ইরানের ১,৪০০ শহরে বিপ্লব বার্ষিকীর সমাবেশ, অংশ নেবেন ৭,৭০০ সাংবাদিক
https://parstoday.ir/bn/news/event-i156902-ইরানের_১_৪০০_শহরে_বিপ্লব_বার্ষিকীর_সমাবেশ_অংশ_নেবেন_৭_৭০০_সাংবাদিক
ইরানের ইসলামী বিপ্লবের ৪৭তম বার্ষিকী উপলক্ষে দেশব্যাপী ১,৪০০টিরও বেশি শহরে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে এবং প্রায় ৭,৭০০ জন দেশি-বিদেশি সাংবাদিক এই ঘটনাগুলো কভার করবেন বলে একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
(last modified 2026-02-10T14:29:43+00:00 )
ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২৬ ২০:৪৮ Asia/Dhaka
  • তেহরানের আজাদি স্কয়ারে বিপ্লববার্ষিকীর সমাবেশ (ফাইল ফটো)
    তেহরানের আজাদি স্কয়ারে বিপ্লববার্ষিকীর সমাবেশ (ফাইল ফটো)

ইরানের ইসলামী বিপ্লবের ৪৭তম বার্ষিকী উপলক্ষে দেশব্যাপী ১,৪০০টিরও বেশি শহরে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে এবং প্রায় ৭,৭০০ জন দেশি-বিদেশি সাংবাদিক এই ঘটনাগুলো কভার করবেন বলে একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

ইসলামী প্রচার সমন্বয় পরিষদের অনুষ্ঠান ও প্রাদেশিক বিষয়ক উপপ্রধান কামাল খোদাদাদেহ আজ (মঙ্গলবার) এক সংবাদ সম্মেলনে ঘোষণা করেন যে, প্রতি বছর বিপ্লব বার্ষিকীতে (সাধারণত ১১ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত দেশব্যাপী সমাবেশ সাংবাদিকরা কভার করবেন।

তিনি বলেন, "এ বছর, প্রায় ২০০ সাংবাদিক ও ক্যামেরাম্যানসহ বিদেশি গণমাধ্যম এবং মোট ৭,৭০০-এরও বেশি দেশি ও আন্তর্জাতিক মিডিয়াকর্মী দেশব্যাপী ২২ বাহমানের (১১ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠান কভার করবেন। এছাড়াও, আইআরআইবি'র সব চ্যানেল, যার মধ্যে রয়েছে ৩৫০টিরও বেশি নিউজটিম, সব আন্তর্জাতিক সম্প্রচার নেটওয়ার্ক ... এবং সব প্রাদেশিক নেটওয়ার্ক ... এই অনুষ্ঠানের সরাসরি সংবাদ ও ভিজ্যুয়াল কভারেজ প্রদান করবে।"

তিনি উল্লেখ করেন, অস্ট্রিয়ার ওআরএফ, তুরস্কের এনটিভি, যুক্তরাষ্ট্রের সিবিএস নিউজ, লেবাননের আল মায়াদিন ও আল মানার, ইরাকের আল শামস, আল জাজিরা, আল ইরাকিয়্যা, রাশিয়ার আরআইএ নোভোস্তি ও আরটি নিউজ এজেন্সি, লুক্সেমবার্গের আরটিআর, জার্মানির আরটিএল, এপিএ ও জেডডিএফ, স্পেনের ইএফই, চীনের সিসিটিভি ও শিনহুয়া এবং তুরস্কের আনাদোলু এজেন্সিসহ বিশ্বের অনেক রেডিও ও টেলিভিশন নেটওয়ার্কও সংবাদ প্রতিবেদন সম্প্রচার করতে প্রস্তুত এবং তারা তেহরানের রাস্তা ও আইকনিক আজাদি স্কয়ার থেকে এই সমাবেশ কভার করবে।

তিনি যোগ করেন, "আমাদের ভুলে গেলে চলবে না যে আমরা দেশে প্রায় ২,৪০০ শহীদ ও প্রায় ৩,০০০ হতাহতের রক্ত শোক করছি। শত্রু বিভক্তি কাজে লাগিয়ে জনগণের সংহতি ভাঙতে চেয়েছিল, কারণ গত জুন মাসের ১২-দিনের যুদ্ধের সময় দেশে অভূতপূর্ব ঐক্য ও পবিত্র সংহতি তৈরি হয়েছিল।"  

৮ ও ৯ জানুয়ারি বিদেশপুষ্ট সশস্ত্র দাঙ্গাবাজ ও সন্ত্রাসীরা অর্থনৈতিক অসন্তোষের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকে দখল করে নেয়; দোকানপাট, সরকারি প্রতিষ্ঠান ও পাবলিক সার্ভিস সুবিধার ব্যাপক ধ্বংস সাধন করে এবং বেসামরিক নাগরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীসহ হাজার হাজার মানুষ হত্যা ও আহত করে।

ইরানি কর্তৃপক্ষ নিশ্চিত করেছে যে, আমেরিকা ও ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সরাসরি জড়িত ছিল এবং অপরাধীদের অর্থায়ন, প্রশিক্ষণ ও মিডিয়া সমর্থন দিচ্ছিল। ইরানের শহীদ ও ভেটেরান্স অ্যাফেয়ার্স ফাউন্ডেশনের গত মাসের একটি বিবৃতি অনুযায়ী, দাঙ্গায় মোট ৩,১১৭ জন প্রাণ হারায়, যার মধ্যে রয়েছে ২,৪২৭ জন নিরপরাধ বেসামরিক নাগরিক ও নিরাপত্তা কর্মী।

খোদাদাদেহ জোর দিয়ে বলেন, "অবশ্যই, শত্রু আবার গর্ব করতে শুরু করেছে যে, তাদের কাছে সামরিক হামলাসহ একাধিক অপশন টেবিলে রয়েছে। কিন্তু ইরানি জনগণ গত কয়েক দিনে দেখিয়েছে যে, তাদের কাছেও অনেক অপশন রয়েছে, যার মধ্যে একটি হল ২২ বাহমানের সমাবেশে অংশগ্রহণ।"

খোদাদাদেহ উল্লেখ করেন, বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৯:৩০টায় নির্ধারিত রুট থেকে অনুষ্ঠান শুরু হবে এবং ইরানের তরুণ প্রজন্মের প্রায় ৩,০০০ সাংবাদিক ও আলোকচিত্রী সেরা দৃশ্য ধারণ করবেন।

তিনি যোগ করেন, "তেহরানে, মহাকাশ খাত ও কিছু সামরিক প্রতিষ্ঠান তাদের অর্জন সমাবেশ রুটের পাশে প্রদর্শন করবে, যার কিছু প্রথমবারের মতো উন্মোচিত হবে।"#

পার্সটুডে/এমএআর/১০