মুখ্যমন্ত্রীর দেখা পেলেন না নওশাদ
ভাঙড়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে ফের গোলযোগ ও সহিংসতা
পশ্চিমবঙ্গে পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভাঙড়ে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে ফের গোলযোগ ও বিক্ষিপ্ত সহিংস ঘটনা ঘটেছে।
ভাঙড়ে সাম্প্রতিক গোলযোগকে কেন্দ্র করে আজ তৃণমূল নেতা ও ভাঙড়ের সাবেক বিধায়ক আরাবুল ইসলাম এর সমস্ত দায় চাপিয়েছেন আইএসএফের উপর। তিনি ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিকে গ্রেফতারের দাবি তুলেছেন। তাকে বর্তমানে ভাঙড়ের সবচেয়ে বড় অপরাধী বলে মন্তব্য করেছেন আরাবুল।
অন্যদিকে, আজ (বুধবার) আইএসএফ পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকি রাজ্য সচিবালয় নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য গেলেও তার সঙ্গে দেখা হয়নি। তিনি ভাঙড়ের সাম্প্রতিক গোলযোগের বিষয় উল্লেখ করে সব দল যাতে নির্বিঘ্নে মনোনয়ন জমা দিতে পারে সেজন্য মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলেন।
এদিকে, ক্যানিং পূর্ব কেন্দ্রের বিধায়ক ও ভাঙড়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত তৃণমূল নেতা শওকত মোল্লা আজ বলেন, ভাঙড়-১ নম্বর ব্লকে ৭ টা গাড়িতে ভাঙচুর চালানো হয়েছে। পুলিশের গাড়িতেও ভাঙচুর হয়েছে। এ সব কিছুর মূলে রয়েছে আইএসএফ। তারা গতকাল থেকে তাণ্ডব চালাচ্ছে।
আজ (বুধবার) সকাল থেকেই নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছিল ভাঙড়-১ ব্লক। বাসন্তী হাইওয়ের দু’পাশে মোতায়েন করা হয়েছিল বিশাল পুলিশ বাহিনী। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে যাতে কোনও রকম গোলযোগ না হয় সে জন্য আগে থেকে প্রস্তুত ছিল পুলিশ বাহিনী। এই আবহে ভাঙড়-১ নম্বর ব্লকের তৃণমূল নেতা শাজাহান মোল্লার নেতৃত্বে শুরু হয় মিছিল। তাতে লাঠি হাতে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায় অনেককে। ওই মিছিল থেকে বোমাবাজির অভিযোগের পাশাপাশি ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে।
অন্যদিকে, ভাঙড়ের বিবিরহাট এলাকায় বোমাবাজি করার অভিযোগ উঠেছে আইএসএফের বিরুদ্ধে। ভাঙড়-১ ব্লকের নারায়ণপুরে মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাওয়া তৃণমূল কর্মীদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে আইএসএফের বিরুদ্ধে। তার ফলে এক তৃণমূল কর্মীর মাথায় ফেটে গেছে বলে অভিযোগ।গাড়ি ভাঙচুরেরও অভিযোগ উঠেছে। আইএসএফ অবশ্য সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছে।#
পার্সটুডে/এমএএইচ/এমবিএ/১৪
বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।