টেকনাফ উপকূলে ট্রলারসহ ৫ রোহিঙ্গা জেলেকে ধরে নিয়ে গেছে আরাকান আর্মি
https://parstoday.ir/bn/news/event-i160866-টেকনাফ_উপকূলে_ট্রলারসহ_৫_রোহিঙ্গা_জেলেকে_ধরে_নিয়ে_গেছে_আরাকান_আর্মি
বাংলাদেশের কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় একটি ট্রলারসহ পাঁচ রোহিঙ্গা জেলেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ)। অপহৃত এই পাঁচ মাঝিমাল্লাই উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের (ক্যাম্প) বাসিন্দা।
(last modified 2026-06-29T12:29:41+00:00 )
জুন ২৯, ২০২৬ ১৮:২৩ Asia/Dhaka
  • ফাইল ছবি
    ফাইল ছবি

বাংলাদেশের কক্সবাজারের টেকনাফ উপকূলসংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরার সময় একটি ট্রলারসহ পাঁচ রোহিঙ্গা জেলেকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ধরে নিয়ে গেছে মিয়ানমারের সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি (এএ)। অপহৃত এই পাঁচ মাঝিমাল্লাই উখিয়া ও টেকনাফের বিভিন্ন রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের (ক্যাম্প) বাসিন্দা।

আজ (সোমবার) টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী এবং টেকনাফ পৌরসভার কাযুকখালী ঘাট বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে রবিবার (২৮ জুন) দুপুরের পর সেন্ট মার্টিনের ছেঁড়াদ্বীপ সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরে এই অপহরণের ঘটনা ঘটে।

অপহৃত জেলেরা হলেন—মাঝি সালাম নুর (৩১), মোহাম্মদ আইয়ুব (৩৭), মোহাম্মদ আজিমুল্লাহ (৩০), সৈয়দ হোসেন (২৫) এবং মোহাম্মদ আইয়ুব (২৪)।

স্থানীয় জেলে ও বোট মালিক সমিতি সূত্রে জানা যায়, রবিবার সকালে প্রতিদিনের মতো টেকনাফের কাযুকখালী ঘাট থেকে সাবরাং ইউনিয়নের আলীর ডেইল গ্রামের বাসিন্দা আলী আহমদের মালিকানাধীন একটি ট্রলার নিয়ে জেলেরা সাগরে যান। দুপুরের পর ট্রলারটি ছেঁড়াদ্বীপ সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মিয়ানমার সীমান্তবর্তী জলসীমার কাছাকাছি চলে যায়। এ সময় আরাকান আর্মির সদস্যরা ধাওয়া করে ট্রলারসহ পাঁচ জেলেকে আটক করে নিয়ে যায়। ঘটনার সময় আশেপাশে থাকা আরও কয়েকটি মাছ ধরার ট্রলার দ্রুত নিরাপদ দূরত্বে সরে যেতে সক্ষম হয়।

বোট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম বলেন, "ট্রলারসহ পাঁচ মাঝিমাল্লাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার বিষয়টি জানার পরপরই আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি। সাগরে জীবিকার তাগিদে যাওয়া জেলেদের লক্ষ্য করে সম্প্রতি আরাকান আর্মির এই ধরনের অপহরণের ঘটনা বাড়ায় উপকূলীয় জেলেপল্লিতে নতুন করে আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতা ছড়িয়ে পড়েছে।"

টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম অনীক চৌধুরী জানান, সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে জেলেরা অসাবধানতাবশত মিয়ানমার সীমান্তবর্তী জলসীমার ভেতরে চলে গিয়েছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। আটক জেলেরা সবাই রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা। বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে এবং অপহৃতদের ফিরিয়ে আনার বিষয়ে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মাধ্যমে প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে।#

পার্সটুডে/এমএআর/২৯