'ডক্টর আয়াতুল্লাহ বেহেশতি ছিলেন একটি জাতির সমান'
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i13177-'ডক্টর_আয়াতুল্লাহ_বেহেশতি_ছিলেন_একটি_জাতির_সমান'
আজ হতে ৩৫ বছর আগে ১৯৮১ সালের এ দিনে সন্ত্রাসী মুনাফিক গোষ্ঠী এমকেও'র পেতে-রাখা বোমার বিস্ফোরণে শহীদ হন ইসলামী ইরানের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি আয়াতুল্লাহ ডক্টর সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ হুসাইন বেহেশতি (র) এবং আরও ৭১ জন বিপ্লবী কর্মকর্তা।
(last modified 2026-04-10T03:25:29+00:00 )
জুন ২৭, ২০১৬ ২১:৪৬ Asia/Dhaka
  •  'ডক্টর আয়াতুল্লাহ বেহেশতি ছিলেন একটি জাতির সমান'

আজ হতে ৩৫ বছর আগে ১৯৮১ সালের এ দিনে সন্ত্রাসী মুনাফিক গোষ্ঠী এমকেও'র পেতে-রাখা বোমার বিস্ফোরণে শহীদ হন ইসলামী ইরানের তৎকালীন প্রধান বিচারপতি আয়াতুল্লাহ ডক্টর সাইয়্যেদ মুহাম্মাদ হুসাইন বেহেশতি (র) এবং আরও ৭১ জন বিপ্লবী কর্মকর্তা।

শহীদদের মধ্যে অনেকেই ছিলেন মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য। বিস্ফোরণটি ঘটানো হয় তেহরানে ইসলামী রিপাবলিকান দলের কেন্দ্রীয় দপ্তরে। আয়াতুল্লাহ বেহেশতি ছিলেন ইসলামী বিপ্লবের রূপকার মরহুম ইমাম খোমেনী (র)'র একনিষ্ঠ অনুসারী। তিনি ছিলেন ইরানের ইসলামী বিপ্লবের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ। ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সংবিধান প্রণয়নে তার ভূমিকা ছিল শীর্ষ পর্যায়ের। এ ছাড়াও তিনি ছিলেন ইরানের ইসলামী বিচার-ব্যবস্থার স্থপতি। এর মাধ্যমে তিনি বিপ্লব বিরোধীদের ষড়যন্ত্র বানচাল করছিলেন। তিনি মার্কিন সরকারের নানা ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধেও রুখে দাঁড়িয়েছিলেন। ইমাম খোমেনী (র) বেহেশতিকে একটি জাতির সমান বলে শ্রদ্ধা জানিয়েছিলেন। তার শাহাদত এমকেও'র সন্ত্রাসীদের অশুভ চরিত্রকেই তুলে ধরেছে বলে ইসলামী বিপ্লবের রূপকার মন্তব্য করেছিলেন।

এই ঘটনার একদিন আগে মুনাফিকরা ইরানের সে সময়কার অন্যতম শীর্ষস্থানীয় প্রভাবশালী নেতা ও বর্তমান ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হযরত আয়াতুল্লাহিল উজমা খামেনেয়ীকে হত্যার চেষ্টা চালায়। কিন্তু শত্রুদের পেতে-রাখা বোমা হামলায় মারাত্মক আহত হলেও মহান আল্লাহর ইচ্ছায় বেঁচে যান তিনি। #

পার্সটুডে/মু. আ. হুসাইন/২৭