হত্যা-ধর্ষণ বন্ধসহ ৬ দফা দাবিতে বিক্ষোভের ডাক দিল বাংলাদেশের ইসলামী দলগুলো
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i83983-হত্যা_ধর্ষণ_বন্ধসহ_৬_দফা_দাবিতে_বিক্ষোভের_ডাক_দিল_বাংলাদেশের_ইসলামী_দলগুলো
পুলিশি হেফাজতে হত্যা, সীমান্তে হত্যা ও দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে এবং নারীর প্রতি ব্যাভিচার ও ধর্ষণ প্রতিরোধে সমমনা ইসলামী দলগুলো ২২ অক্টোবর ঢাকায় ও ২৩ অক্টোবর দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে।
(last modified 2026-01-18T14:26:52+00:00 )
অক্টোবর ১৯, ২০২০ ১৬:৪৬ Asia/Dhaka
  • ফাইল ফটো
    ফাইল ফটো

পুলিশি হেফাজতে হত্যা, সীমান্তে হত্যা ও দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদে এবং নারীর প্রতি ব্যাভিচার ও ধর্ষণ প্রতিরোধে সমমনা ইসলামী দলগুলো ২২ অক্টোবর ঢাকায় ও ২৩ অক্টোবর দেশব্যাপী বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে।

আজ (সোমবার) সকাল ৮টায় জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ-এর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তাদের ছয় দফা দাবি বাস্তবায়নের লক্ষে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আগামী ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) রাজধানীতে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেইটে বাদ জোহর, বিক্ষাভ সমাবেশ ও মিছিলের এবং পরদিন ২৩ অক্টোবর (শুক্রবার) দেশব্যাপী বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হবে।

জমিয়ত মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠক ফরায়জী জামাতকে সমমনা ইসলামী দলসমূহের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সহ-সভাপতি আল্লামা আব্দুর রব ইউসূফী, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আব্দুল কাদের, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের, জমিয়তের নেতা হাফেজ মাওলানা নাজমুল হাসান, মুফতি জাকির হোসাইন কাসেমী, মাওলানা জয়নুল আবেদীন, ইসলামী ঐক্য আন্দোলনের মাওলানা ফারুক আহমদ কামরুল ইসলাম। 

নূর হোসাইন কাসেমী

এর আগে শুক্রবার রাজধানীর বিজয়নগর সড়কে ইসলামী দলসমূহের ৬ দফা দাবিতে গণমিছিল শেষে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী বলেছেন, 'ধর্ষণ-নির্যাতন বন্ধে শুধু আইন করলেই হবে না, আইনের যথাযথ প্রয়োগ করতে হবে। জেনা, ব্যাভিচার ও ধর্ষণের উৎস চিহ্নিত করে তা বন্ধ করতে হবে।'

তিনি উদ্বেগের সাথে উল্লেখ করেন, 'দেশে একদিকে করোনাভাইরাসের আক্রমণে অন্যদিকে মা-বেনদের ইজ্জত আব্রু লুণ্ঠিত হচ্ছে। হায়েনার মত নারীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে, হত্যা নির্যাতন করা হচ্ছে।'

তিনি বলেন, 'ধর্ষণের উৎস পশ্চিমা নগ্নতা, বেহায়াপনা বন্ধ না হলে ধর্ষণ বন্ধ হবে না। পশ্চিমা সংষ্কৃতির কারণে সমাজ থেকে লজ্জা, শরম উঠে যাচ্ছে। অপসংস্কৃতিক আগ্রাসন বন্ধ করতে হবে। আমাদের শিক্ষা নীতি ও পাঠ্য সূচিকে কুরআন-সুন্নাহর আলোকে সাজাতে হবে।' #

পার্সটুডে/আবদুর রহমান খান/আশরাফুর রহমান/১৯

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।