একদিনে দক্ষিণ থেকে উত্তর গাজায় ফিরে গেলেন ৩০০,০০০ ফিলিস্তিনি
https://parstoday.ir/bn/news/event-i146406-একদিনে_দক্ষিণ_থেকে_উত্তর_গাজায়_ফিরে_গেলেন_৩০০_০০০_ফিলিস্তিনি
যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী দক্ষিণ গাজা থেকে সোমবার, একদিনে তিন লাখ ফিলিস্তিনি উত্তর গাজায় নিজ ঘরবাড়িতে ফিরে গেছেন বলে গাজা উপত্যকার গণমাধ্যম অধিদপ্তর জানিয়েছে।
(last modified 2026-03-08T13:29:51+00:00 )
জানুয়ারি ২৮, ২০২৫ ১৪:১৬ Asia/Dhaka
  • একদিনে দক্ষিণ থেকে উত্তর গাজায় ফিরে গেলেন ৩০০,০০০ ফিলিস্তিনি

যুদ্ধবিরতি চুক্তি অনুযায়ী দক্ষিণ গাজা থেকে সোমবার, একদিনে তিন লাখ ফিলিস্তিনি উত্তর গাজায় নিজ ঘরবাড়িতে ফিরে গেছেন বলে গাজা উপত্যকার গণমাধ্যম অধিদপ্তর জানিয়েছে।

এটি সোমবার রাতে এক বিবৃতিতে বলেছে, “আজ দক্ষিণ ও মধ্য গাজা থেকে আর-রশিদ ও সালাহউদ্দিন সড়ক ব্যবহার করে তিন লাখের বেশি বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনি উত্তর গাজায় ফিরে এসেছেন।”

যারা ফিরে গেছেন তাদের বেশিরভাগেরই ঘরবাড়ি বলে আর কিছু অবশিষ্ট নেই, কিন্তু তারপরও ফিরতে পারার আনন্দে ফিলিস্তিনিদের মধ্যে ব্যাপক আনন্দ ও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা গেছে। এসব ফিলিস্তিনিকে যুদ্ধের শুরুতে উত্তর গাজা থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিল ইসরাইল।

ইহুদিবাদী বাহিনী বলেছিল, ফিলিস্তিনিরা দক্ষিণ গাজায় চলে গেলে তাদের ওপর হামলা করা হবে না। কিন্তু পরবর্তীতে এই প্রতিশ্রুতি মিথ্যা প্রমাণিত হয় এবং গাজার প্রতি ইঞ্চি ভূমিতে বোমাবর্ষণ করে তেল আবিব।

গাজার গণমাধ্যম অধিদপ্তর জানিয়েছে, ইসরাইলি ভয়াবহ হামলায় উত্তর গাজার ৯০% স্থাপনা বিধ্বস্ত হয়েছে বলে সেখানে যারা ফিরে গেছেন তাদের জন্য জরুরি ভিত্তিতে এক লাখ ৩৫ হাজার তাবু প্রয়োজন। বিবৃতিতে গাজাবাসীর প্রয়োজন মেটাতে এগিয়ে আসার জন্য আন্তর্জাতিক সমাজ বিশেষ করে জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থা ও আরব দেশগুলোর প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে পরবর্তী ১৫ মাসেরও বেশি সময় ধরে গাজা উপত্যকায় নিরবচ্ছিন্ন গণহত্যা চালিয়ে অন্তত ৪৭ হাজার ফিলিস্তিনিকে হত্যা করে ইহুদিবাদী ইসরাইল। সেইসঙ্গে আমেরিকার সরবরাহ করা ব্যাপক বিধ্বংসী বোমা হামলা চালিয়ে গোটা উপত্যকাকে ধ্বংসস্তুপ ও মৃত্যুপুরিতে পরিণত করে তেল আবিব।

কিন্তু তা সত্ত্বেও গত ১৯ জানুয়ারি কার্যকর হওয়া যুদ্ধবিরতিকে ফিলিস্তিনিদের জন্য বিশাল বিজয় হিসেবে দেখছেন পর্যবেক্ষকরা। তারা বলছেন, ইহুদিবাদী ইসরাইল হামাসকে ধ্বংস করে গাজা থেকে পণবন্দিদের জীবিত মুক্ত করার যে প্রধান লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিল তা ব্যর্থ হওয়ায় এ যুদ্ধে হামাসেরই বিজয় হয়েছে। হামাস প্রমাণ করেছে, গাজার একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ তাদের হাতে থাকবে এবং এই উপত্যকায় তাদের অনুমতি ছাড়া কোনো বড় ঘটনা ঘটবে না।#

পার্সটুডে/এমএমআই/২৮          

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।