ব্লগার অভিজিৎ হত্যা মামলার রায়ে ৫ আসামির মৃত্যুদণ্ড, একজনের যাবজ্জীবন
https://parstoday.ir/bn/news/bangladesh-i87462-ব্লগার_অভিজিৎ_হত্যা_মামলার_রায়ে_৫_আসামির_মৃত্যুদণ্ড_একজনের_যাবজ্জীবন
বাংলাদেশি ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যা মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সামরিক শাখার প্রধানসহ পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছে ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
(last modified 2026-01-18T14:26:52+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২১ ১৩:০৭ Asia/Dhaka

বাংলাদেশি ব্লগার অভিজিৎ রায় হত্যা মামলায় নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন আনসার আল ইসলামের সামরিক শাখার প্রধানসহ পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছে ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

আজ (মঙ্গলবার) দুপুরে ঢাকার সন্ত্রাসবিরোধী বিশেষ ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মজিবুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। মৃত্যুদণ্ড পাওয়া পাঁচ আসামি হলেন-আনসার আল ইসলামের সামরিক শাখার প্রধান ও বরখাস্ত হওয়া মেজর সৈয়দ জিয়াউল হক, জঙ্গি নেতা আকরাম হোসেন ওরফে আবির ওরফে আদনান, আবু সিদ্দিক সোহেল ওরফে সাকিব, মোজাম্মেল হুসাইন ওরফে সায়মন, আরাফাত রহমান ওরফে সিয়াম। তাঁদের মধ্যে পলাতক আছেন জিয়াউল হক ও আকরাম হোসেন।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড পেয়েছেন শফিউর রহমান ফারাবী। পাশাপাশি তারও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও দুই বছর কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে আদেশ দিয়েছে আদালত। ফারাবী কারাগারে আছেন।  

আসামিদের হেলমেট পরিয়ে আদালতে আনা হয়

রায় ঘোষণা উপলক্ষে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে আসামিদের সকাল ১০টার দিকে কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়। দুপুর পৌনে ১২টার দিকে তাঁদের হাজতখানা থেকে আদালতের কাঠগড়ায় তোলা হয়। রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আজ আদালত এলাকায় নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়।

২০১৫ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি অমর একুশে গ্রন্থমেলা প্রাঙ্গণ থেকে ফেরার পথে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি এলাকায় কুপিয়ে হত্যা করা হয় অভিজিৎকে। হামলায় অভিজিতের স্ত্রী রাফিদা আহমেদও গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় অভিজিতের বাবা অধ্যাপক অজয় রায় বাদী হয়ে রাজধানীর শাহবাগ থানায় হত্যা মামলা করেন।

মামলাটি তদন্ত করে ২০১৯ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়। অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ২০১৯ সালের ৬ আগস্ট ছয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত।

আদালতে জমা দেওয়া অভিযোগপত্রে বলা হয়, অভিজিৎ রায় হত্যাকাণ্ডে মোট ১২ জন জড়িত ছিলেন। তাঁদের মধ্যে শফিউর রহমান ফারাবী হত্যাকাণ্ডে প্ররোচনা জোগান। আসামিদের মধ্যে মুকুল রানা ‘বন্দুকযুদ্ধে’ মারা গেছেন।#

পার্সটুডে/আশরাফুর রহমান/১৬

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।