কোয়েটা জাতীয় গ্রন্থাগারের প্রধান:পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো ইরানের অগ্রগতিকে উপেক্ষা করছে
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i144772-কোয়েটা_জাতীয়_গ্রন্থাগারের_প্রধান_পশ্চিমা_গণমাধ্যমগুলো_ইরানের_অগ্রগতিকে_উপেক্ষা_করছে
পার্সটুডে- পাকিস্তানের কোয়েটায় অবস্থিত জাতীয় গ্রন্থাগারের প্রধান আবদুল গাফফার বলেছেন, পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো ইরানের অগ্রগতিকে উপেক্ষা করছে।  কোয়েটায় ইরানের স্থানীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কর্মকর্তা সাইয়্যেদ আবুল হাসান মিরির সঙ্গে এক সাক্ষাতে তিনি ওই মন্তব্য করেছেন। 
(last modified 2026-03-14T11:23:49+00:00 )
ডিসেম্বর ১১, ২০২৪ ১৫:০১ Asia/Dhaka
  • কোয়েটা জাতীয় গ্রন্থাগারের প্রধান:পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো ইরানের অগ্রগতিকে উপেক্ষা করছে

পার্সটুডে- পাকিস্তানের কোয়েটায় অবস্থিত জাতীয় গ্রন্থাগারের প্রধান আবদুল গাফফার বলেছেন, পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলো ইরানের অগ্রগতিকে উপেক্ষা করছে।  কোয়েটায় ইরানের স্থানীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কর্মকর্তা সাইয়্যেদ আবুল হাসান মিরির সঙ্গে এক সাক্ষাতে তিনি ওই মন্তব্য করেছেন। 

পাকিস্তানের কোয়েটায় অবস্থিত জাতীয় গ্রন্থাগার দেশটির বালুচিস্তান প্রদেশের বই-বিক্রির সবচেয়ে বড় কেন্দ্রগুলোর মধ্যে অন্যতম- এই তথ্য জানিয়ে আবদুল গাফফার বলেছেন, বেশিরভাগ মানুষ ও দর্শনার্থী ইরান সম্পর্কে সঠিক ও যথেষ্ট তথ্য না থাকায় নানা ভুল ধারণার শিকার যদিও অনেকের মধ্যে ইরান সম্পর্কে জানার ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়। 

আবদুল গাফফার জানান যে পশ্চিমা মিডিয়াগুলো ইরান সম্পর্কে এমন চিত্র তুলে ধরে যে ইরান হল অত্যন্ত পশ্চাদপদ ও ভয়ানক দেশ। তিনি আরও বলেছেন, পাকিস্তানের জনগণ যখন ইরানের বৈজ্ঞানিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রের নানা দর্শনীয় সাফল্যের বিষয়গুলো ইন্টারনেট মাধ্যম থেকে জানতে পারে তখন তারা অত্যন্ত বিস্ময় অনুভব করে।  তিনি বলেন, দর্শনার্থীরা কোয়েটার এই জাতীয় গ্রন্থাগারে এসে ইরান-পরিচিতি ও ইরানের ফার্সি ভাষা সম্পর্কে তীব্র আগ্রহ দেখিয়ে থাকেন, কিন্তু দুঃখজনকভাবে কোয়েটায় এ ধরনের বই নেই।  এ ধরনের বই পেলে পাকিস্তানের বালুচিস্তানে তা বিতরণ ও বিপননে এই গ্রন্থাগার আগ্রহী বলে তিনি জানানা। 

এই সাক্ষাতে কোয়েটাস্থ ইরানের স্থানীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের কর্মকর্তা সাইয়্যেদ আবুল হাসান মিরি ইরান সম্পর্কিত বইয়ের প্রতি পাকিস্তানিদের ব্যাপক আগ্রহ ও বিশেষ করে বালুচিস্তানের জনগণের ব্যাপক আগ্রহের বিষয়টিকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, ইরানে প্রতি বছর ১২ কোটি বই ছাপানো হয় এবং ইরানি প্রকাশনা সংস্থাগুলো বিভিন্ন দেশে এসব বই বিতরণ ও বিক্রি করতে আগ্রহী। #

পার্সটুডে/এমএএইচ/১১

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।