থী ( ফাইল ফটো)

ডা. দীপু মনি বলেন, “আমাদের পরীক্ষা কেন্দ্রে এক বেঞ্চে দুজন পরীক্ষার্থীকে বসতে দেওয়া হয়। কোভিডের স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতি বেঞ্চে একজন করে বসতে দেওয়ারও সুযোগ নেই। সে ক্ষেত্রে কেন্দ্র দ্বিগুণ করতে হবে। তা এখন বাস্তবায়ন করা কঠিন। পরীক্ষার কোনো বিষয় বাদ দিয়ে পরীক্ষা নেওয়াও সমীচীন হবে না। পরীক্ষা চলাকালে যদি কোনো শিক্ষার্থী কোভিডে আক্রান্ত হয় বা তার পরিবারের কেউ আক্রান্ত হয়, সে ক্ষেত্রে আমরা কী করতে পারি? এ জন্য আমরা অন্য দেশ কীভাবে কী করছে, তা দেখার চেষ্টা করি। ভারতসহ বেশ কয়েকটি দেশ তাদের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষা বাতিল করেছে।”

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কোভিড-১৯ কখন স্বাভাবিক হবে, তা কেউ নিশ্চিত নয়। এমন পরিস্থিতিতে পরীক্ষা আয়োজনের পরিকল্পনা করাটা বেশ কঠিন।’বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে এ বছর গুচ্ছ পদ্ধতি প্রয়োগ করা হবে বলেও জানান মন্ত্রী।

তিনি জানান, জেএসসি, এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হবে। এই ফল তৈরির জন্য মন্ত্রণালয়ের একজন অতিরিক্ত সচিবকে প্রধান করে এবং ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যানকে সদস্য করে একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি করে দেয়া হয়েছে। কমিটিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বুয়েটের শিক্ষক ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি থাকবেন।

ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এবং কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের দুই সচিব এবং দেশের শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানরা সংযুক্ত ছিলেন।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/ আব্দুর রহমান খান/ ৬

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।