রাশিয়ার রকেটে মহাকাশে তিনটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করল ইরান
https://parstoday.ir/bn/news/event-i155572-রাশিয়ার_রকেটে_মহাকাশে_তিনটি_স্যাটেলাইট_উৎক্ষেপণ_করল_ইরান
ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান রাশিয়ার একটি উৎক্ষেপণযান ব্যবহার করে দেশীয়ভাবে নির্মিত তিনটি রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইট কক্ষপথে পাঠিয়েছে।
(last modified 2026-01-18T14:26:52+00:00 )
ডিসেম্বর ২৮, ২০২৫ ১৯:৩৫ Asia/Dhaka
  • রাশিয়ার সয়ুজ রকেটে ইরানের তিনটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ
    রাশিয়ার সয়ুজ রকেটে ইরানের তিনটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরান রাশিয়ার একটি উৎক্ষেপণযান ব্যবহার করে দেশীয়ভাবে নির্মিত তিনটি রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইট কক্ষপথে পাঠিয়েছে।

আজ (রোববার) তেহরান সময় বিকেল ৪টা ৪৮ মিনিটে সয়ুজ স্যাটেলাইটবাহী রকেটটি উৎক্ষেপণ করা হয়। এতে একাধিক পেলোডের সঙ্গে ইরানের জাফার–২, পায়া ও কাওসার স্যাটেলাইট অন্তর্ভুক্ত ছিল।

ইরানি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আজ (রোববার) বিকেলে মাল্টি-পেলোড মিশনের অংশ হিসেবে রাশিয়ার ভস্তোচনি কসমোড্রোম থেকে এই তিনটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হয়। এ নিয়ে ইরান স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণে সাতবার রাশিয়ার রকেট ব্যবহার করল।

উৎক্ষেপণের আগে দেওয়া বক্তব্যে মস্কোতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত কাজেম জালালি এই মিশনকে ইরানের মহাকাশ কর্মসূচির জন্য একটি বড় অগ্রগতি হিসেবে উল্লেখ করেন।

রাশিয়ার সয়ুজ রকেটে ইরানের তিনটি স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) একাধিক পোস্টে জালালি বলেন, স্যাটেলাইটগুলো সম্পূর্ণভাবে ইরানি দেশীয় প্রযুক্তিতে নকশা ও নির্মাণ করা হয়েছে। সরকারি সংস্থা, বিশ্ববিদ্যালয় এবং জ্ঞানভিত্তিক বেসরকারি কোম্পানিগুলোর যৌথ সহযোগিতার ফলেই এ সাফল্য এসেছে।

রাষ্ট্রদূত জানান, নকশা ও নির্মাণের সব ধাপ ইরানেই সম্পন্ন হয়েছে; তবে উৎক্ষেপণ প্রক্রিয়াটি রাশিয়ার সঙ্গে সহযোগিতায় করা হয়েছে।

তিনি বলেন, “এই স্যাটেলাইটগুলোর মধ্যে দুটি সরকারি এবং একটি বেসরকারি খাতের। আমাদের জ্ঞানভিত্তিক কোম্পানি ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এ ক্ষেত্রে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।”

জাফার–২ স্যাটেলাইটটি ইরান ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি নির্মিত। এটি প্রাকৃতিক সম্পদ পর্যবেক্ষণ, পরিবেশগত অবস্থা মূল্যায়ন, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং মানচিত্র তৈরির জন্য তথ্য সরবরাহ করবে।

কাউসার ১.৫, আগের কাউসার ও হুদহুদ স্যাটেলাইটের উন্নত সংস্করণ, এতে ইন্টারনেট অব থিংস (IoT) সক্ষমতা যুক্ত করা হয়েছে, যা স্মার্ট পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থার জন্য তাৎক্ষণিক তথ্য আদান–প্রদান সম্ভব করবে।

ইরানি মহাকাশ সংস্থার নির্মিত পায়া (তোলু–৩) এখন পর্যন্ত ইরানের সবচেয়ে ভারী পৃথিবী পর্যবেক্ষণ স্যাটেলাইট, যার ওজন প্রায় ১৫০ কিলোগ্রাম।

ইরান প্রথম ২০০৯ সালে ওমিদ (আশা) স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের মাধ্যমে মহাকাশ অঙ্গনে প্রবেশ করে। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও তেহরান ধারাবাহিকভাবে তার বেসামরিক মহাকাশ কর্মসূচি সম্প্রসারণ করে চলেছে।#

পার্সটুডে/এমএআর/২৮