'ইরানের শক্তিশালী কূটনীতির লক্ষ্য হলো আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা'
ইসলামী বিপ্লবের নেতার আন্তর্জাতিকবিষয়ক সিনিয়র উপদেষ্টা আলী আকবর বেলায়াতি বলেছেন, ইরানের শক্তিশালী কূটনীতির লক্ষ্য হলো- জাতীয় কর্তৃত্ব রক্ষা করা এবং আঞ্চলিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা।
শনিবার এক্স অ্যাকাউন্টে এক বার্তায় বেলায়াতি, মার্কিন-ইসরায়েল যুদ্ধে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হওয়া এবং ইসলামাবাদে ওয়াশিংটনের সাথে আলোচনায় অংশ নেওয়ার মাধ্যমে ইরানের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার প্রসঙ্গে এই মন্তব্য করেন।
তিনি লিখেছেন, আজকের এই শক্তিশালী কূটনীতি ইরানের জাতীয় শক্তির আলোকে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষার একটি প্রমাণ। তিনি আরো বলেন, ইসলামাবাদ আলোচনায় সংসদ স্পিকার মোহাম্মদ বাকের কলিবফের' নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের উপস্থিতি জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার একই ইচ্ছার ধারাবাহিকতা। লেবাননে ইসরায়েলি রক্তপাতের বিষয়ে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর অবস্থানের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে তিনি বলেন, নাওয়াফ সালামের জানা উচিত যে, হিজবুল্লাহর প্রতিরোধ ও বীরত্বের অনন্য ভূমিকাকে উপেক্ষা করা লেবাননকে অপূরণীয় নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে ফেলবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, লেবাননের স্থিতিশীলতা কেবল দেশটির সরকার এবং দখলদার ইসরায়েলি শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই অর্জনযোগ্য।
মার্কিন-ইসরায়েল চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতির তিন দিন পর কলিবফের নেতৃত্বে ইরানি আলোচক দল ‘মিনাব ১৬৮’ ফ্লাইটে ইসলামাবাদে মার্কিন পক্ষের সাথে আলোচনা শুরু করতে পৌঁছায়। তারা ইরানের বিরুদ্ধে তাদের বিনা উস্কানির আগ্রাসনের প্রথম দিনেই এক মার্কিন-ইহুদিবাদী বোমা হামলায় স্কুল শিক্ষার্থীদের গণহত্যার বিষয়টি তুলে ধরে। পাকিস্তানে থাকা ইরানি প্রতিনিধিদলে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর আবদুন নাসের হেম্মাতি এবং প্রতিরক্ষা পরিষদের সচিব আলী আকবর আহমাদিয়ান। মার্কিন পক্ষে, ভাইস প্রেসিডেন্ট জে. ডি. ভ্যান্স ইসলামাবাদে উপস্থিত ছিলেন তার সাথে আলোচক হিসেবে ছিলেন পশ্চিম এশিয়ায় নিযুক্ত আমেরিকার বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টা ও জামাতা জ্যারেড কুশনার।
পার্সটুডে/এমবিএ/এমএআর/১২