নতুন আগ্রাসন হলে 'ধ্বংসাত্মক' জবাবের হুঁশিয়ারি আইআরজিসির
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i159638-নতুন_আগ্রাসন_হলে_'ধ্বংসাত্মক'_জবাবের_হুঁশিয়ারি_আইআরজিসির
ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন কোনো আগ্রাসী যুদ্ধ চাপিয়ে দিলে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী শত্রুকে “ধ্বংসাত্মক ও জাহান্নামসদৃশ” জবাব দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
(last modified 2026-05-24T13:04:54+00:00 )
মে ২৪, ২০২৬ ১৮:৪২ Asia/Dhaka
  • নতুন আগ্রাসন হলে 'ধ্বংসাত্মক' জবাবের হুঁশিয়ারি আইআরজিসির

ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে নতুন কোনো আগ্রাসী যুদ্ধ চাপিয়ে দিলে দেশটির সশস্ত্র বাহিনী শত্রুকে “ধ্বংসাত্মক ও জাহান্নামসদৃশ” জবাব দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

আইআরজিসির কেন্দ্রীয় কমান্ড রোববার এক বার্তায় ১৯৮২ সালের ২৪ মে কৌশলগত ইরানি বন্দরনগরী খোররামশাহর মুক্তির বার্ষিকী স্মরণ করেছে; আট বছরব্যাপী ইরানের ওপর চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে শহরটি ৫৭৮ দিন ইরাকি দখলে ছিল।

এতে বলা হয়, খোররমশহরের ঐতিহাসিক মহাকাব্যের ৪৪ বছর পর ইরানি জাতি আবারও বিজয় অর্জন করেছে; তৃতীয় চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে ৪০ দিনের প্রতিরোধ ও পাল্টা জবাব শত্রুকে অপমানজনকভাবে যুদ্ধবিরতির অনুরোধ জানাতে বাধ্য করেছে।

বার্তায় আরও বলা হয়, “দেশের শক্তিশালী সশস্ত্র বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র, বিমান, নৌ, স্থল, মহাকাশ ও সাইবার—সব ক্ষেত্রেই সর্বোচ্চ প্রস্তুতি ও সক্রিয় প্রতিরোধক্ষমতা বজায় রেখেছে। তাই শত্রুর যেকোনো নতুন আগ্রাসনের জবাব আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে ধ্বংসাত্মক ও জাহান্নামসদৃশ হবে।”

গত কয়েক দশকে ইরান তিনটি চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধের মুখোমুখি হয়েছে; এর মধ্যে রয়েছে ১৯৮০-এর দশকের ইরান-ইরাক যুদ্ধ এবং যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের দুটি অবৈধ আগ্রাসন—একটি ২০২৫ সালের জুনে ১২ দিনের এবং অন্যটি চলতি বছরের ৪০ দিনের যুদ্ধ।

সর্বশেষ সামরিক আগ্রাসনটি ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হয় এবং পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির মাধ্যমে থেমে যায়। আইআরজিসির কেন্দ্রীয় কমান্ড বলেছে, তৃতীয় চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধে জনগণের সক্রিয় উপস্থিতির সমর্থনে সশস্ত্র বাহিনীর কঠোর পাল্টা জবাব শত্রুর স্বপ্ন গুঁড়িয়ে দিয়েছে এবং তাদের ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছে।

খোররামশাহর মুক্তি থেকে পাওয়া প্রধান শিক্ষা হিসেবে অভ্যন্তরীণ শক্তির ওপর নির্ভরতা এবং সক্রিয় প্রতিরোধক্ষমতার কথা উল্লেখ করা হয়।

বিবৃতিতে দাবি করা হয়,ইরানের পারমাণবিক,ক্ষেপণাস্ত্র,প্রতিরক্ষা ও আক্রমণাত্মক সক্ষমতার অগ্রগতি শত্রুকে তাদের কৌশল পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করেছে।যুদ্ধের অবসান ঘটাতে চলমান আলোচনার এই সময়ে, জাতীয় ঐক্য ও সচেতনতা বজায় রেখে এবং শত্রুর অবস্থান ও আচরণের ওপর নজরদারি চালিয়ে ইরানি জাতি সব ষড়যন্ত্র নস্যাৎ করবে বলে আইআরজিসির কেন্দ্রীয় কমান্ড উল্লেখ করেছে।#
 

পার্সটুডে/এমবিএ/২৪

বিশ্বসংবাদসহ গুরুত্বপূর্ণ সব লেখা পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজে লাইক দিয়ে অ্যাকটিভ থাকুন।