মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয়ে উন্মত্ত জনতার হামলা: গ্রেপ্তার ২ বিজেপি নেত্রীসহ ১৮
ভারতের মেঘালয়ে মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমার তুরার দফতরে উন্মত্ত জনতা হামলা চালিয়েছে। ওই ঘটনায় ৫ নিরাপত্তা কর্মী আহত হয়েছেন।
গতকাল (সোমবার) সন্ধ্যার ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে বেলিনা এম মারাক ও দিলচে চ মারাক নামে ২ বিজেপি নেত্রীসহ ১৮ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এ বাপারে দুই টিএমসি নেতার বিরুদ্ধে হামলায় উসকানি দেওয়ার অভিযোগ থাকায় পুলিশ তাদের খোঁজ করছে।
জানা গেছে, হামলার সময় মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা ‘আচিক কনশাস হোলিস্টিকলি ইন্টিগ্রেটেড ক্রিমা (এচিক) এবং ‘গারো হিলস স্টেট মুভমেন্ট’ কমিটির (জিএইচএসএমসি) প্রতিনিধিদের সাথে কথা বলছিলেন। তুরাকে শীতকালীন রাজধানী করার দাবিতে এ সব সংগঠন গত ১৪ দিন ধরে অনশন করছে। সোমবার তাদের প্রতিনিধিদের আলোচনার জন্য ডেকেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আলোচনা প্রায় শেষের দিকে এলে, এ সময় আচমকা একদল উন্মত্ত জনতা এসে পাথর নিক্ষেপ শুরু করে। পুলিশ জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে। উত্তেজিত জনতা মুখ্যমন্ত্রী কার্যালয়ের গেট ভাঙারও চেষ্টা করে। ওই হামলায় ২১টি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলাকারীরা তুরায় একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।
মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা সহিংসতায় আহত নিরাপত্তা কর্মীদের অবস্থার খোঁজখবর নেন। এ সময়ে নিরাপত্তা কর্মীদের মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখা যায়। তাদের চিকিৎসার জন্য মুখ্যমন্ত্রী প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে সাহায্যের ঘোষণা করেছেন। পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে জেলার ডেপুটি কমিশনার জগদীশ চেল্লানি তুরা শহরে রাতের কারফিউ জারি করেন।প্রশাসনের পক্ষ থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সতর্কতামূলক পদক্ষেপ হিসেবে আজ (মঙ্গলবার) তুরা শহরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়। #
পার্সটুডে/এমএএইচ/জিএআর/২৫