হরমুজ প্রণালির আকাশে ৩ কোটি ডলারের মার্কিন এমকিউ-৯ ড্রোন ধ্বংস
https://parstoday.ir/bn/news/iran-i161908-হরমুজ_প্রণালির_আকাশে_৩_কোটি_ডলারের_মার্কিন_এমকিউ_৯_ড্রোন_ধ্বংস
পার্সটুডে: ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির আকাশসীমায় একটি মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়েছে।
(last modified 2026-08-03T12:32:18+00:00 )
আগস্ট ০৩, ২০২৬ ১৮:১৫ Asia/Dhaka
  • এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন
    এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন

পার্সটুডে: ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালির আকাশসীমায় একটি মার্কিন এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন শনাক্ত করে ধ্বংস করা হয়েছে।

ইরনা’র বরাতে পার্সটুডে জানায়, আজ (সোমবার) আইআরজিসি এক বিবৃতিতে বলেছে, আইআরজিসির মহাকাশ বাহিনীর উন্নত ও আধুনিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থেকে নিক্ষিপ্ত গোলার মাধ্যমে হরমুজ প্রণালির আকাশে একটি এমকিউ-৯ ড্রোনকে শনাক্ত, লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত এবং আঘাত করা হয়।

প্রতিটি এমকিউ-৯ রিপার ড্রোনের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের খরচ হয় প্রায় ৩ কোটি মার্কিন ডলার বা সাড়ে ৩০০ কোটি টাকারও বেশি। 

পেন্টাগনের বাজেট নথি অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির শেষভাগে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যখন ইরানের বিরুদ্ধে সংঘাত শুরু করে, তখন মার্কিন বাহিনীর কাছে মোট প্রায় ২৫০টি এমকিউ-৯ রিপার সরবরাহ করা ছিল। এর মধ্যে বিমানবাহিনীর অধীনে ছিল ২০৬টি, যার সক্রিয় বা যুদ্ধ-প্রস্তুত বহরে ছিল আনুমানিক ১৫৫টি ড্রোন। বাকিগুলো ছিল মেরিন কর্পস ও এয়ার ন্যাশনাল গার্ডের অধীনে। এই সক্রিয় ১৫৫টি ড্রোনের ওপর সংঘাতের প্রথম কয়েক মাসেই ভয়াবহ ধস নামে। সংঘাত শুরু হওয়ার ৮৩ দিনের মাথায়, মে মাসের শেষের দিকে ব্লুমবার্গ এক অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে সরাসরি পেন্টাগনের সূত্রের বরাতে জানায়, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে ইরান অন্তত ৩০টি সক্রিয় রিপার ধ্বংস করেছে।

পার্সটুডে/এমএআর/৩